Latest / RJ Russell- Bhoot.Com / পানির নীচ থেকে নৌকা টেনে ধরেছে | BhootDotCom | Episode-08
Transcript
- 0:04স্পিরিট। বেহের উইথ মি।
- 0:30আমি এখন সরাসরি ঘটনায় চলে যাব এবং আমার কাছে যে ঘটনাটি রয়েছে
- 0:36এটি আমাদের একজন লিসেনার আমাদেরকে পাঠিয়েছেন এবং তার এই ঘটনাটি আমি
- 0:42পড়ে শোনাবো। আশা করছি যে তার এই ঘটনাটি
- 0:45আপনাদের। যে ভাবে লিখেছেন সে ভাবে পড়ার
- 0:49চেষ্টা করছি। হ্যালো রাসেল ভাই নিশ্চয়ই আপনি
- 0:52ভালো আছেন। আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভূত ডট
- 0:55কমে আমার দ্বিতীয় ঘটনা লিখতে বসলাম।
- 0:58আমি শরিফুল ইসলাম শরিফ, মিরপুর 12।
- 1:01ঢাকা থেকে আছে দুই মাসের উপরে বাসায় হোম কোয়ারেন্টাইনে
- 1:05রয়েছি। শুধুমাত্র দেশের স্বার্থে ইচ্ছে
- 1:08থাকা সত্ত্বেও বাইরে বের হচ্ছিল। অতএব স্টুডিওতে আসা সম্ভব নয়।
- 1:13আমি যে ঘটনাটি লিখছি, যদি ভালো লাগে অনুগ্রহ করে লিসেনারদের
- 1:18পড়াশোনাবেন কথা না বাড়িয়ে। ঘটনাপ্রবাহে আসা যাক।
- 1:31ঘটনাটি। ঘটেছে আশির দশকের শেষের দিকে।
- 1:33আমার মামা বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় কোনও একটি
- 1:37গ্রামে। সঙ্গত কারণে আমি গ্রামের নামটি
- 1:39উল্লেখ করছিনা বলে রাখা ভালো যে আমি ছোটবেলা থেকেই আমার নানু
- 1:44বাড়িতে ছিলাম। আমার পড়াশোনা আমার শৈশব, কৈশোর
- 1:48এবং বেড়ে ওঠা সবকিছু আমার নানুর। তোর যত্নে আমি বড় হয়েছি তাই
- 1:54নানুর প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা ছিল নানুকে একা বাড়িতে
- 1:59রেখে আমি বেশিদিন অন্য কোথাও গিয়ে থাকতে পারতাম না।
- 2:03আমি সবেমাত্র অষ্টম কী নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করি।
- 2:07কোনও একটি ভ্যাকেশনে আমি আমার ফ্যামিলির কাছে কিছুদিনের জন্য
- 2:10ঢাকায় বেড়াতে আসি। এখানে 13 14 দিন থাকার পর নানুর
- 2:15জন্য মনটা ছটফট শুরু করেছিল। বিদায় আমি ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে
- 2:21নানুর বাড়ি চলে আসি। আমি বাসায় ঢুকে দেখি নানু আসরের
- 2:26নামাজ আদায় করতে দাঁড়িয়েছেন। যে আমার ডাক শুনেছেন অমনি রানু
- 2:31হুড়মুড়িয়ে যায় না। মাছ ছেড়ে আমার মুখে চেপে ধরল এবং
- 2:34বলল যে ভাই তুই কোন কথা বলিস না কোন আওয়াজ করিস না তুই এই সময়
- 2:40কেন আসলি তুই যেভাবে এসেছিস ঠিক সেই ভাবে চুপি চুপি ঢাকায় চলে
- 2:45যাও আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন কী হয়েছে?
- 2:48আপনি এত অস্থির হচ্ছেন কেন উনি বলল?
- 2:51বাড়ির অবস্থা খুব খারাপ। এলাকায় এক অশরীটির ডাইনি ঢুকেছে,
- 2:57যার উপরে নজর পরে তারই ডায়েরিয়া কতটা হয়।
- 3:0224 ঘণ্টার মধ্যে মারা যায় এবং মৃতদেহ খেয়ে ফেলে এবং আরও শুনে
- 3:07রীতিমতো অবাক হলাম যে তিন দিনের মধ্যে এই বাড়ির ছোট বড় সবাই
- 3:12মিলে চারজন মানুষ মারা গিয়েছে। এবং পাশের পাড়াসহ মোট 14 জন মারা
- 3:18গেছেন এবং এটি এক পাড়া থেকে অন্য পাড়া সহ পুরো গ্রাম ছড়াতে
- 3:24যাচ্ছে। আমার বুঝতে বাকি রৈটন আছে কেন
- 3:27বাড়ির সামনের রাস্তার দোকান পাট বন্ধ।
- 3:30মানুষের কোলাহল ও আড্ডা কোনওটাই নেই।
- 3:34পুরো এলাকাটা জুড়ে কেমন যেন গুমোট থমথমে ভাব স্তব্ধ ভুতুড়ে
- 3:40পরিবেশ বিরাজ করছে। যাই হোক নানুর এসব কথা শুনে
- 3:45আশ্বস্ত হয়ে বললাম, আপনি চিন্তা করবেন না ইনশাআল্লাহ আমার কিছুই
- 3:49হবে না। নানুর সমস্ত নয় বিনয় উপেক্ষা
- 3:53করে। আমি থেকে গেলাম একটু খুশি
- 3:55হয়েছিলাম এই ভেবেছে এবার বুঝি ভূত অশরী বা ডাইনি দেখার ইচ্ছেটা
- 4:01পূরণ হবে। যাই হোক নানু এ সব কথা শুনে
- 4:06আশ্বস্ত করে বললাম, আপনি চিন্তা করবেন না ইনশাল্লাহ আমার কিছুই
- 4:11হবে না। নানা সমস্ত অভিনয় বিনয় উপেক্ষা
- 4:15করে আমি থেকে গেলাম মনে মনে খুশি হয়েছিলাম এই ভেবেছে এবার বুঝি
- 4:21ভূত অশরী বা ডাইনি দেখার ইচ্ছেটা। পূরণ হবে আমি।
- 4:26এতটাই ডানপিটেছিলাম যে কোনও। ভূত প্রেতের উপস্থিতি কিংবা এসবের
- 4:31প্রতি ন্যূনতম ভয়ের অনুভূতিটুকু আমার মস্তিষ্কের নিউরনকে কখনও
- 4:37স্পর্শ করেনি। রাত বিরেতে যেভাবে চলাফেরা করেছি
- 4:40একা একা রাতভর মাছ ধরা বন্ধুদের সাথে অন্য গ্রামে গিয়ে হিন্দুদের
- 4:46পূজা মন্ডপ দেখা। কীর্তন সোনা যাত্রা পালা গান শুনে
- 4:51কখনো একা একা রাত তিনটায় ঘরে ফেরা এবং শ্মশানে মানুষ পোড়া
- 4:56দেখে নির্ভয়ে বাড়ি ফিরেছি। এসব করতে গিয়ে হয়তো মাঝে মধ্যে
- 5:01আমার ভূত প্রেত বিভিন্ন রূপ ধরে এসেছিল।
- 5:04আমাকে ভয় দেখানোর জন্য। কিন্তু আমার ভেতরে ভয় লেস মাত্র।
- 5:08অনুভূতি না দেখে হয়তো ওরা নিজেরাই লজ্জা পেয়ে চলে গেছে
- 5:13এইসব। স্মৃতি এখন মনে করলে শরৎচন্দ্রের
- 5:18শ্রীকান্ত উপন্যাসের পটভূমিতে হারিয়ে যায় এবং সত্যি ভয় পাই।
- 5:21এবার আসি মূল ঘটনায় ঘটনার সূত্রপাত হয় আমার এক চাচাতো
- 5:26মামার বড় মেয়ে। অর্থাৎ।
- 5:29আমার মামা তো বোনকে নিয়ে যিনি আমার আম্মার থেকেও বয়সে বড়
- 5:32ছিলেন ওনাকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের আশেপাশে
- 5:37কোনও 1:00 গ্রামে কোনও সন্তানাদি ছিল পাঁচ জন সেই ছোটবেলা থেকে
- 5:43ওনাকে আমরা একবারই দেখেছি শুনেছি উনি দীর্ঘদিন যাবত এক ধরনের অজানা
- 5:48রোগে ভুগছেন। অনেক ডাক্তার কবিরাজ চিকিৎসা করেও
- 5:52কোনও লাভ হচ্ছিল না এবং ওনার সাথে নাকি প্যারানর্মাল কিছু নিয়মিত
- 5:56ঘটত যা ওনার শরীর ও মনের সাথে ওতপ্রোতভাবে একদম মিশে গেছে।
- 6:03এরকমই শুনে আসছিলাম ওষুধপত্র খাওয়াদাওয়া ঠিক মতো করতেন না।
- 6:07এভাবে দিন দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে একদিন উনি।
- 6:12মারা যান। মৃত্যুর আগে উনার পরিবার সদস্যদের
- 6:15বলে গেছেন যে মৃত্যুর পরে ওনার খবরটা যেন বাবার কবরের পাশে
- 6:19দেওয়া হয়। একদিন রাতে মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার
- 6:23পর কামরুল ভাই তাড়াতাড়ি গ্রামের পরিচিত একটি নৌকা ঠিক করে সাথে
- 6:28আরও একজন লোককে নিয়ে বড় বোনের লাশ আনতে খুব ভোরে রওনা দেন।
- 6:33এখান থেকে ঘটনাটি ঘটেছিল সেটা জানতে পারলাম।
- 6:36তাঁদের মুখে যারা লাশ আনতে নৌকা নিয়ে গিয়েছিল এবং আমি তাদের
- 6:41একজনের হয়ে ঘটনাটি যেভাবে ঘটছিল সে ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
- 6:46আশির দশকে যোগাযোগ ব্যবস্থা কতটা উন্নত ছিল না।
- 6:50এবং যাতায়াতের একটি অন্যতম মাধ্যম ছিল নৌকা।
- 6:53যাইহোক সেখানে গিয়ে পৌঁছেছি যখন তখন বেলা বাজে প্রায় দুপুর 1:00
- 6:59লাশের গোসল কাফন ও জানাজা ও আনুষাঙ্গিক কাজ শেষে লাশ নিয়ে
- 7:05রওনা পেতে। বেলা প্রায় তখন 3:00 নৌকার
- 7:09ছুঁয়ের ভিতরে লাশ শুইয়ে রেখে সামনে পেছনে পর্দা দিয়ে বন্ধ করে
- 7:14আকর বাতি জ্বালিয়ে দিয়ে আল্লাহর নাম নিতে দিতে যাত্রা শুরু করলাম।
- 7:18নৌকা খুব ভাল ভাবে চলছিল আট। টা কি নয়টার মধ্যে হয়তো পৌঁছাতে
- 7:23পারব আমরা। দুজন নৌকার সামনে বসে জিকির করছি
- 7:26এবং মাঝে মাঝে। বৈঠা দিয়ে মাজিকে একটু সাহায্য
- 7:30করছি এদিকে। কবর খোরার কাজ।
- 7:32নিশ্চয়ই সম্পন্ন হয়ে গেছে। আমরা বড় শাখা নদী ধরে ঘুরতে
- 7:37এগোতে এমন 1:00 জায়গায় পৌঁছেছি। তখন সন্ধ্যার অন্ধকার নেমেছে।
- 7:42মাঝে এখন গ্রামের ভেতর দিয়ে একটি খাল ধয়ে যেতে শুরু করছে।
- 7:47খালের দুই পাশে ঘন গাছপালার ঘুটঘুটে অন্ধকার চোখে কিছু 1:00
- 7:51দেখা যাচ্ছিল না। নৌকার হারিকেনটা ইতোমধ্যে
- 7:54জ্বালিয়ে দিয়ে সামনে নৌকার ছুঁয়ের সাথে লাঠি পেতে রেখে
- 7:58দিয়েছি। কিন্তু মিটিমিটি আলো এই
- 8:00অন্ধকারটাকে ভেপ করতে পারছে না। মাঝে জিজ্ঞেস করলাম বোমির মিয়া।
- 8:06এটা কোন ধরনের পথ? আমরা কোন দিকে যাচ্ছি বলল শর্টকাট
- 8:11এই গ্রামের ভেতর দিয়ে কোনাকরি পাড়ি দিয়ে সামনের বড় চঁকে উঠব।
- 8:16যাই হোক। একটু তাড়াতাড়ি হলেই ভাল।
- 8:20এভাবে প্রায় ঘন্টাখানেক যাওয়ার পর হঠাৎ কেন যেন মনে হল নৌকার গতি
- 8:26শ্লথ হয়ে গেছে। মাঝি প্রাণ পণে জোড়া লগি মারছে।
- 8:31কিন্তু নৌকা সামনের দিকে এগোচ্ছে না।
- 8:35নৌকা কেমন যেন? ভারী হয়ে গেল মাঝি।
- 8:37প্রথমে ভাবল হয়তো নৌকার পাটা তোনের নিচে কোনও শৈলবাল বা
- 8:40কচুরিপানার ঝাঁক বেঁধেছে। তাই হয়তো এমনটি হচ্ছে।
- 8:44এ ভাবে অনেকক্ষণ চলার পর আচালক নৌকা প্রচণ্ড 1:00 ঝাঁকুনি অনুভব
- 8:48হলো বেগ সামলাতে না পেরে নৌকার মাথা ঘুরে গেল লগিটা গাছের ডালায়
- 8:53বেঁধে হাত থেকে ছুটে গেল মাছী তখনও বুঝতে পারছিল না।
- 8:57বছরে কতটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
- 9:01বৈঠার সাহায্যে লোকেটাকে উদ্ধার করে আবার সামনে এগুতে শুরু করল।
- 9:05এভাবে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই যাচ্ছে তো যাচ্ছেই।
- 9:09কিন্তু খালের মাথা জানো আর শেষ হচ্ছে না।
- 9:11মাঝে কিছুটা ঠাওয়ার করতে পারল সে ভুল রাস্তায় এসেছে এমন এক
- 9:15জায়গায় এসে মাঝের নিজেই বুঝতে পারছিল না সে কোন দিকে যাবে,
- 9:18কোথায় এসে ঠেকেছে। আমাদের চিল্লা চিল্লি শুনে দূর
- 9:22থেকে টর্চ মিলে কেউ একজন এগিয়ে এসে বলল।
- 9:24কে আপনারা আমরা। মন থেকে সাহায্যের আকুতি ভরা
- 9:28কণ্ঠে বললাম, ভাই আমরা। আমরা এসেছি অমুক জায়গা থেকে আমরা
- 9:35যাব কচুয়া অমুক গ্রামে। আমাদের কথা শুনে লোকটি অবাক হয়ে
- 9:41বলল। আপনারা এখানে কেন এসেছেন?
- 9:44আপনার বড় ভুল করে ফেলেছেন খারাপ রাস্তায় ঢুকে পড়েছেন।
- 9:49লোকটি বলল, আল্লাহর নাম নিয়ে নৌকা ঘুরিয়ে পিছনে যেতে থাকুন।
- 9:53আনুমানিক দুই কিলো যাওয়ার পরে ডানদিকে যে খাল টিকেছে সেটা ধরে
- 9:57এগুলো বড় জলা বা হাওর সামনে পড়বে।
- 10:00নৌকা ঘুরিয়ে আমরা পেছনের দিকে যেতে শুরু করলাম।
- 10:03যতই করছি যেন অজানা ভয় আমাদের গ্রাস করছে কাঁটা দিয়ে শরীর ফুলে
- 10:08গেছে। যতই মনে সাহস জোগানোর চেষ্টা করছি
- 10:11ততই আমাদের গলার শুকিয়ে আসছে। মাঝে আগে আমাদের সাহস দিয়ে
- 10:15বলছিল, আমি আছি, আপনারা ভয় পাবেন না।
- 10:17হারিকেন শক্ত করে ধরে বসে থাকবেন। কিন্তু এখন।
- 10:23এখন মাঝে নিচে ভয় তার হাত পা অবশ।
- 10:29এক ধরনের। আওয়াজ শুনে যা।
- 10:32সামনে থেকে আমরা দুজন কোনও কিছুই শুনতে পাই নাই।
- 10:36হঠাৎ মাঝি পেছন থেকে বলে উঠল ভাই আপনারা একটু পেছনে আসবেন।
- 10:40আমার নৌকা বাড়িতে অসুবিধা হচ্ছে। আমরা ভয় পাপা বলে বুঝি মাছি
- 10:45কিছুই বলল না। কামরুল ভাই পেছনে গেল আমি একা বসে
- 10:48আছি। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ নৌকার ছুঁয়ের
- 10:51ভেতর থেকে এক ধরনের আওয়াজ সুনামি।
- 10:53প্রচণ্ড ভয় পেয়ে এক লাফে নৌকার পেছনে এসে ঘুমড়ি খেয়ে পড়ি।
- 10:57সবাই নৌকা নৌকার এক মাথায় চলে। নৌকার ডুবে যাওয়ার উপক্রম হল কেন
- 11:01জানি কারও একার পক্ষে নৌকার সামনে বা পেছনে থাকার সাহসও ছিল না।
- 11:05মাঝে বলল, আপনারা সামনে চলে যান। তা না হলে নৌকায় পানি ঢুকে যাবে।
- 11:10আমরা আবার নৌকার সামনে গিয়ে বসলাম।
- 11:14পর্দার ভেতর লাশের সাথে কী হচ্ছে সেটা দেখার জন্য কারো সাহস ছিল
- 11:18না। কারণ মনে যাতে ভয় ঢুকতে না পারে
- 11:20তাই। যার যার জায়গা থেকে ব্যাপারটি
- 11:23চেপে গেলাম এবং তো অত পড়তে থাকি। অনেকক্ষণ পর থেমে থেমে মনে হয়।
- 11:28চপ চপ করে খাওয়ার কোনও 1:00। শব্দ পাচ্ছি যাই হোক।
- 11:33খুটখুটিয়ে অন্ধকার। সামনের সীমানা পেরিয়ে খোলা মেলা
- 11:38চলা। ও।
- 11:39হাওয়ারে প্রবেশ করলাম আকাশ পরিষ্কার এবং একাদশী চাঁদ থাকায়
- 11:44খোলামেলা জায়গাটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
- 11:47আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মনে মনে খুশি হয়েছে এই ভেবেছে।
- 11:51বাকি পথটুকু হয়তো সহি সালামতে পৌঁছে যেতে পারব।
- 11:55ঘড়ির কাঁটা থেকে সবাই অবাক। রাত 11:00 ছুঁই ছুঁই মাঝে ক্লান্ত
- 11:59হয়ে নৌকা চালাচ্ছে ধীর গতিতে মন চাঙ্গা করার জন্য।
- 12:01কিছুক্ষণ পর মাজিকে বিড়ি চালিয়ে দেয়।
- 12:05এভাবে চলতে চলতে আমরা দুজন কখন যে ঘুমের ঝিমণি ধরে ফেলেছে, আমাদের
- 12:09বুঝতে পারিনি। নৌকা পাড়ে ফেটলে যেমন ঝা করি
- 12:13খায় তেমনি 1:00 ঝাঁকুনি দিয়ে নৌকা থেমে গেল আচমকা মাথা তুলে
- 12:17দেখি 1:00 উঁচু জায়গায় মাটির ডিবিতে নৌকা ঠেকেছে।
- 12:21প্রথমে ভাবলাম। আমরা চলে এসেছি কিন্তু ভালো করে
- 12:26তাকিয়ে দেখি জায়গাটা অপরিচিত মাজিকে বিরক্তির সুরে বললাম,
- 12:29মোমিন মিয়া কোথায় নিয়ে আসছো সে আপদামতা করে বলল।
- 12:35তাতে বুঝতে বাকি রয়েছে তাকে পথ ফুলিয়ে অন্যদিকে।
- 12:41নিয়ে চলে এসেছে জায়গাটা কোথায় সেটা ভালো করে দেখার জন্য আমরা
- 12:44নৌকা থেকে নেমে যা দেখলাম সেটা দেখব বলে মোটেও প্রত্যাশা করেনি।
- 12:49আমরা দেখলাম গ্রামের বাহির সাইডে 1:00 বড় ছাড়া পুকুর।
- 12:54তার চারপাশে বড় বড় গাছপালা এবং পুকুরের একপাশে প্রশস্ত জায়গা
- 12:58জুড়ে গুরুস্তান। এটা দেখে আমরা ভয় পেয়ে যাই।
- 13:01এরই মধ্যে মাঝে কয়েকবার চিৎকার করে কাউকে ডাকার বৃথা চেষ্টা করেও
- 13:04কোনও লাভ হয়নি। চারিদিকে গভীর নিস্তব্ধ নীরবতা
- 13:08পরিবেশ। দেখে আমরা শরীর হিম করে বসে
- 13:13রয়েছি। হঠাৎ দূর থেকে উলফার মতো 1:00
- 13:17কুকুরের ডাক রাতের নিরাপত্তা অতিক্রম করে আমাদের কানে এসে
- 13:21পৌঁছল। জায়গাটি ভালো ঠিকছে না ভেবে যে
- 13:24আমরা তাড়াতাড়ি নৌকায় উঠলাম। কিন্তু।
- 13:27মাছি নৌকা সরাতে পারছে না। প্রথমে ভাবলাম হয়তো নৌকাটি কাদা
- 13:30মাটির সাথে ইঁটে গেছে। কিন্তু না।
- 13:33না। কামরুল ভাই নেমে দেখল নৌকার তলা
- 13:37সম্পূর্ণ পানিতে। তাহলে বাঁচির চেষ্টা করেও কেন
- 13:40নৌকাটি ঘুরাতে পারছে না? মনে হচ্ছে কোনও এক অশুভ শক্তি
- 13:43নৌকাটিকে 18 মতো আটকে রেখেছে। শরীরের সমস্ত সুখী দিয়ে আল্লাহু
- 13:51আকবার পরে চিৎকার করে বইটা দিয়েছে।
- 13:54এই ধাক্কা দিয়েছি নৌকা সরে গেল রাত বাজে সোয়া 2:00 এত বড় হাওরে
- 14:00শুরু হল আমাদের উদ্দেশ্যবিহীন পথ চলা একদিকে হারিয়ে তেল ফুরিয়ে
- 14:04যাওয়ায় আলু নিভুনি বউ ভাঙা চাঁদটা পশ্চিম আকাশের দিকে হেলে
- 14:07পড়েছে সেটার দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করা ঠিক রাখার চেষ্টা যে মাঝি।
- 14:12ঠিক চালাচ্ছে কিনা বেশকিছু তো যাওয়ার পর হঠাৎ 1:00 চাপা
- 14:16কান্নার আওয়াজ শুনে আমি আঁতকে উঠে কামরুল ভাইয়ের হাত চেপে থরি
- 14:20কান খাড়া করে শুনলাম নৌকার ভেতর থেকে অবিকল শেফালির মায়ের গলার
- 14:26কান্নার আওয়াজ। যাই হোক না কেন মাঝিকে বুঝতে
- 14:31দেওয়া যাবে না কি হচ্ছে ভেতরে তাহলে আমাদের বিপদ হবে।
- 14:35কিন্তু মাঝি চিৎকার দিয়ে বলল ভাই আমি আর নাও বাড়িতে পারছি না।
- 14:39আমার খুব সমস্যা করছে। জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে মোমিন
- 14:43মিয়া সে বলল, কেন আপনারা কিছু বুঝতে পারছেন না যে নৌকাটা আমার
- 14:47টাইম না ধরে রাখছে। আপনারা কি কোনও আওয়াজ শুনতে পান
- 14:50নাই? কামরুল ভাই বড় গলায় কাশি দিয়ে
- 14:55মাছিকে সাহস জোগানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে বলল ময়মীয়া এসব কিছু
- 15:00না। তুমি কানে ভুল শুনছ।
- 15:02আল্লাহর নাম নিয়ে নৌকা চালাও। সময় যত করাচ্ছে বুঝতে পারছি
- 15:08আমাদের সাথে কী হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমাদের
- 15:11তিনজনকে ছাড়াও নৌকার ভেতরে আরও কিছুর উপস্থিতি রয়েছে।
- 15:15হঠাৎ এক অদ্ভুত হাসির শব্দে মোমিন মিয়া দাঁটার থেকে।
- 15:18চিৎকার করে ধাপাস করে পাঠাতলে পড়ে গেল।
- 15:21ভয় নৌকার ওপাশে গিয়ে দেখি মোমিন মিয়ার মাথাটা নৌকার গুলের পাশে
- 15:25ঝুলে আছে। আমি চিৎকার দিয়ে কামরুল ফাঁকে
- 15:27রাখলাম। কামরুল ভাই এপাশে আসো।
- 15:30মোমিন বিয়ার মাথাটা গোলের উপর রেখে মাথায়।
- 15:35পায়ের ঝাপটা দিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করল।
- 15:39মোমিন মিয়ার নিথর নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে আছে আচমকা 1:00 পটকা পচা
- 15:44গন্ধে। আমাদের নাকে এসে বাড়ি খেল গন্ধটা
- 15:49ধীরে ধীরে তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে গন্ধটা যতই নাকের ভেতরে
- 15:52ঢুকছে ততই মনে হচ্ছে মাথাটা ঝিমঝিম করছে।
- 15:55শরীর আবুশ হয়ে আসছে। আর টিকতে না পেরে আল্লাহকে স্মরণ
- 15:58করে। পেছন থেকে নৌকার সামনে গিয়ে বসি।
- 16:02তারপর আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি।
- 16:05এ ভাবে কতক্ষণ ছিলাম বুঝতে পারিনি।
- 16:06হঠাৎ করে বৃষ্টির ঝাপটায় আমার চেতনা ফিরে এসেছে।
- 16:09চোখ খুলে দেখি আমি একা এবং নৌকার অপর পাশে মোমিন মিয়া নৌকা
- 16:15চালাচ্ছে। কামরুল ভাই নাকে মুখে গামছা বেঁধে
- 16:20মুভি মিয়ার পাশে মাথা নিচু করে বসে আছে।
- 16:23ইতোমধ্যে ফজরের আজান পড়েছে নৌকাও নিয়েছি।
- 16:28গ্রামের কাছে চলে আসছে যথাসময়ে মুখ ঘাটে ফিরল।
- 16:33খবর পেয়ে মসজিদের মুসল্লিরা নামাজ শেষ করে খাটিয়ে নিয়ে লাশ
- 16:36তুলে নিল। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লাশটাকে
- 16:39কবরস্থ করতে হবে। তাই বলেছে লাশের শরীরে বিভিন্ন
- 16:43অংশ খেয়ে ফেলা হয়েছে এবং অদ্ভুত বিষয় হল এই যে লাশের বুকের
- 16:47মাঝখানটা 1:00 ছিদ্র ছিল এবং ভেতরে কলিজা ঘুরতে এই জাতীয় কোনও
- 16:53মর্গান ছিল না। মনে হল 1:00 কিছু তীক্ষ্ণ 1:00
- 16:57কিছু ঢুকিয়ে সব অর্গান গুলো খেয়ে ফেলা হয়েছে বা ছিঁড়ে ফেলা
- 17:00হয়েছে এভাবে অবসান হল। এক।
- 17:03বিভীষিকা ময় রাতের ঘটনা। টি এখানে শেষ হলে ভাল হত কিন্তু
- 17:08হয়নি। মূলত ঘটনার আসরের সময় করুন।
- 17:12নির্মম ইতিহাস রচিত হল সেদিন। সেজন্য আনুমানিক রাত 8:00।
- 17:18ঘরের পাশে মামনি একটি কান্নার আওয়াজ শুনতে পান।
- 17:22উনি নামাজ পড়ছিলেন। আওয়াজ শুনতে থাকেন দেওয়া।
- 17:28লে আমার বড় মেয়ে ঘরের কোণায় দাঁড়িয়ে কাঁদছে।
- 17:29মুহূর্তের জন্য মামনি বেমালুম ভুলে গেলেন তাঁর মেয়ে কত হয়েছেন
- 17:33তিনি যে একটু এগিয়ে গেলেন তখনই মেয়েটি আস্তে আস্তে হেঁটে অন্দর
- 17:39বাড়ির দিকে পুকুরে শান বাঁধানো ঘাটের কাছে এসে দাঁড়াল।
- 17:43মামুনি রাম থেকে ডেকে উঠলেন হঠাৎ ঘরের অন্য একজন সদস্য ব্যাপারটির
- 17:47লক্ষ্য করে দ্রুত পিছন থেকে মামনিকে আটকিয়ে ফেলেন।
- 17:51সে রাতে। অনেকে হাসি কান্ডার আওয়াজ শুনতে
- 17:55থাকে এবং ভোর রাতে বাড়ির কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যান।
- 17:5924 ঘণ্টা চেতনা চেতে দুজন বাচ্চা মারা যায়।
- 18:02পর পর দুদিনের ব্যবধানে ছোট বড় মিলে একই বাড়িতে চারজনের প্রাণ
- 18:06যায়। পুরো বাড়ি চড়ে করুন জয় বিদারক
- 18:10দৃশ্য। শোকের মাতম বয়ে যায়।
- 18:13তাই দুদিন যেতে না যেতেই পারার মধ্যে রাতে বিলাপ চিৎকারের
- 18:18কান্না। খবর পেল।
- 18:20ওই বাড়ির অমুক ছেলেটা মারা গেছে সোনা যেতে শুরু হল প্রায়
- 18:25প্রতিদিন রাতে করো না কোনও মরার আওয়াজ বা মরার কান্নার আওয়াজ
- 18:31অর্থাৎ মারা গেছে। তখন কেউ বিরাট করে খাচ্ছে কোনটা
- 18:34যে মরার কান্না আর কোনটা যে অস্বরিক কান্না সেটা বোঝাই কঠিন
- 18:37হয়ে দাঁড়াল। গ্রামের প্রত্যেক পাড়ার
- 18:42কুকুরগুলো যেন অচেনা কিছু দেখে আতঙ্কে রান্না করছে।
- 18:44একের পর এক পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে কারও বিপদে কোনও
- 18:49লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ ভয় বের হতে চায় না।
- 18:52প্রায় রাতেই কোনও না কোনও মোড়ার খবর পাওয়া যেত।
- 18:55আশ্চর্যের বিষয় হল এই যে প্রায় প্রতিটি লোকই রাতে।
- 18:59মারা গেছে এবং নোটিস করত। তাঁদের বেশির ভাগ লাশের শরীরের
- 19:04বিভিন্ন অংশ খাওয়া এ ভাবে বেশ কিছু মানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
- 19:07হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপারটি যখন পুরো গ্রাম জানাতে শুরু করল তখন
- 19:11গ্রামের মুলবীয় যুবক মিলে ওই এলাকার একটি মাদ্রাসার সমস্ত আলেম
- 19:15এবং ছাত্রদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মামার বাড়ির বড় মসজিদে সবাই
- 19:19একত্রিত হয়ে পুরো গ্রাম বন্ধ করার প্রক্রিয়া করল এবং।
- 19:24আমিও তাদের সাথে পার্টিসিপেট করি হুজুরগণ 1:00 গ্রুপে দশজন করে
- 19:28এভাবে 12:00 গ্রুপ করে দিল কী দোয়া পড়তে হবে সবাইকে শিখিয়ে
- 19:32দিল এবং প্রত্যেক গ্রুপে দুজন একজন করে হুজুর উপস্থিত থেকে পুরো
- 19:36গ্রাম প্রদক্ষিণ করতে লাগল এবং চিৎকার করে দোয়া পড়তে লাগল।
- 19:40এইভাবে পুরো গ্রাম বন্ধ করার পর। এই অশুভ ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটল।
- 19:47এত বছর পরে সে আমি একটি হিসাব মিলাতে পারছি না জানতে ইচ্ছা করছে
- 19:52সেটা নৌকা সেটা হল নৌকার লাশ আনা। এই রাতের বীভৎস ঘটনার সাথে কি
- 19:57সম্পর্ক থাকতে পারে? পরবর্তীতে ডায়রিয়া ও কলেরায়
- 20:00মারা যাওয়ার এবং লাশের শরীরের কোনও অংশ খেয়ে ফেলার।
- 20:06যদি কারও জানা থাকে, অনুগ্রহ করে জানাবেন সমস্ত লিসেনার দেরিদের
- 20:10শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করছি প্লিজ স্টে হোম স্টে সেফ এন্ড।
- 20:18সবাইকে নিরাপদে রাখবেন সেটা তিনি জানিয়েছেন।
- 20:21স্পেশালি অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই পুত্র কম অ্যারেঞ্জ
- 20:25করার জন্য। ঘটনাটি আমার কাছে খুব অদ্ভুত
- 20:27লেগেছিল। যেখান থেকে শুরু হয়েছিল, তার
- 20:29মাঝখানে হঠাৎ করে অন্য একটি ঘটনায় ঢুকে পড়লাম।
- 20:31কিন্তু তিনি পরে বলেছেন যে এই ঘটনার সাথে ওই ঘটনার কোনও লিঙ্ক
- 20:36আছে কিনা এটাই। উনি জানতে চেয়েছেন এবং এটাতে
- 20:41আপনাদের কি মনে হয় সেটা আপনারা আমাদেরকে জানাতে পারেন এবং অবশ্যই
- 20:47আমাদেরকে জানাবেন। আমাদের ফেসবুক পেজ জানাতে পারেন
- 20:50সাথে না পেয়েছে এখানে কমেন্ট করা হয় সেখানে আপনি চাইলে জানাতে
- 20:53পারেন আপনার ইচ্ছা মতো আপনি জানিয়ে দিন আমাদেরকে তো এই ছিল
- 20:57ঘটনা। আমি চলে যাব।
- 20:59আমাদের পরবর্তী ঘটনায় আশা করছি ঘটনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
- 21:04ডট কম। দুফিল রিটার্সাল।
- 21:18শুরু করেছিলাম 1:00 নৌকার ঘটনা দিয়ে কেমন হয় যদি আজকে আফগানান
- 21:24ভয়েস শোনান। নৌকা নিয়ে একটি ঘটনা।
- 21:27আমার মনে হয় খারাপ হয় না। তবে তার আগে আমরা শুনব।
- 21:31আমি বলছিলাম না যে আমাদের এই প্লেন নিয়ে 1:00 ঘটনা রয়েছে এবং
- 21:38আমাদের পাইলট এবং তাদের ক্রু দের নিয়ে আমাদের অনেক আগ্রহ থাকে।
- 21:42তাঁদের মধ্যেই একজন আমাদের একটি ঘটনা পাঠাচ্ছেন।
- 21:45চমৎকার একটি ঘটনা পাঠিয়েছেন তিনি এখন কানাডায় অবস্থান করছেন।
- 21:49আমরা তাঁর কাছে সেই ঘটনাটি সরে আসবো।
- 21:52আশা করছি এই ঘটনাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
- 21:54মিন টাইম আমাদের অবশ্যই লিখুন। আমাদের ফেসবুক পেজ হচ্ছে 1:00
- 21:59ফেসবুক.কম স্ল্যাশ রাসেল ডট স্বাধীন আর ইউ ডাবল স এ ডাবল ডট স
- 22:04এইচ এ ডি এইচআইএম একই সাথে আপনি সাথে মিউজিক আছে।
- 22:10মেসেজ পাঠানো চাই বা যেখানে চ্যাট অপশন রয়েছে সেখানে আপনি কিন্তু
- 22:13আমাকে লিখে পাঠাতে পারেন। আমি সেখানে আপনাকে উত্তর দেব।
- 22:17আমি চলে যাচ্ছি আমাদের। পরের ঘটনাটিতে সাথেই থাকুন।
- 22:31আসসালামু আলাইকুম রাসুল ভাই আমি সাব্রিনা কানাডা থেকে বলছি আজ।
- 22:37কে আমার ঘটনাটা শুরু করার আগে আমার জবের 1:00 ভূমিকা এখানে
- 22:43দেওয়া উচিত। আমার জব তার সাথে রিলেটেড এই
- 22:49ঘটনাটা জব টার সাথে রিলেটেড বলতে চাই।
- 22:51একটু হোটেল কেন্দ্রিক ঘটনা তাই। আমি একটি স্বনামধন্য এয়ারলাইন্সে
- 22:57কেবিন ক্রোতে ছিলাম। ছিলাম বলছি কারণ আমি হুট করে
- 23:04একদিন কানাডা সেটল করার জন্য চাকরি সাইন করে চলে আসি তো এর
- 23:11মাঝেই 1:00 ছিল না। কত সন্তু ভুলে গেছি।
- 23:18যাইহোক এখন থেকে 15 বছর 20 বছর আগে।
- 23:22মাসকাটে একটি ঘটনা। আমরা ফ্লাইটে যখন যেতাম মাস্ক
- 23:26কাটে তখন 1:01 সেট থাকত তিনদিন। আর 1:00 সেট থাকব চারদিন সেট মানে
- 23:34ক্রু সেট মাস্কেট এ আমরা তখন এখনকার যে অন্যতম ওমান শহর মাস
- 23:40কাজ মাস্কার্ট যে। রূপ।
- 23:43সেটির ধরেন এখন থেকে 20 বছর আগে। কিন্তু তা ছিল না বেশ 25 বছর আগে।
- 23:50বেশ। ফাঁকা ফাঁকাই ছিল মানে?
