Latest / RJ Russell- Bhoot.Com / এত রাতে কিভাবে আমি রাস্তায় এলাম | BhootDotCom | Episode-06
Transcript
- 0:20লুকা ঠিকই তোমাকে খুঁজে পাব। রাসেল।
- 0:40ঈদ মোবারক, ঈদ মুবারাক ঈদ। মুবারাক আশা করছি সবাই ভাল আছেন
- 0:46এবং ভালোর দলে আছেন যারা যেখানে আছেন যেভাবে আছেন আশা করছি
- 0:50আপনজনের সাথে ঈদ কাটাচ্ছেন। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন
- 0:54আপনাদের সবার জন্য আমি শুভেচ্ছা জানাই।
- 0:57ভূত.কম এর পক্ষ থেকে। আপনারা আশা করব যে আজকের এই ঈদের
- 1:02যে। আমরা যে আয়োজনটি করেছি সেই
- 1:04আয়োজনে সামিল হবেন এবং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে
- 1:07থাকবেন। যেহেতু রাত রাত 12:00 এবং 11:59 এ
- 1:11আমরা শুরু করেছিলাম। আজকে মানুষজন অনেক বেশি রাব্বি
- 1:13আমাকে জানিয়ে দিলেন এবং আমি প্রথমেই ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে
- 1:17চাই। আমাদের মডারেটরদের এবং আমাদের
- 1:20মডারেটর অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজকে ঈদের।
- 1:22প্রোগ্রামটা সফল করেছেন। তাই জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
- 1:25প্রমোশন করে স্টোরি পাঠিয়ে সবকিছু পাঠিয়ে আমাদের তাদেরকে
- 1:29ধন্যবাদ জানানোর কোনও ভাষা নেই। আমরা ধন্যবাদ জানাই রাব্বি এবং
- 1:32সেগুপ্তাকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমাদের সবার প্রিয় আজকে যাদের
- 1:37স্টোরি রয়েছে তাদের সবাইকে বিশেষ করে আমরা ধন্যবাদ জানাতে চাই
- 1:41তাণ্ডী তুষার কে আজকে তার স্টোরি রয়েছে।
- 1:44আমরা ধন্যবাদ জানাতে চাই সাবিত আলমকে।
- 1:47আর স্টোরি রয়েছে দুই একের মধ্যে। আপনারা শুনতে পাবেন তাঁর স্টোরি
- 1:50টা অসম্ভব সুন্দর 1:00 স্টোরি আমরা সিফাত কে জানাতে চাই সিফাতের
- 1:53স্টোরি হচ্ছে নেক্সট উইকে হুমাইরা ভাবি সব সময় সাপোর্ট না দিলে
- 1:57আসলে রাব্বি এতটা সময় হয়তো আমাদেরকে দিতে পারতেন না এবং
- 2:01স্টোরি পাঠিয়ে তিনি তো আরেকটা বোনাস কাজ করে ফেলেছেন তাকেও আমরা
- 2:04ধন্যবাদ জানাই এবং আমরা ধন্যবাদ জানাই রাকিবকে রাকিব কিন্তু সব
- 2:07সময় আমাদের সঙ্গে আছে রাকিব একটু ফাঁকিবাজি করেছে রাকিবের।
- 2:10স্টোরি পাঠানোর কথা ছিল অডিও ক্লিপ এখনও পর্যন্ত সেটা হাতে এসে
- 2:13পৌঁছায়নি। আমি জানি না পৌঁছাবে কি না আর
- 2:16রোমান কে আমি ধন্যবাদ জানাই। রোমান এইবার স্টোরি দেয়নি।
- 2:19কিন্তু রোমান চমৎকার ভাবে গুছিয়ে মানে ঘটনা পাঠানো একজন মানুষ
- 2:24কিন্তু রোমান আমাকে কথা দিয়েছে যে কোরবানি ঈদে সে দারুণ 1:00
- 2:28ঘটনা আমাদের উপহার দেবে এবং সেটার জন্য সে এখন থেকে প্রিপারেশন
- 2:30প্রিপারেশন নিয়েছে থ্যাংক ইউ রোমান।
- 2:32এটা অনেক বড় 1:00 ব্যাপার আমাদের জন্য মুশফিকুল আর রাহমা মুশফিকুর
- 2:36রহমান রিফাত ধন্যবাদ সবসময় এই মানুষটিও কিন্তু আমাদের সঙ্গে
- 2:40আছে। আমরা মাঝখানে 1:00 মিটিং করেছিলাম
- 2:42যে মিটিং কিন্তু ঠিকই সে হাজির হয়ে গিয়েছিল এবং আমাদের যারা
- 2:45শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন প্রত্যেককে আরাফাত নতুন ভাবে একটিভ হয়েছে
- 2:48আমাদের সাথে। আমি আরাফাতকে ধন্যবাদ জানাই এবং
- 2:51প্রত্যেককে যায় ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক এবং আমাদের যে
- 2:55মজাদের নাম বললাম তাদের প্রত্যেকেই পরিবারের সদস্যদের আমি
- 2:59ঈদ মোরা পরক জানাচ্ছি। কারণ হচ্ছে যে প্রত্যেকেই
- 3:02স্টুডেন্ট প্রত্যেকেই অনেক ছোট মানুষ।
- 3:04তারা পরিবারের থেকে যদি সাপোর্ট না পেতেন এবং পরিবার থেকে যদি
- 3:08সম্মতি না পেতেন তাহলে আমাদেরকে এভাবে সহযোগিতা করতে পারতেন না।
- 3:11আমাদের পাশে সেভাবে দাঁড়াতে পারতেন না।
- 3:13আপনাদের জন্য অনেক ভালবাসা। আমার ঈদের যা খুশি সেই খুশি যেন
- 3:17আপনাদের মধ্যেও ছড়িয়ে যায় এবং আপনাদের যে ঈদের খুশি সেটা যেন
- 3:20সারা বছর জুড়ে বিরাজ করে। আমাদের যারা রয়েছেন তাদেরকে
- 3:24আমাদের মডারেটর এবং আমার পক্ষ থেকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা পবিত্র
- 3:28ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা নিন ঈদ মোবারক এবং আপনারা আপনজনের কাছে
- 3:32যেমন ছুটে যান ঠিক একই ভাবে। আপনারাও আমার আপনজন আর তাই এই
- 3:37ঈদের দিয়ে তখন আমিও সেই আপন জনের টানেই আপনাদের কাছে চলে এসেছি।
- 3:41কারণ আপনাদের চাইতে বড় আপন আর কে আছে আমার পরিবারের পরে যদি কোনও
- 3:46বড় পরিবার থাকে আমার পরিবারটি যে পরিবার তার চাইতে বৃহৎ এক পরিবার
- 3:51হচ্ছে আপনারা এবং আমার পরিবারের মতোই আপনারা আমার খুব কাছের মানুষ
- 3:55আপনাদের সাথে ওঠা বসা আপনারা যেমন আমার আদ্যোপান্ত সবকিছু জানেন
- 3:59আপনারা যেমন আমার সাথে। এই এতটা বছর ধরে জুড়ে চলছেন।
- 4:03আপনারা আমাকে যতটুকু চেনেন ততটুকু ভালো আর কে চেনে আমি বিশ্বাস করি
- 4:07আমার বন্ধুরাও আমাকে এত ভালো জানে না যতটা ভালো আপনি জানেন আপনারা
- 4:12জানেন এবং সেই জন্যই আপনারাই আমার আপনজন এবং ঈদের খুশিতে এবং ঈদের
- 4:17দিনে আপনার কাছে আপনাদের কাছে না আসলে কোথায় যাব তো আমি এজন্য
- 4:22অনুরোধ করব যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আশা করি থাকবেন।
- 4:24খুব লম্বা এপিসোড করব না আমরা কিন্তু প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত
- 4:29যদি থাকেন খুব ভাল লাগবে। পুরোটা সময় আমাদেরকে
- 4:32নিরবিচ্ছিন্নভাবে দিতে পারবেন এবং সব সময় আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
- 4:35সেই প্রত্যাশা রেখে আমরা ভূত.কম শুরু করতে চাই।
- 4:37আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস, রাসেল ডট ভু আচ্ছা যে কথাগুলো বললাম,
- 4:41ইমোশনাল বাট এগুলো আমার মনের কথা এগুলো আপনাদের।
- 4:45মনে থাকবে আশা করি এবং সারা বছর ঈদের মতোই সুন্দর হবে আপনাদের
- 4:49জীবন সেই প্রত্যাশা রাখি। আমি বলছি, আমাদের ইমেল অ্যাড্রেস
- 4:53হচ্ছে রাসেল.ভূত.কম 1:00 জিমেল.কম আপনার নাম ঠিকানা এবং ফোন নম্বর
- 4:57সহ আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া বা আপনার জানা সেরা ঘটনা লিখে
- 5:01পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। ঘটনার শুরুতে অবশ্যই উল্লেখ করুন,
- 5:04ঘটনাটি আপনি স্টুডিওতে এসে শেয়ার করতে চান।
- 5:06নাকি আপনি চান আপনার ঘটনা আমরা পড়ে শোনাই যাঁরা দেশের বাইরে
- 5:09রয়েছেন তাঁরা অবশ্যই ইমেইল করবেন বলে লিখে পাঠাবেন ঘটনা।
- 5:13আমাদের মটরদের বাইরে আমি যে বললাম বিশাল পরিবার আরও কিছু মানুষ
- 5:17রয়েছেন যেমন আফনান ভাই। তিনি যেমন সবসময় আমাদের সঙ্গে
- 5:20আছেন, আমাদের ঘটনাকে সাপোর্ট জানাচ্ছেন এবং আফরান ভাই ভাবি
- 5:24দুজনকে আমি জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা এবং আপনাদের ঈদ
- 5:28অনেক চমৎকার কাটো কিংবা আপনাদের পরিবার একজন নতুন সদস্য এসেছেন।
- 5:31তার প্রতিমা আমার অনেক অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং ঈদের অকৃত্রিম
- 5:36শুভেচ্ছা রাব্বি আপনার মেয়ের জন্য অনেক শুভেচ্ছা তোলা থাক।
- 5:41ঈদ মোবারক আপনাদের পরিবারের সবাইকে আমরা চলে যাব।
- 5:44ঘটনায় এক বিশাল পরিবারে ঘটনা শোনাতে এসেছি এক বিশাল পরিবারের
- 5:49সাথে ঈদ উদযাপন করতে এসেছি। এক বিশাল পরিবারের সাথে খুশি
- 5:54ভাগাভাগি করে নিতে এসেছি। আপনারা সেই পরিবার।
- 5:57আমরা সবাই মিলে একটি পরিবার। আসুন ঈদটাকে আরও বেশি আনন্দময়।
- 6:02খুশিময়। করে তোলি আমাদের প্রথম ঘটনাটি
- 6:05যাবে হচ্ছে তাঁর মৃত্যুসারের। যারা মিস করবেন খুবই মিস হয়ে
- 6:08যাবে। কারণ আমি সবসময় বলি যে, প্রথম
- 6:10সময়ে যে হাইফ থাকে সেই হাইফটা। পরবর্তী চাইতে মানে প্রথম সময়ের
- 6:15হাইফটা অন্যরকম এবং আমরা অনেকদিন ধরে প্রমোশন করেছি।
- 6:17সো এখানে মিস করার কোনও সুযোগ নেই তো।
- 6:20আমরা প্রথমে তানভীর তুষারের ঘটনা দিয়ে শুরু করব এবং তারপরে আমরা
- 6:24চলে যাব আফনান ভাইয়ের ঘটনা এবং শেষে আমরা শুনবো হুমায়রা ভাবির
- 6:28ঘটনা সেই পর্যন্ত আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন তো আমার 3:00 স্টোরি
- 6:31কিন্তু আমরা আপনাদের কাছে শোনাচ্ছি এবং তার মধ্যে দুটি ইমেল
- 6:34আর একটি আফগান ভাই ঈদের এপিসোড। চাইতে ভালো আর কী হতে পারে কথা আর
- 6:39হবে না। এখন সরাসরি ঘটনা শুরু হবে।
- 6:42তানভী তুষারের ঘটনা দিয়ে শুরু করছি।
- 6:45আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমার পরিবারের জন্য সবাই দোয়া
- 6:48করবেন এবং কমেন্টে আপনারা জানাবেন।
- 6:51প্রত্যেকে প্রত্যেককে ঈদের শুভেচ্ছা আমাকে না জানালে হবে।
- 6:54কিন্তু প্রত্যেককে ঈদের শুভেচ্ছা জানাবেন এবং ঈদের খুশি।
- 6:57তাঁকে মিলে ভাগ করে নেবেন। সেই আশা রাখে।
- 6:59সেই প্রার্থনা করি। আজকে সত্যি কথা বলতে অনেকে কি
- 7:02আজকেও ট্রাভেল করছেন। আমি ঠিক জানি না।
- 7:05তারপরেও হয়তো অনেকেই ট্রাভেল করছেন।
- 7:07আমরা আপনাদের যাত্রা শুভ হোক। আমি জানি যে আমাদের সাথে কাজ করেন
- 7:11সবসময় চিন্টু ভাই চিন্টু ভাই। আমাদের যে মিউজিক করেন সেই চিন্টু
- 7:16ভাইও এখন ট্রাভেল করছেন তার পারিবারিক একটি কারণে তাঁকে সেটাও
- 7:20যেতে হচ্ছে এবং এদের ইত্ত 1:00 বড় উপলক্ষ্য।
- 7:22সেখানে তো তার যাওয়াটাও যেন শুভ হয় এবং আমাদের যারা সবসময়
- 7:28আমাদের সঙ্গে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, আমাদের আমাদের
- 7:30শুভাকাঙ্ক্ষী। যারা যারা সবাইকে অনেক অনেক শুভ
- 7:34কামনা জানিয়ে শুরু করছে, আসলে আমার কাছে মনে হচ্ছে শুরু করলেই
- 7:37তো শেষ হয়ে যাবে। শুরু করব নাকি আরও কথা বলব না
- 7:40আপনাদের অপেক্ষায় রাখব না। চলুন ঘটনায় যাওয়া যাক।
- 7:44যেভাবে লেখা আছি আমি সেভাবেই পড়ছি।
- 7:47আসসালামু আলাইকুম রাসুল ভাই এবং। সবাইকে ঈদের অনেক শুভেচ্ছা।
- 7:51আশা করি পরিবারের সবাই একসাথে ভাল কাটছে।
- 7:54আপনাদের ঈদ ঈদের খুশির আমেজটা একটু বাড়িয়ে দিতে আমি তাঞ্জী
- 7:58তুষার আপনাদের জন্য আরও একটি নতুন ঘটনা নিয়ে হাজির হয়েছে।
- 8:02আশা করি পুরো ঘটনাটা। খুব খুব ভাল।
- 8:08ঘুমের মাঝে হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস হয়তো অনেকেরই আছে।
- 8:12কিন্তু তাদের যদি প্রশ্ন করা হয় কেন তারা ঘুমের মাঝে হাঁটে?