- 23:55আরব দেশ যেমন থাকে সো আমরা তো ফ্লাইটে গিয়ে হোটেলে থাকতাম।
- 24:00আমাদেরকে খুব ভাল হোটেলে রাখা হত সবসময়।
- 24:05মাস্কেটের একটি শহর রুই রুই শহরটা সবাই চেনে আর তো রুই রে একটি
- 24:13পাহাড়ের উপরে বেশ ভালো। একটি জায়গায় ফাইভ স্টার হোটেল
- 24:18আমি হোটেল টির নামটা সঙ্গত কারণেই বলছি না।
- 24:21কারণ এটি একটি ফাইবার স্টার মাল্টিন্যাশনাল হোটেল।
- 24:24আমি সো। প্রথম দিন আমরা ফ্লাইট নিয়ে গেছি
- 24:31তো। ফ্লাইটের পরে এত টায়ার্ড থাকি।
- 24:34বিভিন্ন কাজ ধরেন। আমাদের চার ঘণ্টার যদি ফ্লাইট হয়
- 24:39আগে পিছে। সব ডিউটি হিসাব করে ধরেন।
- 24:44সেখানে আট ঘণ্টায় হয়ে গেল সো বেসিক্যালি টাইার্ড আর।
- 24:49টাইমের 1:00 ব্যাপার থাকে মাস্ক টাইম বাংলাদেশ থেকে দু ঘণ্টার
- 24:53পেছানো বা ফ্লাইটে যাব। ওই চিন্তায় হয়তো আগের রাতে ঘুম
- 24:58হয়নি। সব মিলিয়ে ধরেন এত টায়ার্ড
- 25:01থাকতাম যে ঘুমিয়ে যেতাম ফ্লাইট করে গিয়ে।
- 25:06ভরসা নিয়ে ঘুম তো সেদিনও তাই করেছি।
- 25:11ফ্লাইট নিয়ে গেছি যথারীতি হোটেলে চেক ইন করে হট শাওয়ার নিয়ে
- 25:15অ্যাস উজুয়াল ঘুমিয়েছি। ঘুম থেকে উঠে ঘুম থেকে একটু বেলা
- 25:22করে উঠেছি তখন বেলা হয়ে গেছে। তাই একটু চা টা খেয়ে ভাবলাম।
- 25:27নামাজ পড়ার জন্য উঁচু করে আসি। তারপর উঁচু করে এসেছি।
- 25:32এসে জোহরের নামাজটা করলাম। সো পার করলাম মানে যেহেতু সফরের
- 25:38ছিলাম দুই রাকাত নামাজ ছিল ওটা পরে আবার ভাবছি।
- 25:42ঠিক আছে একটু পরে তো আবার আসল করব তো বসেই আমি বই পড়ি।
- 25:46তাই করছে বই করছে। যখন জোহর নামাজলাম ভালই এরপর।
- 25:54যখন আসরের একটু আগে হঠাৎ করেই। হোটেল আমার রুমের যে ওয়াশরুম
- 26:01সেখানে লাইট একবার কেউ সুইচ যাচ্ছে।
- 26:05কেউ আবার মেভাচ্ছে মানে একবার জ্বলছে একবার নিচ্ছে।
- 26:11এটা অনেকক্ষণ হচ্ছে আমি স্পষ্ট মানে দেখা যাচ্ছে যে, ওই
- 26:16ওয়াশরুমের সাইটে অন্ধকার। আবার লাইট আসছে আবার অন্ধকার আবার
- 26:20লাইট আসছে প্রথম ভাবলাম বোধ হয় সুইচের কোনও গন্ডগোল।
- 26:23যাই হোক সুইচ এর গন্ডগোল ভাবে বসে আছি কিন্তু।
- 26:27একটু ভয় লাগছে তাই ওয়াশরুমের দিকে আর যায়নি।
- 26:30যেহেতু অজু আছে আমি আসরের নামাজের জন্য দাঁড়ালাম।
- 26:34তো আসরের নামাজেও রাকাত কষালে। দাঁড়িয়েছি বুট এবার আমার মনে হল
- 26:43শুধু তো আমি না মনে হচ্ছে আমার পেছনে কেউ গা ঘেঁষে দাঁড়ানো
- 26:46নামাজের পেছনে। আমি সেই অভিজ্ঞতার কথা এখন আর
- 26:52বর্ণনায় বলতে পারব না। সেই অনুভূতিটা খুব।
- 26:57সুখ মানে খুব যে বোঝাতে পারব তা না মানে মনে হচ্ছে গা ঘেঁষে কেউ
- 27:02দাঁড়ানো আমি নামাজ যে দাঁড়ানো আমি নামাজের সূরা শুরু করেছি।
- 27:06মানে মনে হচ্ছে সূরা ভুলে যাচ্ছি আর দু রাকাত নামাজ আমি মনে হয়।
- 27:10বাকি দুই সেকেন্ডে শেষ করলাম নাকি 20 মিনিটে শেষ করলাম আমি জানি না।
- 27:16নামাজটা শেষ করেই করতে মনে হল পাশে পাশেই এখনও কেউ আছে।
- 27:21আমি তো কিছুই থাকুন আর পিছনে তো তাকাইনি।
- 27:25ওই অবস্থায় আমি দরজা খুলে দৌড় দৌড় দিয়ে তো।
- 27:30লবিতে চলে গেছি লবিতে গিয়ে তারপর।
- 27:34রিসেপশনে বললাম রিসেপশনে বললে পরে ওরা বেলবয় দিয়ে পাঠালো।
- 27:39আমি রুমে ঢুকে না। আমি তো রুমে ঢুকবো না তো তখন
- 27:43আসলে। এই সব দেশের বেশিরভাগই অনেক
- 27:47বাঙালি ভাইয়েরা। অনেক অনেকেই যবে আছেন সো ওনাদের
- 27:51সাথে কথা বলতে বলতে। করছিলাম আর আমাকে বলছে বেল বই ছিল
- 27:57এক বাঙালি ছেলে আর একজন ইন্ডিয়ান আমাকে বলছে আপা আপনি যান গিয়ে
- 28:01কোথায় নেন রুমটা চেঞ্জ করেন তো আমি বললাম ভাই আমি তো ঢুকতে পারব
- 28:06না আপনি আমাকে আমার সাথে আছেন তারপর আমি বুঝাই আচ্ছা ঠিক আছে
- 28:12গুছিয়ে আমাকে রুম শিফট করল। সেবার।
- 28:17সেবার সেটা শেষ হল। তারপর আমাকে যখন।
- 28:21রুমে দিয়ে গেল তখন ওই বেল বয়চে বাঙালি ভাই ওনার নাম জসিম।
- 28:26উনি বললেন আপা এই হোটেল টা আসলে না 1:00 কবরস্থানের উপরে করছে তো
- 28:31এটা এটাতে আসলে অনেক ঘটনা আছে শুনে তো আমার।
- 28:37ঘুমাতেই পরে আমি আমার কলিগদেরকে জ্বালিয়ে আমার সাথে আজ দুইজন
- 28:42মেয়ে ছিল। ওদের সাথে গিয়ে একই রুম এ তিনজন
- 28:45থেকে রিকোয়েস্ট করে বাবা তোমাদের প্রাইভেসি নষ্ট হলেও আমাকে রাখো।
- 28:48আমি থাকব এখানে। সো এটা গেল আমার প্রথম স্টোরি সেম
- 28:53হোটেলে আমার আরেকটি ছিল স্টোরি টা।
- 28:58সেটা হচ্ছে। আমি যখন বরাবর মতনই ফ্লাইট করে
- 29:03আবারও সেই হোটেল নেমে হোটেলে গিয়েছি।
- 29:09তারপর এবার আমি আর 51 এবার আমি একা থাকব না।
- 29:12কারণ কি আমার গতবারের ভয়েরটা চেপে আছে সো আমি একা থাকব না আমি
- 29:17রুম শেয়ার করব রুম শেয়ার করতে হলে আমি 1:00 মেয়েকে রিকোয়েস্ট
- 29:21করলাম প্লিজ আমি তোমাদের সাথে রুম শেয়ার করব ওরা যেহেতু আমাকে কিছু
- 29:27সেভাবে তো বলবে না। বলেনি কিছু ঠিক আছে আসে না একসাথে
- 29:30থাকি তো আমি আমার সাথে যে মেয়েটা ছিল আমি ওই মেয়ে অঞ্জনা সো আমি
- 29:38অঞ্জনা ঘুমাচ্ছি। হঠাৎই আমার মনে হল রুমের মধ্যে
- 29:41খেজানো তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে কোথায় ঘুম।
- 29:45হয়তো 23 ঘণ্টা ঘুমিয়েছে। এর মধ্যে ঘুম থেকে চেক উঠে বসে
- 29:48দেখে কি অঞ্জনা তো পাশের ওয়েটে নেই।
- 29:50পাশের বেড টা খালি আমি তাকাচ্ছে পাশের বেড কোথায় গেল অঞ্জনা
- 29:54কোথায় গেল দেখি নাই। হঠাৎ আমি উপরে শব্দ উপরে কিসের
- 29:59জন্য শব্দ হচ্ছে দেখে ছাদের মধ্যে অঞ্জনা অঞ্জনা তার।
- 30:05মানে বেগটা সহ বাট অন্য কেউ নেই বা অঞ্জনা ডিপ স্লিপে।
- 30:11আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। এখন আমি ফোন আমি আমার হাত পা সত্য
- 30:17হয়ে মনে হচ্ছে আমি এখন আমার কয়েক মন ওজন বেড়ে গেছে কারণ আমি
- 30:21নড়তে পারছি না। আমি ফোনটা উঠিয়ে ফোন করব
- 30:24রিসেপশনে বা নিজে পালাব এবার আর শেষ হতে নাই।
- 30:28তারপর। দেখি বিছানাটা ওঠানো।
- 30:32তারপর কেউ যে হোল্ড করে আছে বা কিছু কিছু 1:00 অবয়ব বোঝা
- 30:37যাচ্ছে। কিন্তু ওই অবয়বটার পুরোটা
- 30:40পুরোটা। পুরো স্ট্রাকচার টা ইয়ে করা
- 30:44যাচ্ছে না। মানে মেজার করা যাচ্ছে না যে কি
- 30:47একটু পরেই আমি তাকে আছি। দোয়া পরতে চেষ্টা করছি দোয়া
- 30:51আসছে না। একটু পরে দেখে ব্যাগটা নিয়েছে
- 30:53নামল। তার মিনিট খানের পর অঞ্জনা ঘনদিকে
- 30:57উঠে বসলো। আমি বললাম কি হল বলে কিনা অসমে
- 31:00যাব ও দেখি নরমাল ওর কিছুই হয়নি তো বুঝুন ঘটনাটা শুধু আমার সাথেই
- 31:04ঘটল কিন্তু লিটারেরই উঠেছে উঠিয়েছে কিন্তু ওর বেগটা এটা গেল
- 31:09সেকেন্ড ঘটনা। তো ওই হোটেলেরই আরেকটি ঘটনা বলে
- 31:15আমি আজকে শেষ করব। সেটি হচ্ছে আমারও আমার আমার এই
- 31:192:00। ঘটনার পর আমার ক্রোদের সাথে আরও
- 31:21ঘটনা ঘটেছে। তাদেরটা হয়তো আমি সেভাবে শুনিনি।
- 31:24কারণ আমি ভয় পাই। আমি ভয় গল্প শুনতে চাই না।
- 31:27যদিও এই সাঁতার এই 878 বলছি না আরও বেশি ধরেন 10 বছর ধরে।
- 31:33এই আপনার ভূতের ফ্রেম আর এখন ভূত.কম।
- 31:36এগুলো শুনে শুনে একটু সাহসটা থাকলেও আবার চলে যায় কোথায় যেন
- 31:41যাই হোক। তারপরে মাসখানেক পরে ক্যাপ্টেন এর
- 31:46কাছে শুনলাম আমাদেরই এক ক্যাপ্টেন উনি ওই হোটেলে একটি রুম এ ছিলেন
- 31:52তো ওনার সারারাত ওনার সাথে যা হল উনি।
- 31:57খেয়ে ঘুমাতে যাবেন। এর মধ্যে উনি পেটে যাওয়ার আগে
- 32:00কেউ নাকে হ্যাচকাটান দিয়ে রুমের চেয়ারে বসিয়ে দিল।
- 32:05চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে ওনাকে হাত পা বাঁধল হচ্ছে।
- 32:09মানে উনি বুঝতে পারছেন ওনাকে কেউ দড়ি দিয়ে বাঁধছে পিছনে পিছনের
- 32:14চেয়ারের সাথে বেঁধে নিল বাট কোন রসি নাই বাট উনি ফের করছেন উনি
- 32:19বাধা উনি গড়তে পারছেন না। উনি এই অবস্থায় অলমোস্ট মনে হয়
- 32:25উনি ঠিক জানানো কতক্ষণ। উনি বললেন, উনি।
- 32:30ফজরের নামাজের পর উনি ওই চেয়ারটাকে উঠে সারা রাত উনি
- 32:34যুদ্ধ করেছে। ওই চেয়ার থেকে ছাড়া পাওয়ার
- 32:37জন্য কিছু পারেনি। উনি কোনও ফেস দেখেনি।
- 32:40বুট বুঝতে পারছিল কেউ ওনাকে বাঁধছে কেউ ওনাকে ধরে রাখছে কেউ
- 32:43ওনার সাথে। চোরাচুরি করছে বাট উনি বুঝতে
- 32:48পারেননি। পরের দিন উনি খুবই অসুস্থ হয়ে
- 32:51পড়েন এবং ঠিক ঠিক ডাক্তারের সোনাকে দেখেন।
- 32:53ওনার সমস্ত হাতে বুকের পাশে তারপরে পিঠে ওই যে রশির দাগ পড়ে
- 32:59গেছে। কিন্তু আসলে ওখানে কোনও রসীয়
- 33:01দেখতে পাননি সেই রাতে। তো এই একই হোটেলেই 3:00 ঘটনা
- 33:07বললাম। যাই হোক ওই হোটেলের আমরা বোধহয়।
- 33:10খুব সম্ভবত ক্রুরা ফিফ্থ ফ্লোরে থাকতাম।
- 33:13তো এত সব ঘটনা ঘটার পর আমাদের ফিফথ ফ্লোর থেকে চেঞ্জ করে অন্য
- 33:19ফ্লোরে পড়ে দেওয়া হয়। তো আরও ঘটনা ছিল।
- 33:27বেশি বানালাম না ঠিক আছে আমি সবার সাথে পরে কথা হবে আবার ইনশাল্লাহ
- 33:34ভালো থাকেন সবাই আপনার টিম আর ভূত.কম শ্রোতা বন্ধু সবার জন্য
- 33:40শুভেচ্ছা। সবার জন্যই শুভ কামনা।
- 33:44যে সবাই সুস্থ থাকুক ভালো থাকুক। স্টে হোম স্টেফ আর পারস্পরিক
- 33:54শ্রদ্ধাবোধ থাকুক ভালো থাকে সবাই। থ্যাংক ইউ সো মাচ আল হাফেস।
- 34:10ডট কম। ফিয়ার রিটার্ন্স।
- 34:25আরও একবার আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।
- 34:27আমি রাসেল শুনছেন যে ঘটনাটি কেমন লেগেছে।
- 34:30ঘটনার সাথে 2:00 জিনিস রিলেটেড 1:00 হচ্ছে যে এয়ারলাইন্স এবং
- 34:34আরেকটা হচ্ছে হোটেল রাইট সো দুটোতেই যারা ওঠেন তাঁরা ওঠার
- 34:39সময় এই ঘটনাটা মনে পড়বে বলে আমি বিশ্বাস করি।
- 34:43আমি বলেছিলাম যে আফগান ভাইয়ের 1:00 ঘটনা শোনো ভয়ে আফগান
- 34:46ভাইয়ের একটানা আজকে 2:00 ঘটনা শুনিয়ে দেবো।
- 34:50ভাবছি তো আমি প্রথমেই আফগান ভাই যে ঘটনাটি শোনাবো সেটা হচ্ছে 1:00
- 34:56নৌকা রিলেটেড অর্থাৎ বোর্ড রিলেটেড ঘটনা সেটা তিনি আমাদেরকে
- 35:00পাঠিয়েছেন। এবং আশা করছি যে আফনান ভাইয়ের এই
- 35:05ঘটনাটি আপনাদের অনেক বেশি আনন্দ দেবে।
- 35:08চলুন শুনে আসি বাকি ঘটনাটি আফগান ভাইয়ের কাছ থেকেই।
- 35:26আমি একটি স্পেশাল ঘটনা আপনাদেরকে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব।
- 35:30আশা করি সবার ভাল লাগবে। সুপ্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা আজকে যে
- 35:35ঘটনা শেয়ার করব এই ঘটনাটির সময়টা কিন্তু অনেক আগের 1900 70
- 35:40সাল এবং। এই ঘটনাটি তার সঙ্গে ঘটেছিল।
- 35:43ওরা নাম হচ্ছে মমতাজউদ্দিন। ওনার বাড়ি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ
- 35:50উপজেলায়। মমতাজউদ্দীন উনি 1970 সালে ওনার
- 35:56বিয়ে ঠিক হয় পারিবারিক ভাবে ওনার বিয়ে ঠিক হয় এবং ওনার
- 36:00যেখানে বিয়ে ঠিক হয় সেই জায়গাটি ছিল চাঁদপুরের হাইমছন
- 36:04নামক একটি জায়গায়। উনার এলাকায় একটি ঐতিহ্য ছিল।
- 36:10সেটা হল যদি নদী কেন্দ্রিক এলাকায় খেয়ে যদি বিয়ে করে বড়
- 36:14বড় নৌকা নিয়ে উনারা বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে যেতেন।
- 36:19যেহেতু মমতাজউদ্দিনের অবস্থাও অনেক ভাল ছিল।
- 36:22এজন্য মমতা জোদ্দিনের বাবা। আফসার উদ্দিন উনি ডিসিশন নেন যে
- 36:281:00 বড় নৌকা। ওই সময় এই ধরনের নৌকাকে বজ্রা
- 36:31বলত আর কি? তো এই বজ্রা নিয়ে ওনার ছেলেকে
- 36:35উনি বিয়ে করাতে নিয়ে যাবেন। বেশ 1520 জন আত্মীয় স্বজন
- 36:42বরযাত্রী হিসাবে তাঁরা সিলেক্ট করলেন এবং ওই সময় কিন্তু মানে
- 36:47সদ্য মানে মোটর চালিত। যে সমস্ত নৌকাগুলো মানে বড়
- 36:50নৌকাগুলোতে মোটর লাগানো সেটা ইঞ্জিন চালিত নৌকাগুলো তখন কেবল
- 36:54শুরু হয়েছে আর কি। তো তখন উনি যেহেতু চাকপুর অনেক
- 36:58দূরে এখান থেকে। উনি এরকম একটি ইঞ্জিন চালিত বড়
- 37:04আকারের 1:00 বজ্রা নিয়ে উনি ছেলেকে মানে নিয়ে যাওয়ার 1:00
- 37:10প্ল্যান করেন। ঘটনাটি 1970 সালের ফেব্রুয়ারি
- 37:14মাসের দিকে যখন শীত এবং শীতের একদম শেষ দিকে চলে আসে এরকম একটি
- 37:19সময়। উনারা নবাবগঞ্জ থেকে নদীপথে ঢাকার
- 37:25দিকে রওনা দেন। প্রথমে ঢাকার এখানে এসে সদরঘাটের
- 37:30সদরঘাট হয়ে মানে বুড়িগঙ্গা দিয়ে আস্তে আস্তে ওনারা
- 37:33শীতলক্ষ্যা দিয়ে ওদিক দিয়ে আসছে।
- 37:35চাঁদপুর দিকে যাবেন। মানে এটাই ছিল রাস্তা।
- 37:38আর যেহেতু ফেব্রুয়ারি মাসে মানে তখন তো বর্ষাকাল না।
- 37:42অনেক নদীর অনেক প্রবাহ তখন একটু পানির প্রবাহ কম থাকে।
- 37:45নদীর নাব্যতা সংকট থাকে যার কারণ তারা বরং যেখানে বড় নদী সেদিক
- 37:49দিয়ে যাওয়ারই প্ল্যান করেন। ওনারা রওনা দিয়েছেন হচ্ছে এখানে
- 37:53তখন কিন্তু যেতে অনেক সময় লাগত। চাঁদপুর যেতে অনেক সময় লাগতো
- 37:58যেদিন বিয়ে বিয়েটা ছিল ফ্রাইডেতে।
- 38:00তো বৃহস্পতিবারের দিন। রাতের বেলা উনারা রওনা দিয়েছে
- 38:07এষা নামাজ পড়ে খাওয়া দাওয়া করে উনার রওনা দিয়েছেন।
- 38:10এবং শুক্রবারের দিন দুপুর নাগাদ ওরা পৌঁছে যাবেন।
- 38:13সেখানে এরকম একটি প্ল্যান ছিল। তখন ইঞ্জিন চালিত হলেও কিন্তু
- 38:17মানে আসলে ইঞ্জিনের গতি কিন্তু অতটা ছিল না।
- 38:19যার কারণে এরকম 1:00 দীর্ঘ সময় লেগে যেত যেত চাঁদপুরে যেতে আর
- 38:23চাঁদপুর থেকে আরেকটু দূরে হাইমছন্নামুখ একটি জায়গায় আরও
- 38:26একটু আরও সময় লাগবে সেখানে যেতে নদী পথে।
- 38:30তো ওনারা এই দীর্ঘ পথ স্বাভাবিকভাবে ওনারা চলে যান এবং
- 38:34ফ্রাইডে জুম্মার আগে সেখানে গিয়ে পৌঁছান।
- 38:38এবং বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ শেষ করে। ওখান থেকে মোটামুটি মাগরিবের
- 38:44নামাজ পড়ে ওনারা আবার ওই নৌকাতে বা বজ রাতে করে ওনারা আবার ঢাকার
- 38:50উদ্দেশ্যে মানে ঢাকা হয়ে আবার নবাবগঞ্জে যাওয়ার 1:00 জন্য
- 38:54ওনারা বের হন। ওরা স্বাভাবিক ভাবেই আমিচড় থেকে
- 39:00সাত। পুরের মেয়েই লঞ্চ খাচ্ছে সেদিকে
- 39:03চলে আসে আর ওখানে। কিন্তু চাঁদপুরের মোহনা অবস্থিত।
- 39:10শ্রোতা বোধহয় আপনারা অনেক সময় শুনে থাকবেন যে চাঁদপুরের মোহনাই
- 39:13কিন্তু অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। লঞ্চডুবি হয়েছে এবং অনেক সময়।
- 39:18অনাকাঙ্ক্ষিত বা আকস্মিক অদ্ভুত কিছু দুর্ঘটনায়।
- 39:23কিন্তু মানে অনেক লোক সেখানে মারা গিয়েছে।
- 39:27তো বিশাল এই বজ্রা নিয়ে যখন ওনারা চাঁদপুরের মোহনার কাঁচ
- 39:31দিয়ে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ করে ওনারা সবাই ওখানে প্রায় মনে।
- 39:38যদিও 1520 জন মিলে শুরু করেছেন। তারপরে দেখা গেছে তাঁর
- 39:41শ্বশুরবাড়ির দিক থেকে আরও 57 জন সেখানে এসেছে।
- 39:44এই প্রায় 25 জন 2527 জন এরকম লোক সবাই দেখছিলেন যে হঠাৎ করে তাদের
- 39:51নৌকার মাথাটা মোহনার দিকে ঘুরে গেল।
- 39:55এবং। নৌকাটি মহড়ার দিকে আগাতে
- 40:00এগোচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার পরে সবাই ভয়
- 40:04পেয়ে যান। যে হঠাৎ করে আমাদের মানে পদ তো
- 40:06এটা না নৌকার মাথায় তো অন্যদিকে ঘোরানো ছিল।
- 40:10হঠাৎ করে এখানে এইভাবে ঘুরে গেল কেন?
- 40:13তখন যিনি নৌকার যিনি মাঝে ছিলেন। উনি অনেক চেষ্টা করছিলেন যে হালটা
- 40:18ঘুরিয়ে অন্যদিকে কিন্তু কোনও ভাবে কাজও ছিল না।
- 40:23নৌকা ওই মোহনার দিকেই যাচ্ছে। তখন সবাই বুঝতে পারলেন যে না এবার
- 40:271:00 বড় ধরনের বিপদ হবে। তখন অনেকেই নৌকা থেকে ঝাঁপ
- 40:31দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন যে এবার ঝাঁপ দিব।
- 40:35ওই সময় ওই নৌকাতে। অনেকেই জোরে জোরে কোরআন তেলাওয়াত
- 40:41করা শুরু করে। বেশ কয়েক মিনিট এরকম অবস্থা চলার
- 40:45পরে তখন খেয়াল করে যে আস্তে করে আবার নৌকার মাথাটি।
- 40:52মোহনার দিক থেকে ঘুরে গেল ঘুরে স্বাভাবিক হয়ে গেল।
- 40:54স্বাভাবিকভাবে চলা শুরু করল। তখন।
- 40:59নৌকাটি ওই মোহনার ওই এরিয়া থেকে বের করে নিয়ে আসা হয় মোহনাতে।
- 41:02কিন্তু পানির অনেক সময় পাক সৃষ্টি হয় এবং ওখানে কিন্তু অনেক
- 41:06লঞ্চ বা ট্রলার বা নৌকা ওখানে ডুবি হয়ে মানে ডুবে যায়।
- 41:12ওখান থেকে মোহনা থেকে ওরা বের হয়ে আসেন।
- 41:15বের হওয়ার পর সবাই আলোচনা করেছিলেন যে, আসলে এটা কেন এরকম
- 41:17হল। কেউ কেউ বলছে এটা স্বাভাবিকভাবেই
- 41:19হয়তো বা হয়ে গিয়েছে। কেউ বলছেন না হয়তো এখানে
- 41:22প্যারানর্মাল কিছু হতে পারে। এরকম অনেকে এরকম চলছে না,
- 41:25বিশ্লেষণ করছিলেন। তোমরা চাঁদপুর লঞ্চঘাটের ওই
- 41:30এরিয়াটা পার হয়ে আরও প্রায় দেড় ঘণ্টা।
- 41:33সামনের দিকে এগিয়ে যান। এদিকে রাতও তখন অনেক হয়ে
- 41:38গিয়েছে। তখন যেহেতু অনেক বড় বজরা ছিল এখন
- 41:43এবং এখানে জামাইবাবু ছিল তাদের জন্য আলাদা 1:00 জায়গা করা ছিল
- 41:46আলাদা। 1:00 কক্ষের মতো করা ছিল।
- 41:51ওই সময়ে অনেক লোক মানে ঘুমিয়ে গিয়েছে।
- 41:56রাত বাজে তখন প্রায় সাড়ে 12:00 ঘুমিয়ে গেছে ঘুমানোর পর।
- 42:02হঠাৎ করে যিনি নতুন বউ ওনার ভাষ্য অনুযায়ী হঠাৎ করে উনি মানে ওনার
- 42:07ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। নতুন জায়গায় যাচ্ছে।
- 42:09স্বাভাবিকভাবে পরিবারকে ছেড়ে ওনারা আসলে ঘুম ওইভাবে আসছিল না।
- 42:11যা একটু হালকা ঘুম আসেনি। ভেঙে যাচ্ছে, ভেঙে গিয়েছিল এবং
- 42:15উনি নদীর দুই পাশে যে পাড় তির আছে সেদিকে উনি তাকিয়ে দেখছিলেন
- 42:20আর কি দৃশ্য দেখছিলেন। বেশ খানিকক্ষণ উনি তাকানোর পরে
- 42:24ওনার কাছে মনে হচ্ছিল যে একই। ধরনের নদীর পাড়াতে বেশ কিছু
- 42:30গাছগাছালি অনেক কিছু থাকে। ওনার কাছে মনে হচ্ছিল যে একই গাছ
- 42:34উনি বারবার দেখছেন। কিছু দূর যাওয়ার পর আবার দেখছেন
- 42:38একই গাছ। তখন মনে হতে পারে নদীর পাড়ে তো
- 42:40অনেক গাছ থাকতেই পারে। একই রকম থাকতেই পারে।
- 42:43এরকম মনে হতে পারে রাতের বেলা তো ভাবে কিছু বোঝা যাচ্ছে না।
- 42:47কিন্তু তারপরেও ওনার সন্দেহ লাগে। একই জিনিস উনি বারবার দেখছেন কেন?
- 42:51এটা কি চোখের ভুল না অন্য কিছু। তো উনি বারবার।
- 42:56নিজেকে নিজের কাছে প্রশ্ন করেন, বারবার মানে পরীক্ষা করার চেষ্টা
- 43:00করেন যে উনি কি ভুল দেখছে না ঠিক দেখছেন।
- 43:03এক সময় উনি বুঝতে পারেন আসলে উনি ঠিকই দেখছেন।
- 43:06তখন ওর হাসব্যান্ড। পাশেই ছিল তাকে ডেকে তোলেন যে
- 43:10বলেন যে দেখো এখানে আসলে এটা কি হচ্ছে একই জিনিস আমি বারবার দেখছি
- 43:14কেন প্রথমে আমার হাসব্যান্ড বসে তুমি ভুল দেখছ রাতের বেলা তো নদীর
- 43:17পাশে সব একই রকম মনে হয়। তখন ওনার উনি বলে যে না না আমি
- 43:22অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করছিলাম মনে হচ্ছিল তুমি যেটা বলেছ সেটাই
- 43:25কিন্তু আমার মনে হচ্ছে না। আসলে আমি একই জিনিস বারবার দেখছি।
- 43:29ওনার হাসব্যান্ড ওনার কথা প্রথমদিকে আমলে না নিল বারবার যখন
- 43:32বলছিল তখন ওনার হাসব্যান্ড ঘুম থেকে উঠে তিনি নিজেই খেয়াল করার
- 43:36চেষ্টা করেন। আসলে কি ঘটনা ঠিক কি না এবং সত্যি
- 43:40উনি খেয়াল করছিলেন যে উনিও। এই একই জায়গায় বারবার দেখছেন।
- 43:45ওদিকে নৌকার অনেকেই ঘুমিয়ে গেছেন।
- 43:49ঘুমিয়ে যাওয়ার পর। তখন অন্যদের ডেকে তোলেন।
- 43:54ডেকে তোলার পর তখন মাঝে যে আছে তাকেও বলেন যে এই দেখো তো আমরা কি
- 43:59একই জায়গায় বারবার দেখা যাচ্ছে কেন তখন মাঝে বলে যে আমি তো এটা
- 44:05খেয়াল করিনি। আমি তো শুধু সামনের দিকে তাকিয়ে
- 44:06আছি। আমি তো এটা বুঝতে পারি নাই।
- 44:09তখন মাঝে ও পাশ থেকে তাকায় দেখে অদ্ভুত ব্যাপার চাঁদপুরের।
- 44:13মোহনা পার হওয়ার পর দেড় ঘণ্টা যাওয়ার পর ওনারা যে জায়গাতে
- 44:18ছিলেন ওনারা ওই জায়গাতেই আছেন প্রায় দুই আড়াই ঘণ্টা ধরে একই
- 44:23জায়গা দিয়ে নৌকা চলছে। কীভাবে সম্ভব?
- 44:26সবাই অবাক হয়ে যান। এটা কীভাবে বসিবল একই জায়গা
- 44:30দিয়ে প্রায় দুই আড়াই ঘণ্টা ধরে নৌকা চলছে।
- 44:33অথচ আমরা একই জায়গা দিয়ে ঘুরছি। এটা কিভাবে পসিবলে হল?
- 44:37তখন যেহেতু চাঁদপুরের মোহনার কাছে একটি দুর্ঘটনা ঘটতে গিয়েছিল, তখন
- 44:42সবাই বলেন যে আমরা 1:00 মনে হয় বিপদে পড়েছি।
- 44:46আমরা নিশ্চিত। আমাদের সঙ্গে কিছু দুর্ঘটনা ঘটতে
- 44:49চলেছে। কিন্তু সবাইকে বুঝতে পারছিলেন
- 44:52বুঝতে পারছিলেন না। আসলে ওনাদের সাথে কি হচ্ছে।
- 44:57সবাই বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করছেন এর
- 45:00মধ্যে। হঠাৎ ওই।
- 45:04পার থেকে। সাদা দাড়িওয়ালা একটু চুপবা পড়া
- 45:08সাদা পাগড়ি পরা একজন লোক ডাকছে। এই তোমরা নৌকা ফেরাও নৌকা ফেরাও।
- 45:14তখন মানে? মাঝে বলছে যে না নৌকা ফেরানো যাবে
- 45:18না। তখন যিনি এই যে মমতা যুদ্দীন মানে
- 45:23যার বিয়ে হল। এবং তার বাবা তখন বলছে কেন নৌকা
- 45:27ভেরানো যাবে না কেন বলে যে এটা বিয়ের নৌকা অনেক সময় ডাকাত থাকে
- 45:30আশপাশে ডাকাত ডাকাতি হতে পারে। তখন ওনারা বলেন যে ডাকাত যদি
- 45:35করবেই তাহলে তো এরকম ডেকে নৌকা পারে বেরিয়ে নিয়ে ডাকাতি করার
- 45:39কথা না। টাকা তো আসলে তো সরাসরি অন্য কোনও
- 45:42ট্রলার পণ্য কিছু নিয়ে আমাদেরকে অ্যাটাক করবে।
- 45:45নিশ্চয়ই কোনও 1:00 ব্যাপার রয়েছে।
- 45:47যেহেতু একটু আগে 2:00 দুর্ঘটনার মতো 1:00 অদ্ভুত ব্যাপার ওনাদের
- 45:52সাথে ঘটতে গিয়েছিল তো যার কারণে উনি চিন্তা করলেন যে আসলে এটাও কি
- 45:56আমাদের তৃতীয় কোনও বিপদ কি না এটা ওনারা চিন্তা করছিলেন।
- 45:59তারপরে কি মনে করে মমতাযুদ্দিন? উনি বলেন, উনার বাবাকে বলেন, বাবা
- 46:04নৌকাটা আসলে পারে। ভিরাও যে আসলে উনি কী বলতে চান
- 46:07মনে হচ্ছে যে উনি অন্য ধরনের কিছু বলতে চাচ্ছেন আমাদেরকে।
- 46:12নৌকা পাড়ে বেরানো হয়। এবং কোনও কথা না বলে ওই মুরগ
- 46:16বিশ্ব যেন নৌকাতে উঠে বসেন। যে ভালো কি মন্দ বা কি তার নাম কি
- 46:20বা কি চাচ্ছেন কোনও কথা না বলে মানে হন হন করে হেঁটে নৌকায়
- 46:24উঠেছেন। নৌকায় উঠে মনোকার একদম যে মাথা
- 46:28মানে সামনের দিকে সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন।
- 46:32তখন মমতাদিন কাছে যে বলেন যে রব্বি আপনি আসলে কোথায় যাবেন বা।
- 46:37আপনি কে এখানে যে উঠলেন কোনও বিপদ কি না?
- 46:41উনি কোনও উত্তর দেন না। উনি খালি জাস্ট 1:00 কথাই বলেন যে
- 46:43নৌকা চালাও। নৌকা সোজা চালাও যেখানে যাচ্ছিল
- 46:46সেখানে সেই দিকে যাওয়ার উদ্দেশ্য নৌকা চালাও।
- 46:51তখন ওনার এই গম্ভীর কথা শুনে অনেকেই ডিসটার্ব হয়।
- 46:56কেউ বলে যে এটাকে নামিয়ে দাও নৌকা থেকে।
- 47:00কিন্তু মমতাজউদ্দীন বলে যে না উনি থাক কেন যেন মনে হয় যে না উনি
- 47:04থাক আসলে যে কোনও এমনও তো হতে পারে যে উনি আমাদের জন্য
- 47:08আল্লাহতালা কোনও কল্যাণের জন্য তাঁকে পাঠিয়েছেন।
- 47:10মমতাজুদ্দিন এই চিন্তা করে। তো নৌকা সুধা চলা শুরু করে।
- 47:17এখন যেটা দেখা যাচ্ছে যে নানক এখন স্বাভাবিক ভাবে চলছে কোনও সমস্যা
- 47:20নেই। কিন্তু একটি অদ্ভুত ব্যাপার ওনারা
- 47:24খেয়াল করেন। সেটা হল।
- 47:26যে নদীর পা। মানে নদীতে তো বেশ ওই সময় যে
- 47:31ইলিশ মাছ ধরা ধরার জন্য বেশ কিছু ছোট ছোট নৌকা সেগুলো কিন্তু আছে।
- 47:36ওই ছোট ছোট নৌকা যখনই। ওই বড়ই বজরা যেটা যেটা দেখছিল।
- 47:43তখন ওই ছোট নৌকাগুলো মাছ ধরার জাল রেখে দ্রুত নৌকা বেয়ে মানে ওই
- 47:50নৌকা থেকে দূরে সরে চলে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিল।
- 47:53এটা কেন এরকম হচ্ছে এটা আসলে ওরা বুঝতে পারছিলেন না।
- 47:58তখন। হঠাৎ করে ওনার বেশ কয়েকজন খেয়াল
- 48:03করেন যে চাঁদের আলোতে নৌকার যে ছায়া পড়েছে একপাশে নদীতে তো মনে
- 48:08হচ্ছিল যে নৌকা ওনারা যে অল্প কয়েকজন লোক আসছেন যে সব মিলিয়ে
- 48:13প্রায় 25 থেকে 2728 জন লোক। এছাড়াও মনে হচ্ছে আরও দ্বিগুণ
- 48:17লোক নৌকায় আছে। মানে এরকম কিছু ছায়া দেখা
- 48:21যাচ্ছিল ওই চাঁদের আলোতে। ওনারা মনে করেছিলেন হয়তো বা এটা
- 48:26নদীর জলে নদীর যেহেতু ঢেউ হয় ঢেউ এরকম মনে হতে পারে এটা ওনারা
- 48:30অনেকেই চোখের ভুল বা কেউ একটু ভয় পেয়েছেন তো এরকম কেউ হয়তো এটা
- 48:35অনেকে প্রকাশ করেননি প্রকাশ করল অনেকে আবার ভয় পেতে পারেন
- 48:38নৌকায়। এই দৃশ্যটা উনি দেখেছেন এবং
- 48:41নৌকাগুলো যে কেন ওই ছোট ছোট নৌকাগুলো ওনাদের থেকে ভয়ে দূরে
- 48:44সরে চলে যাচ্ছিল এটা ওনারা বুঝতে পারছিলেন না।
- 48:48তবে যারা সরে চলে যাচ্ছিল তারা চিৎকার।
- 48:50আল্লাহ আকবর আল্লাহ বলে মানে ওই বজরাতে দেখলেই ওনার নৌকা সরিয়ে
- 48:56নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এদিকে প্রায় ভোর হয়ে আসে আজান
- 49:02দেবে এরকম 1:00 সময় এরকম একটি সময়ে হঠাৎ করে।
- 49:07ওই মুরুব্বি মমতাজউদ্দিনকে ডাকেন। ডেকে বলেন যে বাবা আমার দায়িত্ব
- 49:12শেষ হয়েছে। এখন আমাকে যেতে হবে।
- 49:18তখন মমতা যদি বলেন যে আপনি কে এভাবে আসলেন?
- 49:22আবার এখন হঠাৎ করে চলো যেতে চাচ্ছেন।
- 49:25তো বলে যে বাবা তোমরা বিশাল 1:00 বিপদে পড়তে যাচ্ছিলাম।
- 49:29তোমাদের এই নৌকায়। বিশ্বাসের ছায়া পড়েছিল।
- 49:35এবং তারপর অসংখ্য পিশাচ তোমাদের এই নৌকায় আক্রমণ করেছিল।
- 49:41কিন্তু আল্লাহ রহম করেছেন। তারা কি তোমাদের কিছুই করতে
- 49:45পারেনি? একটু আগে যখন তোমরা দেখছে যে নৌকা
- 49:49ছোট ছোট মাছরা নৌকা গুলো ভয় পেয়ে তোমাদের থেকে দূরে সরে চলে
- 49:51যাচ্ছিল, আসলে ওরা ওই পিশাচগুলোকে দেখতে পাচ্ছিল।
- 49:56এই কারণে ওরা ভয়ে নৌকা নিয়ে দূরে সরে চলে যাচ্ছিল।
- 50:00এখন ফজরের আজান হয়ে যাবে। আমার দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে।
- 50:03আর তোমাদের কোনও ভয় নেই। তোমরা এখন নিশ্চিন্তে চলে যেতে
- 50:07পারবে। এ কথা বলে।
- 50:12ওই মুরুব্বি পানির উপর লাফ দিয়ে পড়েন এবং অদ্ভুত ব্যাপার।
- 50:16মমতাজউদ্দিন উনি দেখছিলেন যে উনি নদীর ওপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে আবার
- 50:20পাড়ে ওঠে। উনি হেঁটে হেঁটে মিলিয়ে গেলেন।
- 50:23ও সময় যেহেতু ভোরের দিকে ছিল ভোরের দিকে বেশ নৌকার অনেকেই একটু
- 50:27ত্বচ্ছন্ন ছিল। অনেকে ঘুমিয়েও পড়েছিল।
- 50:30এজন্য অন্য কেউ মমতাজউদ্দিন যে ওনার সাথে মুরগির সাথে কথা বলেছে
- 50:35সেটা কেউ দেখতে পায়নি তো ওই মুরুব্বি মমতাজউদ্দিনকে এই
- 50:39বিষয়টি বলেন। এবং আরেকটি কথা বলেছিলেন, সেটা
- 50:42হচ্ছে যে তুমি যে সময়ে নৌকা নীতিকে আসছো এই সময়টি মানে
- 50:48উপযুক্ত ছিল না। এই সময়ে একদল পিসাজ এদিক দিয়ে
- 50:53যাচ্ছিল। হঠাৎ করে তোমাদের দিকে তাদের নজর
- 50:55পরে এবং তারপরেই তোমাদেরকে আক্রমণের জন্য তারা চেষ্টা
- 50:59চালাচ্ছিল। তা আল্লাহর রহমতে।
- 51:00আমার কারণে তারা সেটা পারেনি। তো এভাবে।
- 51:06যখন ওই মুরব্বি চলে যান, অদ্ভুত ভাবে চলে যান।
- 51:09পানির উপর হেঁটে হেঁটে। তখন মহম্মদ আজুদ্দিন কাউকে আর এই
- 51:12ঘটনা বলেননি। তখন উনি স্বাভাবিকভাবে যখন নৌকা
- 51:17স্বাভাবিকভাবে সদরঘাট হয়ে আবার নবাবগঞ্জের দিকে চলে আসে।
- 51:23তার পরে বাড়িতে ফেরার পর সবার সঙ্গে এই ঘটনাটি শেয়ার করে এবং
- 51:26সবাই আল্লাহ তার দরবারের শুকরিয়া আদায় করেন।
- 51:28আলহামদুলিল্লাহ আলাদা বিশাল একটি বিপদের হাত থেকে আমাদেরকে
- 51:31বাঁচিয়েছেন তো? এখনও কিন্তু মমতা যদি জীবিত আছেন
- 51:37ওনার তিন ছেলে দুই মেয়ে সেই ছেলেদেরাও অনেক বড় হয়ে গেছেন।
- 51:43তাদেরও তাদের বাচ্চা কাছে অনেক বড় হয়ে গেছে এবং মমতার জন্য
- 51:46স্ত্রী উনিও এখনও জীবিত আছেন। ওনার বাড়ি ঢাকার আমরা যে ঢাকা
- 51:50মেইন সহ সেটা না ঢাকা জেলা ঢাকা সেটা ঢাকা জেলার কয়েকটি থানা
- 51:54রয়েছে। উপজেলা রয়েছে সেই উপজেলা একটি
- 51:57উপজেলার নবাবগঞ্জ নবাবগঞ্জে। এই ঘটনাটি এখনও মানুষের মুখে মুখে
- 52:02মানে প্রচলিত আছে। মমতা যদি এখনও জীবিত আছেন তো এটি
- 52:06ছিল ঘটনা। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন
- 52:10আবারও সকল শ্রোতাদেরকে এবং রাসেল ভাইকে ঈদ মোকার লোক জানিয়ে।
- 52:16আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আসসালামু
- 52:20আলাইকুম। ডট কম।
- 52:37আপনার ভাইয়ের ঘটনা শুনলাম আমরা আমরা যারা বিশেষত বাই রোডে
- 52:43বাংলাদেশ থেকে যায়। ওদের প্রথমেই দেখা হয় ইন্ডিয়াতে
- 52:46ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে যে মানুষটি 7:00 হচ্ছেন বিএসএফ সদস্য।
- 52:52তো আমাদের এই ঘটনাটি পাঠিয়েছেন একজন বিএসএফ সদস্য তার মতো করে
- 52:56এবং এই ঘটনা অনেক প্রচলিত। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম যে ঘটনাটি
- 52:59আমরা আসলে প্রচার করতে অ্যালা আউট কিনা।
- 53:01তিনি বলেছেন কোনও সমস্যা নেই। এই ঘটনাটি সবাই জানে।
- 53:04তাহলে খুব অদ্ভুত লেগেছে ঘটনাটি ভয়ের চাইতে অনেক বেশি মজার।
- 53:09আফগান ভাইরাস 1:00 ঘটনা আমার আছে কিন্তু প্লে করব সেটা জন্য আপনারা
- 53:12তো ওয়েট করবেনই কিন্তু। এই ঘটনাটা না শুনি আমি পারছি না
- 53:17এটা এত মজার। আমার মনে হয় শুনতে আপনাদের অনেক
- 53:19বেশি ভালো লাগবে। আর একবার মনে করি যে এরকম দারুণ
- 53:22ঘটনা আপনিও পাঠাতে পারেন। আমাদেরকে আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস
- 53:24হচ্ছে রাসেল.বুক.কম 1:00 রয়েছে জিমেল.কম হোইচ ইস রকিউ ডাবল সই
- 53:29ডাবল ডট বি এইচ ডাবল টি ডট কি ও ম এত ওয়েট।
- 53:34জিমেল.কম আর আমাদের ফেইসবুক পেজ হচ্ছে ও ডট ফেসবুক.কম স্ল্যাশ
- 53:41রাসেল ডট স্বাধীন চলে যাচ্ছি ঘটনায়।
- 53:55নমস্কার রাসেল ভাই ইন্ডিয়া থেকে বলছি।
- 53:59আমি 1:00 ছোট্ট ঘটনা শেয়ার করতে চাই।
- 54:02যদি ভালো লাগে আপনি শোনাবেন আমি অনেকদিন ধরেই মুহূর্তে শুনি
- 54:07লাখভাগ আট নয় বছর হয়ে গেছে। তো।
- 54:12পেশাতে আমি একজন বিএসএফের চাকরি করি।
- 54:17আমার নাম নকুল। সাল 2017 অক্টোবরের 14 তারিখ ছিল
- 54:24সেদিন আমি ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ বর্ডার, আমার ইন্ডিয়া সাইটে
- 54:29মিজোরাম বলে এক জায়গা আছে যেখানে বাংলাদেশের বর্ডার লাগে।
- 54:33সেখানে আমি ডিউটি করছিলাম। বর্ডার টা আমার এমন ছিল সেখানে
- 54:39কোন তারবন্দি ছিল না। তারকাটা ছিল না।
- 54:431:00 নদী গেছিল নদীর রবিবার বাংলাদেশ ছিল মন্দির এপার
- 54:46ইন্ডিয়া ছিল। তো আমরা নৌকাতে নদীর মাঝখানে
- 54:51ডিউটি করতাম। তো সেই রাতে আমি সেকেন্ড শিফ্টের
- 54:57ডিউটিতে ছিলাম। লাগভাগ 2:00 আড়াইটার সময়।
- 55:03আমি ডিউটিতে টেনার ছিলাম ওখানে নৌকাতে বসে বসে ডিউটি করছি এবং
- 55:07বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছি জ্যোৎস্নার আজ ছিল।
- 55:13জ্যোৎস্না রাতে আমি। বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে
- 55:17অবজার্ভেশন করছিলাম। এমন সময় দেখি নদীর ওই পাস থেকে
- 55:21দুজন মানুষ কাঁদে 1:00 ঝোলা লেক নিয়ে।
- 55:26সে আস্তে আস্তে বাংলাদেশের সাইড এর যে নৌকা গুলো আছে সেই নৌকার
- 55:32দেখতে চড়ে আসছে কেন? রাতের বেলা এত দূর থেকে দেখতে
- 55:36পেয়েছি। নদীটা বেশি বড় ছিল না।
- 55:40নদীটা যদি চওড়া হিসাব করা যায়, চওড়া তে খুব জোর হলে আধা
- 55:44কিলোমিটার ছিল। তো আমি নদীর মাছ বরাবর ছিলাম।
- 55:48সেহেতু নদীর ওইপার পুরো দেখা যাচ্ছিলেন পূর্ণিমাতে।
- 55:52তো আমি ভেবেছি হয়তো রাতের বেলা আমাদের এই সাইড এও আমি বাংলারই
- 55:57কলকাতায় বাড়ি বাংলাদেশ আমার দেখা আছে জানা আছে একই রকম লাগে
- 56:02আমার ওয়েস্ট বেঙ্গল আমার বাংলাদেশ সব একই রকম তো আমাদের
- 56:07লাইফস্টাইল আপনাদের লাইফ স্টাইল সবই একই লাগে একই কালচার আমাদের।
- 56:12তো আমি ভেবেছি হয়তো মাছ ধরার উদ্দেশ্য তারা।
- 56:14এদিকে আসছে আমাদের দিকে আসছে। তো আমি সেই হিসাবে তাকে দেখে গেছি
- 56:21নাকি কিছু বলেছি আর নরমালি আমার তখনও ভয় লাগেনি।
- 56:25তো সে আরও আমি এটাই ভেবেছি যে সকালের দিকে ভোর দিকে যদি তারা
- 56:29মাছ ধরে মাছ পায় তো আমি তাদের কাছ থেকে কিছু মাছ কিনেও নিয়ে
- 56:32যাব। কিন্তু আমি তাদের কাছ থেকে 1:00
- 56:352:00 মাছ চাইব। সেই হিসাবে আমি।
- 56:39কিছু বলিনি। সেখান থেকে তারা আমার নদীর নৌকার
- 56:43পাশ থেকে মোটামুটি 15 মিটার দূর থেকে তারা নদীর নৌকাটা ওভারটেক
- 56:48করল এবং আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে মাঝে মাছ ধরতে যাচ্ছেন কি?
- 56:53তো তারা কোন উত্তর দিল না। কিছুক্ষণ পরে তাঁরা পূর্ব থেকে
- 56:58পশ্চিম দিকে নদীটা প্রবাহিত হচ্ছিল।
- 57:01তো পূর্ব দিকে পশ্চিমদিকে স্রোতের অনুকূলে তারা যাচ্ছিল তো যেতে
- 57:05যেতে যেতে তারা আবার ঘুরে স্রোতের প্রতিকুলে যাওয়া শুরু করল।
- 57:10প্রতিকূলে যখন যাওয়া শুরু করেছে তখনই আমার সন্দেহ হচ্ছে।
- 57:13নদীর স্রোতের বিপরীত সাইডে যখন নৌকাটা চলে তো প্রচুর পরিমাণে
- 57:17নৌকাটার বাঁধা পড়ে বৈঠাটা বেশি জোরে বইতে হয় এবং নৌকোটা স্লোলি
- 57:22চলে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে চলে। তো আমি ভালো করে অবজার্ভেশন করে
- 57:28দেখলাম নদীর অনুকূলে যেমন ভাবে নদীর নৌকাটা চলছিল তার থেকে বেশি
- 57:33দ্বিগুণ। স্পিডে প্রতিকূল চলছিল।
- 57:37তো আমি কিছু বলিনি। এমন সময় আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা
- 57:40করি যে বারবার এখান দিয়ে যা আশা করছো কেন?
- 57:44তারা আমার প্রশ্নের কোনও উত্তর দেয়নি।
- 57:46শুধু এটুকু বলল, আমার 1:00 গোঙানি আওয়াজ এটুকু আসল যা করছিস কর
- 57:50চুপচাপ থাক। আমি চুপচাপ ওখানে দেখে গেলাম তো
- 57:56বললাম যে একজন মানুষ আমাকে এরকম থের দিল তো নৌকার পিছনে আমি যখন
- 58:00যাওয়া শুরু করি তার পিছনে নৌকাটা আমি বইতে বইতে নৌকাটা পিছন করি
- 58:05কিন্তু নৌকাটা আমি ধরার মতো ক্ষমতা আমার ছিল না যে পরিমাণে
- 58:08নৌকাটা জোরে যাচ্ছিল। এমন সময় নৌকাটা ঘুরে আমার নৌকা
- 58:15দিকে ধাক্কা মারার জন্যে চেষ্টা করেছে।
- 58:18তো ধাক্কা মারতে গেলে নৌকা 1:00 ঝাঁকি লাগে।
- 58:21সেই ভয়ে আমি নৌকাটা ডানদিক থেকে বাঁ দিকে বাঁদিক থেকে ডানদিকে
- 58:24দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু না।
- 58:27নৌকাটা কাজ শেষ আসার সাথে সাথে আমি কোন কিছু ফিল করতে পারলাম না।
- 58:30নৌকাটার মধ্যে নৌকা চলে গেল না সাইড হয়ে গেল আমি কিছু বুঝতে
- 58:33পারিনি। এক লাফে 2:00 মানুষই আমার নৌকার
- 58:36উপর উঠে দাঁড়াল। নৌকা যখনই আমার নৌকার উপরে যখনই
- 58:40ওরা লাফিয়ে আসছে তো আমি সঙ্গে সঙ্গে টর্চ মেরেছি।
- 58:44টর্চমনার সাথে সাথে আমার পূর্ব বসছে উত্তর দক্ষিণ কোন কিছু আমার
- 58:48মনে ছিল না। কঙ্কাল জানিনা কঙ্কাল ছিল কিনা
- 58:53কঙ্কালের উপর দিয়ে যদি কোন রোম বর্ষ কোনও জিনিস থাকে।
- 58:59আর অনেকটা গড়িলার মতো পুরোপুরি ভাবে আমার উপরে ধেয়ে আছে।
- 59:06ধেয়ে আছে। আর আমার যতটুকু মনে ছিল হাতে
- 59:09তাদের দুখানা বড় বড় মানুষের যে মাথার খলি থাকে খুলি টাইপের কিছু
- 59:16দিয়ে আমার উপরে আঘাত করার চেষ্টা করেছে।
- 59:19আমি ওখান থেকে হয় নৌকা দেখলাম। সাথে সাথে নদী নৌকাটা এদিক থেকে
- 59:26অধিক করতে করতে আমি কখন যে নদীর প্রতিকুলে চলে গেছিলাম আমি নিজেই
- 59:30জানি না তো লাভ মানার সাথে সাথে আমি।
- 59:34নিচে মাটি পায়। আমি সাঁতার কাটতে জানতাম তো
- 59:37সাঁতার কাটার। ফলে আমি আস্তে আস্তে কোনও রকম
- 59:41বাংলাদেশ সাইড এর। নদীর ধারের সাইড এ চলে পৌঁছে
- 59:45গেছে। কিন্তু আমাকে কোনোরকম ভাবে নদী
- 59:48থেকে উঠতে দেয়নি। প্রচুর পরিমাণে আমাকে দুজন মিলে
- 59:52চেপে ধরে নদীর নীচে জলের নীচে ঠেসে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
- 59:56অশরীর শক্তি কাকে বলে সেদিন আমি ফিল করেছি অনুভব করেছি যে অশূরেই
- 59:59শক্তি কাকে বলে 1:00 মানুষের শরীরে এত শক্তি থাকে না যে
- 1:00:03পরিমাণে তারা আমার সাথে টর্চারিং করেছে সেই রাতে।
- 1:00:07অনেক কষ্টে আমি কোনওরকম উঠলাম। কোনও রকম উঠে চেঁচাতেও পারছি না।
- 1:00:13গোঙানোর মতো আওয়াজ হচ্ছে এত চেষ্টা করতে চাচাব।
- 1:00:15কিন্তু আমার কেউ মনে হচ্ছে গলা চেপে ধরেছে।
- 1:00:18তো সেদিন আমি অনেক কষ্ট করে কোনও রকম ভাবে সাইডে ওঠার পরে।
- 1:00:24বাংলাদেশের 24 জন লোক দেখতে পেয়ে আমি চাচারা শুরু করেছি।
- 1:00:27তখন সকাল হয়ে গেছে 4:00 সাড়ে 4:00 গেছে।
- 1:00:30কৃষকরা মাঠে চাষ করার জন্য সাইট দিয়ে জমি ছিল যাচ্ছিল তাঁরা
- 1:00:34আমাকে। দেখে দৌড়ে এসেছে মানুষগুলো যখন
- 1:00:38দৌড়ে আসে আমি সবটাকে বেশি ভয়। তখন পেয়েছি রাতের বেলা।
- 1:00:42প্রথম যখন এই অশরীর আত্মাগুলোকে আমি দেখেছি, তখন সেই মানুষগুলোরই
- 1:00:46মতো লাগছিল। আর আমার মনের মধ্যে তখন এটাই মনে
- 1:00:49হচ্ছিল। ওরাও আসরের আত্মা।
- 1:00:51তো আমি এত কিছু দেখার পরে আমি কখন অজ্ঞান হয়ে গেছি নিজেই জানি না
- 1:00:55সকাল বেলা আমার যখন ঘুম ভাঙে তখন আমি মোদির প্রতিকুলে আছি।
- 1:00:59আপনাদের বিজিবি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ যারা আছে সেই কোনও
- 1:01:03সিপাহীদের কাছে খবর দেওয়ার পরে তাঁরা আমাকে সেখানে নিয়ে যায়
- 1:01:06এবং সবার শেষে শশাৎ মানে আমাকে ইন্ডিয়াতে।
- 1:01:10অবাস কর। ফেরত দেয় আমার এই ছোট ঘটনা এতটা
- 1:01:15ভয়ানক কিনা ছিল কি না জানি না। আপনার ভালো লাগলে আপনি শেয়ার
- 1:01:18করবেন। আর এটা আমার সাথে সত্যি সত্যি
- 1:01:19ঘটেছে। আর যেটা সত্যি আমি সেটাই আপনাকে
- 1:01:22শেয়ার করলাম কে বিশ্বাস করল না করল সেটা আমার তো কোন সমস্যা নেই
- 1:01:26তাতে কোন প্রব্লেম নেই কিন্তু যেটা আমার লাইফ এর সাথে ঘটে যেতে
- 1:01:29চায় সেটা ভয়ানক। কিংবা খারাপও কি ভাল হোক কি কম
- 1:01:34ভয়ে হোক বা যেটা ঘটেছে আমি আপনাকে সেটাই শেয়ার করলাম ভালো
- 1:01:37লাগল আপনি শেয়ার করবেন থ্যাংক ইউ।
- 1:01:43স্পিরিট বিহেয়ার উইথ মি। কে তুমি?