- 8:17কেন তার সঠিক উত্তর তারা দিতে পারে না।
- 8:21কিন্তু আপনি যদি বুঝতে পারেন কেন হাঁটছেন ঘুমের মাঝে আর কী হচ্ছে
- 8:25আপনার সাথে এমনই 1:00 ব্যতিক্রমী ঘটনা এক ভাই শেয়ার।
- 8:31করেছেন আমার। সাথে তিনি দেশের 1:00 স্বনামধনা
- 8:33মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে বের হয়েছেন।
- 8:36তাই তার নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা নিষেধ।
- 8:39তবে এই ঘটনা তার খুব পরিচিত। শুনলে হয়তো তাঁকে চিনে ফেলতে
- 8:44পারেন। যাই হোক, আমি এখানে তাঁর ছদ্মনাম
- 8:48ব্যবহার করছি। চলুন এবার ঘটনার ভিতরে প্রবেশ করা
- 8:51যাক। হাসি তখন মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ে।
- 8:57প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে তার বেড়ে ওঠা তাঁর বাড়ি থেকে মাত্র 10
- 9:01মিনিটের হাঁটা পথেই গ্রামের বুক চিরে বয়ে চলেছে বিশাল যমুনা নদী।
- 9:06ছোটবেলা থেকেই শান্ত স্বভাবের ছেলে সে পাড়ার ছেলেদের সাথে
- 9:10দুরন্তাপণার চেয়ে বাবার সাথে সাংসারিক কাজের সহযোগিতা করে
- 9:14বেশি। এজন্য খুব আড্ডা দেওয়া বা বাইরে
- 9:17যাওয়া হয় না তাঁর। নিয়মিত অভ্যেস সন্ধ্যার সময়
- 9:21হারিকেন মুছে নিয়ে পাশে রেখে পড়তে বসা।
- 9:24কারণ সে সময় সন্ধ্যার পরই কারেন্ট যাওয়ার এক উৎসব চলে।
- 9:28তাই সব কুছিয়ে নিয়ে পড়তে বসে সে।
- 9:31এমনি একদিন বাইরের উঠোনে বসে তার মা রান্না করছে।
- 9:35আর সে হারিকেনের আলোতে তার নিয়মিত পড়ালেখা করছে।
- 9:39চারিদিক তার নিস্তব্ধতা হঠাৎ অন্ধকার ফুঁড়ে দূর থেকে ভেসে
- 9:45আসছে। নীড়ে উড়ে যাওয়া বকের পালের
- 9:47ডাক। ঠিক এমন সময় হাসিবের পেছনে থাকা
- 9:50জানলাটা এক ধাক্কায় খুলে গেল। হুট করে চমকে উঠে পিছনে তাকাল সে।
- 10:02জ্বাল আর কাঠের পাল্লা 2:00 তখনও ক্যাচ ক্যাঁচ করে তুলছে।
- 10:06জানালার পর্দাগুলো একদম স্থির বাইরে কোথাও বাতাসের লেশমাত্র
- 10:10নেই। অথচ এভাবে কাঠের ভারী পাল্লা 2:00
- 10:15খুলে গেল। হাসি পাচ্ছে উঠে যাবে কিনা এরপরেই
- 10:201:00 অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করল সে।
- 10:23রুমের মাঝে খুব সুন্দর 1:00 মিষ্টি কন্থা ভরে উঠেছে।
- 10:28কাজমজম করে উঠল হাসিবের এক দৌড়ে বাইরে এসে মায়ের কাছে বসল সে
- 10:34সেদিন সেই ব্যাপারটাই ভুলে যেত। হাসিব জয়িতার অন্য।
- 10:371:00। সমস্যা দেখা না দিত।
- 10:41ইদানিং হাসিদের ঘুমের মাঝে বেশ অদ্ভুত রকমের 1:00।
- 10:46অনুভূতি হয় মনে হয় জানালার পাশে দাঁড়িয়ে কেউ তাঁকে দেখছে।
- 10:51এটা ঠিক স্বপ্নের নাকি আঁত জেগে থাকার কারণে হচ্ছে অনুভূতিটা হাসি
- 10:57বুঝতে পারে না। কিন্তু কেউ যে তাঁকে দেখছে।
- 11:01এটা সে ভাল করে উপলব্ধি করতে পারে।
- 11:04এর কিছুদিন পর থেকে মনে হয় তাঁকে ঘুমের মাঝে কী যেন ডাকছে।
- 11:09জ্বালার পাশ থেকে ভেসে আসছে ক্ষীণ 1:00 মেলি কণ্ঠ কী মধুর সেই ডাক।
- 11:17হাসি। হাসি।
- 11:21আছি। বাইরে এসো।
- 11:26হাসি। হাসি।
- 11:30এই হাসি। বাইরে 100।
- 11:35এর পরে আর কোনও কথা নেই। অন্ধকার থেকেই ডাক ভেসে আসে আবার
- 11:41অন্ধকারেই মিলিয়ে যায়। প্রায় 3 দিন পরে গভীর রাতে হঠাৎ
- 11:47হাসিব তার কাঁধে 1:00 শক্ত হাতের ঝটখানি অনুভব করে ধড়মড়িয়ে
- 11:52পিছনে তাকিয়ে দেখে তাঁর। বাবা দাঁড়িয়ে আছে কাঁধে হাত
- 11:56দিয়ে। আর হাসিব নিচে দাঁড়িয়ে আছে
- 11:58তাদের উঠোন পেরিয়ে মেঠো পথের ঠিক মাঝে হাসি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে
- 12:04যায়। এমন পরিবেশের কারণে তার বাবা তাকে
- 12:06প্রশ্ন করে, তুমি তোরা তো এখানে কী করছ?
- 12:12আমি বাইরে বের হয়েছিলাম। কেউ দাঁড়িয়ে আমি কত ডাকলাম কে?
- 12:19কিন্তু কোনও উত্তর নেই। কাছে এসে দেখলাম তুমি তোমাকে
- 12:24ডাকলাম তাও কোনও উত্তর নেই। সামনে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে কী যেন
- 12:29দেখছ হাত দিয়ে ধাক্কা দিলাম। পরে হাসিব তার বাবাকে বিস্তারিত
- 12:35কিছু। বলল না বলল রাতে।
- 12:39ঘুম আসছিল না। তাই বেরিয়েছিলাম।
- 12:42কিন্তু তুমি যে দেখেছ তা তো খেয়াল করিনি।
- 12:46অথচ হাসিব হিসেবে বুঝতে পারছে না। এখানে সে কী করে আসল মনের মাঝে
- 12:51অনেক প্রশ্ন নিয়ে আবার শুয়ে পড়ল হাসিব কোনও ভাবেই কোনও
- 12:55যুক্তিতেই মেলাতে পারছে না কিছু এত রাতে কেন কী ভাবে সে রাস্তায়
- 13:00চলে এল এভাবে কেটে গেল আরও কিছুদিন এর মাঝে রাতে সেই ডাক
- 13:05হাসিব মাঝে মাঝে শুনতে পেত গভীর রাতে আবার সেই কণ্ঠ একদিন ভেসে
- 13:10আসল হাসিবের কানে। বাইরে তখন ঘন কালো অন্ধকার হাসির
- 13:14বিষয় থেকে উঠে ঘরের দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসল হাসিব দরজা
- 13:18খুলে বের হতে 1:00 অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করল বাইরে এখন ঘন অন্ধকার
- 13:24থাকার বদলে মনে হচ্ছে চারপাশে ভোরের আভা ফুটে উঠেছে।
- 13:28তার থেকে কিছু সামনেই 1:00 নারী অবয়ব দাঁড়িয়ে।
- 13:31কিন্তু সে উল্টো করে দাঁড়ানো এক রাশ মেঘ কালো চুল তার বাতাসে
- 13:36উঠছে। সেই পরিচিত মিষ্টি গন্থটা ভেসে
- 13:39আসছে অবয়পের দিক থেকে হাসিব মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে হাঁটা
- 13:44দেয় সেই নারী অবয়ব্যে হাসি ফেঁটে যাচ্ছে।
- 13:47আর সেই মেয়েও হেঁটে যাচ্ছে। কোনও মতেই যেন দূরত্ব কমছে না,
- 13:51হাসিব্যাগ করছে, এক দৌড় দেয় মেয়েটির দিকে কিন্তু।
- 13:55তবু যেন। জিত দূরত্ব কমবার নয়।
- 14:00হাসিব যখন দৌড়িতদের গ্রামের বাড়িগুলো 12 করে ফসলের মাঠের
- 14:03মেঠো পথ ধরেছে ঠিক তখনই খেয়াল করল।
- 14:06সামনে আসছি, অভাবটি নেই। চারপাশ যেন মুহূর্তে বদলে গেল ঘন
- 14:11কালো রাতের অন্ধকার যেন ঘিরে ফেলল তাকে না এত অন্ধকার না হঠাৎ আলো
- 14:16থেকে অন্ধকার হওয়াতে একেবারে সবকিছু বিসমিশে কালো হয়ে
- 14:19গিয়েছিল। একটু তাড়াতেই চোখ শুয়ে।
- 14:22গ্রন্থকারে আবছা সব। দেখা যাচ্ছে, ক্ষীণ 1:00 হয় দূর
- 14:28থেকে খোলা হয়ে কাছে গেলে তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
- 14:32কানে জ্বালা ধরানো ঝিঁঝি পোকার ডাক ভেসে আসতে লাগল।
- 14:37ফসলের মাঠ থেকে এবার হাসিব ভয় পেতে শুরু করল।
- 14:42এত গভীর রাতে বাড়ি থেকে এত দূরে কী করে সে তো বিছানায় শুয়ে
- 14:46ঘুমাচ্ছিল। ঘোর ভাঙতেই তার অবয়মের টাকের কথা
- 14:49মনে পড়ল গ্রামে বলে নিশিধে ডাকিলে বাইরে যেতে নেই।
- 14:55ভয়ে ভয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা দেয় হাসি ফসলের জমির পাশের মেঠোপথ
- 15:00থেকে গ্রামের বড় মেঠোপথে উঠেই। আসিফ দেখে দূরে 1:00 সাদা কিছু
- 15:05পড়ে আছে। রাস্তায় যে দিকটায় এমন সাদা
- 15:07কিছু দেখা যাচ্ছে সেখানে একপাশে বিশাল ফসলের খেত আর অন্য পাশে ছোট
- 15:132:00 মজা ডোবা। আর সেই ডোবার পাশে সারি সারি কলা
- 15:17গাছ হাসি ভাবল রাতের আলো আঁধারে কলা গাছ।
- 15:22এমনভাবে প্রায়শই দেখা যায় গ্রামের পথে এমন অনেক আগেও হয়েছে
- 15:26ভয় পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেছে কলা গাছ পড়ে আছে রাস্তায় তার মাঝে
- 15:30আছে এটা ভয় ঢুকেছে ভেতরে। সুতরাং এটা স্বাভাবিক।
- 15:34নিজেকে অভাব দিয়ে হাঁটতে শুরু করে হাসিব আস্তে আস্তে সামনে
- 15:38এগোতেই সাদা জিনিসটা ধরা দিচ্ছে তাঁর দৃষ্টিতে।
- 15:41আর তাতে যেন ভয় আরও বেড়ে যাচ্ছে তার কাছে।
- 15:43কাছে যেতে যেন চকচক করে উঠল সাদা বস্তুটি আবছা অন্ধকারেও সাদা যেন
- 15:48চোখে শুয়ে এসেছে 1:00 নতুন বাঁশের চাঁটা এর উপর কাফন করা
- 15:521:00 লাশ শোনানো ভয়ে হাসিবের পা যেন থেমে গেছে।
- 15:55তার মনে হল পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব একসাথে থেমে গেছে শরীরের সমস্ত
- 16:00লোমগুলো যেন ভয় দাঁড়িয়ে গেছে তার মনে হচ্ছে যেন শরীরের শিরা
- 16:04উপশিরা দিয়ে ঠান্ডা বরফের বরফের স্রোত বয়ে চলেছে।
- 16:08আর মনে হল কেউ যেন কোথা থেকে আর চোখে তাকে দেখছে এবং দৃষ্টি দিয়ে
- 16:12গিলে ফেলছে তাকে সময় আর যাচ্ছিল না থেমে গেছে মনে হচ্ছে কত ঘণ্টা
- 16:17ধরে এই পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছে সে।
- 16:21এমন সময় হঠাৎ মনে হল যেন মানুষের আওয়াজ সুন্দর সে শরীরে যেন হঠাৎ
- 16:25বিদ্যুৎ খেলে গেল সে কান খাড়া করে খুঁজছে সেই শব্দের উৎস।
- 16:29হঠাৎ দেখে পাশে অন্ধকার ফুঁড়ে 1:00 লোক বেরিয়ে আসলো তার দিকে
- 16:34না। সেই লক্ষ্যে।
- 16:38তার গ্রামে তো সে কখনও আগে দেখেনি।
- 16:40লোকটি তার দিকে এগিয়ে আসে এসেই অনেক গম্ভীর বেশ রাস ভারী কণ্ঠে
- 16:45বলে। তোমাদের গ্রামে কবরস্থানটা কোন
- 16:48দিকে বলতে পারবে? এই কণ্ঠে যেন লুকিয়ে আছে রাজ্যের
- 16:52ভয়। হাসিব তখন ভয়ে কাঁপছে তার সারা
- 16:56শরীর থেমে যাচ্ছে সে ভয়ে ভয়ে বলল এই মাঠ পেরিয়ে সামনে 1:00
- 17:00জঙ্গল আছে। সেই পাট পার হলেই পাশ ঝাড় পড়বে
- 17:03সেটা আমাদের গ্রামের কবরস্থান লোকটি হাসিব কে বলল, তুমিও চলো।
- 17:06আমার সাথে এই গাছটাকে কবর দিতে হবে।
- 17:11তুমি আমাকে কবরস্থান পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
- 17:14দেশে দেবে। হাসিব তখন বলল, আমি।
- 17:18গ্রামে যাই আরও কিছু লোকজন নিয়ে আসি এই পথে কবরস্থানে প্রচুর
- 17:23শেয়ালের দল। আর এই লাশের খাটিয়া নেওয়ার জন্য
- 17:27তো মানুষ দরকার। লোকটির রাগান্বিত হয়ে হাসিদের
- 17:30দিকে তাকাতেই দেখল শক্তি যেন রাগে আগুনের হল খাবে হচ্ছে।
- 17:34আর কথা বলার মতো সাহস নেই। হাসিদের লোকটি যে দিক থেকে বের
- 17:37হয়ে এসেছিল সেদিকে আরও দুজন লোক বেরিয়ে আসল।
- 17:41তাদের চোখও মনে হচ্ছে লাল রক্তবর্ণ ভয় তাদের মুখ দিয়ে
- 17:44কোনও কথা বের হচ্ছে না। বারবার মনে হচ্ছে এই বুঝি জ্ঞান
- 17:48হারিয়ে ফেললেই ভেসে যায় তারা। এটা কি কোনও স্বপ্ন?