- 1:01:55ডট কম। রিটার্ন্স ভদ্রাস্ব।
- 1:02:10আরও একবার আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।
- 1:02:12আমি আছেন শুনছেন? ভূত.কম ইট স্পেশাল এবং আশা করছি
- 1:02:16সবাই ভালো আছেন এবং ভালোর দলে আছেন।
- 1:02:19আর এই মুহূর্তে আমরা আরও একটি ঘটনায় যাব এবং এই ঘটনাটি এসেছে।
- 1:02:25ক্যামেরা থেকে কানাডা থেকে প্রচুর ঘটনা আসছে ইউসা থেকেও আসে।
- 1:02:29কিন্তু কেহরা থেকে ইদানীং খুব বেশি ঘটনা আসছে।
- 1:02:31ইন্ডিয়া থেকে আসছে বাকি। যারা আছেন বাংলাদেশিরা বা
- 1:02:35বাঙালিরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাদেরকে
- 1:02:38অনুরোধ করব যে আপনারাও আপনাদের ঘটনাগুলো পাঠিয়ে দিন।
- 1:02:41আমাদের কাছে চলে যাচ্ছি আমরা পরবর্তী ঘটনায় এবং এই ঘটনাটি।
- 1:02:46রহমান ভাই তিনিও সেকেন্ড টাইম আমাদেরকে ঘটনা পাঠাচ্ছেন।
- 1:02:51সেজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই এবং আর বিশ্বাস করি যে আপনার কাছে
- 1:02:56ঘটনা। আরও আছে যদি আপনি যে
- 1:02:58এক্সপেরিয়েন্স করে নাও থাকেন আপনি শুনেছেন হয়তো ইউ অরে ভেরি
- 1:03:00গুড স্টোরি টেইলার সো আমি চাইব যে আপনি।
- 1:03:04কানাডার বিভিন্ন জায়গার ঘটনাগুলো ঐখানকার স্থানীয় কিছু ঘটনা
- 1:03:10ঐখানকার হন্টেড প্লেসগুলোর ঘটনা হন্টেড হাউস গুলোর ঘটনা যদি
- 1:03:13আমাদের জানাতেন আমরা খুবই উপকৃত হতাম এবং আমাদের যে সমস্ত যারা
- 1:03:17আমাদেরকে শুনছেন তাঁরাও খুব এনজয় করতেন।
- 1:03:21চলুন শুনে আসি। আরও একটি ঘটনা।
- 1:03:33আবারও আমি আপনাদের মাঝে আসতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি আমি
- 1:03:37রহমান। তবে আজকের ঘটনাটা।
- 1:03:411:00 ভিন্ন আঙ্গিক এবং ভিন্ন পরিবেশে এবং ভিন্ন স্থানে।
- 1:03:45এটা অনেক বছর আগের 1:00 ঘটনা তখন আমাকে ইউ কে তে রেড হিলে আমাকে
- 1:03:52যেতে হয়েছিল। এয়ারক্রাফট সম্পর্কিত কিছু
- 1:03:54ট্রেনিং এর জন্য। এই রেড হেল্ট টা হচ্ছে স্যার এই
- 1:03:58অঙ্গরাজ্যের মধ্যেই পরে সারি কাউন্টের মধ্যেই পরে এবং এই রেড
- 1:04:02হিল থেকে আমার। যে জায়গাটা ছিল থাকার জায়গা
- 1:04:08ওখান থেকে আমার ট্রেনিং সেন্টার টা বেশ কাছে ট্রেনিং সেন্টার টা
- 1:04:11বেগুন হিল এলাকার মধ্যে ওটা আবার ক্যান্টের মধ্যে পড়েছে।
- 1:04:15তো ওখানে আমি ছিলাম 1:00 স্কটিশ ফ্যামিলির সাথে।
- 1:04:19কারণ আমার ট্রেনিং সেন্টার থেকে যাতায়াতের জন্য সুবিধা এরকম 1:00
- 1:04:24সিস্টেম তখন ওখানে ছিল। অনেকে তাদের বাসা খালি থাকত এবং
- 1:04:29ভাড়া দিত তো আমার যে কোম্পানি সেই কোম্পানি ও ভাবে ওরা
- 1:04:33অ্যারেঞ্জ করে নিয়েছে। আর আমার কোনও অসুবিধা নেই।
- 1:04:36ওখানে যাওয়ার পরে জায়গাটা দেখে আমার মনে হয়েছিল এটা বোধহয়
- 1:04:41স্বর্গেরই কোন 1:00 অংশ হতে পারে। সবুজ আর সবুজ বিস্তীর্ণ সবুজ টিলা
- 1:04:47পাহাড় সবকিছুর চারিদিকে এই সবুজের মধ্যে কত সুন্দর করে ঘিরে
- 1:04:54থাকা সমস্ত বাড়িগুলো। 1:00 বাড়ি তার কিছু দূরে আরেকটা
- 1:04:58বাড়ি কাছাকাছি তেমন কেউ নেই তো ওরকম 1:00 পরিবেশের মধ্যে আমি তো
- 1:05:03নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করছিলাম তো আমার ছিল সেই স্কটিশ ফ্যামিলি
- 1:05:09আমি নাম যেহেতু আমি গোপন করতে চাচ্ছি তো ধরে নিলাম ওর নাম জন।
- 1:05:15এবং তার ওয়াইফ ছিল এবং এরা মিডলেজ কাপল তাঁদের 2:00 মেয়ে
- 1:05:20ছিল কিন্তু মেয়ে টর্মে থাকে ইউনিভার্সিটিতে সো তাদের
- 1:05:25বেডরুমগুলো খালি ছিল। তাই সে বেডরুমগুলো 1:00 বেডরুমে
- 1:05:29আমাকে থাকতে দিয়েছ ওরা। তো যাই হোক আমার বেডরুমের সাথে যে
- 1:05:35ব্যালকনি ব্যালকনি তে তো গাছের একেবারে ঝুলে পড়েছে গাছের
- 1:05:39ডালগুলো এবং হাত দিয়ে ধরা যায় সুন্দর পাতাগুলো।
- 1:05:43তা আমি এজন্য আপনাদের কাছে এই বর্ণনা দিচ্ছি।
- 1:05:45কারণ আসলেই এত সুন্দর পরিবেশে আমি মানে আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমি
- 1:05:50কখনও এর আগে কখনও কোথাও থাকি। তাই তো আমার ট্রেনিং চলছিল।
- 1:05:55তো প্রথম এক সপ্তাহ অনেক ব্যস্ত ছিলাম ট্রেনিং এর মধ্যে।
- 1:05:59তো উইকেন্ড আসল আমাদের। শনির রবি বন্ধ সো ভাবলাম কাছাকাছি
- 1:06:05এখানে যে শহরটা আছে শহরতলিতে ওখানে গিয়ে একটু বেরিয়ে আসি এবং
- 1:06:11ভালো লাগবে। যেহেতু পাঁচদিন অক্লান্ত পরিশ্রম
- 1:06:13করেছি। কাছেই 10-12 মিনিট হাঁটলেই 1:00
- 1:06:19ছোট্ট রেল স্টেশন ছিল 1:00 মফশিলের রেল স্টেশন দেখতে যেরকম
- 1:06:23হয় ওরকম শান্তশিষ্ট সেই রেল স্টেশন হার্ডলি কাউকে দেখা যায়
- 1:06:27ওখানে। আমি হেঁটে সকালবেলা গেলাম গিয়ে
- 1:06:31ট্রেন আসল ট্রেন আসে ঘণ্টা দেড় ঘণ্টা পর পর 1:00 ট্রেন আসে।
- 1:06:341:00 কি 2:00 বগি লাগানো থাকে অনেক বড় তেমন কোনও ট্রেন না।
- 1:06:39যেহেতু মফস্বলের মতো এলাকাটা মানুষজনও কম ট্রেনে করে প্রায় 25
- 1:06:44মিনিটের মতো মতো লাগল। আমার মনে আছে প্রায় আনুমানিক।
- 1:06:4825 মিনিটের মতো লেগেছিল। তখন তো আমি সিটিতে গেলাম ওখানে।
- 1:06:53যাওয়ার পরে আমি কেনাকাটা করলাম। সারাদিন ঘুরে বেড়ালাম।
- 1:06:58তারপর দুপুরের খাওয়াদাওয়া করলাম।
- 1:07:00করে তো ভাবলাম যে কেনাকাটা তো হল এবার ফিরে আসি।
- 1:07:05ট্রেনে করে যথারীতি আমি ফিরে আসলাম।
- 1:07:06তখন সন্ধেবেলা হচ্ছে হচ্ছে এরকম 1:00 সময় শীতকাল ছিল ঠান্ডা ছিল
- 1:07:11আমার জ্যাকেট পড়া ছিল আমার মাফলার ছিল টুপি ছিল।
- 1:07:15আমি যখন ট্রেন স্টেশনে আসি সেখান। থেকে অল্প।
- 1:07:21কজন মানুষ মাত্র উঠেছে। কিন্তু আমার স্টেশন আসার আগে
- 1:07:24আগেই। তো মোটামুটি সবাই নেমে গেল বগিতে
- 1:07:26আমি একা আমার নিজের ট্রেন স্টেশনে ঠিক আগের স্টেশনে দেখলাম ট্রেন টা
- 1:07:32যখন থামল তখন 1:00 মেয়ে উঠে আসল ট্রেনের মধ্যে এবং মেয়েটার পরনে
- 1:07:38মানে চোখে লেগে থাকার মতো মানে টকটকে লাল 1:00 গাউন তার উপরে
- 1:07:43কালো রঙের 1:00। কেমন ফ্রিলস হল 1:00 জ্যাকেটের
- 1:07:46মতো মেয়েটার পড়া মাথায় চুলগুলো কেমন করে যেন বাধা আর বেশি ডার্ক
- 1:07:52মেকআপ করা তো তখনকার সময় ওটা ছিল 1:00 ফ্যাশন ছিল এটাকে বলে কথিক
- 1:07:57ফ্যাশন। এরা সব সময় ডার্ক কালার উসে করত
- 1:08:00ব্ল্যাক টা উসে করত বেশি চোখের চারিদিকে ওরা ট্যাটু করতো নেল
- 1:08:04পলিস ও হয়তো ব্ল্যাক ঠোঁটের। যে লিপিস্টিক অটো ব্ল্যাক সো
- 1:08:10বিভিন্ন রকমের ওটা ঋংস পড়ত না কে কানে ঠোঁটে বিভিন্ন জায়গায় এই
- 1:08:14ফ্যাশন টা তখন সারা পৃথিবীতে বেশ সুপ্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছিল।
- 1:08:18সো আমি ওই পরিবেশে আসলে তো কারো দিকে সরাসরি তাকানো যায় না।
- 1:08:25কারণ এটা আসলে শিষ্টাচার বিরতি। সো যতটুকু দেখার নিমিষের মধ্যে
- 1:08:30একটু দেখে আমি আমার দৃষ্টি বাইরের দিকে ফেরালাম।
- 1:08:34আমাদের যখন স্টেশনটা আসল আমি নেমে গেলাম মেয়েটা দেখলাম তাড়াহুড়ো
- 1:08:37করে আমার আগেই নেমে গেল একটু ভাবলাম যে ঠান্ডার ভেতরে মেয়েটা
- 1:08:42তেমন কোনও ভারী কোনও কাপড়চোপড় পড়েনি নিশ্চয়ই কোনও অনুষ্ঠান
- 1:08:45আছে হয়তো। ঋণ থেকে যখন নামলাম নামার পরে আমি
- 1:08:51দেখলাম যে 1:00 মিউজিকের আসলে 1:00 শব্দ পাচ্ছিলাম।
- 1:08:55আমি তখন তো দেখি একটু দূরেই গাছগাছের ভেতরেই ওখানে 1:00 পুরনো
- 1:09:011:00 বাড়ির মতো 1:00 গেট দেওয়া আছে সেই গেটের ওখানে ওদিক থেকে
- 1:09:051:00 আসলে মাসিক আসছিল আর মাসিক টা খুব মানে ফার্মস 1:00 মাসিক
- 1:09:09আমার। অনেক ফেব্রুয়ারি ঈগল ব্যান্ড এর
- 1:09:11ওই ওয়েলকাম টু দি হোটেল ক্যালিফোর্নিয়া যে সংটা আছে ওই
- 1:09:16গানটা ওখান থেকে বাচ্ছিল। আমি একটু দাঁড়িয়ে গেলাম।
- 1:09:18আমি বললাম যে, বাহ্ গানটা তাহলে একটু শুনি।
- 1:09:21কিন্তু দেখলাম মেয়েটি ওদিকে হেঁটে যাচ্ছে।
- 1:09:23আমি ভাবলাম যে আচ্ছা ঠিক আছে, বিকেলে পড়াশোনা তো আমাকে সারা
- 1:09:26রাত জেগে করতে হবে। কারণ অনেক হোমওয়ার্ক আছে।
- 1:09:29ভাবলাম যে হয়তো ক্যাফে হতে পারে এই পরিবেশের মধ্যে এই ধরনের আসলে
- 1:09:35আমি দেখেছি কক্সবাজারও আমাদের আছে সেই গ্রাম্য পরিবেশের ভেতরে ওরা
- 1:09:40খুব সুন্দর কফি শপ ওরা ভেতরে পড়ে থাকে।
- 1:09:44অনেকটা ওই রকমের স্বামীও হাঁটছি তো মেয়েটা দেখলাম দরজা ঠেলে
- 1:09:47ভেতরে ঢুকে গেল সো। আমি যেহেতু একটু দূরে ছিলাম এটা
- 1:09:51তো আমি যখন ওখানে এসে পৌঁছালাম দরজার ঠেলে আমি ভাবছিলাম যে বা
- 1:09:56অনেক সুন্দর পরিবেশ হবে। আমি যখন দরজা টুলে ভেতরে ঢুকলাম।
- 1:10:00আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। আমি চাই তখন ভেবে এসেছি এর ধারে
- 1:10:06কাছে আমার চিন্তাভাবনা নেই। ওটা আসলে 1:00 ভেঙে পড়া 1:00
- 1:10:11বাড়ির মতো ওখানের ভিতরে কিছু আগে হয়তো কোন এক সময় কোন
- 1:10:15রেস্টুরেন্ট ছিল ভাগাছড়া সমস্ত টেবিল এবং অনেক জায়গায় মাকড়সাত
- 1:10:19জালটাল এখনও আমি দেখতে পারছি এই সন্ধ্যাবেলার এই সময়টায়।
- 1:10:24এবং 1:00 2:00 চেয়ার টেবিল আছে পুরনো এবং দেখলাম ওই মেয়েটা পেছন
- 1:10:30ফিরে ওদিক হয়ে ওখানে বসে আছে একা ওখানে কেউ নেই আমার কেন যেন ওই
- 1:10:35মুহূর্তে সমস্ত শরীরটা ভারী হয়ে আসলো।
- 1:10:39আমার গায়ে চামড়া মনে হল অনেক ঠিক হয়ে গেছে।
- 1:10:42মানে আমার কোন ফিলিংস কাজ করছিল না।
- 1:10:44আর ভাবছিলাম এটা কি এই কি মুহূর্ত এক মুহূর্ত আগামী শুনলাম যে সেই
- 1:10:49গার্লস এর গানটা হচ্ছিল কিন্তু এখন কোন গান নেই এটা কোন জায়গায়
- 1:10:52আমি আসলাম তারপর এটা ভাবছি তখন মেয়েটা আসতে করে ঘাড় ঘুরিয়ে
- 1:10:57আমার দিকে তাকাল। আমি যখন মেয়েটার সেই ফ্যাকাশে
- 1:11:00মুখটা দেখতে পেলাম। আবার মনে হচ্ছিল না যেন এটা আসলে
- 1:11:04কোন মানে জীবিত কোনও মানুষের কোনও মুখ 1:00 নারীর মুখ।
- 1:11:09কিন্তু কেমন ফ্যাকাশে আর অদ্ভুত সেই গতিক তার মেকআপ করা মনের
- 1:11:15সমস্ত শক্তি দিয়ে আমি নিজেকে বললাম যে এখান থেকে এই মুহূর্তে
- 1:11:20ভেগে যাওয়া। আমি ঘুরলাম কীভাবে আছে আমি
- 1:11:24স্টেশনের ওদিকটা আসলাম এবং বাসা পর্যন্ত এসে পৌঁছালাম।
- 1:11:28এই গাছগাছারির ভেতর দিয়ে আবার কোনও কিছু এই মুহূর্তে আর খেয়াল
- 1:11:32নেই। এসে সরাসরি নিজের বেড রুমে কাপড়
- 1:11:35চুপ করে যা কেনাকাটা হয়েছিল রেখে।
- 1:11:39লাম গরম সাওয়ার নিলাম। তারপর আমি যখন পায়জামা পরে আর
- 1:11:43স্ল্যাক্স আর আমার সমস্ত যেটা যেটা পরে আমি আসলে ঘুমোতে যাই।
- 1:11:48একবারে ওই ড্রেস টা আমি পড়ে ফেলেছিলাম কারণ স্টাডি করে খেয়ে
- 1:11:52দেয়ে আমি ঘুমিয়ে যাব। তখন দেখে নিচ থেকে ওই জনের ওয়াইফ
- 1:11:56আমাকে বলল যে তোমার জন্য 1:00 চকলেট কেক ফ্রিজে রাখা আছে তুমি
- 1:12:00গিয়ে একটু খেয়ে নিও। তা আমি নিচে নেমে ফ্রিজ খুলে
- 1:12:04দেখলাম যে হ্যাঁ সুন্দর 1:00 চকলেট কেক রাখা আমি ওটা বের
- 1:12:08করলাম। আর ভাবলাম যে একটু কফি এখানে
- 1:12:10বানাই তারপর আমি পড়াশোনা করতে পারব।
- 1:12:13কিন্তু মাথার মধ্যে আমার কিন্তু ঘুরছিল এবং ভেবে পাচ্ছিলাম না।
- 1:12:17আসলে কি দেখলাম কী হয়ে গেল? আমি কফি বানাতে বানাতে এমন সময়
- 1:12:22দেখি জনের ওয়াইফ এসে কিচেনে ঢুকে বলল যে তুমি সারাদিন বাইরে ছিলে
- 1:12:26আমার তো মেয়ে এসেছিল আমার বড় মেয়েটা এসেছিল ডাউন থেকে কিছু
- 1:12:30ফ্রেন্ড নিয়ে এসেছিল ওরা অনেক হইচই করল তারপর চলে গেল ওরাই কেক
- 1:12:34টা আসলে নিয়ে এসেছিল। সো আমার আমি বললাম যে তোমার আরেক
- 1:12:38মেয়ে কোথায় তো দেখি জনের ওয়াইফ চুপ করে আছে কিছু বলছে না তার
- 1:12:43দিকে আমাকে বলল তাকিয়ে যেও যে ফ্রিজের উপরে দেখেছ অনেকগুলো ছবি
- 1:12:46আছে ওখানে আমার দু মেয়ের ছবি যে দেখো কনভার্ট লাগানো আছে তো আমি
- 1:12:51ছবিটার দিকে তাকিয়ে। আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম
- 1:12:55না যে মেয়েটাকে আমি এই একটু আগে দেখলাম সেই ভৌতিক পরিবেশে ওখানে
- 1:13:01আরেকটা মেয়ে আমি ওকে বললাম এটা তোমার মেয়ে এই এবং আশ্চর্যের
- 1:13:05ব্যাপার হচ্ছে এক্সাক্টলি সেম রেট রেড এর যে কালারের যে গান ওই গাউন
- 1:13:10পরা ওরকম ড্রেস উপ করা বলল যে হ্যাঁ ওটা আমার মেয়ে কেন?
- 1:13:14আমি বললাম ও কোথায় বলল তো এক বছর আগে বলল 1:00 ঘটনা ঘটেছে।
- 1:13:19ঘটেছিল। যাই হোক ওটা নিয়ে আলোচনা করতে
- 1:13:21চাচ্ছি না এন্ড সে ইস মিসিং শিস মিসিং ফরেভার আমি আর আমার মুখ
- 1:13:27দিয়ে আমার কোনও কথা বেরচ্ছিল না। আমার কোনও ভাষা আমার মুখ দিয়ে
- 1:13:31আমি আমি যে ওকে বলব যে আমি কাকে দেখলাম একটু আগে।
- 1:13:35কী দেখে আসলাম এটা যে ওর সাথে শেয়ার করব এটা আমার আর মুখ দিয়ে
- 1:13:39বের হচ্ছিল না। এই কথাগুলো সো এটাই ছিল আজকের
- 1:13:42আমার আরেকটি ঘটনা সবাইকে আবারও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
- 1:13:53স্পিড। বেহের উইথ।
- 1:13:56মি। ওয়েলকাম ব্যাক আফগান ভাইস
- 1:14:18সেকেন্ড ঘটনার জন্য অনেকে অপেক্ষা করছেন।
- 1:14:19তার আগে জানাই আপনারা শুনছেন ভূত.কম এইট স্পেশাল আমি রাসেল আছে
- 1:14:23সাথে এবং আশা করছি আপনাদের ঘটনা ভালো লাগছে।
- 1:14:27আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং ভালুর দলে আছেন।
- 1:14:30এখন যে ঘটনাটি প্লে করবো সেটি হচ্ছে আফনান ভাইয়ের সাথে।
- 1:14:35মানে আফরান ভাইয়ের শেয়ার করা একটি ঘটনা।
- 1:14:37আশা করছি এই ঘটনাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
- 1:14:39আমাকে লিখতে ভুলবেন না। ফেসবুক.কম স্ল্যাশ রাসেল ডট
- 1:14:43স্বাধীন এই অ্যাড্রেসে গিয়ে এবং আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন
- 1:14:47না। স্বাধীন মিউজিক অ্যাপে এবং সেই
- 1:14:49সাথে আমাকে অবশ্যই অবশ্যই ইমেল করতে ভুলবেন না।
- 1:14:51আমার ইমেল অ্যাড্রেস হচ্ছে রাসেল.ভূত.কম।
- 1:14:551:00 রয়েছে। জিমেল.কম জানিয়ে আমার কথাগুলো
- 1:14:57আপনাদের এখন শুনতে ইচ্ছে করছে না। কারণ অপেক্ষা করছেন অধীরভাবে
- 1:15:01আপনার ভাইয়ের কাছ থেকে তার ঘটনা শুনতে।
- 1:15:04তো আমি প্লে করব সেই ঘটনাটি এবং আশা করছি যে এই ঘটনাটিও আপনাদের
- 1:15:09ভাল লাগবে। চলুন শুনে আসি।
- 1:15:23ভূত ডটকমের সকল। শ্রোতা এবং।
- 1:15:28রাসেল ভাই কে জানাচ্ছি, আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক
- 1:15:31শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সুপ্রিয় শ্রোতাবদ্ধরা।
- 1:15:38আমি আপনার আপনাদের সামনে বরাবরের মতো এবারও একটি চমৎকার স্টোরি
- 1:15:42নিয়ে হাজির হয়েছে। আমি সাধারণত আমার যে জেলা
- 1:15:46রাজবাড়ির জেলা রাজবাড়ি জেলা কেন্দ্রিক ঘটনাগুলো বলতে একটু
- 1:15:50বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কারণ আমার ছেলে মানে অনেক
- 1:15:54লোমহর্ষ। অনেক অনেক ঘটনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে
- 1:15:57আছে তো সেগুলো সংগ্রহ করে বলতে আমার একটু বেশি ভালো লাগে অন্য
- 1:16:01জায়গা থেকে আর কি অন্য জায়গাগুলো বলি রাজবাড়িটা একটু
- 1:16:03বেশি বলি। এজন্য আমার অনেক গল্প আপনারা
- 1:16:06বিশেষ করে রাজবাড়ী কেন্দ্রীয় গল্পটা একটু বেশি শুনে থাকবেন।
- 1:16:09তো আজকে যে ঘটনাটি আমি শেয়ার করব।
- 1:16:11ঘটনার সময় ছিল 2000 10 সাল এবং রাজবাড়ি সদর উপজেলার মধ্যে
- 1:16:16পৌরসভা এবং পৌরসভাটি রয়েছে পৌরসভার একদম মানে পৌরসভার
- 1:16:20এরিয়ার একদম পাশ একটি গ্রাম রয়েছে।
- 1:16:22তার নাম হচ্ছে রামচন্দ্রপুর। এই রামচন্দ্রপুরে উদ্দিন নামক
- 1:16:27একজন। মানে দরিদ্র মানুষের বসবাস আছে।
- 1:16:30উড়ান ঘটনাটি আজকে আমি আপনাদেরকে শেয়ার করব।
- 1:16:33কবির উদ্দিন উনি যে উনি খুব গরিব মানুষ ছিলেন ওরা নিজের আসলে ওরকম
- 1:16:37কোনও জায়গা ছিল না। উনি পরের ক্ষেতে বর্গার কাজ করতেন
- 1:16:42এবং ওনার একটি বেশ বড়সড় সুন্দর একটি গরু ছিল।
- 1:16:48ওই গরু থেকে যে দুধ উনি পেতেন সেই দুধ বিভিন্ন বাসায় গিয়ে উনি
- 1:16:53বিক্রি করতেন এবং ঘাঁটি দুধ বিক্রেতা হিসাবে ওনার বেশ।
- 1:16:58সুনাম ছিল তখন তো উনি। সাধারণত সকালে যে কাজটি করতেন,
- 1:17:04সকালে উনি উনি মাঠে গরুটা বেঁধে দিতেন এবং সন্ধ্যা রাখতেই উনি
- 1:17:08গরুটি নিয়ে আসতেন। এটি ওনার প্রতিদিনের কাজ ছিল।
- 1:17:10আর মধ্যবর্তী সময়ে উনি বিভিন্ন কারও খেতে বর্গা চাষী হিসাবে কাজ
- 1:17:15করতেন। একদিন উনি সকালে।
- 1:17:21মানে গরুটি বাঁধেন মাঠে মাঠে মাঠে বাঁধার পর উনি দুপুরের মধ্যে কাজ
- 1:17:27শেষ করে ওনার রাজবাড়ি বাজারে একটু কাজ ছিল।
- 1:17:29তো। ওই কাজ হঠাৎ করে কাজ পড়ে যায়।
- 1:17:33যার কারণে ওনার বাসার থেকে আর কেউ উনি বলে যাননি যে ওনার ছেলে যে
- 1:17:37ছিল তাকে বলে যে বা ওনার স্ত্রীকে বলে যেতে পারেননি যে উনি বাজারে
- 1:17:39যাচ্ছে যদি একটু দেরি হয়। আমরা ছেলে যেন মাঠ থেকে গরুটি
- 1:17:43নিয়ে আসে। এখন উনি বাজারে যখন যান।
- 1:17:48ওই সময় বেশ কিছু। কারণে ওনার অনেক দেরি হয়ে যায়।
- 1:17:52অনেক দেরি হয়ে যায়। আর ওনার তো মোবাইল ছিল না।
- 1:17:57মোবাইল ফোন না থাকার কারণে নিজের মোবাইল ফোন নাই।
- 1:18:00বাসা কারো মোবাইল ফোন নাইজার কারণ কাউকে ফোন করে বলতেও পারছেন না যে
- 1:18:03ওনার আসতে দেরি হবে। কোন ছেলেকে যে বলবেন যে গৌরী যেন
- 1:18:06সে মাঠ থেকে নিয়ে সেটা উনি বলতে পারছিলেন না।
- 1:18:12এদিকে উনারদের ছেলে সে চিন্তা করছে যে প্রতিদিন তো বাবা নিয়ে
- 1:18:15আসে তো। সেও নিয়ে আসবে আর ওনার ছেলেও।
- 1:18:21ওইদিন একটু পাশে একটি পাশের একটি গ্রামে ক্রিকেট খেলতে যায়।
- 1:18:27ক্রিকেট খেলতে গেলে ওইদিনও তাঁর খেলা শেষ করে মানে বন্ধুদের সাথে
- 1:18:31একটু আড্ডা দিতে দিতে বাড়িতে ফিরতে ফিরতে বেশ দেরি হয়ে যায়।
- 1:18:36এখন যেহেতু উনি ক্ষবির উদ্দিন কাউকে বলেও যান নাই যে আসতে দেরি
- 1:18:40হবে। এদিকে ওনার ছেলেও বাড়িতে নাই।
- 1:18:43এখন ওনার স্ত্রী গরুটাকে আনতে যাবে।
- 1:18:46এই সাহসও পাচ্ছিলেন না। যে বাসায় তারা যদি আবার বাসা
- 1:18:50ফাঁকা করে যাব, যদি আবার তারা যদি আবার গরুটা নিয়ে আসে।
- 1:18:54এজন্য উনি স্বামী এবং সন্তানের অপেক্ষা করছিলেন।
- 1:18:58এদিকে। বাজারে বেশ কিছু ওনার কাজ সারতে
- 1:19:03সারতে রাত প্রায় সাড়ে 12:00 যায়।
- 1:19:08কিন্তু রাত 9:00 সাড়ে ন টার মধ্যে ওনার ছেলে আবার বাড়িতে চলে
- 1:19:11আসে বাড়িতে চলে আসার পরে কবির উদ্দিনের স্ত্রী তাঁর ছেলেকে বলছে
- 1:19:15যে, তোমার বাবা তো এখনও আসেনি। ওদিকে মাঠেও তো গরুটা আনা হয়নি।
- 1:19:20তখন ওনার ছেলে বলছিলেন যে বাবা তো হয়তো এখনই চলে আসতে পারে তো একটু
- 1:19:25দেখি একটু দেখে যদি দেরি হয় তাহলে আমি যে আমি গুরুটি নিয়ে
- 1:19:28আসবো। তখন এর মধ্যে কী হয়?
- 1:19:34যখন কবির উদ্দিনের আসতে অনেক দেরি হচ্ছিল।
- 1:19:38তখন রাত সাড়ে দশটার দিকে ক্ষবির উদ্দিনের ছেলে সে।
- 1:19:44গরুটি মাঠে আনতে চাই। অদ্ভুত ব্যাপার হল সেই গরুটি মাঠে
- 1:19:51আনতে আসা যাওয়া আসলে কখনও 30 মিনিটস এর উপরে লাগার কথা।
- 1:19:56কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যাচ্ছে।
- 1:19:59কবির উদ্দিনের ছেলে গরু নিয়ে বাসে ফিরছে না।
- 1:20:04এদিকে। খবির উদ্দিন রাত প্রায় সাড়ে
- 1:20:07বারোটার দিকে যখন বাসায় আসে বাসায় সেই ঘটনা শুনে যে তার
- 1:20:10ছেলেও গরু আনতে গিয়েছে অনেকক্ষণ আগে প্রায় 23 ঘণ্টা আগে গিয়েছে
- 1:20:162 ঘণ্টা আগে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ফিরছে না।
- 1:20:19তখন ক্ষবির উদ্দিন চিন্তা করে কী ব্যাপার কী হল কোনও দুর্ঘটনা ঘটল
- 1:20:22কি না। তখন ক্ষবির উদ্দিন।
- 1:20:25উনি নিজেও। হাতে একটি কুপি নিয়ে আমরা
- 1:20:29ল্যাম্প বলি। বা কুপি বলি যেটা মানে হারিকেন
- 1:20:31না। আমরা দেখেছেন যে আলোটা উন্মুক্ত
- 1:20:33হবে চলে আর কি হালকা বাতাসে কিন্তু নিবে যেতে পারে সেটা তো
- 1:20:36যেহেতু না টর্চ লাইট ছিল না। খুব গরিব মানুষ ছিল নাকি তো উনি
- 1:20:401:00 কুপি নিয়ে বের হন। ওই মাঠের দিকে যেখানে গরুটি উনি
- 1:20:45বে থেকে রেখেছিলেন। তিনি যখন মাঠে চান যাওয়ার পরে
- 1:20:49উনি কোথাও গরু দেখতে পান না। কোথাও গরু দেখতে পান না।
- 1:20:53কিন্তু কোথায় গেল? তাহলে এমন হতে পারে যে গরুটি মাঠ
- 1:20:58থেকে ছুটে পালিয়েছে বা অন্য কোথাও চলে গেছে।
- 1:21:02এমন হতে পারে অনেক সময় এরকম হয়। তো উনি ওই হাতে কুপি নিয়ে
- 1:21:07বিভিন্ন জায়গায় উনি গরু খোঁজার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন।
- 1:21:10আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় এবং কয়েকটা বাড়ি থেকে লোকজনদেরকে
- 1:21:13ডেকেও তোলে যে তারাগুলো দেখেছে কি না তখন তাঁরা বলে দেন না ওনারা
- 1:21:18গরুটি সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে দেখেছিলেন।
- 1:21:20তারপর আর কখন ওনারা খেয়াল করেননি।
- 1:21:23কবির উদ্দিন চিন্তায় পড়ে যাচ্ছে।
- 1:21:25যেহেতু উনার উপার্জনের বড় 1:00 মাধ্যম ছিলেন এই গরু এবং এই গরুর
- 1:21:31থেকে প্রাপ্ত দুধ এবং দুধ বিকৃত অর্থ।
- 1:21:36তো উনি গরু খোঁজার জন্য হন্যে হয়ে ছুটতে থাকেন।
- 1:21:39এদিকে ওনার ছেলে কোথায় খুঁজছে? এটা উনি মানে বুঝতে পারছেন না যে
- 1:21:43ছেলে আবার কোন দিকে গিয়েছে তো চিন্তা করেন ছেলে ও হয়তো খুঁজে
- 1:21:47বা যে ভাবেই হোক বাড়িতে ফিরে আসবে তো উনি নিজ দায়িত্ব খুঁজতে
- 1:21:50থাকেন। তো খুঁজতে খুঁজতে উনি।
- 1:21:56একটি জায়গায় চলে আসেন। এই জায়গাটা লোকও শেড।
- 1:21:59তো আমি কিন্তু এর আগে অনেকবার যে গল্পগুলি শেয়ার করেছিলাম তো তার
- 1:22:04মধ্যে বেশ কিছু গল্প। কিন্তু রাজবাড়ি জেলার এই লোকশেড
- 1:22:06কেন্দ্রিক ছিল। এটা খুবই হন্টেড 1:00 জায়গা।
- 1:22:09এবং অনেক ঘটনা এই লোকসেত কেন্দ্রিক রয়েছে।
- 1:22:13আমি আগেও শেয়ার করেছি। আজকের ঘটনাটি অনেকটা সেই কেন্দ্রে
- 1:22:17এবং ভবিষ্যতে আরও ইনশাল্লাহ লোক ঘটনা আমি উপহার দিতে পারব।
- 1:22:21আপনাদের আশা করি ইনশাল্লাহ। তো উনি লোকেসের দিকে যেতে থাকেন।
- 1:22:27যেতে যেতে যেতে যেতে লোকোশের এটা তো 1:00 সময় মানে রেল রেলের
- 1:22:33ইঞ্জিন মেরামত, বিভিন্ন বগি মেরামতের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- 1:22:36এখন অবশ্য সেই কাজটি এখন হয় না। কিন্তু রেলের এই বিশাল জায়গা এটি
- 1:22:41পরে যাচ্ছে এখনও। ওখানে উনি যখন মানে মেইন রেল
- 1:22:47লাইনটা ওখান থেকে পার হয়ে পাশে চলে যান।
- 1:22:48অপর পাশে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পর ওখানে বিশাল
- 1:22:511:00 মাস রয়েছে। লোকেশরের বিশাল 1:00 মাঠ রয়েছে
- 1:22:54তো সেখানে উনি গিয়ে। উনারে গরুটি দেখতে পান।
- 1:23:00উনি দেখেন যে গরুটি ওখানে ঘাস খাচ্ছে।
- 1:23:04তখন উনি স্বাভাবিক ভাবে গোটির কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
- 1:23:07কিন্তু খেয়াল করেন যে প্রথমটিকে বুঝতে পারেননি।
- 1:23:12কারণ গরু পেয়ে গেছেন এই আনন্দে। আসলে বেশ কিছু বিষয় উনি লক্ষ্য
- 1:23:16করতে পারেননি। যখনই গরুটি উনি ধরতে গিয়েছেন
- 1:23:20দেখেন গোটি ছুটে অন্যদিকে চলে যাচ্ছে।
- 1:23:25তখন উনি বারবার বই ধরার চেষ্টা করেন।
- 1:23:27কিন্তু কিছুতেই গোটি ধরতে পারছিলেন না উনি কিন্তু 1:00 সময়
- 1:23:31উনি খেয়াল করেন যে আসলে ওনার যে গরুটি ছিল দেখতে হবো সেটাই এটা
- 1:23:37কিন্তু ওনার গরু থেকে আকারে প্রায় দ্বিগুণ।
- 1:23:42দ্বিগুণ আকৃতির একটি করুন তোর চিন্তা এখন কি ব্যাপার?
- 1:23:45আমার গরু এত বড় এত স্বাস্থ্যবান কিভাবে হল তো মনে চিন্তা করো
- 1:23:50রাতের বেলা হয়তো বা আমি চোখে ভুল দেখছি কিনা এরকমও হতে পারে উনি এই
- 1:23:53চিন্তা করছিলেন। তো উনি গরুর পেছনে ছুটতে থাকছেন।
- 1:23:57কিন্তু গরুতে গরুকে উনি কিছুতেই ধরতে পারছিলেন না।
- 1:24:021:00 সময় উনি খেয়াল করলেন যে ওই মাঠের চারদিকে অনেকগুলো ঠিক একই
- 1:24:08রকমের গুরু হঠাৎ চতুর্দিকে চলে আসছে এবং আস্তে আস্তে এই ক্ষবির
- 1:24:13উদ্দিনকে ঘিরে ফেলছে। এবং তাকে আঘাত করার জন্য বেশ খুবই
- 1:24:17উদ্বিগ্ন। আঘাত করার জন্য চতুর্দিক থেকে
- 1:24:19এগিয়ে আসছে। তখন কবির উদ্দিন বুঝতে পারেন যে
- 1:24:23আসলে উনি একটি বিশাল বিপদে পড়ে গেছেন।
- 1:24:26এই গরুটা কোনও স্বাভাবিক করো না। নিশ্চয়ই এটা খুব প্যারানর্মাল
- 1:24:31কিছু তখন। উনি এই মুহূর্তে চতুর্দিকে এরকম
- 1:24:36মানে বড় বড় আকৃতির করুন। একই রকম চেহারার করুন তো উনি এখন
- 1:24:40কী করবেন? উনি চিন্তা করলেন যে এবার হয়তো
- 1:24:42বলার জীবন শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তার মধ্যে উনি সাহস সঞ্চয়
- 1:24:45করে। উনি জোরে জোরে।
- 1:24:49সুরা ইয়াসিন পড়া শুরু করেন। সৌভাগ্যক্রমে সূরাইয়াসিন টাউনের
- 1:24:52মুখস্থ ছিল জোরাজুরে সুরাইয়াসিন পড়া শুরু করেন তো উনি খেয়াল
- 1:24:58করলেন যে সুরাইয়াসিন উনি যত জোরে করছেন গরুগুলো তত উনার থেকে একটু
- 1:25:03তত বেশি দূরে সরে চলে যাচ্ছে। এজন্য উনি আরও জোরে পড়া শুরু
- 1:25:07করেন। এবং পরতে পরতে উনি যে কাজটি করে
- 1:25:10উনি ওনার বাড়ির দিকে তোড়তেন এবং জোরে জোরে পড়ছিলেন এবং উনি পেছন
- 1:25:14দিকে তাকিয়ে দেখতে পারেন যে ওই গরু গুলো উনার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে
- 1:25:18আসছে। কিন্তু ওরা কাছে আসতে পারছে না।
- 1:25:21বেশ 1:00 নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় মানে বজায় রেখে তারা আছে।
- 1:25:25এভাবে উনি দৌড়ে। বাড়িতে চলে আসেন, বাড়িতে চলে
- 1:25:30এসে উনি ওনার স্ত্রীকে সবকিছু খুলে বলেন এবং 1:00 মজার বিষয় যে
- 1:25:37বাড়িতে এসে দেখেন। ওনার যে গরুটি যেইটি মানে মাঠে
- 1:25:40উনি বেঁধে রেখে এসেছিলেন সেটি একাই আবার বাড়িতে চলে আসছে।
- 1:25:46তো সেটা কিন্তু গোয়ালে মানে বেঁধে রাখেন এবং উনি জিজ্ঞেস করার
- 1:25:50ছেলে কোথায় হচ্ছে? উনি প্রথমে গরু দেখে মনে করেছিলেন
- 1:25:52যে ওনার ছেলে হয়তো বা খুঁজে নিয়ে আসছে।
- 1:25:54তখন স্ত্রী বলেন, ওনার ছেলেকেও পাওয়া যাচ্ছে না।
- 1:25:58সেও গরু খুঁজতে কি এখনও আসেনি? তখন ক্ষবির উদ্দিন চিন্তা করেন।
- 1:26:02তাহলে আমার ছেলে আবার বিপদে পড়ে নাই তো কোনও এই চিন্তা উনার মনের
- 1:26:05মধ্যে খুব দোলা দিতে থাকে। এখন সন্তানের বিপদ হতে পারে।
- 1:26:10এই চিন্তা করে উনি মাত্র যে ভয়ঙ্কর 1:00 পরিস্থিতি থেকে উঠে
- 1:26:14এসেছেন তো সেই কথা চিন্তা না করে উনি নিজেই বের হয়ে যান বের হবে
- 1:26:18ওনার ছেলেকে উনি খুঁজতে থাকেন। ওরা স্ত্রীর সাথে আসতে চাইলে উনি
- 1:26:22নিষেধ করেন যে না তুমি বাড়িতে থাকো।
- 1:26:25উনি একাই বের হন কবির উদ্দিন একাই বের হয়ে।
- 1:26:28আপনার ছেলেকে খুঁজছেন এবং চিৎকার করে তাকে ডাকছেনও।
- 1:26:32তো হঠাৎ উনি আবার ওই লোকসের দিকে খেয়াল করেন যে ওই লোকসের দিকে
- 1:26:36আবার ছেলে যায় নাই তো তো লোগোসের দিকে উনি একটু সামান্য একটু
- 1:26:41এগিয়ে দেখেন যে দূরে কোনও 1:00 ছায়া মূর্তির মতো কেউ হেঁটে
- 1:26:44হেঁটে লোকসরের দিকে যাচ্ছে। তো এই দৃশ্য দেখে।
- 1:26:48এই দৃশ্য দেখে উনি যে কাজটি করে সেটা হলো না ছেলেকে ডাকতে থাকেন।
- 1:26:53কিন্তু ওনার ছেলে কোনও উত্তর দিচ্ছে না উনি বুঝতে পারেন এটাই
- 1:26:55তাঁর ছেলে খান যে পোশাক ওনার ছেলে যে শার্ট টা পরে সেটা উনি দূর
- 1:26:59থেকে আসা চাঁদের আলোতে বুঝতে পারছিলেন যে এটি ওনার ছেলে কিন্তু
- 1:27:04উনি খেয়াল করছিল না। ছেলে কোনও দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপ না
- 1:27:07করে সোজা লোকেসের ওই মাঠটার দিকেই যাচ্ছেন যেখানে উনি।
- 1:27:11কিছুক্ষণ আগে ভয়ঙ্কর 1:00 ঘটনা। অন্য সাথে ঘটেছিল।
- 1:27:14তোর দৌড়ে ওরা ছেলের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন তো?
- 1:27:18কাছে গিয়ে অনেক কষ্ট করব না। ছেলের কাছে যান অদ্ভুত ব্যাপার
- 1:27:21হলোনি যতই দৌড়ানো হচ্ছে চেষ্টা করছি না ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য
- 1:27:25ওরা মনে হচ্ছিল না। ওনার মনে হচ্ছিল যে ওনার পা টা
- 1:27:27চলছে না অতটা। পাটা আটকে যাচ্ছে জলতা হয়ে
- 1:27:30যাচ্ছে পায়ে তারপরেও উনি। দোয়া কালাম পড়তে থাকেন এবং
- 1:27:36দৌড়ানোর চেষ্টা করছে এবং 1:00 সময় গিয়ে ওনার ছেলের কাছে গিয়ে
- 1:27:40ডাক দেন। তারপরও ওনার ছেলে ওনার ডাক শুনতে
- 1:27:42পাচ্ছিল না। তারপর কাঁচিকে যখন ছেলের গায়ে
- 1:27:44হাত দিয়েছেন। তখন তার ছেলের জ্ঞান ফিরে আসে
- 1:27:49তখন। কবির উদ্দিন বলে এই তুমি কোথায়
- 1:27:52যাচ্ছিলাম? তখন ছেলে বলে যে আমি তো নিজেও
- 1:27:56বুঝতে পারছিলাম না। আমি কোথায় যাচ্ছিলাম।
- 1:27:59আমি একটু গরু খুঁজতে খুঁজতে এইদিকে চলে আসছি।
- 1:28:02অনেকক্ষণ ধরে খুঁচে আশেপাশের কয়েকটা জায়গায় আমি খুঁজেছি।
- 1:28:05কিন্তু কোথাও পাচ্ছিলাম না। তারপরে মনে করলাম যে লোকসরে এদিকে
- 1:28:09কি আছে কি না। কিন্তু এদিকে কিছুক্ষণ আসার পরে
- 1:28:11কি হয়েছে? আমি আর বলতে পারি না।
- 1:28:14আমি কোথায় যাচ্ছিলাম কি হয়েছিলাম কিছু বলতে পারেন এই যে
- 1:28:16এখন বাবা তোমাকে দেখছি। তখন ওনার ছেলেকে আবার উনি বাসায়
- 1:28:20নিয়ে আসেন। বাসায় নিয়ে আসার পর ওনার ছেলের
- 1:28:25প্রচণ্ড জ্বর আসে। এর পরে তারপরে স্বাভাবিক ভাবেই
- 1:28:27আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে যান তো। এটি ছিল ঘটনা তো এরকম ঘটনা
- 1:28:35লোকশেদকেন্দ্রিক মানে অনেক ঘটে থাকে।
- 1:28:38আবার ইনশাল্লাহ কোনও একটি এপিসোডে আমি কোনও এক সময় লোকশ্রে আরও
- 1:28:43কোনও লোমহর্ষক কোনও ঘটনা। আমি ইনশাল্লাহ আপনাদের সঙ্গে
- 1:28:46শেয়ার করব। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন,
- 1:28:48সুস্থ থাকবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন রাসেল
- 1:28:51ভাইকে এবং সকল মানে ভূত ডটকমের সকল শ্রোতাদেরকে জানাচ্ছি আবারও
- 1:28:56শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আসসালামু আলাইকুম।
- 1:29:14ওয়েলকাম ব্যাক আরও একবার আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি, ভূত.কম অনেকদিন
- 1:29:18আগে আমাদের একটি ঘটনা পাঠিয়েছিলেন।
- 1:29:19যে ঘটনাটি অনেকদিন ধরে প্লে করা হয় না তো আমার মনে হয় যে সেই
- 1:29:24ঘটনাটি আমি এখন প্লে করতে চাই পাঠিয়েছেন।
- 1:29:27আমাদের চট্টগ্রাম থেকে আমাদের একজন ডিজনার এবং তার সেই ঘটনাটি
- 1:29:31আমরা শুনে আসব এবং আপনার জানা যে ঘটনাগুলো আছে সেগুলো আপনি আমাকে
- 1:29:35পাঠাতে পারেন। আমাকে অবশ্যই ইমেল করুন।
- 1:29:38আমার ইমেল অ্যাড্রেস হচ্ছে রাসেল.ফুড.কম একবার এইচ জিমেল.কম
- 1:29:42আপনার ইমেলের প্রতীক্ষায় রয়েছি। অধীর প্রতীক্ষায় রয়েছে আপনারা
- 1:29:46এখন জেনে যান। মোটামুটি আমি ফেসবুকে খুবই
- 1:29:48অ্যাক্টিভ। যে কারণে আপনারা জেনে যান যে কোন
- 1:29:51ধরনের ঘটনা এবার আমরা করতে যাচ্ছি।
- 1:29:53কোন ধরনের ঘটনা আমরা প্রচার করব। কোন ধরনের ঘটনায় আপনারা শুনবেন
- 1:29:58আপনারা আমাদেরকে জানান যে কোন ধরনের ঘটনা শুনতে চান আফলান
- 1:30:02ভাইয়ের কাছে কোন ধরনের ঘটনা শুনতে চান বাবু ভাইয়ের কাছে কোন
- 1:30:05ধরনের ঘটনা শুনতে চান ডাক্তার আলিফের কাছে বা দেশের বাইরে থেকেও
- 1:30:09বা। ঘটনা শুনতে চান, আমরা চলে যাচ্ছি
- 1:30:12আমাদের পরবর্তী ঘটনায়। নমস্কার ভাই আশা করি ভাল আছেন।
- 1:30:29আমরা জানি আপনি সবসময় ভাল দলে থাকেন।
- 1:30:33সব সময় ভালো থাকবেন এই আশায় করছি।
- 1:30:36অনেকদিন ধরেই আমার মামার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আপনার কাছে
- 1:30:42পাঠাবো। পাঠাবো করে পাঠানো হচ্ছিল না।
- 1:30:45কিন্তু এই হোম কোয়ারেন্টিনে দিনে আসলেই পুজোটা পেয়ে গেলাম।
- 1:30:50তাই রেকর্ড করে আপনাকে পাঠিয়ে দিলাম।
- 1:30:52যদি সম্ভব হয় যদি ঘটনাটি শোনানোর যোগ্য বলে মনে হয়।
- 1:30:56তাহলে শ্রোতাদের শোনাবেন যদি না শোনান তাতেও কোন সমস্যা নেই।
- 1:31:04ঘটনাটি আমি যখন শুনি তখন আমি এইট কি নাইন এ পড়ি এবং ঘটনাটি আমি
- 1:31:11শুনেছি আমার ঠাকুমার কাছ থেকে মানে আমার যে মামা মামার মায়ের
- 1:31:17কাছ থেকে। তো আমি সরাসরি আমার ঘটনায় চলে
- 1:31:33বিশেষ কারণে আমি সেই কোম্পানিটির নাম উল্লেখ করছি না এবং আমার
- 1:31:38মামার নাম উল্লেখ করছি না তো। ঘটনাটি হচ্ছে এমন।
- 1:31:45প্রায় সময় আমার মামা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যেতে ক্লিয়ারিং এবং
- 1:31:50ফরওয়ার্ডিংয়ের কাজ করার জন্য মূলত তার কাজটি ছিল হচ্ছে মালামাল
- 1:31:55ট্রান্সফার করে দেওয়া। মানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাক্কায়
- 1:31:59নাইটে এবং ডেইতে প্রায় সময় ওনারা ট্রান্সফার করার জন্য তো
- 1:32:03মামা অনেক হনেস্ট ব্যক্তি ছিলেন। যে কারণে গিয়ে কোম্পানির অনেক
- 1:32:09ইম্পরট্যান্ট কাজ ওনাকে করতে হতো। ঘটনাটি বলার আগে আমি একটি ঘটনা
- 1:32:17একটি কথা আপনাকে বলতে চাই সেটা হচ্ছে আমার মামার প্রায় সময়
- 1:32:22অস্বাভাবিক রকমের পেটে ব্যথা হতো খুবই অস্বাভাবিক রকমের।
- 1:32:26অনেক মানে এই ব্যাপারটা হঠাৎ করে হয়ে যেত।
- 1:32:30মামা কাজ করছে। অফিসে বসে হঠাৎ করে এমন টাইপের
- 1:32:34পেটে ব্যথা হতো। সেটা উনি কখন কল্পনা করেন নাই।
- 1:32:38খুবই রকমের প্রতি ব্যথা হলে মামা প্রায় সেন্সলেস মতো অবস্থা হয়ে
- 1:32:43যেত। একদম বেহুঁশ হয়ে যেত যখন সেটা
- 1:32:46হতো তো। অনেক ডাক্তার কবিরাজ বৈদ্য দেখানো
- 1:32:52হয়েছে কিন্তু কোনওটাতে কোনও কাজ হয়নি।
- 1:32:56তো ঘটনাটা যখন ঘটে। তখন মামা একদিন ঢাকা থেকে
- 1:33:02চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যায়। বাংলার কাজ করার জন্য গেল কাজ শেষ
- 1:33:08করব। কোনও 1:00 কারণে সে অফিসের
- 1:33:12ট্রান্সপোর্ট করে আসতে পারে নাই। তাকে 1:00 ঢাকায় তাঁর 1:00
- 1:33:16বন্ধুর বাসে যেতে হয়। বন্ধ নিমন্ত্রণ করে নিয়ে যায়
- 1:33:20ওনাকে তো উনি অফিসের যে ট্রান্সপোর্ট সেই মানে সেই কার্গো
- 1:33:25পাঠিয়ে দেন। উনি আর ওটাতে করে আসেন না তো।
- 1:33:28পরবর্তীতে উনি ওনার বন্ধুর ভাষায় যান এবং সেখানে রাত্রি যাপন করেন।
- 1:33:34কিন্তু রাত্রি যাপন যখন করেন তার পরের দিন।
- 1:33:38উনি টাকার একটি বাস স্টেশনে যান চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা
- 1:33:43দেওয়ার জন্য মানে বাড়িতে আসার জন্য।
- 1:33:46কিন্তু উনি যখন যান তখন। মানে উনি যখন তখন ওই মানে ওই
- 1:33:52মুহূর্তের জন্য কোনও গাড়ি ছিল না।
- 1:33:54যে গাড়িটা ছিল সেটা হচ্ছে 1 ঘণ্টা পরে।
- 1:33:59মা মাজ যথারীতি সেই সিট ফিল আপ করল।
- 1:34:01এখন এতটা সময় কী করবে? তাই অনেক কাউন্টারে বলেছিলেন।
- 1:34:06হঠাৎ করে উনি ফিল করলেন যে ওনার সেই যে তীব্র প্রতি ব্যথা সেটা
- 1:34:12উনি। অনেক বেশি রকমের পৃথিবীতে উনি
- 1:34:16অনেক চেষ্টা করে সেটা কমে পারেনি। আর ঢাকায় এরকম কোন মানে ওই
- 1:34:23বন্ধুটি ছাড়া এরকম কোনও আত্মীয় স্বজনও নাই।
- 1:34:26যাকে ফোন করে মানে ইমিডিয়েট সাহায্য নেবে।
- 1:34:29বন্ধুকে কল করছে। বন্ধু অনেক ব্যস্ত ছিল।
- 1:34:32তো বাবা বসে ছিল কোন রকমে কষ্ট করে বসেছিল।
- 1:34:35কিন্তু ব্যথাটি এমন অবস্থা হয় যে উনি অবস্থা।
- 1:34:40হয় মানে বেহসী হয়ে যান। কিন্তু একটু একটু তার চেতনাটা
- 1:34:44ছিল। যখন উনি সেন্সলেস এর মতো অবস্থা
- 1:34:47হয়ে যান তখন উনি ফীল করেন। উনি দেখতে পান যে একটি বৃদ্ধা
- 1:34:51মহিলা। হাত তার কাছে আসেন মানে মামার
- 1:34:56কাছে আসেন এসে মামার পাশে বসেন মামার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।
- 1:35:02এবং আমাকে জিজ্ঞেস করেন যে, বাবা তোমার কি অনেক কষ্ট হচ্ছে?
- 1:35:07মানে এই ধরনের কিছু কথা বার্তা বলতেছিল।
- 1:35:11বৃদ্ধার আঞ্চলিকতা বোঝাই যায় বৃত্তা যে কোন একটি জায়গায়
- 1:35:15আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলেন। আমি বাবার সাথে ফিল করেন মামার
- 1:35:18সাথে বুঝতে পারেন। এখন আমার কোনও রকমে জবাব দেন।
- 1:35:23অনেক বেশি কষ্ট হচ্ছে। এখন বলে রাখি মামা পুজোর পানি পান
- 1:35:28করতেন। ওনার ব্যাগের ব্যাগের মধ্যে পান।
- 1:35:32তখন বৃত্ত 1:00 কাজ করলেন। সেই পানির বোতল থেকে কিছু পানি
- 1:35:36হাতের মধ্যে নিয়ে সেখানে মন্ত্র টাইপের কিছু 1:00 পড়লেন।
- 1:35:39মানে মন্ত্র যেরকম পরে। ঘুরে সেই পানিটা মানুষ খাইয়ে।
- 1:35:47হাতে করে নিয়ে। তারপরে বলেন, তুমি শুয়ে থাক মানে
- 1:35:52এরকম কিছু 1:00 বলেন। কিন্তু বলার পরে উনি সেখান থেকে
- 1:35:57চলে যান ওই বৃদ্ধা সেখান থেকে চলে যান।
- 1:36:00এখন উনি যা চলে যাচ্ছিলেন সেটা কিন্তু আমার দেখতে পাই।
- 1:36:03দেখার পরে মামা বেহোশ হয়ে যায় ওনারা কিছুই মনে থাকে না।
- 1:36:06বরং মানুষের আপনাকে তো আর ঘুম না ভাঙ্গে।
- 1:36:11দেখতে পাচ্ছি সে বৃদ্ধার কোথাও নাই।
- 1:36:14এবং। ওনাকে যে পানি খাওয়ানো হয়েছিল
- 1:36:17সেটার প্রমাণ হচ্ছে মামা কিন্তু পাঁচ কাউন্টারে বসার আগে।
- 1:36:23যতটুকু মনে পড়ে উনি এখান থেকে আর কোনও পানি খান নেই।
- 1:36:29কিন্তু পানিটা যে কিছুটা খরচ হয়েছে সেটার প্রমাণ কিন্তু ওই
- 1:36:32খালি বোতলটা দেখলেই বোঝা যায়। তো রাসেল ভাই যে ঘটনাটা বলছিলাম
- 1:36:39যে ওই ঘটনাটির পর মামার যে তীব্র পেটে ব্যথা সেটা আকস্মিকভাবে চলে
- 1:36:44যায় কেন বলি? কারণ আগে যখন এই পেটে ব্যথাটা হত
- 1:36:47তখন উনি প্রায়ই সময় ফিল করতেন যে মানে ওনার যখন সেন্সলেস থেকে
- 1:36:52ওনার জ্ঞান ফিরত তখন কিন্তু ওনার। এই কিছুটা ব্যথা উনি ফিল করেন।
- 1:36:56কিন্তু সেইদিনের পর থেকে ওনার ওই ব্যথাটা নাই।
- 1:37:01মানে এতদিন টোটালি চলে গেছে। আকস্মিক ভাবে কীভাবে হল সেটা কেউ
- 1:37:05জানে না এবং ওই বৃদ্ধাকে উনি অনেক খুঁজছেন।
- 1:37:08এরপর যখন গেছে ওই স্টেশনের পাশাপাশি অনেক দেখছিল।
- 1:37:12কিন্তু তখন আর খুঁজে পান নাই। আর।
- 1:37:17তো। মানুষের লাইফ এ এমন অনেক কিছুই
- 1:37:19ঘটে যেগুলো কোনও সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা আমাদের কাছে থাকে না।
- 1:37:24এমন অনেক কিছুই পৃথিবীতে ঘটে যেগুলোর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
- 1:37:28কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখনও আবিষ্কার করতে পারেননি।
- 1:37:31কে ছিলেন এই বৃত্তা। কি তার পরিচয় কিছুই জানেন না
- 1:37:35মামা কিন্তু ওই বৃদ্ধাটি যেন মামার জীবনে 1:00 আশীর্বাদ
- 1:37:39হয়েছিলেন। এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ সত্য।
- 1:37:43আমি একাধিকবার নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমার সেই মামাকে জিজ্ঞাসা
- 1:37:46করি। যদি কোনও সম্ভব হয় তাহলে আমি
- 1:37:51আমার সেই মামাকে নিয়ে আপনাদের স্টুডিওতে আসব।
- 1:37:54আমার কাছে আরও অনেক ঘটনা আছে। যদি আমার এই ঘটনা সিলেক্ট হয়
- 1:37:58তাহলে আমি সেই ঘটনাগুলো পাঠানোর জন্য অনুপ্রাণিত হব।
- 1:38:05ভাল। যে ভাবে লেখা আছে আমি সে ভাবেই
- 1:38:08পড়ছি আসসালামু আলাইকুম। রাসুল ভাই জানিয়ে আপনি সর্বদাই
- 1:38:12ভালোর দলে থাকেন। গতবারেই আমার দশম ঘটনাটিকে এক
- 1:38:17অনন্য অনবদ্য উপস্থাপনায় জীবন্ত করে উপস্থাপিত করার জন্য অসংখ্য
- 1:38:23আন্তরিক। ধন্যবাদ।
- 1:38:24শ্রোতা বন্ধুদের অধীর আগ্রহে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ আবারও
- 1:38:30সাবমিটটির ঘটনা নিয়ে আমি হাজির হয়েছি।
- 1:38:33তবে ঘটনার শুরুর আগেই আজ আবারও কয়েকটা কথা বলতে চাই আমরা মহান
- 1:38:38আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করি।
- 1:38:42বিশ্বাস করি তার অসীম ক্ষমতাকে। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হল, আমরা
- 1:38:47কেউই তাকে দেখিনি। শুধুমাত্র অনুভব করি।
- 1:38:50কিন্তু যখন কোনও বৈশাখী ঘটনা বা পিশাচের অস্তিত্বের কথার ঘটনার
- 1:38:55মধ্যে উঠে আসে, তখন আমরা অনেক শ্রোতা বন্ধুরাই তা অবিশ্বাস করি
- 1:38:59বা উড়িয়ে দেয়। বানানো গল্প বলি কেউ কেউ।
- 1:39:02আসলে ঘটনাটি যার সাথে ঘটে ওই অনুভবটা কেবল সেই বলতে পারবে।
- 1:39:08আমরা তো উপলব্ধি করতে পারব না। এটা ঠিকই।
- 1:39:11তবে আমাদের এটা ভুললেও চলবে না যে যেরকম দিন আছে সেরকম রাত্রিও আছে
- 1:39:17যেরকম সাদা আছে সেরকম কালো আছে। প্রত্যেকেরই অস্তিত্ব নিজ নিজ
- 1:39:23স্থানে বিদ্যমান বাকি বিশ্বাস করা বা না করা সম্পূর্ণ শ্রোতা।
- 1:39:28বন্ধুদের ব্যাপার শুধু ভয়টাকে অনুভব করুন।
- 1:39:32আর কথা না বাড়িয়ে এখন প্রবেশ করছি এক।
- 1:39:35রোমহর্ষক বৈশাখী জগতে। চিনতে পারছো।
- 1:39:47খাবে নাকি? এর রক্তে অপূর্ব স্বাদ।
- 1:39:53এই বলে জিয়াউদ্দিন সাহেব পাশের গাছটা থেকে একটি বাচ্চা শিশুর আধ
- 1:39:59খাওয়া পচা গলা লাশ ছুড়ে মারের সাব্রিচির দিকে দেখি।
- 1:40:05কিন্তু ছিয়াউদ্দিন সাহেব আমি কি ঠিক দেখলাম?