- 17:52নাকি বাস্তব নাকি স্বপ্ন আর বাস্তবের মাথায় আটকে যাওয়া
- 17:56বুঝতে পারে না হাসি। লোকটি হাসিবকে লাশের দিকটা দেখে
- 18:00বলল, এই খাটিয়ার একপাশটা ধরে আমাদের সাথে কাঁধে নাও হাসি ভয়ে
- 18:04ভয়ে এগিয়ে গেল রাষ্টির দিকে সে পেছনের বাম পাশের মাথাটা ধরে
- 18:09তাদের তিনজনের সাথে কাঁধে তুলে নিল ঘাঁটি আঁটি বাঁশ দিয়ে বানানো
- 18:131:00 খাটিয়া তার চারপাশে কোনও বাউন্ডারি নেই কাঁধে নিতেই ফেঁসে
- 18:17এল 1:00 তীব্র মিষ্টি গন্ধ। এই গন্ধ তাঁর খুব পরিচিত ঘরে মাঝে
- 18:21মাঝে ফেসে আসত এই গন্ধ আজ মেয়েটার পেছনে আসার সময়ও ঠিক
- 18:26এমনই গন্ধ তাঁর নাকে এসেছে। তবে কি তার সাথে পরিকল্পিতভাবে
- 18:30কিছু হচ্ছে ভয়ে ভয়ে লাশ কাঁধে নিয়ে পা চালাতে থাকে হাসিব লাশের
- 18:35ওজন বেশ স্বাভাবিক মনে হচ্ছে বাইরের কালো অন্ধকার ফুঁড়ে তাদের
- 18:39গ্রামের মেঠোপথ থেকে ফসলের সেই ছোট মেঠোপথে নামল সে।
- 18:44চারপাশে ঝিঝি পোকার ডাক আর তার থেকে 1:00 ঠান্ডা বাতাস এসে
- 18:48লাগছে। হাসিদের মুখে লোক তিনজন নিজের
- 18:51মাঝে কি সব যেন কথা বলছে চেষ্টা করেও যেন কিছু বুঝতে পারছে না
- 18:55হাসি তারা যখন ফসলের মাঠ পার করে ঠিক তখন মনে হল হাসিদের পিছনে
- 19:01কিছু 1:00 আসছে। 1:00 ঘর ঘর শব্দ আসছে পেছন থেকে
- 19:05হাসিবের যেন শরীর ঘামতে শুরু করেছে।
- 19:08তার মনে হচ্ছে আজ আর তার কোনও নিস্তার নেই।
- 19:11সে ভাবছে কী থেকে কী হয়ে গেল। আমি যেভাবে মারা যাব তাকে কখনও
- 19:16কেউ জানবে আর কী দেখতে পাব মানুষের মুখগুলোকে তখনই ঠিক
- 19:20গড়গড় সেই শব্দটা আরও বেশি ভেসে আসতে লাগল।
- 19:22পেছন থেকে মনে হচ্ছে পেছনে 1:00 কুকুর আসছে তাদের হাসি পেছনে ফিরে
- 19:27দেখতে যাবে ঠিক তখনই হাসিমের পাশে থাকা লোকটা বলে উঠল ভুলেও।
- 19:31পেছনে তাকাবে না। চুপ করে সোজা তাকিয়ে হেঁটে আসুক
- 19:35পিছনে না তাকালেই তোমার ভাল। ফসলের মাঠ পার করে তারা জঙ্গলের
- 19:40মাঝে উঠে এসেছে পেছনের সেই শব্দ বা অনুভূতি কিছুই নেই।
- 19:45জঙ্গলের মাঝে ছোট ছোট জঙ্গি লতা পাতায় বেঁচে যাচ্ছে হাসিবের পা।
- 19:50তাই দ্রুত হাঁটতে পারছে না সে এরই মাঝে দূর থেকে ভেসে আসলে 1:00
- 19:54ক্ষীণ শব্দ। কোথাও দূরে 1:00 শেয়াল আর্তনাদ
- 19:58করে বসল করুন। সুরে ভয়ে আবার যেন শরীর ঠান্ডা
- 20:03বরফ হয়ে এল আসিবের পায়ের নিচে জঙ্গলের শুকনো ডালপালা ভাঙার
- 20:08মড়মড় মটমট মৃত শব্দ আর দূরে থেকে ডেকে ওঠা শেয়ালের করুণ ডাকে
- 20:14যেন ভয় জেগে ধরেছে তাকে। কেমন 1:00 ঘোর পরিবেশ তৈরি করেছে
- 20:18চারপাশ শেয়ালের করুন ডাক সেই দূরে মিলিয়ে যেতেই মনে হয়
- 20:23হাসিবের খুব কাছে থেকে ডেকে উঠল 1:00 শেয়াল।
- 20:26তারপর এ পাশ ও পাশ মিলিয়ে বেশ কিছু শেয়াল ডেকে উঠল।
- 20:29একসাথে হাসিবের ভয়ে তখন দেহ যেন রক্তশূন্য।
- 20:34নিজের হৃৎপিন্ডের শব্দ নিজের কানে এসে শুনতে পাচ্ছে।
- 20:38সামনে থেকে একজন লোক বলে উঠল ভয় পেও।
- 20:40না আশেপাশে আমাদের লোক আছে তোমার কিছুই হবে না।
- 20:44লাশ দাফন করা হয়ে গেলে তুমি চলে যাবে জঙ্গল পার।
- 20:48করে তারা যখন বাঁশঝাড়ের মধ্যে ঢুকছে তখন শেয়ালের ডাক কমে এসেছে
- 20:53চারপাশে যে আরও মানুষ আছে এটা তখন খেয়াল করল।
- 20:56হাসিব তার আশেপাশে আরও অনেক এমন অচেনা লোক দেখতে পেল সে তারা
- 21:01সবাই। এর পিছে পিছে আর পাশে হেঁটে আসছে
- 21:04হাসিবরা তখন লাশ নিয়ে কবরস্থানে পৌঁছে গেল খেয়াল করল গ্রামের
- 21:09অনেকের কবরগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে চারপাশে এইতো কদিন আগে পাশের
- 21:14বাড়ির এক চাচার কবর দিয়েছিল এখানে হাসিবু এসেছিল কবর দিতে
- 21:18কবরের পাশের বাঁশের বেড়া তখন নতুন।
- 21:21ঠিক তখন পিছন থেকে একজন বয়সগুলোকে এগিয়ে আসল লাশের
- 21:25খাঁটিটা এনে মাটিতে রাখতেই সেই লোক হাসিবের দিকে এগিয়ে এসে বলল,
- 21:29তুমি আমাদের 1:00 খবর করে দাও। ভয়ে ভয়ে হাসিব চালাল জীবনে
- 21:34কোনওদিন কবর করেনি জানেও না কীভাবে ঘটতে হয়।
- 21:37লোকটি তাকে অভয় দিয়ে বলল, আমাদের দুজন লোক তোমাদের সাথে কাজ
- 21:41করবে। লোকটার কথার মাঝে কোনও রাগ নেই।
- 21:44কেমন 1:00 সুন্দর কোমরতার ছাপ আছে কথায় তার গ্রামে এমন অদ্ভুত এত
- 21:48ভাল। লোক।
- 21:49সে আগে কখনও দেখেনি। ভয় কিছুটা কেটে গেল তার পাশে
- 21:541:00 কোদাল আর খন্দা রাখা হাসিব সহ আরও দুজন কবর খরার কাজে লেগে
- 21:59গেল মানুষগুলো একটু পর জটলা করে দাঁড়িয়ে গল্প করছে।
- 22:04কিন্তু তারা ঠিক কী ভাষায় কথা বলছে তার কিছুই বুঝতে পারছে না।
- 22:07হাসিব কেমন 1:00 অস্পষ্ট লাগছে তাঁর কাছে।
- 22:11সাজা থাকা দুজনের মুখেও কোনও কথা নেই।
- 22:14তাঁরা এক মনে কাজ করে যাচ্ছে। হাসিবের সাথে কবর খোলা শেষ সেই
- 22:18বৃদ্ধ লোকটা এগিয়ে আসল কবরের দিকে।
- 22:21তারপর হাসিবকে উপরে উঠতে বলল কবর থেকে হাসি উঠে আসলে দূরে 1:00
- 22:25পানির পাত্র দেখিয়ে বলল, ওখানে যে নামাজের জন্য উঁচু করে।
- 22:28নাও। জানাজা করতে হবে।
- 22:30এখন হাসি পানির পাত্রের কাছে গিয়ে দেখলেও অনেক পুরনো 1:00
- 22:35পিতলের বদনা। কিন্তু তা ব্যবহারের কারণে বেশ
- 22:38চকচক করছে। উঁচু করে সে হাসিব দেখল সবাই
- 22:41নামাজের জন্য কাতার বেঁধে লাইনে দাঁড়িয়েছে।
- 22:45হাসিব্যাগটা কাতারে দাঁড়াবে ঠিক। তখন বৃদ্ধ লোকটি তার দিকে এগিয়ে
- 22:49এসে। বলল।
- 22:50নামাজ শেষ করে তুমি এক মুহূর্ত না দাঁড়িয়ে সোজা চলে যাবে।
- 22:53তোমার বাড়ির দিকে ভুলেও পিছনে তাকাবে না।
- 22:56যদি পেছনে তাকাও তোর অনেক বড় ক্ষতি হবে তোমার সাথে আমাদের আবার
- 23:01কোনদিন হয়তো দেখা হবে। হাসিব দাঁড়িয়ে যায় পেছনে
- 23:05নামাজের কাতারে নামাজে সালাম ফেরানোর সাথে সাথে হাসির পেছনে
- 23:08ফিরে তাঁর গ্রামের দিকে হাঁটতে শুরু করে।
- 23:11পেছন থেকে তখনও ভেসে আসছে সেই অস্ফুট স্বরে অচেনা অজানা ভাষার
- 23:16কথোপকথন হাসিব জঙ্গল পার করে মাঠের সেই রাস্তা ধরে দিল।
- 23:20দূর চারপাশে তখন ভোরের আলো ফুটছে শরীর ক্লান্ত হয়ে আসছে।
- 23:24নিয়ে পড়তে চায় এক দৌড়ে চলে আসল তাঁর ঘরে বিছানায় এসে
- 23:28এড়িয়ে দিল শরীর। পরদিন তাঁর ঘুম ভাঙলে তখন সে দেখল
- 23:32শরীরে প্রচণ্ড ব্যথার জ্বর মাথার কাছে বসে আছে তার মা।
- 23:37হাসিব ভাবে পুরো ব্যাপারটাই হয়তো স্বপ্নে।
- 23:40কিন্তু তার শার্ট এ তখনও লেগে আছে ছোপ ছোপ কাঁচামাতি যা কাল কবর
- 23:45খোরার সময় লেগেছে। তবে কি রাতের ঘটনাটা পুরোটাই
- 23:49সত্য? এটা তাহলে তার স্বপ্ন নয়।
- 23:51সে পুরো ঘটনাটা তার বাবা মাকে বলল তার বাবা পাশের গ্রাম থেকে একজন
- 23:56হুজুরকে ডেকে নিয়ে আসলেন। হুজুর এসে তাঁকে 1:00 তাবিজ দিয়ে
- 23:59বলল, ছয় মাস এটা কোনও ভাবেই শরীর থেকে না খুলতে।
- 24:03আর রাতে যেই আসুক না কেন কোনওভাবেই বাইরে না যেতে হাসিন
- 24:08পরদিন তাঁদের সেই কবরস্থানে তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে যায়।
- 24:12কিন্তু সে যেখানে কবর খুলেছিল সেখানে কিছুই নেই।
- 24:15মনে হচ্ছে কিছুই করা হয়নি। কাল রাতে কারো পায়ে পড়েনি
- 24:20কবরস্থানে। এ ভাবে কেটে যায় বেশ কয়েক মাস।
- 24:24শুধু মনে হতে থাকে হাসিদের বৃদ্ধ লোকটির কথা।
- 24:27লোকটি বলেছিল আবার দেখা হবে। তাহলে সেই দেখা ঠিক কী ভাবে আর
- 24:32কবে হবে? এভাবেই কেটে যায় বেশ কিছু মাস
- 24:35ব্যাপারটা আস্তে আস্তে ভুলে যায় হাসি রাতের সেই ডাক মিষ্টি গন্ধটা
- 24:40আর পায় না। সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
- 24:44গ্রামে তখন নেমে এসেছে শীত শীতের আমেজ।
- 24:46যমুনা নদীর পানি শুকিয়ে গেছে বেশ অনেকটাই বালুর চড়া জেগে উঠেছে।
- 24:51মাঝে মাঝে বিশাল এই খরস্রোতা নদী যেন রূপ নিয়েছে ছোট খালে পানিতে
- 24:57আর কোনও প্রকার স্রোত নেই। হাসিবদের কিছু জমি যমুনা নদী দখলে
- 25:02এবং জমানাদি গ্রাস করে নিয়ে গেছে।
- 25:04শিউর চর আকারে জেগে উঠেছে। শীতের শুরুতে সেই চরে হাসিবের
- 25:08বাবা কয়েক বিঘা বালুচমীতে ফুটাচাষা বাদ করেছেন হাসি
- 25:12প্রায়শই তার বাবার সাথে সেই ভোটটার জমিতে গিয়ে কাজ করে।
- 25:16তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে নদী পার হয়ে ভুট্টার জমিতে যেতে হয়
- 25:20নদী দেখুন। পানি খুব অল্প।
- 25:22তবে হেঁটে পার হবার মতো অবস্থা নেই।
- 25:24ঘাটে 1:00 নৌকা বাঁধা আছে সেটাতে করে পার হতে হয় এবং ওপারের চড়াই
- 25:30নামতে হয়। আর এই খালের মতো হয়ে যাওয়া নদী
- 25:32দিয়ে 5 মিনিট দক্ষিণ দিকে নৌকা চালালে মেইন যে নদী সেখানে যাওয়া
- 25:37যায় সেই নদীতে পানি বেশ ভালই। আর স্রোতের টানও আছে মোটামুটি।
- 25:41তাদের খাবার খেতে বসে হাসিবের বাবা হাসিবকে জানায়, কাল ভরে নদী
- 25:46পার হয়ে ভোটটার জমিতে যেতে হবে। ভোর থেকেই ভুট্টার জমিতে পানি
- 25:50দিতে হবে। মেশিন দিয়ে একদম দেরি করা যাবে
- 25:53না। একে তো বালি মাটি তার উপরে অনেক
- 25:56জমি দেরি করলে পানি নিতে পারব না। এদিকে অনেকে জমি আছে একবার কেউ
- 26:01পানি নেওয়া শুরু করলে। সময় অনেক নষ্ট হবে।
- 26:04কিন্তু হাসিবের বাবার ঠান্ডা লেগে জ্বর এসেছে।
- 26:07তাই তিনি ছেলেকে বললেন তুই কাল। খুব ভোরে আলো ফোটার সাথে সাথে বের