- 1:40:09কিন্তু তা কী করে সম্ভব? সত্যি যদি তিনি হন তাহলে এরকম
- 1:40:13পিশাচের মতো আচরণ কেন করছেন? হঠাৎই অপ্রত্যাশিত ভাবে এই বীভৎস
- 1:40:19ঘটনাটি ঘটে যাওয়ায় সাব্বির জির মনে প্রশ্নের ঝড় উঠেছে।
- 1:40:24তিনি তাঁর নিজের চোখেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।
- 1:40:27কিন্তু উনি যে বিশ্বাস এটা মেনে নেওয়া যায় না নিশ্চয়ই কোনও
- 1:40:31শয়তান তার সাথে মায়ার খেলা খেলছে।
- 1:40:35সাবিত্রী জিয়াউদ্দিন সাহেবকে কিছু বলতে যাবেন তার আগেই ভয়ে
- 1:40:40কাঁটা সিঁড়ি ওঠে দেখেন জিয়াউদ্দিন সাহেব ক্রিকেটের মতো
- 1:40:44গাছের গরিবে নেমে এসে ফিনফিনে গলায় 1:00 তীক্ষ্ণ চিকন হাসি
- 1:40:50দিয়ে অদৃশ্য থেকে 1:00 মরা গলা পচা বাচ্চা শিশুর লাশ ধরেছে।
- 1:40:54কামড় বসাচ্ছেন আবার অদৃশ্যের ছুঁড়ে দিচ্ছেন সাপেজি।
- 1:40:59কয়েক মুহূর্তের জন্য ভয় কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে যান।
- 1:41:04হঠাৎই পায়ে ভিজে কোনও কিছুর স্পর্শে বুকটা ছেঁত করে ওঠে কয়েক
- 1:41:09সেকেন্ড নিজের দিকে তাকিয়ে সাব্বির যা দেখেন তা কল্পনার
- 1:41:13অতীত। বুকের ধরফড়াই টা কয়েক সুগুন
- 1:41:16বেড়ে যায় 26। যা দেখলেন আধ খাওয়া পচাগলা
- 1:41:20বাচ্চাটি কালো লক এ লম্বা জিউ ভা বের করে বাঁচাচ্ছে।
- 1:41:24সাপেজি দেখে আঁতকে উঠে চিৎকার দিয়ে লাথি দিয়ে ওটাকে সরিয়ে
- 1:41:28দেন। আজ এ সব কী হচ্ছে তার সঙ্গে কেনই
- 1:41:33বা হচ্ছে? তিনি কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না।
- 1:41:36আর জিয়াউদ্দিন সাহেব তিনি বা এরকম আচরণ কেন করছেন বা এই
- 1:41:40শয়তানটা আদৌ কি তিনি? কী করবেন কিছু বুঝে উঠতে না পেরে
- 1:41:45আয়তুল কুরসির কয়েকটি আয়াত পড়ে আবারও সামনের দিকে এগোলেন।
- 1:41:50তোমার এতবড় সাহস তুমি আমাকে টপকে যাবে যেতে পারবে।
- 1:41:57জিয়াউদ্দিন সাহেব। কর্কশ কণ্ঠে বলে উঠলেন সাবিরঝি
- 1:42:03বেগতিক অবস্থা দেখে পকেট থেকে তাসবিটা বের করে হাতে জড়িয়ে
- 1:42:06নিতেই জিয়াউদ্দিন সাহেব আবারও পৈশাচি গট্ট হাসিতে ফেটে পড়লেন।
- 1:42:16আমার দিয়ে আমাকে আটকাবে। কেমন এই?
- 1:42:24বলে। এই বলে জিয়াউদ্দিন সাহেব পচা গলা
- 1:42:27বাচ্চা শিশুটির শরীরের খণ্ড বিখণ্ড দেহ ছুঁড়ে মারতে লাগলেন।
- 1:42:31সাব বেসির দিকে অতীতে জিয়াউদ্দিন সাহেব যা শিখিয়েছেন।
- 1:42:35তাঁর সবই একটার পর 1:00 প্রয়োগ করে যাচ্ছিলেন সাব্বির ঝি।
- 1:42:38এর মাঝে আশ্চর্যজনক ভাবে 1:00 জিনিস লক্ষ্য করলেন আশপাশের
- 1:42:43পরিবেশে থাকা মানুষগুলো। বংশী নেই সেই বীভৎসতার দিকে।
- 1:42:47এতক্ষণ পর্যন্ত জিয়াউদ্দিন সাহেব শুধু পচা গলা বাচ্চার লাশের
- 1:42:51খণ্ডবিখণ্ড ছুড়ে মারছিলেন। কিন্তু এরপর শুরু হয় ভয়াল
- 1:42:56ভয়ঙ্কর কাণ্ড। হঠাৎই বাতাসে বিশ্রী মাংস পচা
- 1:42:59ব্যবসা, গন্ধ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
- 1:43:01সাথে সাথে আকাশ কালো করে শুরু হল মৃত বাঁদরের বৃষ্টি।
- 1:43:05ঝাঁকে ঝাঁকে মৃত পচা পাঁদুর তার উপর স্পর্শিত হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে
- 1:43:11আকাশ থেকে ধীরে ধীরে একটি বীভৎস আধ পোড়া চোখ 2:00 ছিঁড়ে ঝুলে
- 1:43:16আছে। শরীরের অধিকাংশে মাংস নেই পচা গলা
- 1:43:20ভয়ঙ্কর নারীমূর্তি শূন্যে ভাসতে ভাসতে নেমে এসে জিয়াউদ্দিন
- 1:43:24সাহেবের ঘাড়ে এসে বসল। সঙ্গে জিয়াউদ্দিন সাহেব আবারও
- 1:43:281:00 পৈশাচি হাসি দিয়ে উঠলেন। চারিদিকটা তখন ভয়ঙ্কর রোমহর্ষক
- 1:43:32পরিবেশের আকার নিয়েছে সাব্বির। এই ভয়ঙ্কর বীভৎস পৈশাচিক
- 1:43:37পরিস্থিতি আর সহ্য করতে পারলেন না।
- 1:43:39জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। গান ফিরতে দেখেন তিনি একটি অচেনা
- 1:43:46বাড়ির ড্রয়িং রুমে ঘাউচিস সয়ে আছেন তিনি বিস্ময়ে এদিক ওদিক
- 1:43:51দেখছিলেন। এমন সময় সেখানে 1225 বছর বয়সের
- 1:43:55একজন যুবক আসে। সাব্বিরজি তাঁকে সালাম জানিয়ে
- 1:43:58এখানে কী করে এলেন জানতে চাইলে প্রত্যুত্তরে সালাম জানিয়ে
- 1:44:01ছেলেটি উদ্বিগ্নের স্বরে বলে। দেখলাম।
- 1:44:05আপনি রাস্তা পার হতে হতে হঠাৎই অদৃশ্য কিছুতে যেন বাড়ি খেয়ে
- 1:44:10অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। পাশেই আমার বাড়ি।
- 1:44:14তাই লোকজনের সাহায্যে আপনাকে ধরে ঘরে নিয়ে আসি।
- 1:44:17আর এজন্য মহান উপরওয়ালার এক অলৌকিক চমৎকার।
- 1:44:22বেশ কয়েকদিন ধরে আমি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিলাম।
- 1:44:26কিন্তু কোনওভাবে আপনার ঠিকানা জোগাড় করতে পারছিলাম না।
- 1:44:28আপনি সোশ্যাল মিডিয়া তেও নেই। আমি আপনাকে চিনি।
- 1:44:32আপনি তো শেখ মোহাম্মদ সাব্বির খান।
- 1:44:35দেশের একজন নামকরা প্যারানর্মাল এক্সপার্ট ও সাইকিয়াট্রিস্ট
- 1:44:38মাসখানেক হল আমার ভয়ঙ্কর এক অতি প্রাকৃতিক সমস্যার মধ্যে আমি পড়ে
- 1:44:43আছি। আপনার সাহায্যের ভীষণ প্রয়োজন।
- 1:44:46এই বলে ছেলে থামলে আচমকাই ঘরের ভেতর থেকে ঠিক ব্যাঙের মতো লাফ
- 1:44:52দিতে দিতে একজন জীর্ণ ছিন্নকায় বয়স্ক মানুষ বেরিয়ে এসে পাশের
- 1:44:56সোফায় বসে কিছু 1:00 চিবুতে লাগল।
- 1:45:00পর্যন্ত ঠিক ছিল। বুঝতে পারছিলেন অতি প্রাকৃতিক
- 1:45:04কিছু তার উপরে ভর করেছে। কিন্তু চরম ধাক্কাটা খেলেন তখনই
- 1:45:08যখন হঠাৎ দেখলেন ঠিক সেই বয়স্ক লোকটির পেছনে জিয়াউদ্দিন সাহেব
- 1:45:12দাঁড়িয়ে বীভৎস কর্কশ হাসিদের বিদ্রূপ করছেন।
- 1:45:15তার মানে কিছুক্ষণ আগে তার সাথে ঘটে যাওয়া সে বৎস বৈশাখীতা কোনও
- 1:45:20ভ্রম ছিল না। ছিল নির্মম বাস্তবতা।
- 1:45:23কিন্তু কী করে সম্ভব? জিয়াউদ্দিন সাহেব কেনই বা এরকম
- 1:45:28আচরণ করছেন? মাথাটা দকদক করছিল সাবির চির
- 1:45:32কয়েক মুহূর্তের জন্য চোখ বন্ধ করলেন তিনি।
- 1:45:36সালটা সম্ভবত 2000 14 সাল। শেষের দিকে সাবিরজি তখনও সাউথ
- 1:45:42উটিতে শিফট করেননি। কলকাতাতেই থাকেন একটি নামী
- 1:45:46স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে। কর্মরত ছিলেন বেশ কয়েক মাস ধরে
- 1:45:49তেমন কোনও কেস হাতে আসছিল না। মাসখানেক ধরে 1:00 অস্বাভাবিক
- 1:45:54ব্যাপার লক্ষ্য করেছিলেন যতবারই জি জিয়াউদ্দিন সাহেবকে স্মরণ
- 1:45:58করেন তিনি আসেন। এত বছরে ইরাক এরকমটা কখনও ঘটেনি।
- 1:46:03সাব্বির যে ব্যালকনিতে বসে বিকেলের পরন্ত মেঠো রোদে গা
- 1:46:07ভাসিয়ে চায়ের পেয়ালায় চুমক দিতে দিতে চিন্তামগ্ন হয়ে
- 1:46:11পড়েছিলেন। এমন সময় ফোনটা বেজে ওঠে রিসিভ
- 1:46:14করতেই অপর প্রান্ত থেকে আতঙ্কিত ভীত সন্ত্রস্ত একটি মহিলা
- 1:46:18কণ্ঠস্বর ভেসে আসে হ্যালো। কে সাপেচি কথা বলছেন আমি রানাঘাট
- 1:46:22থেকে রোজিনা শাহ বলছি, অনেক কষ্টে আপনার নম্বর জোগাড় করেছি।
- 1:46:26ফোন করেছি আমার বাড়িতে ভীষণ বিপদ মাসখানেক হল আমার হাসবেন্ড
- 1:46:30অস্বাভাবিক অলৌকিক রকম আচরণ করছে। আমি ঠিক আপনাকে দিচ্ছি স ম স
- 1:46:34করছি। আপনি দয়া করে আমাদের সাহায্য
- 1:46:37করুন প্লিজ আরও কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর সাবিরঝি একটি
- 1:46:42নির্দিষ্ট দিনে যাবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফোনটা রাখেন।
- 1:46:47পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতো একদিন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়েন রানাঘাটের
- 1:46:50উদ্দেশ্যে পথে যেতে তপসিয়ার কাছে গাড়িটি হঠাৎই পাংচার হয়ে যায়।
- 1:46:55পাশের একটি গ্যারেজে পাংচার সারাতে দিয়ে সাবমিট সবে রাস্তা
- 1:46:59পেরিয়ে সামনে রাখা চায়ের দোকানে যাচ্ছিলেন।
- 1:47:01এমন সময় ঘটে যায় সেই পৈশাচীর অতি প্রাকৃতিক বীভৎস অলৌকিক
- 1:47:06ঘটনাটি। ফেরার পর ওই বীভৎস দৃশ্য দেখে
- 1:47:10সহ্য করতে না পেরে চোখ বন্ধ করে বসেছিলেন কয়েক মুহূর্ত হোসটা
- 1:47:15ফিরে ছেলেটি ডাকে চোখ খুলতে সাবমিছে দেখেন বয়সগুলোটি আবারও
- 1:47:19ব্যাঙের মতো লাফাতে লাফাতে ঘরের ভেতর চলে গেল।
- 1:47:22জিয়াউদ্দিন সাহেব পুনরায় সেই বীভৎস কর্কশপৈশাচিক হাসি দিয়ে
- 1:47:27অদৃশ্য হলেন সাবেরচি। শেষের কাছ থেকে ঠিক ঠিক কী হয়েছে
- 1:47:31জানতে চাইলে ছেলেটি বলে। আমার নাম সুরেশচন্দ্র পাল
- 1:47:36কলকাতায় বিখ্যাত পাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ফ্র্যাঞ্চাইজি।
- 1:47:39আমাদের যে বয়স্ক লোকটি আপনি ওই ভাবে অস্বাভাবিক আচরণ করতে
- 1:47:42দেখলেন, উনি আমার দাদু বিশ্বেশ্বর পল, আমার বাবা সতীশ চন্দ্র পল
- 1:47:49দুর্ভাগ্যজনক ভাবে 10 বছর আগে একটি কার এক্সিডেন্টে মারা যান।
- 1:47:53সেই থেকে দাদু আর মা এরা দুজনে আমার সবকিছু বাবা চলে যাওয়ার পর
- 1:47:57মা দুঃখে শোকে ভেঙে পড়েছেন। আজকাল প্রায়ই অসুস্থ থাকেন।
- 1:48:02এখন ঘরে ঘুমাচ্ছেন। মাসখানেক হল দাদু এরকম অস্বাভাবিক
- 1:48:06অতি প্রাকৃতিক আচরণ করছেন। মাঝে মাঝে সুস্থ থাকলে এক অজানা
- 1:48:10আতঙ্কে গুটিসুটি মেরে ঘরে বসে থাকেন এবং সর্বক্ষণ আওতা থাকেন।
- 1:48:15হয়েছে। ধ্বসর বসে দাঁড়িয়ে আছে।
- 1:48:19আমাকে মেরে ফেলবে। ছিপি ছিপি খাবে।
- 1:48:25আমি রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে আছি। দু একজনের পরামর্শে ওঝা ডেকে
- 1:48:30দেখালেও কোনও লাভ হয়নি। ফল মেলেনি এসব কিছুর সীমা ছাড়াই
- 1:48:34আজ থেকে 10 দিন আগে বাড়ির পরিচারিকা জানায়, সেদিন পাড়ার
- 1:48:39বাচ্চারা আমার বাড়ির পাশের গোলটায় খেলছিল।
- 1:48:42দাদু বারান্দায় বসে তাদের সঙ্গে মজা করছিল, হাসছিল।
- 1:48:46কিন্তু কি মনে হল হঠাৎই উঠে নিচে দৌড়ে গিয়ে বাচ্চাগুলোর মধ্যে
- 1:48:49একজনের হাত কামড়ে দিয়ে রীতিমতো এক টুকরো মাংস খুবলে নিয়ে জীবত
- 1:48:53থাকে এবং এক বীভৎস কর্কস্বরে হাসতে থাকে।
- 1:48:56ব্যাপারটা এতটাই অস্বাভাবিক এবং আকস্মিক ছিল যে সেখানে উপস্থিত
- 1:49:01সকলে আতঙ্কের থম মেরে যায়। পরক্ষণেই চিৎকার করে সবাই দাদুকে
- 1:49:05ঘিরে ধরে প্রায় মারতে ওঠে ঠিক সেই সময় আমি ফিরছিলাম দেখে সঙ্গে
- 1:49:10সঙ্গে ছুটে যাই। ওদের বাধা দিতে।
- 1:49:12পরক্ষণেই নানা অনুনয়ে বিনয় করার পর তাঁরা থামলে জিজ্ঞেস করলে যা
- 1:49:16জানায়, তা শুনে আতঙ্কে শিউরে উঠি।
- 1:49:19ওরা রীতিমতো দাদুর নামে ডায়েরিও করে অনেক অনুরোধে দাদুর মানসিক
- 1:49:24অবস্থা ঠিক নেই বলে। কোনও রকমে দাদুকে বাড়ি নিয়ে
- 1:49:27আসি। তারপর থেকে আপনার সন্ধান করছিলাম।
- 1:49:29কোনও ভাবে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারছিলাম না।
- 1:49:32ফোন নাম্বারও নেই। আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও থাকেন
- 1:49:34না। চেম্বারও করেন না।
- 1:49:36এখন আপনি শেষ ভরসা কিছুটা করুন। স্যার বাবা চলে যাওয়ার পর মা ও
- 1:49:41দাদু এখন আমার জীবনের সব। আপনি তো একাদারে সাইকেলে রণাধারে
- 1:49:46প্যারোনোর এক্সপার্ট। সাব্বির যে চুপ করে বসে ছিলেন
- 1:49:50সুরেশের কথাগুলো শুনলেও ধ্যানতার অন্য জায়গায় ছিল।
- 1:49:55খানিক বাদে উঠে পড়েন এবং সুরেশকে বলেন যে আজ তার বিশেষ জরুরি
- 1:49:59অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। সোমবারের দিন উনি আবার আসবেন।
- 1:50:03গাড়ির পাংচার ততক্ষণে ঠিক হয়ে গেছে।
- 1:50:05গাড়িতে উঠবেন এমন সময় লক্ষ্য করেন আশ্চর্যজনক ভাবে ভেতরের
- 1:50:09পাশের সিটে বসে আছে একটি মধ্যবয়স্ক নারী কালো শাড়ি ও
- 1:50:14হিজাব পরিহিত সেই নারী তার দিকে চিন্তাগ্রস্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে
- 1:50:18আছেন। সাপেজি মুহূর্তের জন্য একটু
- 1:50:21বিভ্রান্ত হলেও চুপচাপ গিয়ে গাড়িতে বসলেন।
- 1:50:24কিন্তু তিনি হঠাৎ এই সময় আচমকা এখানে গাইডে স্টার্ট দেওয়ার আগে
- 1:50:28সাবমিট কিছু বলতে যাবেন। তার আগেই অলৌকিক ভাবে তাঁর মনের
- 1:50:31ভাব বুঝে নারীমূর্তিটি গম্ভীর করে বলে উঠল।
- 1:50:34এখনও সাবমিট। এই মুহূর্তে যেখানে যাচ্ছ ওটাই
- 1:50:38সবচেয়ে বেশি জরুরি ওখানকার পরিস্থিতি ভীষণ জটিল ওর সঙ্গে
- 1:50:43ওতপ্রোত ভাবে অনেক কিছু জড়িয়ে আছে।
- 1:50:46ধৈর্য সহকারে সবকিছু সামলাবে নিজের স্নায়ুর উপর নিয়ন্ত্রণ
- 1:50:49হারাবে না। আর মনে রেখো মায়া অনেক কিছুই
- 1:50:52দেখাবে। কিন্তু সাব বিজির মন কিছুতেই
- 1:50:55শান্ত হচ্ছিল না। গাড়িটা স্টার্ট দিয়ে খানিকক্ষণ
- 1:50:58যাওয়ার পর সাইন্স সিটি ক্রস করতেই আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না।
- 1:51:02উদ্বিগ্নের সহিত প্রশ্ন করে বসলেন কিন্তু।
- 1:51:06কী করব মন কিছুতেই তো শান্ত হচ্ছে না।
- 1:51:09কিছুতেই মেন নিতে পারছি না। জিয়াউদ্দিন সাহেবের এই অবস্থা
- 1:51:12নিজের চোখে বিশ্বাস করতে পারছি না।
- 1:51:14উনি জিয়াউদ্দিন সাহেব নাকি কোনও মায়া আপনি দয়া করে বলুন।
- 1:51:19রাবেয়া বিবি দুশ্চিন্তায় উদ্বিগ্ন মনে গাড়ি জানালা দিয়ে
- 1:51:24বাইপাসের সবুজ প্রকৃতি দেখছিলেন সাব্বির জোরাজুরি দেখা দীর্ঘনি
- 1:51:28শ্বাস ফেলে। এক রকম বাধ্য হয়ে বলতে শুরু
- 1:51:31করলেন সাবির। তুমি যা দেখছ তা মায়া ঠিকই।
- 1:51:37তবে বাস্তবে জিয়াউদ্দিন সাহেব বীভৎস ভয়ঙ্কর শয়তানের দ্বারা
- 1:51:41বন্দি। আমি এখনও পর্যন্ত বুঝতে পারছি না
- 1:51:45পিশাচটা ঠিক কী চাইছে এবং কেনই বা সে জিয়াউদ্দিন সাহেবকে বন্দি
- 1:51:49করেছে। তবে এটুকু আন্দাজ করতে পারছি।
- 1:51:52ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
- 1:51:55এবং অদূর ভবিষ্যতে তোমার জন্য রোমহর্ষক বৈশ্বাসিকতা অপেক্ষা
- 1:51:59করছে। এরপর আর তেমন কিছু কথা হয়নি।
- 1:52:03ঘণ্টা দিনে গাড়ি চালিয়ে তারা যতক্ষণে রানাঘাটে পৌঁছালেন
- 1:52:06ততক্ষণে বেলা দুপুরের অভিমুখে। ঠিকানা মতো বাইরের সামনে আসতেই
- 1:52:10কেমন যেন রাবেয়া বিবি আতঙ্কে শিউরে উঠলেন।
- 1:52:13পরক্ষণেই বললেন, আমি এই মুহূর্তেই বাড়িতে প্রবেশ করতে পারব।
- 1:52:17না। ওখানে যে আছে ভয়ঙ্কর একটি যে
- 1:52:20তুমি সুরা ফাতেহার কয়েকটি আয়াত পড়তে পড়তে ভিতরে প্রবেশ করো মনে
- 1:52:24রেখো। অনেক কিছুই অনুভব করবে।
- 1:52:26কিন্তু ধৈর্যের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবে না এই বলে তিনি গাড়িতেই
- 1:52:30বসে রইলেন। 26 জানেন, উনি ব্যতীত রাবেয়া
- 1:52:34বিবিকে আর কেউ দেখতে পাবে না। দরজায় কলিংবেল টিপতেই প্রায় বছর
- 1:52:38পঞ্চাশের একজন মহিলা দরজা খুলে সাবজেক্টের পরিচয় পেয়ে আশাতির
- 1:52:43দৃষ্টিতে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে তাকে আপ্যায়ন করে ঘরে নিয়ে
- 1:52:46যান। ঘরের ভেতর ঢুকতেই কয়েক মুহূর্তের
- 1:52:49জন্য এক পরিচিত মাংস পচা ভ্যাপসা পোড়া দুর্গন্ধটা।
- 1:52:54আমাকে এল সাবির যে তোয়া পড়ে কয়েক ফোঁটা আবে জমজমের পানি এদিক
- 1:52:58ওদিক ছিটিয়ে দিতে গন্ধটা পুনরায় মিলিয়ে যায়।
- 1:53:01এরপর সাবমিটজি, রোজিনা জির কাছে ঠিক কী সমস্যা জানতে চাইলে উনি
- 1:53:06জানান। আমার হাসব্যান্ড শেখ জুবিল শাহ।
- 1:53:10আজ মাসখানেক হল অস্বাভাবিক আচরণ করছেন আমাদের রানাঘাটের পাশাপাশি
- 1:53:14বহরমপুরেও কাপড়ের ব্যবসা আছে। ইনি ব্যবসার কাছে প্রায় বহরমপুরে
- 1:53:18চান। মাসখানেক আগে সেখান থেকে ফেরার পর
- 1:53:21প্রথমেই অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করে একদিন দেখে উনি বীভৎস কুৎসিত
- 1:53:26রকমের কিছু বাচ্চার পুতুল নিয়ে এসে আমার ঘর সাজিয়ে রাখছেন।
- 1:53:30আমি ভয়ে বিস্ময়ে বাধা দিতে গেলে।
- 1:53:32তিনি বীভৎস কর্কশকণ্ঠে চিৎকার করে ওঠেন।
- 1:53:34আমি আতঙ্কে শিউরে উঠি। ছেলে তার বউ বাচ্চা নিয়ে বিদেশে
- 1:53:37থাকে আর মেয়েও বিয়ে হয়ে গেছে। শ্বশুর বাড়িয়ে নবদ্বীপে কাজের
- 1:53:41মাসি রান্নাবান্না ও বাকি কাজ সেরে সন্ধ্যায় চলে যায়।
- 1:53:44ফলে সন্ধ্যার পর থেকে দোতলায় আমি আর আমার হাসব্যান্ড ছাড়া আর কেউ
- 1:53:48থাকে না। কিছু বুঝে ওঠার আগেই উনি আবার
- 1:53:51স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসে আমাকে বলেন যে।
- 1:53:53এবার থেকে উনি একাই ওই ঘরে ঘুমাবেন এবং আমাকে অন্য ঘরে
- 1:53:58ঘুমাতে বলেন। আমি ভয়ে ভয়ে সায় দিই এবং কিছু
- 1:54:00বলে উঠতে পারি না। তারপর প্রায় প্রতি রাতে বীভৎস
- 1:54:04চিৎকারের শব্দ শুনতে পেতাম। ওই ঘর থেকে সকালে ওনার ঘর সাফ
- 1:54:09করতে গিয়ে যা দেখতাম। আঁতকে উঠতাম সমস্ত ঘরটা লন্ডভন্ড
- 1:54:13হয়ে থাকত ওরকম অস্বাভাবিক উদ্ভট বাচ্চাদের পুতুলগুলো।
- 1:54:17এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকত আর চোখে দেখতাম উনি কঠোর দৃষ্টিতে
- 1:54:22আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। ঠোঁটের কোণায় পৈশাচি হাসির ঝলক
- 1:54:27ভেসে উঠত যেটুকু সময় বাড়িতে থাকতেন, ততক্ষণে সারাক্ষণই নিজেকে
- 1:54:31ঘরের মধ্যে বন্দি করে রাখতেন। যে বহরমপুর যেতেন ব্যবসার কাজে আর
- 1:54:35ফেরার সময় সেই কিং ভূত কিমাকার মার্কা বীভৎস পুতুলগুলো নিয়ে
- 1:54:39আসতেন এই পোশাকতা চরমে ওঠে। তিন কয়েক আগে প্রতিদিনের মতো
- 1:54:43সেদিনও সকালে ওনার ঘর সাফ করতে গিয়ে রীতিমতো চমকে ওঠে শিরদাঁড়া
- 1:54:48দিয়ে হিমেল স্রোত বয়ে যায়। দেখি প্রতিদিনের মতো পুতুলগুলো
- 1:54:51এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে।
- 1:54:55ছেঁড়া ফাটা অবস্থায় পড়ে আছে এবং প্রত্যেকটি পুতুলের শরীর থেকে
- 1:54:59তাজা রক্ত চুনিয়ে চুঁয়ে পড়ে। সমগ্র মেঝেটাকে লাল চ্যাট চ্যাটে
- 1:55:03করে তুলেছে ওই দৃশ্য আর সহ্য করতে পারছিলাম না।
- 1:55:06আতঙ্কে চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারায় জ্ঞান ফিরতে দেখি আমি আমার ঘরের
- 1:55:10বিছানায় শুয়ে আছি। ডাক্তারবাবু পাশে বসে আছেন উনিও
- 1:55:13পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন কঠোর দৃষ্টিতে আমার দিকে কটমট করে
- 1:55:16তাকাচ্ছে। সমস্ত ঘটনা শোনার পর উনি রীতিমতো
- 1:55:19অস্বীকার করেন এবং ওনার ঘরে গিয়ে দেখি কোনও পুতুল এদিক ওদিক
- 1:55:23ছড়িয়ে ছিটিয়ে নেই। কোনও রক্তের ছিঁড়ে ফোঁটা নেই এই
- 1:55:26বলে। রোজই আছি থেমে বিভ্রান্ত অবস্থায়
- 1:55:30পাশে রাখা পাতাল থেকে কয়েকটুক জল খেলেন।
- 1:55:34সাবির জি মনোযোগ দিয়ে সমস্ত কথা শুনছিলেন রোজিনা জে কে একটু
- 1:55:38ধাতস্থ হতে বলে এবার জুবেল সাহেবের ঘরের দিকে যেতে চাইলেন।
- 1:55:42ঠিক তখনই আচমকা একটি পাঁচ খাই কণ্ঠস্বর পাশের ঘর থেকে ভেসে আসল।
- 1:55:47আসুন ভেতরে আসুন সেই হার। হিট করাটাকে রুজি আছি, রীতিমতো
- 1:55:54আঁতকে উঠে কাঁপতে থাকেন সাবির চোয়াল।
- 1:55:57শক্ত হয়ে আসে দৃঢ়স্বরে প্রদত্তরে তিনি জানান।
- 1:56:01আসছেন সোফা ছেড়ে উঠে এক পায়ে গোবেন।
- 1:56:03তার আগে আচমকা হাঁট হয়ে দরজা খুলে যায়।
- 1:56:06সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচিত মাংস পচা ভ্যাপসা পোড়া দুর্গন্ধটা বেরিয়ে
- 1:56:10আসে ঘর থেকে। সাব্বির চেয়েবার সুরাক্কা হাফের
- 1:56:13কয়েকটি লাইন কয়েকটি আয়াগ পড়ে ভূত দিয়ে তসবিটে হাতে জড়িয়ে
- 1:56:17ধরে ঘরটির দিকে এগোলেন। ঘরে ঢুকতেই সটান দরজাটা আপনা আপনি
- 1:56:21বন্ধ হয়ে যায়। পরক্ষণেই অদৃশ্য অলৌকিকভাবে এক
- 1:56:25পয়সা চিক নারী পুরুষ মিশ্রিত কণ্ঠস্বর অট্টহাসিতে সমগ্র ঘরটা
- 1:56:29কাঁপিয়ে তোলে মুহূর্তের জন্য পাথরের মতো জমে যান সাব বিরচি
- 1:56:32নিজেকে সংচম করে ধীর রথযত্ দৃঢ় স্বরে বলে উঠলেন।
- 1:56:37ভয়ে যে আমি পাই না তা আপনি ভাল করেই বুঝে গেছেন।
- 1:56:40আশা করি এখন ভনিতানা করে সামনে আসুন।
- 1:56:45কয়েক মুহূর্তের নিথর নিস্তব্ধতা সাব্বির যে খেয়াল করলেন বাচ্চা
- 1:56:50পুতুলগুলো সত্যিই বীভৎস কুৎসিত মার্কা সমগ্র ঘরটায় গায়ে কাটা
- 1:56:55দেওয়ার মতো রহস্য পরিবেশ বিরাজমা তার মাঝে একটি পুতুলের দিকে নজর
- 1:57:00যেতে আতঙ্কে বুকের ধরফরানিটা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
- 1:57:04ইমেল স্রোত বয়ে যায় এটা কী করে সম্ভব?
- 1:57:08পুতুলটা অবিকল আজ সকালের সেই বীভৎস পচা গলা বাচ্চা শিশুর মতোই
- 1:57:14জিডিপি ভদস বৈশাখী ভাবে তার পাচার ছিল কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে
- 1:57:19পারছিলেন না। এমন সময় আবারও সেই গম্ভীর রুহ
- 1:57:23কণ্ঠস্বর কেঁপে উঠল ঘরটা। ঘরের ভেতর আরেকটি দরজা ছিল সেটি
- 1:57:27খুলে ছয় ফুটের এক দীর্ঘ গায়ে লম্বা।
- 1:57:3060 বছর বয়স্ক একজন ব্যক্তি বেরিয়ে এলেন কটাক্ষের হাসে হাসতে
- 1:57:34হাসতে বলে উঠলেন। ভাল আছেন সাবের জি।
- 1:57:39কী ব্যাপার এখানে? রসিনা বুঝি আপনাকে ডেকেছে।
- 1:57:45কী বুঝলেন কেমন লাগছে আমার এই সুন্দর সুন্দর পুতুলগুলো দেখে ভয়
- 1:57:51টয় পাচ্ছেন না তো ওই যে ওই কোণায় পুতুলটা দেখছেন চিনতে
- 1:57:56পারছেন পাচ্ছেন না আরে ওটাই তো সকালে জীবন্ত হয়ে আপনার পাচার
- 1:58:02ছিল কী ভাবছেন? শিকড় এটা সম্ভব।
- 1:58:05আপনি যাদেরকে তাড়াতেই চর্চা করেন আমি তাদের সাথেই ঘর করি।
- 1:58:14এখন এখানে মেলার সময় নষ্ট না করে আপনি বরং আপনার সেই কাছের
- 1:58:18মানুষটিকেও সরি সেই ইমাম গোছের জিনটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করুন।
- 1:58:23যান যান। আমাকে আর বিরক্ত করবেন না।
- 1:58:28সাপেচে আতঙ্কিত অবস্থায় সমস্ত কথা শুনছিলেন হাজি সব কী হচ্ছে
- 1:58:33তার সাথে কী যে করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
- 1:58:37আজ সকাল থেকেই একটার পর 1:00 অস্বাভাবিক ধাক্কা সহ্য করে
- 1:58:40যাচ্ছিলেন। এটা কী করে সম্ভব?
- 1:58:42এই মানুষটা কী করে জানল আজ সকালে তার সাথে কী বিপদ শুরু মহর্ষ ঘটনা
- 1:58:46ঘটে গেছে। আর ইনি জিয়াউদ্দিন সাহেবকে বা কী
- 1:58:49করে চিনলেন মাথায় কিছুই ঢুকছে না।
- 1:58:53মস্তিষ্কের শিরা উপশিরাগুলো প্রবল রক্তের চাপে ছিঁড়ে যাওয়ার
- 1:58:57উপক্রম কিছু বলতে যাবেন। তার আগেই জুবেল সাহেব বলে উঠলেন
- 1:59:01হয়েছে। আসছে।
- 1:59:06আদম খোর আসছে ওর বড় খিদে হাসকাল আশেপাশের খুব 1:00 বাচ্চা শিশু
- 1:59:10খুঁজে পায় না। তাই দোকান থেকে তাজা গোস ট্রেনে
- 1:59:15এই পুতুল ঘরের মাঝে পড়ে দিই। আর।
- 1:59:18ছিড়ে ছিড়ে খায়। বিশ্বাস করুন আপনি বিশ্বাস করুন
- 1:59:22একদমই মজা পায় না জানেন। 15 দিনে অন্তত একটি বাচ্চা শিশু
- 1:59:30জোগাড় করে মন্ত্রবলে পুতুল বানিয়ে নিয়ে আসি ওর জন্য।
- 1:59:36সত্যি। জিয়াউদ্দিন সাহেব থাকলে না হয়
- 1:59:411:00 উপায় বের করা যেত। সময় ঘরটা থেকে কড়মড় করমড় শব্দ
- 1:59:46ভেসে আসে সাব্বির এক পা এক পা করে সেদিকে তাকাতেই আঁতকে উঠে কয়েক
- 1:59:52পা পিছিয়ে আসে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
- 1:59:56সাহেব এ যেন সাক্ষাৎ নরপিশাচ কর মড়িয়ে পুতুলগুলো ছিঁড়ে চিবিয়ে
- 2:00:03চিবিয়ে খাচ্ছেন এবং এখন পুতুলগুলো অবিকল বাচ্চা শিশুর মতো
- 2:00:10রূপ নিয়ে যেন খিলখিলিয়ে আসছে যেন সেই রক্তরোল খেলায় বেশ মজা
- 2:00:13পাচ্ছেন তিনি হাসতে হাসতে বাচ্চাগুলোর কারো পা কারোর হাত
- 2:00:17যুগের রূপ এসে শয়তানটি উদুরস্ত করছে।
- 2:00:21অথচ বাচ্চাগুলোর তাতে কোন হুঁশ নেই।
- 2:00:24ছোট্ট ঠোঁটগুলো থেকে হাসির সরছে না।
- 2:00:27টপ টপ করে রক্ত দুগাল চুঁইয়ে পড়ছে এই বীভৎস পিশাচটির যুগের
- 2:00:32সাহেবের সমগ্র শরীরটা এখন ঝুলসানো মাংস পীণ্যের ন্যায় পোড়া
- 2:00:37দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সাব্বির আতঙ্কে চিৎকার করে দোয়া পড়ে।
- 2:00:40সবে জমজমের পানি পিশাচটির উপরে ছিটাতে যাবেন।
- 2:00:43তার আগেই কর্কশ কণ্ঠে জুমেল সাহেব বলে উঠলেন, জমজমের পানি ছেটাবেন
- 2:00:47সহস। তাকে তো ছেটান।
- 2:00:49কিন্তু তার আগে। শালা দিয়ে পাশের ঝোপটার দিকে
- 2:00:54একটু তাকান। সাব্বির সেদিকে তাকাতেই আতঙ্কে
- 2:00:57মাথাটা ঘুরে যায়। ক্ষণিকের জন্য চোখ অন্ধকার হয়ে
- 2:01:00আসে। সঙ্গে সঙ্গে আবে জমজমের বোতলটা
- 2:01:02বন্ধ করে ফেলেন দেখেন জানালার বাইরে ঝোপের কাছে তার মৃত দাদু
- 2:01:07দাঁড়িয়ে করুন দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছেন সাব্বির যে 1:00
- 2:01:10ঘোরের মধ্যে চলে যান ঘরটা কাটে এটা হাড় হিম করা পৈশাচি ঘটনা
- 2:01:15দেখে সাবজি দেখেন। জিয়াউদ্দিন সাহেব হাজির হয়ে চরম
- 2:01:19সচরে তাঁর দাদুর গলায় 1:00 কোপ বসান।
- 2:01:22সঙ্গে সঙ্গে ফিনকি দিয়ে উষ্ণ রক্তে চোখটা ভিজে যায়।
- 2:01:25এদিকে জিয়াউদ্দিন সাহেব ভয়ঙ্কর অট্টহাসি দিয়ে।
- 2:01:29অতিশ হয়ে যান। সাবিত্রী আর সহ্য করতে পারছিলেন।
- 2:01:37না সঙ্গে সঙ্গে ঘরটা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
- 2:01:38যদিও তিনি ভালোমতো জানতেন, এই সব কিছুই মায়ার খেলা রেসিনা জি করুন
- 2:01:44ভাবে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছেন সাব্বির বিস্ময়ের সহিত ম্লান
- 2:01:47মুখে বললেন। বিভত্স ভয়ঙ্কর শয়তান জুহেল
- 2:01:51সাহেবের ভেতরে পাশা বেড়েছে। কিন্তু কীভাবে এসেছে?
- 2:01:57এখন তা বলতে পারছি না। আমি সব কিছু বুঝে পরে আসব এই বলে
- 2:02:02সাব্বির ঠিক ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান।
- 2:02:04গাড়িতে আসতে দেখেন রাবি বিবি ভয়ে সন্ত্রস্ত অবস্থায় বসে
- 2:02:08আছেন। কিছু বলে ওঠার আগেই উনি আতঙ্কের
- 2:02:10সহিত বলে উঠলেন। প্রথম ক্ষোভ।
- 2:02:15কীভাবে এখানে আর জিয়াউদ্দিন সাহেবকে বা কেন বন্দি করল কিছুই
- 2:02:19বুঝতে পারছি না। তুমি সোমবার নয়, কালকে সুরেশের
- 2:02:23বাড়িতে যাও। তাসবিটা বিশ্বেশ্বরের মাথায়
- 2:02:26ঠেকিয়েও না। একটু শান্ত করে ওনার কাছ থেকে
- 2:02:28সমস্ত ঘটনা শোনার চেষ্টা করো। রহস্য কোথাও না কোথাও ওর মধ্যেই
- 2:02:32লুকিয়ে আছে। আমিও আমার জগতে গিয়ে আমার মতো
- 2:02:35করে দেখছি আদম খড় কী করে এলো কোত্থেকে এল ভয় পেও না।
- 2:02:40মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। এই আদম খোটটা আবার কি?
- 2:02:44কিন্তু শুধু গল্পেই দেখা যায় বাস্তবে কি আদৌ এটা সম্ভব?
- 2:02:48অথচ জিজ্ঞেস করার আগে রাবেয়া বিবি অদৃশ্য হলেন।
- 2:02:51বাড়ি ফেরার পর দুশ্চিন্তা আর ঘুমিয়ে আসছিল না।
- 2:02:54সাবির চির পরের দিন সকাল হতেই সুরেশদের বাড়িতে তিনি বেরিয়ে
- 2:02:59গেলেন। সকালবেলা সুরেশদের বাড়ির
- 2:03:03সীমানায় ঢুকে আবারও সেই মাংস পচা ভ্যাপসা পোড়া গন্ধটা রাখে এল।
- 2:03:06সঙ্গে সঙ্গে সাব্বির যে দোয়া পড়ে ফুঁপ দিয়ে জমজমের পানি
- 2:03:10ছিটিয়ে কলিংবেল টিপলেন। সুরেশ বাড়িতেই ছিল।
- 2:03:13তাকে দেখে রীতিমতো অবাক। এরপর ভেতরে নিয়ে গেল সাব্বির
- 2:03:18জিয়ার কথা না বাড়িয়ে সোজা দাদুর ঘরের দিকে চলে যান।
- 2:03:21ঘরে প্রবেশ করতেই আচমকা গাছ। শীতল স্পর্শ অনুভব করেন অদৃশ্যে
- 2:03:26বুকটা ধরভর করে উঠল। মুহূর্তের জন্য সঙ্গে সঙ্গে পেছনে
- 2:03:29ঘাড়ের কাছে 1:00 বীভৎস ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠস্বর বলে উঠল।
- 2:03:41তোর চামচ এটাকে মারব তারপর তোকে। পর মুহূর্তে জিয়াউদ্দিন সাহেব
- 2:03:47ভয়ঙ্কর কুৎসিত হাসি দিয়ে শূন্যে ভাসতে ভাসতে এসে সাববীর চির গলার
- 2:03:51টিপে ধরলেন। সাব্বির গলা বন্ধ হয়ে আসল আপ্রাণ
- 2:03:55চেষ্টা করছিলেন ছাড়ানোর জন্য পারছিলেন না কোনও রকমে কষ্টে পকেট
- 2:03:58থেকে তাসবিলটা বের করে লা হাওলা ওয়ালা কোয়াতাই আল্লাহজিম পড়তে
- 2:04:03পড়তে সেই কঠোর হাতের পাখন ছোঁয়া।
- 2:04:07সঙ্গে সঙ্গে তৎক্ষণাৎ বীভৎস অর্ন্তনাদ করে জিয়াউদ্দিন সাহেব
- 2:04:11অদৃশ্য হন এবং সঙ্গে সঙ্গে ঘরটার পরিবেশ আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।
- 2:04:14সাব্বিরী দেখলেন, বিশ্বেশ্বর বাবু গুটিসুটি হয়ে ঘরের এক কোণায় বসে
- 2:04:19অস্পষ্ট কী সব আওড়াচ্ছেন সাবির যে তড়িঘড়ি করে তার কপালে
- 2:04:24তাসবিটা ঠেকাতে যাবেন। তার আগেই হঠাৎই পাশের জানালা
- 2:04:27দিয়ে আচমকাই কেউ এক বিষধর সাপ। লক্ষ্য করে ছুড়ে মারে সাব্বিরজি
- 2:04:32মুহূর্তের জন্য সেই পৈশাচি কথায় আঁতকে উঠে কয়েক মুহূর্তের জন্য
- 2:04:36ছিটকে পিছিয়ে যান তাঁরা। এভাবে হবে না আমাকে নিজের
- 2:04:39স্নায়ুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।
- 2:04:41সব কিছুই মায়া সাব্বিরছি মনে মনে বলে ওঠে, আবারও দোয়া পড়তে থাকেন
- 2:04:46জমজমের পানি ছিটে সেই ভয়ঙ্কর সাপটার উপরে দেন।
- 2:04:49সঙ্গে সঙ্গে সাপটা একপ্রকার ভস্ম হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়।
- 2:04:52এরপর সাব্বির জি, সূরা আলফালাক এবং।
- 2:04:54কাল নাসের কয়েকটি আয়াত পড়ে তেজবিটা বিশ্বেশ্বরবাবুর কপালে
- 2:04:58ঠেকান। কিছুক্ষণ এইভাবে থাকার পর
- 2:05:02বিশ্বেসরবাবু চোখ খুললেন। সাব্বির দিকে দেখে একটু বিস্মিত
- 2:05:05হন। ততক্ষণে সুরেশ ঘরে এসেছে।
- 2:05:08সুরেশের কাছ থেকে সমস্ত কথা শুনে বিশ্বেশ্বরবাবু আবারও ভয়ে থম
- 2:05:12মেরে অস্পষ্টভাবে বলতে থাকেন, ফিরে এসেছে।
- 2:05:18আমাকে ছাড়বে না। সাবজেক্ট জ ভয় দিয়ে তাকে পাশে
- 2:05:21থাকে। একটি চেয়ারে বসিয়ে ঠিক কী
- 2:05:23হয়েছে জানতে চাইলে বিশ্বেশ্বরবাবু আতঙ্কের সাথে বলতে
- 2:05:26শুরু করলেন। সালটা ঠিক মনে নেই।
- 2:05:30তবে 1900 বায়ান্ন থেকে 1975 মাঝামাঝি আমাদের তখন এত বড়
- 2:05:36মিষ্টির ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিল না। মধ্য কলকাতায় একটি ছোট্ট মিষ্টির
- 2:05:40দোকান। সাথে তার আগে থেকেই আমাদের দোকানে
- 2:05:43অনেক নাম ডাক ছিল। ফলত মিষ্টির অর্ডার বিভিন্ন জেলা
- 2:05:46থেকে আসত প্রায়শই সেরকমই। একবার মুর্শিদাবাদে একটি বিয়ের
- 2:05:50মিষ্টির অর্ডার পেয়ে যায় গ্রামটি সম্ভবত লালকুঠি বা অন্য
- 2:05:54কোনও গ্রাম হবে। এখন মনে পড়ছে না।
- 2:05:56তুমি এটুকু মনে আছে গ্রামটি নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিরাজিল প্রাসাদের
- 2:06:01ভগ্নাংশের পার্শ্ববর্তী তৎকালীন একজন নামী সংক্রান্ত মুসলিম
- 2:06:05পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠান প্রচুর আয়োজন।
- 2:06:08তাই নির্দিষ্ট দিনে 2 দিন আগে আমিও আমার কর্মচারী গিয়ে কাজে
- 2:06:13হাত দিই। দুইদিন গ্রামের স্থানীয় লোকদের
- 2:06:16সাথে একসঙ্গে। কাজ করার ফলে নানা রকম কথা নিয়ে
- 2:06:19আলাপচারিতা হয়। এরই মাঝে কানাঘুষা উঠে আসে
- 2:06:22এলাকায় নাকি এক নরকাতক পিশাচিনির প্রাদুর্ভাব ঘটেছে।
- 2:06:27দিনে দুপুরে নাকি সদ্যোজাত বাচ্চা শিশুদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
- 2:06:31আমি রীতিমতো একগাল হেসে ব্যাপারটা উড়িয়ে দিই।
- 2:06:341000 হোক আমরা কলকাতার মানুষ। ভূত প্রীতে বিশ্বাস করব তাও কি
- 2:06:39হয় আমার বয়স 22 কি 23 হবে সুরেশের মতো এরকম হাট্টাঘাটটা গরম
- 2:06:44রক্তের যুবক জলজান্ত বাঘ এলেও এক হাত ধরে নেওয়ার ক্ষমতা রাখি।
- 2:06:48এ আবার কোন অশ্রু নেই। ব্যাপারটা হেসে উড়িয়ে দেয়,
- 2:06:51কাজে মন দেয় নির্দিষ্ট দিনে বিশাল মাহফিলের আয়োজন হয় হাজারো
- 2:06:56অতিথি এসেছে। রাজকীয় ভাবে খাওয়া দাওয়া চলছে
- 2:06:58হইহুল্লোর চলছে। আমরা তিনজনের অন্য ধর্মের হওয়ায়
- 2:07:02কাজ গোছানোর পর বাড়ির কর্তার আদেশ অনুযায়ী পরিচালকের
- 2:07:05তত্ত্বাবধানে আলাদা করে খাওয়াদাওয়া সেরে পাওনা গণ্ডা
- 2:07:08বুঝে নেওয়ার পরে সবে আন্দাজ আধ ঘণ্টার মতো মহফিলে এসে বসেছি।
- 2:07:13এমন সময় গেটের পাশে হই হট্টগোল শোনা যায়।
- 2:07:16মাহফিল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে উপস্থিত আমরা সবাই বিস্তৃত
- 2:07:19দৃষ্টিতে তাকাই। ভিড়ের মধ্যে থেকে শোনা যায় সেই
- 2:07:23পিশাচিনি নাকি পাশের পাড়ার একটি তিন মাসের বাচ্চাকে তুলে নিয়ে
- 2:07:26গেছে মাহফিলের আসর জমে ওঠাতে গ্রামের মানুষেরা এখানে ভিড়
- 2:07:30জমায়। তাই পিশাচিনিটি ফাঁকা পেয়ে
- 2:07:33শিশুটিকে তুলে নিয়ে গেছে। এরা এখন এর বিহিত চায়।
- 2:07:37বাড়ির কর্তা কিছু বলবেন তার আগেই অতিথিদের মাঝখান থেকে একজন কাঁচা
- 2:07:40পাকা দাড়িভর্তির দীর্ঘদেহী ইমাম সাহেবের মতো মানুষ বেরিয়ে আসেন।
- 2:07:45এবং দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, আপনারা সবাই শান্ত হন।
- 2:07:47আপনাদের কর্তামশাইয়ের অনুরোধে এই সমস্যার সমাধান করতে আমি আজ এখানে
- 2:07:51এসেছি। আপনাদের কর্তামশাই রবিউল ইসলাম জি
- 2:07:54আমার বিশিষ্ট বন্ধু হন। ভেবেছিলাম কাল সকাল থেকে এই কাজে
- 2:07:57হাত দেবো। এখন দেখছি আর সময় নেই।
- 2:08:00আপনারা সবাই শান্ত হন ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।
- 2:08:03এরপর দেখলাম আশ্চর্যজনকভাবে তিনি অদৃশ্য কারুর সাথে কথা বলছেন।
- 2:08:08খানিক বাদে গম্ভীর স্বরে রবিউল সাহেবকে জানালেন যে তাঁর এই
- 2:08:12মুহূর্তে মেজবানে জবাই হওয়া একটি গরুর কাঁটা মাথা লাগবে ও শুধু
- 2:08:16দুজন লোক থাকবে তার সাথে সাহায্যের জন্য এবং মাটি খোঁড়ার
- 2:08:20জন্য শাবল কোদাল এবং এক ডাব্বা দাহ্য তেল লাগবে।
- 2:08:24ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই বিস্মৃত হয়ে শুনছিল যেই শুনছে দুজন লোক লাগবে
- 2:08:28অমনি আতঙ্কে যার মতো পিছিয়ে যায়।
- 2:08:31আগেই বলছি ভূত প্রেতের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল না।
- 2:08:33আর সেই বয়সে সাহস ছিল তুঙ্গে। তাই কৌতূহলের বশে এগিয়ে আসি এবং
- 2:08:38রবিউল সাহেবের আদেশে একজন পরিচালক ও যেতে রাজি হয়।
- 2:08:42এদিকে অতীতের জন্য আবারও মাহফিল শুরু হয়ে যায়।
- 2:08:45আমরা তিনজনের সেই আলোক ঝলমলে পরিবেশ ছেড়ে অন্ধকারে রাস্তায়
- 2:08:49গা ভাসিয়ে দিই। গ্রামের সঙ্গত দক্ষিণ পূর্বে
- 2:08:51হিরাজিল প্রাসাদের ভগ্নাংশের কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত
- 2:08:55কবরস্থানের উদ্দেশ্যে রাত্রি তখন আন্দাজ নিশিরাতের গউভরে।
- 2:08:59অন্ধকারে কিছু বোঝা যাচ্ছে না। গা ছমছমে পরিবেশ অন্ধকার আন্দাজ
- 2:09:03করে হাই রাজিল প্রাসাদের ভগ্নাংশের কাছে পৌঁছানোর পর ইমাম
- 2:09:07সাহেব আবারও অদৃশ্য কারুর সাথে কথা বলেন।
- 2:09:10এরপর ওই নির্দিষ্ট কবরস্থানে মাছ বরাবর 1:00 কোণায় গর্ত করতে
- 2:09:14বললেন, আমরা আদেশ মতো টর্চের আলো ঝোপঝাড়ে পরিষ্কার করে গর্ত
- 2:09:18খুঁড়তে যাব। এমন সময় হঠাৎই পাশের জঙ্গলে।
- 2:09:22তুমুল ঝড় ওঠে। সেই সঙ্গে হাড় কাঁপানো
- 2:09:24অস্বাভাবিক চিৎকার ভেসে আসে সেই প্রথম ভয় জিনিসটাকে অনুভব
- 2:09:29করেছিলাম শীতের রাত্রি ভাগীরথীর পাড়ে শীতল হওয়াতে শরীর ঘামে
- 2:09:34ভিজে চপচপে হয়ে উঠেছে আতঙ্কে কাঁপতে কাঁপতে সেদিকে আলো ফেলে এক
- 2:09:38ঝলক জাত দেখি তা দেখে একেবারেই উদাস হয়ে যায়।
- 2:09:41মুখ দিয়ে কথা বেরোচ্ছিল না দেখি একটি বীভৎস আগপোড়া শরীরের
- 2:09:45অধিকাংশ মাংস নেই। পচাগলা ভয়ঙ্কর নারীমূর্তি
- 2:09:48জ্বলন্ত চোখে তাকিয়ে আছে ভয় কাঠ হয়ে যায়।
- 2:09:51এদিকে কিছুটা দূরে ইমাম সাহেব রীতিমতো গর্জে ওঠেন।
- 2:09:54মূর্খের দল মড়ার শখ হয়েছে তাড়াতাড়ি আলো নেভাও।
- 2:09:59এরপর কোনও রকমে গর্তটা খুঁড়ে আমরা এই মাউস সাহেবকে হাঁক দেই।
- 2:10:03পরক্ষণেই তাঁর আদেশ অনুযায়ী গরুর কাটা মাথাটা ওই গর্তে ফেলে।
- 2:10:07সাইডে কিছুটা দূরে দাঁড়ায়। এরপর ইমাম সাহেব অচেনা ভাষার কিছু
- 2:10:11পাঠ করতে লাগলেন। খানিক বাদে শুকনো পাতায় মচমচ
- 2:10:14শব্দ চলার শব্দ চমকে উঠে। আমরা সেই নিকশ কালো অন্ধকারে
- 2:10:18আন্দাজ করতে পারি। থেকে ছায়ামর্তি কঙাতে কঙাতে
- 2:10:21হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসছে কয়েক মুহূর্ত।
- 2:10:23পর গর্তের ভেতর থেকে কর্মর কর্মর হাড় জীবাণোর শব্দ ভেসে আসে।
- 2:10:28সঙ্গে সঙ্গে ইমাম সাহেব চিৎকার করে বললেন, তাড়াতাড়ি তেলটা
- 2:10:31গর্তে ঠেলে দাও এবং দূরে সরে যাও। পরক্ষণে দেখলাম, হঠাৎই আকাশ থেকে
- 2:10:36একটি আগুনের ভিন্ন উড়তে উড়তে এসে সেই গর্তের মধ্যে ঢুকল এবং।
- 2:10:40সঙ্গে বীভৎস পৈশাচিকার্থনা আজ শুনতে পেলাম গর্ত থেকে শরীরের
- 2:10:43শিরা উপশিরা আতঙ্কে টানটান হয়ে উঠেছিল।
- 2:10:46এরপর মিয়াম সাহেবের নির্দেশে তাড়াতাড়ি মাটি দিয়ে গর্তটা
- 2:10:49বন্ধ করে দেয়। সমস্ত কাজ মিটিয়ে যতক্ষণে আমরা
- 2:10:53গ্রামের দিকে এগোলাম, ততক্ষণে বাঁশ জঙ্গলের ছায়ার মাঝে পুবের
- 2:10:57আকাশ হালকা আলোক রেখায়। উঁকি দিচ্ছে ইমাম সাহেব গ্রামে
- 2:11:02ফিরে সবাইকে জানান। আর সেই নরখাতো কাদম খোর কারও
- 2:11:05অনিষ্ট করতে পারবে না। এরপর সেই রাত্রির বীভৎস অভিজ্ঞতা
- 2:11:09বুকে করে কলকাতা ফিরে এত বছর বাদে হঠাৎই মাসখানেক আগে সন্ধ্যাবেলা
- 2:11:15বাড়ি ফেরার সময় আবার সেই মাংস পচা ভ্যাপে আবসা দুর্গন্ধটা নাকে
- 2:11:18আসে। সঙ্গে সঙ্গে আঁতকে উঠি বুকের ভেতর
- 2:11:21ভেতর পুরোনো ভয়টা আবারও মাথা চালা দেয় পেছন ফিরে ল্যাম্প
- 2:11:24পোস্টের দপদপ আলোতে দেখি সেই বীভৎস মাংস পচাগলা।
- 2:11:28ছেঁড়া ফাটা শাড়ি পরা নরখাদ গ্রুপে নারীমূর্তিটি দাঁড়িয়ে
- 2:11:31আছে। আমি আতঙ্কে চিৎকার দিয়ে দৌড় দেই
- 2:11:33বাড়ির দিকে। তারপর প্রায় প্রতি রাতেই সেই
- 2:11:36বীভৎস আদম ঘরটি আমার ঘরে আসত এবং পচাগলা বাচ্চা শিশুদের মৃতদেহ
- 2:11:42আমার দিকে ছুঁড়ে মারত এবং বিশ্রী ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলতো।
- 2:11:46আমাকেও খেতে এই বলে উদ্বিগ্ন অবস্থায়।
- 2:11:50বিশ্বেশ্বরবাবু থামলেন সাব্বির জন্য আবারও আশ্বস্ত করে সুরেশকে
- 2:11:55কয়েকদিন বাদে আসবেন বলে বাড়ি চলে যান।
- 2:11:58দুশ্চিন্তাটা দখল তার মাথায় ঘুরঘুর করছিল এসবের সাথে
- 2:12:01জিয়াউদ্দিন সাহেবের সম্পর্ক কি তা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার হচ্ছিল
- 2:12:05না। ভারী আদম খড়ি বা কি জীব কোন
- 2:12:09ধরনের জীব পর্যন্ত বিকালে চিন্তা মগ্ন হয়ে ব্যালকনিতে বসেছেন।
- 2:12:14এমন সময় রাবেয়া বিবি এলেন সাব্বির জি আশাতীত দৃষ্টিতে তাঁর
- 2:12:17দিকে তাকাতে খেয়াল করলেন। বিবির চোখে মুখে দুশ্চিন্তার
- 2:12:21রেখা। উদ্বিগ্ন অবস্থায় সাব্বির যে
- 2:12:23সকালে বিশ্বেশ্বর বাবুর বলা সমস্ত ঘটনা খুলে বলতে রাবেয়া বিবি
- 2:12:28আবারও চিন্তিত হয়ে পড়লেন। কয়েক মুহূর্ত পর পশ্চিম আকাশে
- 2:12:31হাল্কা আবীরে আবার দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করলেন ওই নরকহত খাতম
- 2:12:36খোরপিশা চিনিকে আর কেউ নয়, স্বয়ং জুবেল সাহেবই মুক্ত করেছে
- 2:12:41মানুষের লোক। কতটা নীচে নামতে পারে এই শয়তানকে
- 2:12:45দেখলেই বোঝা যায় ক্ষমতা অর্থের লোভে যে জঘন্যতম হারাম কাজ করেছেন
- 2:12:50তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বহরমপুরের এক শ্মশানে একটি
- 2:12:53কাঁপালিক তান্ত্রিক থাকত জুবের সাহেব।
- 2:12:56সেই তান্ত্রিকের আনুগত্য পাওয়ার লোভে এবং ক্ষমতার ক্রিম নলসায়
- 2:13:00তারই নির্দেশে মাস দুয়েক আগে নিজের মেয়ের একমাত্র সন্তান।
- 2:13:05দুই বছরের নাতনিকে এক অমাবস্যা রাতে ওই শ্মশানেই বলি দেন, আসলে
- 2:13:10মানুষই পাচে মাছে এরকম কর্ম করে যা শয়তান ইবলিশ পিশাচকেও হার
- 2:13:15মানায়। এরপর খানিকক্ষণ মনমরা হয়ে বসে
- 2:13:18রইলেন রাবেয়া বিবি সাব্বির জন্য একটু শক্ত হতে বলে আবারও জানতে
- 2:13:22চাইলেন। তারপর ঠিক কী হল রাবেয়া বিবি
- 2:13:25হতাশার প্যারাজাল কাটিয়ে আবারও বলতে শুরু করলেন।
- 2:13:28এরপর তান্ত্রিকী জুবেল সাহেবের বলে হিরাজিল প্রাসাদের
- 2:13:31পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের নদী পার বরাবর ঝোপের মধ্যে একটি শুকনো
- 2:13:35গরুর মাথার খুলি পড়ে আছে সেটি। নিয়ে আসে বলেন, যেহেতু
- 2:13:40তান্ত্রিকটি বিধর্মী কাফের ছিল তাই সে ওই কবরস্থানে গিয়ে নিচে
- 2:13:45আনতে পারত না। তার জন্য জুবেল সাহেবের মতো একজন
- 2:13:47লোভী শয়তান যে ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে গুলিটি উদ্ধার করার এবং
- 2:13:51অমাবস্যার রাতে কী সব তন্ত্র মন্ত্র পড়ে যজ্ঞে জুবেল সাহেবের
- 2:13:55নাতনির কাটা মাথা আহুতি দিয়ে। চালাই ভরে তাজা রক্ত সংগ্রহ করে
- 2:14:00সেই নরকহতক আদম খড়কে আহ্বান করেন।
- 2:14:03পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মে ওই পাপির সাজা হয়।
- 2:14:06গত মাসে তান্ত্রিকটি আকস্মিক ভাবে ঝড় বৃষ্টিতে বজ্রপাতে মারা যায়।
- 2:14:11এরপর সে শয়তান আদম খোর পিশাচিনির আর কোনও মনিব না থাকায় সে মুক্ত
- 2:14:16হয়ে যায়। তখন তার একটি লোভী নিকৃষ্ট কাফের
- 2:14:19মানব শরীরের প্রয়োজন হয়, যার মতিশের নির্দ্বিধায় বাসা বাঁধবে।
- 2:14:23আর সেক্ষেত্রে জুবেল সাহেবের মতো নিকৃষ্ট প্রাণী আর কেউ ছিল না।
- 2:14:27তাই সে জুয়েল সাহেবের উপর ভর করে।
- 2:14:30এখন দেখছি, যেহেতু সে মুক্ত তাই পূর্বে তার বন্দির জন্য যারা
- 2:14:35দায়ী তাঁদের উপর আক্রমণ করছে। যার মধ্যে বিশ্বেশ্বরবাবু একজন
- 2:14:38বুঝলাম। কিন্তু জিয়াউদ্দিন সাহেবকে কেন
- 2:14:41বন্দি করছে তা কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।
- 2:14:45আর থাকল জুয়েল সাহেব উনি যে পাপ করেছেন তার স্বয়চ্ছায় যে শয়তান
- 2:14:50আদম খোর টিকে আছে নিজের শরীরে আশ্রয় নিয়েছে সেই কৃতকর্মের ফল
- 2:14:54উনি শিগগিরই পাবেন। এখন যেভাবে হোক আমাদের জানতে হবে
- 2:14:58যে ওই পিশাচিনি জিয়াউদ্দিন সাহেবকে ঠিক কোথায় বন্দি করে
- 2:15:01রেখেছে। এতক্ষণ সাব্বির যে চুপচাপ
- 2:15:03শুনছিলেন এবার গম্ভীর স্বরে বলে উঠলেন।
- 2:15:06কিন্তু এই আদম খড়ি বা কোন ধরনের জীব আর জিয়াউদ্দিন সাহেবের সাথেই
- 2:15:10বা তার কিসের শত্রুতা সেই জিয়াউদ্দিন সাহেব মুক্ত হলেই
- 2:15:14জানতে পারা যাবে। এখন আগামীকাল যেভাবেই হোক জুবেল
- 2:15:17সাহেবের কাছ থেকে জানতে হবে শয়তানটা জিয়াউদ্দিন সাহেবকে
- 2:15:21কোথায় পঞ্জি করে রেখেছে? এরপর সেদিনের মতো রাবেয়া বিবি
- 2:15:25অদৃশ্য হয়ে যান। পরের দিন যতক্ষণে সাব্বির জিও