- 26:11হয়ে যাবি ঘাটে আমাদের নৌকা বাঁধা আছে সেই নৌকাতেও করে পার হয়ে
- 26:15যাবে। যার মেশিন তাঁকে বলা আছে তুই।
- 26:18ভোরবেলায় আসবি এটা সে জানে। হাসিব বাবাকে হ্যাঁ সূচক মাথা
- 26:22নেবে ভাত খেতে থাকে বাবা বলে তুই ভরে গিয়ে পানি দেওয়া শুরু করে।
- 26:27একটু বেলা হলে তারপরে আমি যাব ততক্ষণ তুই পানি দিবি অনেকটাই
- 26:30অবশ্য পানি দেওয়া হয়ে যাবে ততক্ষণে হাসি মুখে মুখে হ্যাঁ বলে
- 26:34এবং সেদিন রাতে সে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ে।
- 26:36হাসিদের ভোরে ঘুম ভাঙে এবং জানালার পাশে থাকা গাছের ডালে বসা
- 26:40পাখির কিচিরমিচির সবটি তার ঘুমটা ভেঙেছিল।
- 26:43ঘুম থেকে উঠে ভোরের আভা ফুটতে শুরু করেছে।
- 26:46চারপাশে অন্ধকারাচ্ছন্ন ভাবটি তখনও কাটেনি।
- 26:49কুয়াশা পড়েছে আশেপাশে মাত্র কয়েক হাতের বেশি জায়গা দেখা
- 26:52যাচ্ছে না। অর্থাৎ ভিসিবিলিটিরে কমে গেছে।
- 26:55বাইরে অসম্ভব ঠান্ডা হাসিব হাত মুখে পানি দিয়ে বেরিয়ে যায়
- 26:58বাড়ি থেকে। শীতের এই ভোরে গ্রামের প্রায়
- 27:01সবাই ঘুমিয়ে থাকে। আশপাশের কুয়াশার আড়ালে থাকা গাছ
- 27:05থেকে মাঝে মাঝে ভেসে আসে পাখির ডাক।
- 27:07আর তাদের ডামাচাপড়ানোর শব্দ গ্রামের মিঠুপথ শেষ করে হাসির তখন
- 27:12নদীর ঘাটে এসে দাঁড়াল। যখন নদীর ঘাটে এসে দাঁড়াল তখন
- 27:16আশেপাশে কোনও মানুষের চিহ্ন নেই। আস্তে আস্তে নেমে গেল নৌকার দিকে
- 27:20নদী এলাকায় ছোট থেকে বেড়ে ওঠা। তাই নৌকা চালানো বেশ ভালোই
- 27:23শিখেছিল। হাসি এ সব ঘাটে সাধারণত মাঝি থাকে
- 27:26না। গ্রামের প্রায় অনেকেরই নিজস্ব
- 27:29নৌকা আছে। হাসিব হেঁটে ঘাটে নামে এবং নৌকা
- 27:32বাঁধার জায়গায় নেমে আসছে। কিন্তু তাঁদের নৌকা বাঁধা নেই।
- 27:36কুয়াশায় ভাল দেখাও যাচ্ছে না। কিছু হাসিব একটু সামনে দেখিয়ে
- 27:39এগিয়ে যায়। এগোতে দেখে তাদের নৌকা মনে করে
- 27:42ঘাটে জায়গা ছিল না বলে বাবা হয়তো এখানে দিতে রেখে গেছেন।
- 27:45হাসির নৌকাটা 1:00 ধাক্কা দিয়ে লাফ দিয়ে নৌকায় উঠে বসে বইটা
- 27:49হাতে নিয়ে পাড়ের বালিতে ঠেকিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
- 27:53কী যে কুয়াশা পড়েছে, আজ কিছুই দেখা যাচ্ছে না।
- 27:55সামনে নৌকারে মাথায় বসে নৌকার ও মাথা ঠিক করে দেখা যায় না।
- 28:00আবছা ধোঁয়াটে 1:00 ভাব ঘিরে ধরেছে তাকে নৌকার সোজা চালিয়ে
- 28:04নদীটা পার হতে চার থেকে পাঁচ মিনিটের মতো লাগে।
- 28:07হাসিব খেয়াল করল নদীর পানির উপরে কুয়াশাগুলো কত সুন্দর করে
- 28:11কুন্ডুড়ি পাকিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পানিগুলোকে বারবার
- 28:15ছুঁয়ে দিয়ে যাচ্ছে তারা। শীতকাল মানেই নদীর পানিতে
- 28:18কুয়াশার এক অপরূপ সৌন্দর্য। এসব খেয়াল করতে করতে ইনোকার
- 28:23মাথার সামনের জায়গাটা কিছু 1:00 সাথে ধাক্কা খেয়ে আটকে গেল হাসি
- 28:27ফের মনে হল নদী পার হয়ে সে ওপারে চলে এসেছে সে বইটা হাতে নিয়ে
- 28:32নৌকার গোলের উপরে রাখে ও মাথার দিকে চলে যায়।
- 28:35মাথায় গিয়ে নৌকা থেকে নামতে যাবে।
- 28:37ঠিক তখনই সে খেয়াল করল আরে। এটা তাদেরই ঘাট মাত্রই তো এখান
- 28:42থেকে নৌকাটা নিয়ে এসে সে ওপারের জন্য যাবে বলে প্রস্তুতি নিল।
- 28:46চালাতে শুরু করল। তাহলে আবার ঘাটে আসল কী করে একটু
- 28:50চিন্তার ভাঁজ পড়ল তার কপালে। পরক্ষণেই সে বুঝতে পারল কুয়াশা
- 28:55আর নদীর সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে হয়তো কখন সে নৌকার মাথা ঘুরিয়ে
- 28:58ফেলেছে। নিজেই বুঝতে পারেনি মনে মনে কিছু
- 29:021:00 ঘেঁপে সে হেসে উঠল নৌকায় আবারো উঠল সে এবং চালাতে শুরু
- 29:07করল। এবার সে দেখবে মাথা কয়ে গিয়ে
- 29:10ঘুরে যায়। কিন্তু এত কুয়াশা যে ভাল করে
- 29:13কিছুই দেখা যাচ্ছে না। সেই অবস্থাতে 10 মিনিট লাগিয়ে
- 29:16দিল সে। কিন্তু নৌকা ওপারে ওঠার কোনও নাম
- 29:20নেই। তাহলে কি আবারও মাথা ঘুরিয়ে নেবে
- 29:22সে হাসি বৈঠা নিয়ে মাথা ঘুরাতে গেল এবং আবারও সামনের দিকে এগোতে
- 29:27লাগল নৌকা কি 1:00 নৌকার সামনে ঘুরে গেল হাসি বৈঠা নৌকার উপরে
- 29:32রেখে আবার সামনের দিকে হেঁটে নৌকার সামনের মাথায় এগিয়ে গেল।
- 29:36কিন্তু সেখানে কিছুই নেই। কিছুই দেখতে পাচ্ছে না নৌকা যে
- 29:39নদীর কোন জায়গায় সেটাও বোঝা যাচ্ছে না।
- 29:42আসার কারণে সামনে যতটুকু দেখা যায় এতটুকু পানি হাসিব চিন্তা
- 29:45করল। এতক্ষণ তো ও পারে পৌঁছে যাওয়ার
- 29:48কথা ঠিক তখনই হাসিবের চোখে পড়ল নৌকার অপর প্রান্ত যারা ঘন
- 29:52কুয়াশার উপরে উড়ছে একগুচ্ছ কালো চুল নাকে ভেসে আসছে পরিচিত সেই
- 29:56মিষ্টি গন্ধ নৌকার অপর পাশে গলির উপরে বসে ওটা কে।
- 30:01ভাল করে তাকাতেই দেখল সেই নারীমূর্তি ডান হাত দিয়ে বাম
- 30:05হাতের কনুইয়ের ওপরে হাতড়ে দেখল হাসিব সরবরাহ হয়ে গেছে হুজুরের
- 30:09দেয়া তাবিচটা তো নেই। হাসিব কী করবে ভেবে পাচ্ছে না।
- 30:13তার কি করা উচিত তার কি নৌকা থেকে লাভ দেওয়া উচিত না তা ঠিক হবে
- 30:17না। শুনেছে পানিতে পড়ে গেলে নাকি
- 30:19মাথা ঠেসে ধরে ভয়ে শরীর শক্ত হয়ে আসছে।
- 30:21হাসিবের যেন থেমে গেছে অতি প্রাকৃত কিছু হয়ে যেতে পারে।
- 30:26যে কোনও সময় নারী অবয়ব টা হাত বাড়িয়ে বৈঠা তুলে নিল যেন গলা
- 30:31দিয়ে হাসি ফের একটি আওয়াজও বের হচ্ছে না।
- 30:33তুমি এত জোরে চিৎকার করছে যেন তার মাঝেই সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে।
- 30:37এর মাঝেই ভেসে আসল পানিতে বৈঠা ফেলার শব্দ ভূয়ো করে লুটিয়ে
- 30:41পড়ল হাসিব লুটিয়ে পড়ার আগেই দেখল অবয়বটা এক জায়গায় তাকিয়ে
- 30:47আছে তার দিকে। আর সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে
- 30:51গেছে। কত সময় কেটে গেছে জানা নেই
- 30:53হাসিবের। গোটা তখনও কাটেনি।
- 30:56মাথার নীচে শক্ত ঠান্ডা কাঠের অনুভূতি জানান দিল না এটা স্বপ্ন
- 31:01নয়, সে যা দেখছে তা সত্যি। এখনও যা ঘটে চলেছে তাও সত্যি।
- 31:05এই মাসে বিন্দুমাত্র কোনও সংসার নেই যেন কোনও কিছুই মিলতে চাইছে
- 31:09না। অতি কষ্টে চোখ মিলে দেখা যাচ্ছে
- 31:12শুয়ে থেকে নৌকা তখনও চলছে দুরন্ত গতিতে চারপাশে কুয়াশার ভাবটা
- 31:16কেটে গেছে অনেকটাই। কিন্তু ঘন অন্ধকারে
- 31:19অন্ধকারাচ্ছন্ন চারপাশ মনে হচ্ছে গিলে খাচ্ছে তাকে 2:00 বোন
- 31:23জঙ্গলের মতো কিছু পরিলক্ষিত হচ্ছে।
- 31:26চারিদিকে অনেক বেশি নিস্তব্ধ। আশেপাশে ঝোপঝাড় থেকে হঠাৎ হঠাৎ
- 31:30ভেসে আসছে সেদিন রাতের শেয়ালের করুণ আর্ত আধ তা এক নিমিষেই
- 31:35মিলিয়ে যেতেই শোনা যাচ্ছে বড় কোনও পাখির টানা ঝাপড়ানোর শব্দ।
- 31:39আর নৌকা চলার জন্য তীব্র জলপ্রপাতের মতো হুহু অবিশ্রান্ত
- 31:43শব্দ নখের অপর মাথার দিকে তাকাতেই ভয় করছে হাসিবের জীবনের সব সাহস
- 31:49যেন শেষ হয়ে গেছে। কী করবে কিছুতেই ভেবে পাচ্ছে না
- 31:51হাসিব আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। হাসিবের নিজের ইচ্ছাতে কোনও কিছু
- 31:55হচ্ছে না। শরীর যেন তার আর কথা শুনতে চাইছে
- 31:58না। আবার চোখ বন্ধ করল।
- 32:00সে। কতটা সময় চলে গেছে আসিফের
- 32:03জ্বালানি কানে তখনও ভেসে আসছে পানির একটানা শব্দ।
- 32:07যখন সে চোখ খুলল বিশাল এক হল ঘরের মতো জায়গায় বসে আছে সে চারপাশে
- 32:13সবকিছু কেমন যেন আবছা মনে হচ্ছে তাঁর কাছে।
- 32:17করে তাকিয়ে যেন কিছু দেখা যাচ্ছে না।
- 32:20আগের মতোই অস্পষ্ট কিছু কথা ভেসে আসছে তার কানে সামনেই পাশে মনে
- 32:23হচ্ছে জামা 1:00। কুয়াশারাস তরুণ ভেসে আছে ঘরের
- 32:29খোলা। পরিবেশ হাসি ভরতে চায়।
- 32:33কিন্তু শরীর তাতে সায় দেয় না। অগত্যা বসে বোঝার চেষ্টা করে
- 32:37কোথায় আছে সে সে নিচের দিকে তাকিয়ে খেয়াল করে তার সামনের
- 32:41মেঝেতে প্রায় 3:00 বাটিতে সুন্দর বাহারি রকমের ফল দিয়ে সাজানো
- 32:47হাসিবের পেটে তখন প্রচণ্ড ক্ষিধে। খেতে ভয় হচ্ছে তার কোথায় এসেছে
- 32:51কী হচ্ছে কিছুই জানে না সে বেশ চিন্তিত এই রহস্যময় জগৎ থেকে কী
- 32:56ভাবে বের হবে হাসি মনে হয় একদোট দিয়ে বের হয়ে যায় এই কুয়াশা
- 33:01ফোনে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়।
- 33:04হাসিবের আস্তে আস্তে মনে পড়তে লাগল সে তো সকালে বাড়ি থেকে
- 33:07বেরিয়েছিল ভোটার জমিতে পানি দেওয়ার জন্য।
- 33:10তাহলে এখানে আসলে কী ভাবে উত্তর খুঁজতে গিয়ে স্বভাব মনে পড়ে
- 33:15যাচ্ছে হাসিবের ভয়ে আবার জড়সড় হয়ে উঠল হাসিব।
- 33:18তবে কি সে ভাবেই মরতে হবে তাঁকে? এই থেকে পাঁচ আর কি কোনও উপায়
- 33:22নেই। ভয়ের 1:00 ঠান্ডা স্রোত বয়ে
- 33:25যায় হাসিদের শিরদাঁড়া দিয়ে হঠাৎ সামনে থেকে ভেসে আসা 1:00
- 33:29পরিচিত কন্ঠস্বর হাসি বেশ চিনতে অসুবিধা হয় না।
- 33:32বহু মাস আগে কবরস্থানে ঠিক এই কণ্ঠস্বর সে শুনেছিল তার মনে পড়ল
- 33:37সেই বৃত্ত তাকে বলেছিল। আমাদের আবারও দেখা হবে হাসিবেবার
- 33:41আরও ভয় পেয়ে যায়। এবার তার সাথে কি হবে কী হচ্ছে
- 33:45কিছুই বুঝতে পারে না সে কি করবে সে এখন বৃদ্ধ লোকটি সেই সাদা ঘন
- 33:50কুয়াশাচ্ছন্ন আস্তরণ ভেদ করে হাসিবের সামনে এগিয়ে আসে।
- 33:55জানতে চাই হাসিবের শরীর এখন কেমন আছে?
- 33:58হাসি ভয়ে কান্না চড়ানো কণ্ঠে বলে আমাকে ছেড়ে দিন আমাকে যেতে
- 34:03দিন বাড়িতে আমি আমার মা বাবার কাছে যেতে চাই।
- 34:09বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেতা ভয় দিয়ে বলল, ভয় নেই।
- 34:12তোমাকে তোমার বাড়িতে। পৌঁছে দেওয়া হবে তুমি এখন এই
- 34:16ফলগুলো খেয়ে নাও সারাদিন। কিছুই খাওনি।
- 34:20আসিফ জিজ্ঞেস করে আমি এখন কোথায় আছি চারপাশে এমন কেন আমাকে এখানে
- 34:27কে নিয়ে এসেছে। ঠিক তখনই হাসিব পাশ থেকে 1:00
- 34:31মেয়ের হাসি শুনতে পেল। মৃদু হেসে থেমে গেল মেয়েটি লোকটি
- 34:36হাসির দিকে তাকিয়ে বলল যে, তোমাকে নিয়ে এসেছে সে আমার মেয়ে
- 34:40তোমাকে তার ভালো লেগেছে বলে দুষ্টুমি করে তোমাকে ঘিরে নিয়ে
- 34:43এসেছে। তবে।
- 34:45তুমি কোথায় আছো এটা জানার দরকার নেই বা তুমি বুঝতেও পারবে না
- 34:49তোমাকে তোমার ঠিকানায় রেখে আসা হবে তোমার কোনও ক্ষতি হবে না, ভয়
- 34:53কিছু নেই তুমি খেয়ে নাও। এরপরে লোকটি আবার যেন মিলিয়ে গেল
- 34:58আবার দূরে থেকে ভেসে আসল লোকটি কারো সাথে রাগান্বিত হয়ে কি যেন
- 35:03বলছে অন্য ভাষায় যা বোঝার ক্ষমতা বা পরিস্থিতি কোনওটাই নেই।
- 35:06হাসিবের সামনের বাটি থেকে হাসিব কয়েকটা আঙুল।
- 35:10মুখে তুলে নিল এর পরে আর কিছুই মনে নেই তার প্রচণ্ড ঠান্ডায়
- 35:15হাসিদের শরীর কাঁপছে হিম ঠান্ডা হু হু বাতাস এসে লাগছে হাসিদের
- 35:19মুখে চোখ খুলতেই এক রাশ বালির ঝাপটা এসে লাগল তার মুখে ক্ষীণও
- 35:24হয়ে ভেসে আসছে পানির শব্দ মনে হচ্ছে পানির ঢেউ এসে ধাক্কা
- 35:29দিচ্ছে কোনও পারে। চোখ বন্ধ করে ফেলল হাসিব হাত
- 35:33নাড়তেই বুঝতে পারল বালির মাঝে শুয়ে আছে সে তাড়াতাড়ি করে উঠে
- 35:38বসল হাসিব চারপাশে ঘন কালো অন্ধকার এক মুহূর্তের জন্য বুঝতে
- 35:42চেষ্টা করল কোথায় আছে সে কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছে না এই ঘন
- 35:46কালো অন্ধকারের জন্য কোন দিকে যাবে, কী করবে তাও বুঝতে পারছে
- 35:50না। আসিফ বসে হাত দিয়ে শরীরের
- 35:53বালিগুলো ছেড়ে নিল সে বালির ওপরে বসে আছে চারিদিক হাত দিয়ে বুঝল
- 35:58বালির উপরের স্তর কেমন ভিজে ভিজে আছে ঠান্ডা বাতাসটা আরও জোরালো
- 36:03হয়েছে। রীতিমতো হাসিবের শরীরে কাঁপুনি
- 36:05ধরিয়ে দিচ্ছে। ঠিক কতটা সময় কেটে গেছে হাসিবের
- 36:08তা জানা নেই। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে আসছে।
- 36:11আজানের শব্দ খুব ক্ষীণ হয়ে বাতাসে ভেসে আসছে হাসিবের কানে।
- 36:15এরপর যেন আবার মিলিয়ে গেল শব্দটি আবার সেদিন ভোরের মতো চারিদিকে
- 36:21ফুটে উঠল সকালের আভা চারিদিক আবছা দেখা যাচ্ছে তখন আর কিছু সময়
- 36:26কেটে যাওয়ার পর বেশ ভাল করে দেখা যাচ্ছে চারপাশ।
- 36:29হাসিমুখে দাঁড়াল ঘন কুয়াশা যেন এই।
- 36:32ফাঁকা জায়গা গিলে খেয়েছে বেশি কিছু দেখা যাচ্ছে না।
- 36:35চারপাশে হাসিব একদিকে হাঁটতে শুরু করল কিছু দূর যেতেই তার সামনে
- 36:40পড়ল ভুট্টার জমি। এতক্ষণে হাসি বুঝতে পারল সে তার
- 36:44নদীর এ পাড়ে এসেছে। হাসিব উল্টো ঘুরে নদীর দিকে দিল
- 36:47দৌড় কিছুটা সামনে গিয়ে দেখলে পরিচিত সেই নদী সে কি তাহলে
- 36:51এতক্ষণ এগুলো স্বপ্ন দেখল নদীর পাড়ে শুয়ে শুয়ে।
- 36:54আর এই স্বপ্ন যদি সে দেখবে তাহলে নদীর এপারে তার নৌকায় লকি ভাবে।
- 37:00তাহলে কি এতক্ষণ এগুলো স্বপ্ন দেখল?
- 37:02নদীর পাড়ে শুয়ে আর স্বপ্ন যদি দেখবে তাহলে নদীর এ পারে নৌকায়
- 37:05লোকী ভাবে নৌকা ছাড়া এপারে আসা সম্ভব নয়।
- 37:09আর কিছু ভাবতে পারছে না। হাসিব এত এত প্রশ্ন তার মাথা
- 37:12খারাপ করে নিচ্ছে কিছু উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না।
- 37:15নদীর পাড়ে আবারও বালিতে বসে পড়ল হাসিব।
- 37:17সকালে যদি কেউ নৌকা নিয়ে পারে আসে তবে তার সাথে হাসিব চলে যাবে।
- 37:21ওপারে হাসিব বসে আছে বেশ কিছুক্ষণ।
- 37:24এর মাঝেই নদী থেকে ভেসে আসল বৈঠা চালানোর শব্দ তাড়াতাড়ি করে উঠে
- 37:29দাঁড়াল। সে আস্তে আস্তে কুয়াশার মাঝে
- 37:31দৃশ্যমান হতে থাকল কালো ডিঙিন নৌকা, হাসি উৎকণ্ঠা নিয়ে তাকিয়ে
- 37:35তাকিয়ে আছেন নৌকার দিকে। নৌকা থেকে এক ছেলে হাসিবকে দেখে
- 37:39চিৎকার করে উঠল আরে হাসিব এতদিন পরে তুই এখানে কোথা থেকে প্রশ্ন
- 37:44শুনে চমকে উঠল হাসি। কিন্তু তাঁর গ্রামের পাশের বাড়ির
- 37:47বড় ছেলে হাসি তাকে বলল, আমাকে বাড়ি নিয়ে যা ভাই ছেলেটি হাসির
- 37:53টি নৌকায় উঠতে বলল। হাসিব নৌকায় উঠলে নৌকার মাথা
- 37:56ঘুরিয়ে বইটা চালাতে শুরু করল ছেলেটি।
- 37:59আর তাঁকে জানাল, গত 3 দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ নেই।
- 38:03চাচা বলল, সেদিন তোর সকালে এসে একই জমিতে পানি দেওয়ার কথা।
- 38:07সকালে দেখল তুই বাসায় নেই যা যা ভাবল তুই পানিতে এসেছিস।
- 38:11কিন্তু নদীর ঘাট এসে দেখল এবারে নৌকা বাঁধা চাঁচা নৌকা নিয়ে পরে
- 38:15যে শোনে তুই নাকি পানি নিতে আসিসনি।
- 38:18এরপর থেকে আর তোর কোনও খোঁজ নেই। চাচা একবারে ভেঙে পড়েছে তোর জন্য
- 38:23এতদিনে তুই কোথায় ছিলি? হাসিব চিন্তা করতে পারে না 3 দিন
- 38:27মানে 3 দিন ধরে আবার কোথায় ছিল কিছুই তো মনে নেই তার শুধু মনে
- 38:33আছে লোকটাকে সে আবার দেখছে হাসিব কোন উত্তর দেয় না।
- 38:38এর মাঝে নৌকা এসে ধাক্কা খায় খাটে হাসিব নৌকা থেকে নেমে বাড়ির
- 38:42দিকে দৌড় দেয়, বাড়িতে পৌঁছে উঠোন থেকে মাকে জোরে জোরে ডাক
- 38:46দিতে থাকে। হাসিবের মা বাবা দৌড়ে বের হয়ে
- 38:49আসে। আশপাশের বাড়ি অনেকেই বের হয়ে
- 38:51আসে। সবাই তার কাছে জানতে চাই কী
- 38:53হয়েছিল তার। আর এই তিনদিন সে কোথায় ছিল।
- 38:56হাসিব কিছুই বলতে পারে না তাদের সে নিজেও বিশ্বাস করতে পারছে না।
- 39:00সে 3 দিন হল নির্দেশ ছিল তার তো মনে আছে 1 ঘণ্টা কোথাও আটকেছিল।
- 39:05আর মা তাকে ঘরে নিয়ে যায়। সকলের খাওয়া শেষ করে হাসিব তার
- 39:09মাকে পুরো ঘটনা জানায়। হাসিবের মা তাঁকে জানায়, খুশি
- 39:13দিন চলে যাওয়ার পরে আমি তোর বিছানা গোছাতে এসে দেখি তাবিজটা
- 39:17পড়ে আছে বিছানার মাঝে। হাসিব তার বাবা মাকে পুরো ঘটনা
- 39:21জানায়। হাসিবের বাবা বিকেলে একজন হুজুর
- 39:23ডেকে নিয়ে আসে। তিনি হাসিবকে দেখে সব কিছু শুনে
- 39:26বলেন, এটা জিনদের কাজ। আর ওই মেয়েটা তোমাকে পছন্দ করে।
- 39:31তাই তোমাকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার বাবা তার সাথে
- 39:34রাগারাগি করে তোমাকে আবার দিয়ে গেছে।
- 39:37কিন্তু তারা তোমাকে ঠিক কিছু খাইয়েছে যার কারণে তুমি সময়
- 39:40গুলিয়ে ফেলেছো। গত 3 দিন কোথায় ছিলে কিছুই বুঝতে
- 39:43পারোনি। তুমি এই 3 দিন কোথায় ছিলে এটা
- 39:46বুঝতে পারবেও না। তুমি কি আজান শুনেছিলে এই তিন
- 39:48দিনে হাসিব উত্তর দেয় আমি এই তিনদিন কোনও আজান শুনিনি।
- 39:52এমনকী আমি যে তিনদিন ধরে সেখানে এটাও বুঝিনি।
- 39:55আমার শুধু কয়েক মুহূর্তের কথাই মনে আছে হুজুর বলে তারা ভাল তারা
- 40:01তোমার কোনও ক্ষতি করেনি ভয়ে কিছু নেই তোমার শরীর বন্ধ করে দিচ্ছি
- 40:04নিয়মিত নামাজ পড়বে। দোয়া পরে ঘুমাবে আর সমস্যা হবে
- 40:08না। এরপর কেটেছে অনেকগুলো বছর।
- 40:10হাসিব তখন মেডিকেল চান্স পায়। এর মাঝে তাঁর তেমন কোনও কিছু
- 40:14ঘটেনি। বেশ ভালোই কাজ ছিল সময় পিছনে সেই
- 40:17ভয়াল রাতগুলো ভুলে যেতেই বসেছিল। মানবদেহ নিয়ে যেহেতু পড়া এই
- 40:22সম্পর্কে এতটা ভাল জানা যায় তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সে।
- 40:26তাই সে স্যারকে বলে মনে কোনও পোস্টমর্টেম হলে মাঝে মাঝে সেখানে
- 40:30উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা যেন করে দেয়।
- 40:32সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লাশের মৃত্যুর রহস্য নিয়ে বেশ আগ্রহ
- 40:36থাকত। তাঁর সেই সুবাদে মর্গে ডোম আর
- 40:39দারোয়ানদের সাথে 20। ভালোই খাতির চুপে।
- 40:42যায় হঠাৎ একদিন তার স্যার এর সাথে দেখা এক ছুটির সময় মেডিকেল