- 2:15:29রাবেয়া বিবি রানাঘাটে পৌঁছালেন, ততক্ষণে বেলা গড়িয়ে বিকেল এ
- 2:15:32বারে দুজনে প্রস্তুত হয়ে এসেছিলেন।
- 2:15:35তারা অনুভব করলেন শয়তান আদম খট্টি।
- 2:15:37সেই মুহূর্তে কোনও কারণ বসত সেখানে নেই।
- 2:15:40এই সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা।
- 2:15:42বিজি তাড়াতাড়ি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন এবং রাবেয়া বিবি
- 2:15:45একটি মায়া জালে বাড়িটির বাইরে থেকে আবদ্ধ করে ফেলেন।
- 2:15:49খুব তাড়াতাড়ি কাজটি সারতে হবে সাব্বির দোয়া পরে শরীরে ভূত
- 2:15:52দিয়ে তাসবিটির হাতে জড়িয়ে সোজা জুবেল সাহেবের রুমে প্রবেশ করেন।
- 2:15:56রেজি না বিবি হতবাক হয়ে সব কিছু দেখছিলেন।
- 2:15:59যদিও তিনি জানতেন যে সাব্বির যে আসবে।
- 2:16:02ঘরে ঢুকতেই জুয়েল সাহেবের কটাক্ষের হাসি উপেক্ষা করে
- 2:16:05সাব্বিরজি দৃঢ় কণ্ঠস্বরে জিজ্ঞেস করলেন, একজন পাক মহান আল্লাহর
- 2:16:09বান্দাকে আপনি ও সেই নরখাদক আদম খর্মিরে বন্দি করেছেন।
- 2:16:13এখন ভনিতা না করে বলুন, কোথায় বন্দি করেছেন, চুপ করে থাকবেন না
- 2:16:17বলুন প্রত্যুত্তরে কোনও জবাব আসে না।
- 2:16:20জুবের সাহেব আবারও সেই কটাক্ষের ছলে কুৎসিত ভাবে হাসতে থাকে।
- 2:16:24সাব্বির ভিতরে ভিতরে রাগে টকবক করে ফুটছিলেন নিজেকে সংযম করে
- 2:16:28আবার গৃহকণ্ঠে বলে ওঠেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনার
- 2:16:31জঘন্য পাপের জন্য কবে আপনাকে সাজা দেবেন সেটা তিনি জানেন।
- 2:16:35তবে এই মুহূর্তে যদি আপনার পরিবার আপনার মেয়ে সেই জঘন্য পাপের কথা
- 2:16:40জানতে পারে তাহলে আপনার কী অবস্থা হবে সেটা ভেবে দেখেছেন।
- 2:16:44আর আপনার পোষা নর খাদকটি এই মুহূর্তে এখানে নেই।
- 2:16:47সেটা নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারছেন।
- 2:16:49তাকে আমি বন্দি করেছি। সুতরাং সেও আসবেন আপনাকে সাহায্য
- 2:16:53করতে। তাই বলে ফেলুন সেই পাক বান্দাকে
- 2:16:55কোথায় বন্দি করেছেন। এবার যুগের সাহেব বিস্মিত হয়ে
- 2:17:00সাব্বির চিকটিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থতমত খেয়েছেন।
- 2:17:03এরপর কান্নায় ভেঙে পড়েন কয়েক মুহূর্ত।
- 2:17:05পর বলেন যে তাকে সাব্বিরজি রক্ষা করেন যেন এবং পরক্ষণেই তিনি বলেন,
- 2:17:11কি বন্দি করেছেন কাকে বন্দি করেছেন তিনি জানতেন না।
- 2:17:14তবে সেই পিশাচিনির আদেশ অনুযায়ী গত মাসে একটি বোতল মুর্শিদাবাদে
- 2:17:19হিরাজিল প্রাসাদের পার্শ্ববর্তী একটি কবরস্থানে গোলাকার
- 2:17:22বাঁশঝাড়ের মাঝখানে মাঝখানে পুঁতে দিয়ে এসেছিলেন।
- 2:17:25সাব্বির যে খেয়াল করলেন দূর থেকে রাবেয়া বিবি অথচ হয়ে ডাকছেন তাই
- 2:17:29দেরি না করে বেরিয়ে আসেন। যাওয়ার আগে জুবেল সাহেবকে বলে
- 2:17:32আসেন যে তার কৃতকর্মের ফল তিনি একদিন ভোগ করবেন।
- 2:17:36কিন্তু কীভাবে তা শুধু মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জানেন।
- 2:17:39তবে উনি ভয়ঙ্কর ভাবে পিশাচের হাতে বেঘোরে নিজের প্রাণটা হারাতে
- 2:17:44না চান। তাহলে ওই নর খাদক পিশাচিনি যেন
- 2:17:46ঘুণাক্ষরে ওঠে না পায়। সাবজেক্টে সবকিছুর জেনে গেছেন
- 2:17:50বেরিয়ে যাওয়ার সময় জিনাজী কিছু জিজ্ঞেস করতেই সাব্বির জী জানান।
- 2:17:55পরে বলবেন গাড়ির কাছে আসতেই সাব্বির যে লক্ষ্য করলেন রাবেয়া
- 2:17:59বিবি আতঙ্কে প্রস্তুত করছেন, তাঁকে দেখে উদ্বিগ্নেশ্বরে বললেন,
- 2:18:02তাড়াতাড়ি আমাদের এখান থেকে চলে যেতে হবে।
- 2:18:04আদম খড়টা মনে হয় এতক্ষণে সবকিছু লন্ডভন্ড করে ফেলেছে।
- 2:18:08বেশ বেশ কয়েকবার ফোন করেছে। তোমার ফোনটাও ভুলে গাড়িতে ফেলে
- 2:18:12গেছে। সাব্বির জি দেরী না করে
- 2:18:14তাড়াতাড়ি সেই জায়গা ছেড়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে গাড়ি
- 2:18:17ছুটিয়ে দিলেন। আসলে গতরাতেই সুরেশকে ফোন
- 2:18:20দিয়েছিলেন। তাদের ধর্ম অনুযায়ী বাড়ির হোম ও
- 2:18:23পুজোযকদের আয়োজন করে তাদের ধর্মের সর্বশক্তিমানের আলোচনা
- 2:18:27করেছেন তারা। সাবিরচি ভাল মতো জানতেন শয়তানটা
- 2:18:31ওই পুজোয় বাধা দিতে আসবে এবং সেখানে যাবে এবং সেই সুযোগটাই
- 2:18:35জুবেল সাহেবকে ভয় দেখিয়ে সব কথা তিনি বের করে নেবেন।
- 2:18:38পরিকল্পনাটা মোটামুটি কাজে দিয়েছে।
- 2:18:40এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মুর্শিদাবাদে পৌঁছানো দরকার
- 2:18:44সাব্বির জি গাড়ি চালাতে চালাতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে
- 2:18:47রাবেয়া বিবিকে সমস্ত ঘটনা বলেন। এরপর সুরেশকে ফোন লাগান।
- 2:18:51হ্যালো বলার আগেই অপর পাশে সুরেশ আতঙ্কিত কণ্ঠে বলে।
- 2:18:54স্যার আপনার কথা মতো আমি সবকিছু ঠিক করেছিলাম।
- 2:18:57দাদু সকাল থেকে বিদ্ঘুটে রকমের আচরণ করছিল কিন্তু কোনও কিছুতে
- 2:19:00বাধা দেয়নি। ব্যাগটা হয় পুরোতমশাই যখন পুজোয়
- 2:19:04বসে সবে মন্ত্র পাঠ করেছেন সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে তুমুল ঝড় ওঠে
- 2:19:07ঝড়ের প্রকোপ এতটাই ছিল যে সব কিছু লন্ডভন্ড হয়ে যায় সে সঙ্গে
- 2:19:11বৃহৎ সব পৈশাচি গট্ট হাসিতে বাড়িটা যেন কেঁপে কেঁপে উঠছিল।
- 2:19:14অদৃশ্য পচাগলা বাদুড়ের দেহ উড়ে এসে পাছরে পড়ছিল।
- 2:19:17পূজাস্থলে পুরোতমশাই তাঁদের রীতিমতো অজ্ঞান।
- 2:19:21এই বীভৎসে পরিষদিকতা বেশ কিছু গন্তরে চলার পর হঠাৎই একটি জানালা
- 2:19:24কপাট ভেঙে আচমকাই অদৃশ্য শক্তিটি বেরিয়ে যায়।
- 2:19:28এরপর থেকে আপনাকে ফোন দিচ্ছি। আপনি ফোনই তুলছেন না।
- 2:19:30সাবজি বিচলিত না হয়ে ধীর গলায় সুরেশকে বললেন যে সবকিছু পরিষ্কার
- 2:19:35করে। আবারও তোমরা তোমাদের মতন থাকো।
- 2:19:39আর এবারে তেমন কিছু ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন।
- 2:19:42ফোনটা রেখে সাবির জি রাবেয়া বিবিকে সুরেশের বাড়ির পরিস্থিতি
- 2:19:45সবিস্তারে জানিয়ে বলেন, জানতাম এমনটাই হবে আমার শুধু প্রয়োজন
- 2:19:49ছিল কিছুটা সময় তাতে আমরা জুবেল সাহেবের থেকে যা জানার জেনে
- 2:19:53নিয়েছি। গাড়িটা তখন সবুজ প্রান্তরের বুক
- 2:19:56চিরে দ্রুত এগিয়ে চলছে। মনের ভেতর তীব্র উত্তেজনা অনুভব
- 2:20:00করছিলেন সাবমিটজি। বহরমপুরে পৌঁছে স্থানীয় লোকদের
- 2:20:03কাছ থেকে রাস্তা বুঝে যতক্ষণের টাওয়ার করে হিরাজিল প্রাসাদ
- 2:20:07সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালেন। ততক্ষণ রাত্রি গভীর হয়ে তলিয়ে
- 2:20:10গেছে। কোথায় প্রাসাদ প্রাসাদের
- 2:20:12বিন্দুমাত্র নেই। গাড়ির আলোতে যত দূর দেখা যাচ্ছে
- 2:20:14শুধুই সারে সারি ঘন পাশ জঙ্গলের পাহার।
- 2:20:17এর মাঝেই ঠিক কোনও এক বাঁশঝাড়ের মাঝে বোতলটা পোতা আছে খুঁজে বের
- 2:20:21করা সন্তুষ কর হঠাৎ আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তুমুল ঝড় বৃষ্টি ওঠে
- 2:20:26তার সাথে মুষলধারে বৃষ্টি প্রকৃতির যেন কোনও কিছুর আক্রোশে
- 2:20:30ফেটে পড়ছে। এদিকে যদি আদম খুটটা কোনওভাবে
- 2:20:33জুবেল সাহেবের কাছ থেকে সত্যিটা জেনে যায়।
- 2:20:36এর মাঝে হঠাতই রাবে কিছু 1:00 আভাস পেয়ে আচমকাই আতঙ্কের শহীদ
- 2:20:40বলে উঠলেন। সাব্বির বৃষ্টি থামার অপেক্ষা
- 2:20:43করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে তাড়াতাড়ি করো আমি আভাস পাচ্ছি।
- 2:20:46তাতে মনে হচ্ছে শয়তান টা জেনে গেছে, আমরা কোথায় কী করতে এসেছি
- 2:20:50তুমি এখান থেকে গুনে গুনে 50:00 পায়ে গুঁবে উত্তরের দিকে।
- 2:20:54এরপর ওখান থেকে পশ্চিম দিকে তাকিয়ে কুড়ি 12 সূরা এ ক্লাস
- 2:20:57পড়বে। তারপরে তুমি অনুভব করতে পারবে।
- 2:21:00বদলটা কোথায়? 1:00 কথা মনে রেখো তোমার পেছনে
- 2:21:03যদিও পৃথিবী ওলট পালট হয়ে যায় তুমি কিন্তু ভুলেও পেছনে ফিরে
- 2:21:05তাকাবে না। আমার চিৎকার শুনল না মহান আল্লাহ
- 2:21:08তাদের উপর ভরসা হারাবে না। রাবেয়া বিবির কথা মতো ভিজে ভিজে
- 2:21:13লতা পাতার ঝোপে সাবধানে এক পা এক পা করে গুনে গুনে 3012 মতো হেঁটে
- 2:21:17গেছেন তিনি। এ সময় বিকট 1:00 গর্জন বিশেষ
- 2:21:19রপেচন থেকে সাব্বির জি পেছনে ফিরে তাকাতে গিয়েও পারলেন না
- 2:21:23রাবেয়াপির মানা আছে। এরপর পেছন থেকে ভেসে আসে ভীষণ
- 2:21:26হুটোপুটি ধস্তাধস্তির শব্দ। সেই সঙ্গে পৈশাচিক চিৎকার,
- 2:21:29অট্টহাসি, রাবেয়া বিবির আর্তনাদ, শেখ রোমহর্ষক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।
- 2:21:34অপ্রাকৃতিক শক্তির সমূহ যুদ্ধে চারপাশ বাঁশঝাড়গুলো উথাল পাথাল
- 2:21:38অবস্থা, সাব্বির জির মনটা রাবেয়া বিবির জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠল।
- 2:21:42পিছনে ঘুরবেন তার আগেই দূর থেকে প্রায় বাঁশঝাড়ের উপর থেকে
- 2:21:45রাবেয়া বিদ্যুৎ, শ্বাস ক্ষীণকণ্ঠ ভেসে উঠল সাব্বির থামবে না,
- 2:21:50তাড়াতাড়ি এগিয়ে যাও। আমি বেশিক্ষণ এই শয়তানটাকে আটকে
- 2:21:53রাখতে পারব না। কথাটা আর শেষ করতে পারলেন না।
- 2:21:57ভয়ঙ্কর বীভৎস বৈশাখী হাসিতে তার কণ্ঠটা রোধ হয়ে গেল।
- 2:22:00সাব বিজি 50 পাকিয়ে পশ্চিমে তাকিয়ে সুরাই ক্লাস কুড়িবার
- 2:22:04পড়ার পর লক্ষ্য করলেন হঠাৎ 1:00 প্রায় গোলাকার বাঁশঝাড়ের মাঝে
- 2:22:08একটি হালকা নীল আলো জ্বলে উঠল। রাত্রে নিকশ কালো অন্ধকারে সেই
- 2:22:13ঝড় জলের মধ্যেও সে আলোর ছটা মুহূর্তের জন্য যেন স্নিগ্ধতায়
- 2:22:16ভরিয়ে দিল। এদিকে আচমকাই অনুভব করলেন অজস্র
- 2:22:19শিশু হাত পা জড়িয়ে ধরছে তাঁর বহু চেষ্টা করে এগোতে পারছেন না
- 2:22:23সাব্বির জি সেই শিশুরূপে পিশাচগুলোর মধ্যে 2:01 কামড়
- 2:22:26বসাচ্ছে। সাব বিজির পায়ে সাব বিজী সে
- 2:22:29অসহনীয় যন্ত্রণা আর সহ্য করতে না পেরে মহান আল্লাহ রাব্বুল
- 2:22:32আলামিনের নাম নিয়ে সজোরে সেগুলোকে লাথি দিয়ে সরিয়ে কোনও
- 2:22:35রকমে সেই নিরাপদ বোতলটি হাতে নিয়ে দোয়া পরে ঢাকনাটা খুলতে
- 2:22:40যাবেন। তার আগেই বীভৎস মাংসপচা গন্ধে ভরে
- 2:22:42গেল চারপাশটা অভয়কটি বৃহৎ স চিৎকারে।
- 2:22:45বেশ কয়েকটি বাঁশঝাড় সজোরে সাববীজের ওপর নুইয়ে দিল সাব্বির
- 2:22:49যে আতঙ্কে চিৎকার দিয়ে চোখ বন্ধ করেন, বোতলটা ছিটকে পড়ে যায়
- 2:22:52মাটিতে। আর সঙ্গে সঙ্গে আশ্চর্যজনকভাবে
- 2:22:54বাঁশগুলো সাবমিচির থেকে হাত খানেক দূরে আটকে যায়।
- 2:22:57সাব বিচে আকস্মিক নিস্তবতায় চমকে গিয়ে চোখ খুলে দেখেন উজ্জ্বল
- 2:23:02নক্ষত্রের মতো শুভ্র পাঞ্জাবি পরিহিতকেও তাঁর।
- 2:23:05অলৌকিক ক্ষমতার দ্বারা বাঁশগুলোকে আটকে দিয়েছেন সাব্বির জি
- 2:23:09বিস্ময়ে উত্তেজনায় আনন্দের সহিত বলে উঠলেন।
- 2:23:11শিয়াউদ্দিন সাহেব। পরক্ষণেই হাতের দিকে লক্ষ্য করে
- 2:23:15দেখলেন, বোতলের খালি ঢাকনাটা বোতল ছিটকে যাওয়ার সময় তার হাতেই
- 2:23:19রয়ে গেছে। ঘরটা কাটল।
- 2:23:20জিয়াউদ্দিন সাহেবের দেহ বাঁশ। খাই ধমকে 26 তাড়াতাড়ি গাড়ি
- 2:23:25থেকে আবে জমজমের বোতল ও তোমার গাড়ি থাকা অতিরিক্ত পেট্রোল ডাব
- 2:23:29বাটা নিয়ে এসো আমি একে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারব না।
- 2:23:33পরে রাবেয়া বিবিকে ডাক দেন। ক্ষণিকবাঁদে সাব্বির ঝি সব নিয়ে
- 2:23:37এলে জিয়াউদ্দীন সাহেবের নির্দেশে আবে জমজমের পানি ছিটিয়ে গোল করে
- 2:23:41বাঁশঝাড়ের চারপাশে গণ্ডি কাটলেন। তারপর রাবেয়া বিবির ক্ষমতা বলে
- 2:23:45এক নিমিষে শূন্যে ভেসে পেট্রোলটির ডাব্বাটি নিয়ে ঝাড়টার উপর
- 2:23:48ছিটিয়ে দিলেন। এরপর অলৌকিক ক্ষমতা বলে
- 2:23:51জিয়াউদ্দিন সাহেব উচ্চকণ্ঠে বেশ কিছু সুরা পড়তে পড়তে অদৃশ্য
- 2:23:55শূন্য থাকা। আকাশের দিকে তাকাতে তাকাতে উল্কা
- 2:23:58পিণ্ডের নেয় একটি আগুনের গোলা উড়ে এসে বাঁশছাঁটির ওপর পড়ে।
- 2:24:02সঙ্গে সঙ্গে অলৌকিক ভাবে দাউদাউ করে চলে ওঠে আগুন।
- 2:24:05আকাশ চুম্বী অগ্নি শিখায়। সমগ্র এলাকাটি আলোকিত হয়ে ওঠে।
- 2:24:09সেই সঙ্গে ভয়ঙ্কর হাড় কাঁপানো আর্তনাদ ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে সেই
- 2:24:14আগুনে নিমজ্জিত হয়। বৃষ্টিটা ততক্ষণে থেমেছে।
- 2:24:18এখন হেডলাইটের আলোয় শীর্ণকায় পাঁচ চারটি ছাই ভষ্সের স্তূপ,
- 2:24:22বীভৎস ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিল। জিয়াউদ্দিন সাহেব বললেন যে ভোর
- 2:24:25হওয়ার আগেই এলাকা ছিঁড়েছিরে যাওয়া উচিত।
- 2:24:28নইলে আশপাশের গ্রামের মানুষের নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হতে
- 2:24:31পারে। রাবেয়া পিবি যেভাবে কিছুক্ষণের
- 2:24:34জন্য সেই নরকাদকে আটকে রেখেছিলেন জিয়াউদ্দিন সাহেব।
- 2:24:37তাঁর প্রশংসা না করে থাকতে পারলেন না এবং সাব্বিরজি সহ রাবেয়া
- 2:24:40বিবিকে তাকে মুক্ত করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সৌজন্যমূলক
- 2:24:44কথোপকথনের পর আবার যতক্ষণে বহরমপুর আমরা পৌঁছালাম, ততক্ষণে
- 2:24:48পুবের লাল আভা ধীরে ধীরে পরিষ্কার হচ্ছে জিয়াউদ্দিন শাহাদকে অনেক
- 2:24:52প্রশ্ন করার পর। বিরজি একে একে সব।
- 2:24:55প্রশ্নগুলো করতে যাবেন। তার আগেই ফোনটা বেঁচে ওঠে।
- 2:24:58জিয়াউদ্দিন সাহেব বললেন, এখন না সাব্বির আগে বাড়িতে পৌঁছে ফজরের
- 2:25:02নামাজ আদায় করো। তারপর ধীরে সুস্থে সবকিছু বলব।
- 2:25:06এখন ফোনটা ধর। কী করেছে ফোনটি রোজিনা জি কাঁদতে
- 2:25:10কাঁদতে বললেন কাল আপনি চলে যাবার পর থেকে উনি আর ঘর থেকে বেরোননি
- 2:25:13রাতে খাবারও খাননি। মাঝ রাতে হঠাৎই বিকট
- 2:25:16দুর্গন্ধযুক্ত ধোঁয়ায় আমাদের ঘুমটা ভেঙে যায়।
- 2:25:18এরপর কোনও রকমে ধোয়ার উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখি ওনার ঘরের দরজার নীচ
- 2:25:23থেকে ভসভস করে কালো ধোয়া আগুনের ফুল কী বের হচ্ছে।
- 2:25:26আমি আতঙ্কে শিউরে উঠি। চিৎকার দিয়ে কাউকে জোগাড় করতে
- 2:25:29পারিনি। শেষে সেই বীভৎসতার সহ্য করতে না
- 2:25:32পেরে জ্ঞান হারিয়ে যায়। সকালে জ্ঞান ফিরতে দেখি সব শেষ
- 2:25:36ঘরের ভেতরে শুধু ছাই আর ছাই জুয়েল সাহেবের কোনও অস্তিত্বই
- 2:25:40ছিল না এই বলে আবারও কান্নায় ভেঙে পড়েন।
- 2:25:4326 থেকে সান্ত্বনা দিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে শেষে এটুকুই বলেন
- 2:25:46যে। অযুবের সাহেব তাঁর কৃতকর্মের ফল
- 2:25:49ভোগ করেছেন। এরপর ফোনটা রেখে দেন 1:00।
- 2:25:51দীর্ঘশ্বাস ফেলে জিয়াউদ্দিন সাহেব বলেন।
- 2:25:54এটা হওয়ারই ছিল শয়তানি ব্লিশের যারা উপাসক হয় তাদের অন্তিম
- 2:25:59পরিণতি ঠিক এমনটাই হয় এক শয়তান আর এক শয়তানকে পুড়িয়ে বেঁচে
- 2:26:05ফিরে এসে নামাজ আদায় করে। গতরাতে বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার
- 2:26:08ক্রান্তি আড়াতে একটু আরাম করেন সাবিরঝি।
- 2:26:11বিকেলে সুরেশের সাথে ফোনে কথা হয় সুরেশ জানায় ওর দাদু বিশ্বেশ্বর
- 2:26:15বাবু এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। সকাল থেকে রীতিমতো ব্যবসার
- 2:26:18ব্যাপারে তদারকি শুরু করেছেন। এরপর আরও কিছু কথোপকথনের পর ফোন
- 2:26:22রাখেন ব্যালকনিতে বসে সুরেশের পাঠানো বিখ্যাত পাল সুইটসের কড়া
- 2:26:27পাকের সন্দেশ খেতে খেতে রাবেয়া বিবি ও সাব্বির জি অধীর আগ্রহে
- 2:26:31অপেক্ষা করছিলেন কখন জিয়াউদ্দিন সাহেব তাঁর সাথে ঘটে যাওয়ায়
- 2:26:35বীভৎস ঘটনার তথ্য জানাবেন। কী করেই বা উনি এই শয়তানের হাতে
- 2:26:39বন্দি হলেন জিয়াউদ্দিন সাহেব ওদের মনোভাব বুঝতে পেরে বলতে শুরু
- 2:26:43করলেন। মাসখানেক আগের কথা আমি মসজিদে
- 2:26:46যাচ্ছিলাম এমন সময় হঠাৎই পেছন থেকে কিছু 1:00 ধুলোর মতো পদার্থ
- 2:26:51আমার শরীরের উপর পড়া অনুভব করলাম।
- 2:26:52এর পর কিছু মনে নেই জ্ঞান ফিরতে দেখি আমি বোতলবন্দি আদম ক্ষতি
- 2:26:57জুবেল সাহেবের সহায়তায় আমাকে পরিত্যক্ত কবরস্থানে পুঁতে আসছে।
- 2:27:02আসলে পেছন থেকে আক্রমণ করার কারণে বন্দি করতে পেরেছিল।
- 2:27:05সামনে থেকে আমার মুখোমুখি হওয়ার সাহস ছিল।
- 2:27:07এখন আসি এই আদম খোর সাথে আমার কিসের সূত্র তা এখানে বলে রাখি,
- 2:27:13সাব্বির শুধু আমি নয়, অতীতে তোমার পূর্বপুরুষও ওর শত্রু হয়ে
- 2:27:18ওঠে। অবাক হয় না।
- 2:27:18সাব্বির অতীতে মুর্শিদাবাদে বিশ্বেশ্বর বাবু যে ইমাম সাহেবকে
- 2:27:22সাহায্য করেছিলেন। শয়তানকে বন্দি করতে তিনি আর কেউ
- 2:27:25নন, তোমার দাদা যান হাফেজ শেখ মোহাম্মদ রিয়াজুল খান।
- 2:27:27আর যে অদৃশ্য চীন তাকে সেই কাজে সাহায্য করেছিল সে আমি নিশ্চয়ই
- 2:27:32বলতে হবে না। এবার বুঝতে পারছ শত্রুতা কোথায়?
- 2:27:39এখন সব শেষ প্রশ্ন হল যে কে যাদব ঘর আদক শয়তানের সৃষ্ট এক ভয়ঙ্কর
- 2:27:44নর পিশাচ যা দেওজিন বা কারিন জিনের সম্মিলিত ভয়ঙ্কর বীভৎস
- 2:27:49পৈশাচি গ্রুপ যে সময় ওই গ্রামে আদম খরের প্রকোপ শুরু হয়, ঘটনার
- 2:27:53সূত্রপাত তারও মাস চারেক আগে রবিউল সাহেব জানান।
- 2:27:57যে আগে মাঝে মধ্যে কারোর বাচ্চা শিশু উধাও হলে সবাই কোনও জন্তু
- 2:28:01জানোয়ার ভেবে শুধুই নিজেদের ভাগ্যকে দোষারোপ করত।
- 2:28:05কিন্তু মাস চারেক আগে হঠাৎই এক সন্ধ্যায় গ্রামের মানুষ লক্ষ্য
- 2:28:08করে একটি ছায়া মূর্তি পাশের কুটির থেকে একটি সদ্যোজাত
- 2:28:12বাচ্চাকে ছিনিয়ে নিয়ে অন্ধকারে মিলিয়ে যায়।
- 2:28:15ব্যাপারটি আচমকাই অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটে যাওয়াতে সবাই ক্ষণিকের জন্য।
- 2:28:20চুকিয়ে যায়। রুমটা কাটতে সবাই লাঠিসোটা মশাল
- 2:28:24নিয়ে তার পিছু দেয়। খানিক বাদে ছায়ামূর্তিটি হিরাজিল
- 2:28:27প্রাসাদের ভগ্নাংশের কাছে এসে পরিত্যক্ত কবরস্থানের অন্ধকারের
- 2:28:31চোখের মধ্যে হারিয়ে যায় সবাই দ্রুত চারপাশ থেকে কবরস্থানটি
- 2:28:34ঘিরে ফেলে ধীরে ধীরে কাছে গিয়ে বীভৎস বৈশাখতা প্রত্যক্ষ করে ভয়
- 2:28:39রীতিমতো শিউরে ওঠে। তাই দেখে তাদের গ্রামের কিশোরী
- 2:28:42মেয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে সেই বাচ্চা সৃষ্টিকে পরম আনন্দে খায় চোখের
- 2:28:46মুনির জায়গায় তারচের অনন্ত গওহর ঠোঁটের গোড়াদের জুঁইয়ে পড়ছে
- 2:28:50তাজা রক্ত। সে দৃশ্য সহ্য করার মতো নয়,
- 2:28:52ক্রোধে ফেটে পড়ে উপস্থিত সকল গ্রামবাসী পিটিয়ে আধমরা করে
- 2:28:56মেয়েটিকে যুগান্তর পুড়িয়ে পারে।
- 2:28:58সেই বীভৎস বৈশাখতার মাঝে মেয়েটির করুণ আর্তনাদ কেউ লক্ষ্য করে না।
- 2:29:02আসলে সেই কিশোরীকে ওই কবরস্থানের পাশে থাকা ওই দেহ জিন পছন্দ করত।
- 2:29:06ওই দেহ যিনি একদিন সুযোগ বুঝে তাঁর শরীরে প্রবেশ করে।
- 2:29:10এরপর মেয়েটির অকাল মৃত্যুতে প্রতিহিংসায় ফেটে পড়ে দেওয়া
- 2:29:13উচিত ও মেয়েটির কারিঞ্চিত। তাই তারা সম্মিলিত হয়ে এই বীভৎস
- 2:29:18আদমঘর সৃষ্টি করেছিল। এর প্রতিশোধ নিতে পুনরায় ভয়ঙ্কর
- 2:29:22রূপে ফিরে আসে এই গ্রামে। এরপর বাকিটা তোমার জানা।
- 2:29:25এই বলে জিয়াউদ্দিন সাহেব থামলেন খানিকক্ষণ তিনজনের চুপ থেকে আবারও
- 2:29:30মিষ্টি খেতে লাগলেন। খানিক বাদে ফোনটা বেজে উঠল
- 2:29:34সাবমিটজি ফোনটা তুলতে অপর পাশ থেকে 1:00 মিনতি ভরা কণ্ঠ ভেসে
- 2:29:38উঠল। হ্যালো কে সাবিত্রী বলছেন, আমি
- 2:29:41পাটনা থেকে ভাপেশ চৌধুরী বলছি, আমার ভীষণ বিপদ।
- 2:29:44আমি আপনার এক পরিচিত বন্ধুর কাছ থেকে নাম্বার টি পেয়েছি।
- 2:29:47আপনি দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।
- 2:29:48আমি পাটনায় আসা সব ব্যবস্থা করে দেব।
- 2:29:51এই বলে লোকটি ঠিকানা দিয়ে ফোন রাখে।
- 2:29:54সাব্বির জি ফোনটা রেখে জিয়াউদ্দিন সাহেবের দিকে তাকাতেই
- 2:29:56বললেন। বুঝলাম।
- 2:30:00তাহলে তৈরি হও কয়েকদিনের মধ্যে না হয় আমরা যাব।
- 2:30:04পাটনায় সাবির জিও জিয়াউদ্দিন সাহেব ঠিক কী ধরনের বীভৎস ভয়ঙ্কর
- 2:30:09অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন, সে কথা হয় অন্য আরেকদিন বলব আপনারা
- 2:30:12সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন মোস্ট ইম্পরট্যান্টলি ভূত ডটকমের
- 2:30:17সঙ্গে থাকবেন। ধন্যবাদ।
- 2:30:21এই বলে তিনি তাঁর ঘটনা শেষ করেছেন।
- 2:30:22এটা লং স্টোরি অ্যান্ড বিউটিফুল স্টোরি থ্যাংক ইউ আপনাকে অনেক
- 2:30:26ধন্যবাদ। সুকান্ত মাইতি এখন 1:00 ঘটনা
- 2:30:28শেয়ার করার জন্য আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস রাসেল ডট ভুল জটকমের
- 2:30:31ইমেল.কম আপনারাও পাঠিয়ে দিন। আপনাদের পছন্দের ঘটনা আমরা চলে
- 2:30:35যাব আমাদের পরবর্তী ঘটনায়।