- 40:46কলেজ কদিন বন্ধ। প্রায় সবাই চলে গেছে গ্রামে
- 40:49হাসিব কথায় কথায় স্যারের কাছে জানতে পারল মন 1:00 মেয়ের
- 40:53পোস্টমর্টেম হবে। কাল স্যার নিজেও থাকবেন।
- 40:55তখন সেও যদি চায় থাকতে পারে হাসির কিছু না ভেবেই সানন্দে রাজি
- 41:00হয়ে গেল। সারাদিন কাজ থাকবে তাই রাত নয়টার
- 41:03দিকে পোস্টমর্টেম শুরু হবে বলে হাসি জানিয়ে দিল।
- 41:06আর নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে যেন হাসিব মর্গে উপস্থিত হয়।
- 41:10এটাও বলে স্যার চলে গেলেন হাসি ভেবে ছিল রাতে সে বাড়ি চলে যাবে।
- 41:14কিন্তু স্যার নিজে থাকবেন অনেক কিছুই জেনে নেওয়া যাবে তখন
- 41:18সেজন্য একদিন বেশি থেকে গেলে তেমন কোনও অসুবিধা নেই।
- 41:22পরদিন ঠিক রাত সাড়ে আটটায় হাসি বের হয়ে যায়।
- 41:25পাশা থেকে মোটামুটি বাসা ফাঁকা তার রুমমেট আর ক্লাসমেট সে গ্রামে
- 41:30চলে গেছে ছুটিতে পাশের এক রুম ফাঁকা তারাও চলে গেছে।
- 41:34তার আরও পরে 1:00 রুম। সেখানে এক বড় ভাই থাকে বাসা থেকে
- 41:37বের হয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে হাঁটতে শুরু করে হাসি যেখানে সে
- 41:40থাকে সেখান থেকে সেখান থেকে মর্গে যেতে 15 মিনিটের বেশি সময় লাগার
- 41:44কথা নয়। হাসি ভালো আধারিতে ল্যাম্প
- 41:46পোস্টের আলোয় হাঁটছে। আর ভাবছে মর্গগুলো সব সময় নির্জন
- 41:50জায়গায় হয় কেন এটাও তো হাসপাতালের 1:00 অংশ।
- 41:53কিন্তু তারপরে একটু দূরে জঙ্গলে ঘেরা জায়গাগুলোই কেন বেছে নেওয়া
- 41:57হয় মর্গের জন্য মনে হয় ভূতরে পরিবেশের পূর্ণ রূপ দিতে এই
- 42:00ব্যবস্থা। মনে মনে হেসে হাসি মর্গের কাছে
- 42:04চলে যায় মর্গ থেকে বেশ খানিকটা সামনে 1:00 ল্যাম্প পোস্টের পাশে
- 42:08দু হাত লম্বা 1:00 লাঠি হাতে চেয়ারে বসে আছে মর্গের দারোয়ান
- 42:13হাসিকে দেখে এসে বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়।
- 42:16কি মামা হাঁ যাবার কোনও কাঁটাছাড়া আছে নাকি হাসিব হেসে
- 42:20তার দিকে এগিয়ে গিয়ে বলে নাচেরা ঠিক না কাঁটা সেলাইয়ের কাজ আছে
- 42:25বলে হেসে ওঠে দুজন হাসিব জিজ্ঞেস করে ডোম আর স্যার এসেছে নাকি
- 42:30দারোয়ান জানায় এখনও কেউ আসেনি। আর আজ যে পোস্টমর্টম হবে সেটাও সে
- 42:35জানে না। তবে হাসিবের কথা শুনে সে জানায়,
- 42:381:00 মেয়ের লাশ এসেছে। গতকাল মনে হয় কিছু দিয়ে ঝলসে
- 42:42দেওয়া হয়েছে তার চেহারাটা বেশ ভয়ানক হয়ে আছে।
- 42:45দেখতে দেখলেই গা কেমন ছমছম করে আর কিছুক্ষণ আগে আরও 1:00 লাশ এসেছে
- 42:50জমি সংক্রান্ত জেরে খুন করা হয়েছে।
- 42:54গল্প করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছি। ঘড়ির কাঁটা সময় তখন রাত নয়টার
- 42:58ঘর ছুঁয়ে ফেলেছে। এখনও কেউ আসছে না।
- 43:00এটাই চিন্তা করছে হাসিব চিন্তার ফাঁকে মর্গের দিকে তাকিয়ে আছে সে
- 43:04টিমটিমে 1:00 লাল লাইট চলছে বাড়ির দরজার উপর তার আলোয় ছোট
- 43:09পিচের রাস্তাটা চকচক করছে আশেপাশে কিছু ছোট ছোট বড় গোলমলতার ঝোপ
- 43:14রয়েছে। আর সেখান থেকেই থেমে থেমে ভেসে
- 43:17আসছে জি পোকার ডাক হাসি কী মনে করে এগিয়ে যায় মর্গের দিকে।
- 43:22পিছন থেকে দারোয়ান বলে ওঠে আরে মামা ওদিকে কই যান কেউ তো নেই
- 43:26ওখানে হাসির পেছনে না থাকি বলে সমস্যা নাই।
- 43:31ডুম্বা স্যার আসলে। তুই পাঠিয়ে দিও।
- 43:34আমি একটু ঘুরে আসি মর্গের পাশ থেকে আর কিছু বলো না দারোয়ান
- 43:38হাসি মর্গের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আর নিজেই নিজের সাহস থেকে অবাক
- 43:41হচ্ছে এই অন্ধকার রাতে এক রুমে বন্দি 2:00 লাশের দিকে এগিয়ে
- 43:45যাচ্ছে সে। অথচ নিজের মাঝে কোনও ভয়ের
- 43:47অনুভূতি নেই। হাসিব মর্গের সামনে গিয়ে
- 43:50দাঁড়ায় চারপাশে ঘন অন্ধকার। 1:00 লাল লাইট যতটা পারে আলোকিত
- 43:55করছে সামনের অংশ মর্গের এখানে দাঁড়িয়ে দারুণ এর দিকে তাকিয়ে
- 43:59সে দেখে লাঠি উপরে ভর দিয়ে সেমচ্ছে দরজায় তালা লাগানো নেই।
- 44:04বাইরের দিক থেকে হ্যাজবুল আটকে দেওয়া হাসিবের একবার মনে হল সেই
- 44:09মর্গের ভেতরে ঢুকে যায় একা একা মর্গের ভেতরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা
- 44:12কেমন। এটা দেখার লোভ সামলাতে পারছে না।
- 44:14সে হাত বাড়িয়ে খুলে ফেলল। ঘরের দরজা ঘরের মাঝে যেন আবারও ঘন
- 44:20কালো গুমোট অন্ধকার সেই সাথে মাংস পচা 1:00 গন্ধ তার ডাকে এসে
- 44:25লাগছে। হাত বাড়িয়ে দরজার পাশে সুইচ চাপ
- 44:28দিল হাসিব মুহূর্তেই ঘরের মাঝে সব অন্ধকার মিলিয়ে গেল হাসিবের
- 44:33সামনে দৃশ্যমান হয়ে উঠল স্ট্রেচার রাখা।
- 44:36সাদা কাপড়ে 2:00 লাশ। এক মাসের উপরে সাদা কাপড়ে ছোপ
- 44:39ছোপ রক্তের দাগ আর একটি লাশের কাপড়ে কেমন কালচে দাগ জায়গায়
- 44:43জায়গায় রুমটা বেশ ভালোই বড় ছিল রুমের মাঝে উপর থেকে ঝুলতে থাকা
- 44:49রড লাইটটা একটু যেন বাতাসের দুলছে রুমের এক কোণে রাখা কালচে দাগের
- 44:54কাপড়ে ঢাকা সেই লাশটি আর রক্তের দাগ লাগা কাপড় দিয়েই ঢাকা সেই
- 45:00রাশ রাখা আছে। লাইটের নীচের দিকে রুমের মাছ
- 45:04বরাবর হাসিব এগিয়ে গেল। মাঝে রাখা লাশটির দিকে উপর থেকে
- 45:09সাদা কাপড়টা সরাতে দেখল চোখ খুলেনি।
- 45:11ধর পড়ে আছে 40 বছরের এক লোক তার চোখ খোলা।
- 45:17এবং চোখ খোলা দেখে এক মুহূর্তে ভয় পেয়ে যায় হাসি।
- 45:19মনে হয় এক দৃষ্টিতে সে তাকিয়ে আছে তার দিকে তাড়াতাড়ি করে
- 45:23মুখটা ঢেকে দেয় হাসিব। এবার কোণায় থাকা লাশটির দিকে
- 45:28এগিয়ে যায়। এগোতে 1:00 পচা গন্ধ নাকে এসে
- 45:30লাগে হাসিব কাছে যে কাফনের কাপড়টা সরাতেই চমকে উঠল।
- 45:35মুখের চেহারা কিছুই ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।
- 45:38চোখ 2:00 মনে হচ্ছে ভেতরে ঢুকে গেছে।
- 45:40চোখের জায়গায় বড় গর্তের মতো এত ভয়ানক লাশ সে আগে কখন দেখেনি
- 45:45এবার সে ভয় পেতে শুরু করে কোন সাহসে এখানে একা একা এসেছিল সেটা
- 45:50এখন ভাবতেও পারছে না। মাথা কাজ করছে না তার সে
- 45:53তাড়াতাড়ি করে কোনও মতে। লাশের উপরের কাপড়টা ফেলে দিয়ে
- 45:57যেই পেছনে ঘুরেছে ঠিক তখনই 1:00 শব্দ রুমের ভেতরে জ্বলতে থাকা
- 46:01বাল্বটি ভেঙে চুরমার হয়ে মেচিতে পড়ে যায়।
- 46:05এক নিমিষের মাঝেই অন্ধকার নেমে আসে চারদিক গুমোট অন্ধকার তার
- 46:10সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতদেহের পচাগলা গন্ধ।
- 46:14হাসিবের স্পষ্ট মনে আছে সে রুমের দরজা খুলে ভেতরে এসেছিল।
- 46:18রুমে অন্ধকার হলেও বাইরে দরজার উপরে আলো রুমে আসার কথা।
- 46:23আর দরজা দিয়ে বাইরের ল্যাম্প পোস্টের আরও দেখতে পাওয়ার কথা।
- 46:26কিন্তু না কোথায় সেই দরজা এই যে নিশ্চিত অন্ধকার হাসিদের মনে
- 46:30হচ্ছে এক কবরের মাঝে সে কোথাও কোনও আলো নেই।
- 46:34হাসিব কী করবে বুঝতে পারছে না। শরীর থেমে গোসল হয়ে যাচ্ছে তার
- 46:37মনে মনে। দরজার অনুমান করে সামনের দিকে
- 46:40এগিয়ে যায়। হাসিব।
- 46:41কয়েক পেয়ে গিয়ে আসতেই ভয় তার দুই পা জড়িয়ে যায়।
- 46:44রুমের সাথে থাকা স্ট্রেচারের উপরে থাকা সেই লাশের উপরে পড়ে যায়।
- 46:47সে হাতের নীচে ঠান্ডা শরীরের 1:00 অনুভব ভয়ের শেষ পর্যায়ে নিয়ে
- 46:52যায় তাকে তাড়াতাড়ি উঠতে যাবে। ঠিক তখনই মনে হল আরে লাশটা তো
- 46:56নড়ে উঠল হাতের নীচটায়। শিশির দ্বারা আমি 1:00 ভয়ের
- 47:00স্রোত পেয়ে যায় লাশের মতো তার শরীরও ঠান্ডায় জমে গেছে।
- 47:04মনে হচ্ছে সে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করার ব্যর্থ চেষ্টা করল কয়েকবার
- 47:09সে দৌড়ে চলে আসলো দরজার দিকে। সেই দেয়ালের সাথে 1:00 ধাক্কা
- 47:13খেল রুমের মাঝে তখনও একরাশ অন্ধকার।
- 47:16হঠাৎ রুমের মাঝে সকল নীরবতা ভেঙে খুটখাট শব্দ শুরু হল।
- 47:21তেই পাপ করে কিছু 1:00 মেঝেতে পড়ার শব্দ ভেসে আসল ঘরের কোণা
- 47:27থেকে হাসিবের মনে হয় 1000 তার নিস্তার নেই।
- 47:31নিজের উপরে প্রচণ্ড রাগ হতে থাকে কেন সেখানে এসেছিল হাতের দরজা
- 47:35খুঁজতে থাকে সে কিন্তু কোথায় সেই দরজা?
- 47:39সব দিকেই তো সলিড দেয়াল চোখ ভিজে কান্না চলে আসে হাসিদের পিছন থেকে
- 47:45স্ট্রেচার টানার শব্দ আসছে হাসিব দেয়াল হাতড়ে খুঁজে পায় রুমের
- 47:49দরজা জোরে জোরে ধাক্কা দিয়ে থাকে হাসিব একটু পরে দরজা খুলে যায়
- 47:53রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে সেই দারোয়ান হাসিব যেন তাঁকে দেখেই
- 47:58জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল। তাঁর শরীর এখনও কাঁপছে থরথর করে
- 48:02দারোয়ান হাতে থাকা লাইটটা রুমের দিকে মারতেই তারা দেখে রুমের মাঝে
- 48:06থেকে ছেলের লাশের উপরে থাকা সাদা কাপড়টা নীচে পড়ে আছে।
- 48:10আর রুমের কোণায় থাকা মেয়ের লাশটা উপুড় হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে
- 48:15লাশ এমন এলোমেলো হয়ে আছে কেন তা বুঝতে পারে না কেউ।
- 48:18মেয়েটির লাসি বা কী করে মেঝেতে পড়ল তারও কোনও উত্তর নেই।
- 48:21তাদের কাছে হাসিবার কিছুই বলতে পারে না।
- 48:24দারোয়ান তাকে ধরে নিয়ে আসে। বাইরে আলোতে দারোয়ান থেকে
- 48:28চেয়ারে এনে বসিয়ে দেয় পানি খেয়ে যেন আবারও প্রাণ ফিরে পায়
- 48:31হাসিব হাতে থাকা বোতল এক চুমোতে প্রায় অর্ধেকটা পানি খেয়ে শেষ
- 48:35করে। তার পাশে দারুণ দিকে তাকায় দারুণ
- 48:38তাকে জিজ্ঞেস করে মামা কী হয়েছিল আপনার আমি এখানে বসে একটু ঝিমণি
- 48:43ধরে গিয়েছিল। তারপরেই কানে আসতে লাগল।
- 48:46দরজায় ধূপধাপ শব্দ। আমিও তো প্রথমে ভয় পেয়ে
- 48:48গিয়েছিলাম কী যে হল পরে মনে হল আপনি তো গিয়েছিলেন।
- 48:52ওদিকে তাই দৌড়ে চলে গেলাম। হাসির দারুণ কে পুরো ঘটনা বলল।
- 48:56কিন্তু দারোয়ান জানাল রবীন্দ্র খোলাই ছিল শুধু ভেজানো ছিল।
- 48:59হাসিব বলল, আমি তো কোনও আলোই দেখতে পাচ্ছিলাম না।
- 49:04দরজা খুলতে চেষ্টা করলাম কিন্তু কিছুতেই খুলতে পারছিলাম না।
- 49:07দারোয়ান তাকে জানাল আজ স্যার আসতে পারবেন না।
- 49:10তাই পোস্টমর্টেম হবে না। আমাকে একটু আগে ওয়ার্ড বয়সে বলে
- 49:13গেল। আর সেটা আপনাকে জানার জন্যই গিয়ে
- 49:16দেখি এত সব কাহিনি একটু ধাতস্থ হয়ে হাসি উঠে আবার বাসার দিকে
- 49:20হাঁটা দিল বাসার দিকে হেঁটে যেতেও তার কেমন ভয় করছিল।
- 49:25মনে হচ্ছিল চারপাশ গণ অন্ধকারে ভরে যাবে, আবারও ঘিরে ধরবে সেই
- 49:30কোমটা অন্ধকার। এই বুঝি কেউ উঁকি দিয়ে দেখছে
- 49:33তাকে পিছনে কিন্তু হেঁটে আসছে এত সব চিন্তা নিয়ে ভয়ে ভয়ে বাসায়
- 49:37পৌঁছে গেল হাসিব রাতে আর খাবার খেতে ইচ্ছা করল না।
- 49:40তার যে 1:00 অবস্থা কাটল এখনও গায়ে কাটা দিচ্ছে বিছানা ইলিয়ে
- 49:44দিল শরীর এমনিতেই একদম অন্ধকার ঘরছাড়া ঘুমাতে পারে না হাসিব
- 49:48কিন্তু আজ তার সাহস হল না ঘর অন্ধকার করতে।
- 49:51মনে হল অন্ধকার করলে আবার বুঝি কিছু 1:00 হবে কিছু 1:00 ঘটে যাবে
- 49:55তার সাথে রুমে থাকা হালকা নীল কালারের 1:00 ডিম লাইট অন করে দিল
- 50:00সে হালকা নিয়ে রালতে চারপাশ কেমন মায়াবী লাগছে সব প্রশ্নগুলো
- 50:06মাথায় ঘুরছে উত্তরকোজার চেষ্টা করছে হাসিব কিন্তু কিছুতেই হিসাব
- 50:10মিলছে না। কি থেকে কি হল সঠিক কোন কিছুরই
- 50:14উত্তর দাঁড় করাতে পারছে না। মানুষ যখন কোনও জিনিসের উত্তর
- 50:17খুঁজে না পায় তখন তার সাথে থাকা ভয়টি আরও বেশি জেগে ধরে হাসিমের
- 50:22ক্ষেত্রেও তাঁর ব্যতিক্রম নয়। এক সময় মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে
- 50:25ঘুমের দেশে পাড়ি জমায় হাসিব। রাত তখন কটা হবে জানামী চারদিকে
- 50:30নিস্তব্ধতা ঘরে থাকা ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দটা শুধু হালকা হালকা
- 50:35কানে ভেসে আসছে। হঠাৎ সে বুকের উপরে প্রচণ্ড চাপ
- 50:39অনুভব করল। মনে হচ্ছে তাঁর বুকের উপরে কিছু
- 50:421:00 চেপে বসে আছে বুকের ওপর এই অসম্ভব চাপে ঘুম পুরোপুরি ভেঙে
- 50:47যায় হাসিবের সে আস্তে আস্তে। চোখ খুলে তাকায় ঘরের ভিতরে হালকা
- 50:51নীল আলোতে চোখ খুলে হাসিব যা দেখে তা দেখে তাঁর শরীরের রক্ত হিম
- 50:57হয়ে যায়। তার বুকের উপরে চেপে বসে আছে।
- 51:001:00 নারীর অবয়ব ভাল করে তাকাতেই দেখে সেই সাদা কাফনের কাপড় 1:00
- 51:06মাংস পচা গন্ধে পুরো ঘর ভরে গেছে। এক রাশ চুল উড়ছে বাতাসে ভয়ে 12
- 51:12ঘামতে শুরু করে হাসিব আবার সে চলে যায় 1:00 ঘরের মাঝে সেকি আসলে
- 51:17বাস্তবে এটা দেখছে নাকি এটা কোনও স্বপ্ন আজও তার শরীর সায় দিচ্ছে
- 51:22না তার সাথে অনেক চেষ্টা করে হাত পা কিছুতেই নাড়াতে পারছে না
- 51:26হাসিব এমনকি তাঁর গলা দিয়েও কোনও শব্দ বের হচ্ছে না।
- 51:29হাসিব নিজের সব শক্তি দিয়ে চিৎকার করার চেষ্টা করল কিন্তু
- 51:33গলা দিয়ে গোঙানির মতো আওয়াজও বের করতে পারল না।
- 51:35আর তখনই মেয়েটি তার দিকে তাকায় হাসিবের দিকে এগিয়ে আসে কি
- 51:39ভয়ানক সেই মুখ মুখের কিছু জায়গায় মাংস যেন খসে পড়ছে।
- 51:43চামড়া ঝুলে গেছে অনেক জায়গায় চোখ 2:00 অন্তহীন গর্ত।
- 51:47যেন কেউ কঠোর থেকে বের করে নিয়ে এসেছে চোখ দুটিকে লাশ কাটা ঘরের
- 51:53স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা সেই মেয়েটি যেন চেপে আছে তার বুকের
- 51:56উপর মেয়েটি ভাবলেশিং ভাবে তাকিয়ে 2:00 হাত উঁচু করে এ কে
- 52:01দেয় হাসিদের গলার দিকে হাতের চামড়া দেখে এতটাই ফ্যাকাশে মনে
- 52:05হচ্ছিল নীল আলোতেও মনে হচ্ছিল তার শরীরে কোনও রক্ত অবশেষ নেই।
- 52:09হঠাৎ হাতদুটে এসে চেপে ধরে হাসিদের গলা হাসি প্রাণ পাণে হাত
- 52:132:00 দিয়ে চেপে ধরে মেয়েটির হাত জোরে চিৎকার করে বাঁচার আপ্রাণ
- 52:18চেষ্টা করতে থাকে। তার মনে হচ্ছে সেবার মারা যাচ্ছে।
- 52:22চোখ দুটি বন্ধ হয়ে আসবে। হাসিবের চোখের পাতা মিলিয়ে
- 52:24যাওয়ার আগে হাসিব দেখে মেয়েটি এখনও চেপে বসে আছে তার বুকে।
- 52:29আর তার গলা চেপে ধরে আছে বুকের উপরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে
- 52:33হাসিব। সকালে তাঁর ঘুম ভাঙল পাশের রুমে
- 52:36থাকা বড় ভাইয়ের কাকে বিছানায় উঠে বসে হাসিব আর ভাবতে থাকে রাতে
- 52:41কী হয়ে গেল তার সাথে সে কি আসলেই স্বপ্ন দেখছে নাকি সত্যিই রাতে
- 52:46মর্গের সেই মেয়েটি এসেছিল। আর চিন্তা করতে পারছে না।
- 52:49হাসিব বিসা থেকে উঠতে গিয়ে বুকের উপরে প্রচণ্ড 1:00 ব্যথা অনুভব
- 52:53করে বুকের মাঝে থক্করে ওঠে। তবে কি?
- 52:57বাথরুমে থাকা আয়নার সামনে যেতেই দেখে গলায় লাল রক্ত জমাট বেঁধে
- 53:01আছে। মনে হচ্ছে কয়েকটি আঙুলের দাগ বসে
- 53:04আছে গলায় ভয়ে কুঁকড়ে যায় হাসিব এর মানে রাতের ঘটনা মিথ্যা
- 53:08বা শব্দ নয়। রাতে সে যা দেখেছি।
- 53:12তা পুরোটাই সত্যি। আর এক মুহূর্ত এখানে নয়।
- 53:15ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ে হাসিব বাড়ি ফিরে আর কাউকে জানানোর সাহস
- 53:19হয় না ব্যাপারটা যদিও তার মা তার গলায় এমন দাগ দেখে প্রশ্ন করে সে
- 53:24অ্যালার্জি বলে উড়িয়ে দেয়। শুটি শেষ করে এসে হাসিব সেই বাসা
- 53:28ছেড়ে দিয়ে নতুন বাসায় ওঠে। এর পরে আর তেমন কোনও সমস্যা হয়নি
- 53:32বা ঘটেনি তার সাথে অনেক আগে থেকে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার সাথে এই
- 53:38ঘটনার কোনও যোগসূত্র আছে কিনা তাও এখনও বুঝতে পারে না।
- 53:42আসিফ সেই রাতে কেনই বা এমন কিছু ঘটেছিল তার সাথে এর কোনও সঠিক
- 53:47ব্যাখ্যাও সে তার করতে পারে না। মেয়েটি কি তাকে কিছু বলতে
- 53:52চেয়েছিল? বলতে যদি চাইবে তবে এমন করে বুকের
- 53:55উপরে গলা চেপে ধরে বসেছিল। কেন কীসের রাগ ছিল তার উপর এমন
- 54:00অনেক প্রশ্ন আজও আছে অন্ধকারে। এর সঠিক উত্তর আজও মেলানোর চেষ্টা
- 54:06করছে। হাসিব হাসিব এখনও ভয় থাকে।
- 54:09আবার কবে তাঁর জীবনে নেমে আসে এমন ঘন কালো অন্ধকারের রাত?
- 54:14এমন কালো অন্ধকারের ঘোর আবারও হয়তো কোনও এক রাতে ভাবলেশহীন
- 54:19বীভৎস ফ্যাকাশে মুখ নিয়ে সেই মেয়ে অবয়ব সেঁপে ধরতে পারে তার
- 54:25গলা। এই ছিল তাঁদের দূষণের ঘটনা।
- 54:30চমৎকার ভাবে লিখেছেন তানভী তুষার থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ আমারও প্রশ্ন,
- 54:34এটা আমিও মিলাতে পারি নি যে 2:00 ঘটনার মধ্যে আসলে কোনও রিলেশন আছে
- 54:38কিনা দুর্ঘটনা সেপারেট হতে পারে। বাট আমি জানি না এটা দিচ্ছেন
- 54:42তাদের উপরে ছেড়ে দেওয়াটা সবচাইতে ভাল হবে।
- 54:44আর আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ মন দিয়ে এতক্ষণ পর্যন্ত ঘটনা
- 54:47শোনার জন্য। আর আপনাকেও ধন্যবাদ তানি তুষার
- 54:50আমাকে ঘটনাটি পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য আশা আর যিনি ঘটনাটি
- 54:53পাঠিয়েছেন তাকে অনেক ধন্যবাদ। যদিও নাম ঠিকানা গোপন করেছেন বলে
- 54:56নাম বলতে পারলাম না। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও।
- 54:59আশা করছি ঘটনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
- 55:01যদি ভালো লাগে অবশ্যই আমাদের জানাবেন যদি ভালো না লাগে তাও
- 55:03আমাদের জানাবেন। এই ছিল আমাদের ঈদের এপিসোডের মানে
- 55:07ফার্স্ট এ এপিসোড যেটা আমার সবচেয়ে পছন্দের এপিসোড যেটা
- 55:09আপনাদের হয়তো পছন্দের আপনারা ঈদের দিন হয়তো বেশি পছন্দ করেন
- 55:12তাই আমার ফার্স্ট এপিসোডে আমার সবচেয়ে পছন্দের মানুষ 1:00 ঘটনা
- 55:16আমি আপনাদের শোনালাম এবং আরও 1:00 পছন্দের মানুষ আমাদের আসছে আসলে
- 55:20আমাদের আমার পছন্দের মানুষের তালিকাটা খুব বেশি লম্বাও না।
- 55:24আবার খুব বেশি সংক্ষিপ্ত সো আমি জানাবো এর পরে কারা কার থাকছে
- 55:27অবশ্য জেনে গেছেন ফেসবুকে তারপর যারা যারা জানেন না তাদেরকে জানাব
- 55:30যাই হোক আমরা চলে যাব আমাদের পরবর্তী ঘটনায়।
- 55:40আজ আবার। শুনতে পাচ্ছেন শব্দটা।
- 55:54মিত্র রাসেল। লুকোতে খেয়ে।
- 56:22আমি ঠিকই তোমাকে খুঁজে পাব। ওয়েলকাম ব্যাক।
- 56:55আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আরও একবার ভূত.কম এ আশা করছি
- 56:57আপনারা সবাই ভালো আছেন। ঘড়িতে সময় রাত 12:56 আমি রাসেল
- 57:02আছি সাথে। এবং সাবিতের চমৎকার 1:00 ঘটনা
- 57:05শুনলাম আজকে। মানুষ অনেক বেশি এবং আমাদের মটর
- 57:11জন্য অনেক বেশি এক্সসাইটেড। আপনারা অনেকেই যুক্ত হয়েছেন।
- 57:15আমি যে বলেছিলাম যে ঈদ মানেই আপনজনের কাছে যাওয়া এবং আজকে
- 57:20ওয়ান অফ টি বেস্ট নাম্বার আমাদের মানে কি বলবো যে আমরা পেয়েছি
- 57:25আজকে আপনাদের কাছ থেকে আপনারা যারা আমাদের সঙ্গে আছেন তাদেরকে
- 57:30অনেক ধন্যবাদ। আমি যখন লাইভ করলাম তখন আপনারা
- 57:32ছিলেন এখনও আছেন। এবং আমি মানে কি বলবো যে আশা করব
- 57:37যে ঈদটা আপনাদের অনেক চমৎকার কাটবে এবং মানে রাত পোহালেই ঈদ
- 57:42এরকম 1:00 অবস্থা যখন তখন আমরা চলে যাচ্ছি আপনার ঘটনায় বলেছিলাম
- 57:46আপনার ভাইয়ের ঘটনা শোনাবো চল কথা না বাড়িয়ে আফনান ভাইয়ের ঘটনায়
- 57:49যাওয়া যাক আমাদের সঙ্গেই থাকুন। রায়নার ভেতরেই।
- 58:18সেভাবেই আসে। রাসেল।
- 58:38ইলিশনার্স আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভূত
- 58:43ডটকমের ঈদ স্পেশাল এপিসোডে সকলকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
- 58:49আশাকরি সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।
- 58:52এখন যে ঘটনাটি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।
- 58:55এই ঘটনাটি আমাকে দিয়েছে সৌমিত্র রায় ওর বাসা।
- 59:00ঢাকার বাসাবো এলাকায়। ও এই ঘটনাটি তারই এক বান্ধবীর নাম
- 59:07হচ্ছে মারিয়া মিম। তাঁর কাছ থেকে ঘটনাটি সংগ্রহ
- 59:09করেছে। ঘটনাটি একটি হন্টেড বাসাকে
- 59:13কেন্দ্র করে এবং বেশ কিছু ছোট ছোট ভয়ানক ঘটনা মিলিয়ে।
- 59:19একটি লম্বা ঘটনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন।
- 59:23ইনশাল্লাহ তো চলুন কথা না বাড়িয়ে সরাসরি মূল ঘটনাতে চলে
- 59:28যাচ্ছি এখন থেকে। 78 বছর আগে মিম ওরা যখন যে বাসা
- 59:34টাই থাকত মূলত সেখানকার বেশ কয়েকটি খণ্ড খণ্ড ঘটনা নিয়েই
- 59:39আজকের এই সম্পূর্ণ ঘটনাটি। প্রথমে এই জায়গাটির কিছুটা
- 59:43বর্ণনা দেওয়া প্রয়োজন। ঘটনাটির স্থান ঢাকার সবুজবাগের
- 59:48কদমতলা এলাকায়। আর ওরা যে বিল্ডিং এ থাকত সেই
- 59:52বিল্ডিংটি একটি গলিতে অবস্থিত এবং বিল্ডিং এর পাশেই ছিল আরও একটি
- 59:57বিল্ডিং। এই 2:00 বিল্ডিং একদম লাগোয়া।
- 1:00:01দুটি বিল্ডিংয়ের মাঝখানে বিশেষ কোনও ব্যবধান নেই বললেই চলে।
- 1:00:06বিষয়টি অনেকটা এমন যে, এক বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে খুব সহজেই
- 1:00:10অন্য বিল্ডিংয়ের ছাদে চলে যাওয়া যায় ঢাকাতে।
- 1:00:13কিন্তু এরকম বিল্ডিং অনেক আছে বিশেষ করে পুরান ঢাকায়।
- 1:00:15কিন্তু আমরা হয় এ ধরনের বিল্ডিং গুলোকে দেখতে পাই।
- 1:00:19তবে ওই দুটি বিল্ডিং এর মাঝে যে সরু জায়গাটি ছিল সেখানে
- 1:00:23স্বাভাবিক ভাবে যাওয়ার কোনও পথই ছিল না।
- 1:00:26যার কারণে কারো কোনও জিনিস ভুলবশত জানালা দিয়ে পড়ে গেলে তা আর
- 1:00:31উদ্ধার করা সম্ভব হত না। মিমরা যখন ওই দুটি বিল্ডিংয়ের
- 1:00:36মধ্যে প্রথম বিল্ডিংটির পাঁচ তলায় থাকত, মানে যখন আমার শুরুর
- 1:00:41দিকে আর কি একদিন মিমদের বাসায় মেহমান এসেছিল।
- 1:00:45যে কারণে ওর আম্মু রাতে ওকে বলেন বাসার লিভিং রুমে ঘুমাতে।
- 1:00:50আর ওর কাছে বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক ছিল।
- 1:00:52কারণ এর আগেও অনেকবার মেহমান আসলে লিভিং রুমে ঘুমিয়েছে।
- 1:00:57তো ওই রাত্রে মেহমানদের সাথে দীর্ঘক্ষণ গল্প গুজব করে ওর
- 1:01:01ঘুমাতে যেতে যেতে রাত প্রায় 2:00 বেঁচে যায়।
- 1:01:05তখন ও শুনতে পায়। ওদের বাসার গলিতে অনেকগুলো কুকুর
- 1:01:09ভয়ানক ভাবে ডাকাডাকি করছে। কুকুরগুলোর এরকম ডাকাডাকি শুনে ওর
- 1:01:14মনে পড়ে যায় যে ওর খালা একবার ওকে বলেছিলেন যে কুকুর নাকি
- 1:01:18জিনদের উপস্থিতি বুঝতে পারে তাই রাতের বেলা অনেক সময় খারাপ কোনও
- 1:01:23কিছুর উপস্থিতি টের পেলে ওরা এভাবে ডাকতে থাকে।
- 1:01:26এসব মনে করে মিমের কিছুটা ভয় লাগছিল।
- 1:01:29যেহেতু তখন লিভিং রুমে একাই ছিল। আর যার কারণ ওরকম কুকুর ডাকাডাকি
- 1:01:33করলে ভয় লাগাটাই স্বাভাবিক। আর ওই খালার কথাগুলো মনে পড়ে।
- 1:01:39ছিল তার এ করে ভয়টা বেশি লাগছিল। এমন সময়ে হঠাৎ করেই মিমের মনে
- 1:01:45হয় রাস্তার অপর পাশে একটি বিল্ডিং থেকে নূপুরের আওয়াজ ভেসে
- 1:01:50আসছে প্রথমেই। মনে করে ওটা হয়তো তার মনের ভুল।
- 1:01:55কিন্তু ভালোভাবে শোনার চেষ্টা করে।
- 1:01:58আর সে। ওই আওয়াজটি আবারও পরিষ্কারভাবে
- 1:02:01শুনতে পায় এবং নিশ্চিত হয় সেটা ওর মনের ভুল নয়।
- 1:02:06মিম ভাব ছিল ওই বিল্ডিং এ বোধ হয় রাত্রে কেউ ড্যান্সের প্র্যাক্টিস
- 1:02:09করছে। তবে পর মুহূর্তে আবারও ভাবে যে এত
- 1:02:14রাত্রে তো কারও এভাবে ডান্স প্র্যাক্টিস করার কথা নয়, তাহলে
- 1:02:18নূপুরের আবাসটি কোথা থেকে আসছে? মিম যখন এসব ভাবছিল তখন ওর মনে
- 1:02:23হতে থাকে যে। নূপুরের শব্দটি আস্তে আস্তে বেড়ে
- 1:02:28যাচ্ছে এবং ওর এমনটা মনে হচ্ছিল যে আওয়াজটি ওই লিভিং রুমের দিকেই
- 1:02:33এগিয়ে আসছে। ঠিক ও যেখানে শুয়ে আছে।
- 1:02:38যে কোনও অশরী নূপুর পায়ে হাওয়ায় হেঁটে হেঁটে ওর দিকে
- 1:02:42অগ্রসর হচ্ছে। ওর এতটাই ভয় লাগছিল যেও
- 1:02:46নড়াচড়াও করতে পারছিল না। এক পর্যায়ে আওয়াজটি লিভিং রুমের
- 1:02:50জানালার একদম কাছাকাছি চলে আসে এবং তখনই ঘরের ভেতরে ওর পায়ের
- 1:02:56দিকে জোরে করে কোনও একটি জিনিস পড়ে যাওয়ার শব্দ হয়।
- 1:02:59ওই শব্দটি হওয়ার সাথে সাথেই সে নূপুরের আওয়াজটি একদম থেমে যায়।
- 1:03:04এরপর আর কিছু শোনা যায় না এবং রাতের নিয়মে চারপাশ একদম নিশ্চুপ
- 1:03:10হয়ে যায়। অনেক ভয় পাওয়ার কারণে কিছুতেই
- 1:03:13মিমের ঘুম আসতে চাইছিল না। কিন্তু পরদিন যেহেতু বাসায়
- 1:03:16মেহমান এসেছিল মানে ওইদিন যেহেতু বাসায় মেহমান এসেছিল তাই উঠে
- 1:03:20লাইট জ্বালিয়ে বাসার অন্যদেরকে ডাকাডাকি করতে গেলে পেয়মানরা
- 1:03:24হয়তো বা বিরক্ত বোধ করবেন এবং তারা অন্য কিছু ভাবতে পারেন যে এই
- 1:03:29মেয়েটি কি আবার জিনে ধরছে কি না বা এই টাইপের কিছু কিনা।
- 1:03:32এই টাইপের অনেক কথাবার্তা ছড়িয়ে যেতে পারে তো বিষয়টি সে মনের ভুল
- 1:03:38ভেবেই মনকে বারবার সান্ত্বনা দিতে থাকে।
- 1:03:40কিন্তু সে জানে যেটি তার মনের ভুল নয়।
- 1:03:44যাই হোক সে চুপচাপ শুয়ে থাকে। এবং ফজরের আজানের পর তাঁর ঘুম
- 1:03:48এসেছিল। এর আগে তার ঘুমে আসেনি।
- 1:03:52সকালে তাঁর আম্মু ডাকে। ঘুম ভাঙে যেহেতু ঘুম থেকে উঠতে
- 1:03:57বেশ দেরী হয়েছিল তাই মেম তাড়াতাড়ি করে রেডি হয়ে স্কুলে
- 1:04:00চলে যায়। এরপর স্কুল শেষেও যখন বাসার দিকে
- 1:04:04ফেরে তখন লিভিং রুমের দরজার উপরের দেয়ালের দিকে ওর চোখ যায়।
- 1:04:08সেখানে আল্লাহ লেখা কাবা শরীফের একটি ফ্রেম করা ছবি লাগানো ছিল।
- 1:04:13কিন্তু ছবিটি তখন সেখানে না থাকায় জায়গাটি খালি খালি
- 1:04:17লাগছিল। যার কারণে ওখানেও নজর পরে।
- 1:04:20প্রেম তখন ওর আম্মুর কাছে ছবিটি কোথায় তা জানতে চায়।
- 1:04:22তখন তারা আম্মু বলে যে ঘুম থেকে উঠে উনি লিভিং রুম এসে দেখেন যে
- 1:04:27কাওয়া শরীফের ওই ছবিটি মাটিতে পড়ে আছে।
- 1:04:29উনি ছবিটি উঠিয়ে হাতে নিয়ে দেখতে পান যে ছবিটি দেয়ালে
- 1:04:34লাগানোর জন্য যে রশিটি ছিল সেই রশিটি ছিঁড়ে গিয়েছে।
- 1:04:37আর তাই এটি পড়ে গিয়েছিল। তাই উনি ছবিটিকে।
- 1:04:41আবার দেয়ালে নাটা নিয়ে টেবিলের উপর রেখে দিয়েছেন।
- 1:04:45এ কথা শুনে মিম রুমে গিয়ে দেখে ছবির টেবিলের উপর রাখা আছে।
- 1:04:49তখনই মুছতে পারে যে গত রাতে ও একটি জিনিস পড়ে যাওয়ার জোরালো
- 1:04:54শব্দ শুনতে পেয়েছিল সেটি আসলে ওই ছবিটি পড়ে যাওয়ারই শব্দ ছিল।
- 1:04:59এরপর মিম তারা আম্মুকে গতরাতে ঘটেছে।
- 1:05:03ঘটনাটি খুলে বলে উনি সবকিছু শুনে বিষয়টি কিছুটা আন্দাজ করতে
- 1:05:08পারলেও ভীম হয়তো ঘুমের ঘোরের স্বপ্ন দেখেছে বলে তাৎক্ষণিক ভাবে
- 1:05:12মিমকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু মিম ভাল ভাবেই জানতো যেটি
- 1:05:16কোনও স্বপ্ন ছিল না। আর তার মাও ভালো করে বুঝতে
- 1:05:19পেরেছিল যে আসলে স্বপ্নের ঘরে বিষয়টি দেখেনি মূলত এই বিষয়টি।
- 1:05:25ঘটনা ঘটার শুরু ছিল। মানে এটা দিয়ে শুরু হয়েছিল।
- 1:05:29যাইহোক এই ঘটনা কয়েকদিন পর ওই বিল্ডিং এর দ্বিতীয়তলার একজন
- 1:05:33আন্টি। নিজের আম্মুর সাথে গল্প করতে
- 1:05:35আসেন। কথা প্রসঙ্গে উনি ওনার একটি
- 1:05:38ভয়ানক অভিজ্ঞতার বিষয়ে। তাঁকে বলেন একদিন।
- 1:05:44বিকেলবেলা অবসর সময় উনি সেলাই করার জন্য নাকি সুই সুতা নিয়ে
- 1:05:48বসেছিলেন। উনি শুয়ে সুতা পরানোর চেষ্টা
- 1:05:52করছিলেন এবং শুয়ের ছিদড়ে সুতা প্রায় পরিয়ে ফেলেছেন।
- 1:05:58এমন সময় উনার হাতটি অদ্ভুতভাবে খালি ডানে বায়ে সরে যায়।
- 1:06:03ওরা মনে হচ্ছিল কেউ যেন আস্তে করে উনার হাতে ধাক্কা দিয়ে হাতটি
- 1:06:06সরিয়ে দিচ্ছে। উনি শুরুর দিকে বিষয়টিতে খুব
- 1:06:11বেশি গুরুত্ব না দিয়ে আবারও সুতপাড়ানোর চেষ্টা করেন।
- 1:06:14কিন্তু এবারও একই রকম ঘটনা ঘটে ফিউলিশনার। ্স
- 1:06:18আপনারা জানেন যে শুয়ে সুতাপর্ণ কিন্তু বেশ সূক্ষ্ম একটি কাজ।
- 1:06:23আর উনি এই কাজে বেশ সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
- 1:06:26কিন্তু অদ্ভুত ভাবে উনি বারবারই অস্বাভাবিক ভাবে ব্যর্থ হচ্ছিলেন।
- 1:06:30আর এই কারণে উনি কিছুটা বিরক্ত নেই।
- 1:06:33নিয়ে বলে ওঠেন কি রে এরকম হচ্ছে কেন?
- 1:06:37তখনই এই ধরনের কথা উনি বলেছেন তখনই আচমকাই নাকি উনার কানের পাশে
- 1:06:43কর্কশ ও ভারী একটি কণ্ঠস্বরণী শোনেন এবং ভয়ানক ভাবে ফিসফিস করে
- 1:06:48কিছু 1:00 বলে ওঠে। কিন্তু কী যে বলেছেন।
- 1:06:51সেটা আসলে উনি বুঝতে পারেননি মানে।
- 1:06:55অদ্ভুত 1:00 শব্দ। কর্কশ শব্দ।
- 1:06:58কিন্তু এটা কোন ভাষায় যে কথা বলে উঠল।
- 1:07:00কী বলল, এটা ওনার বোধগম্য হল না। যদিও।
- 1:07:06উনি মানে বুঝতে পারেননি। কিন্তু কণ্ঠস্বরটা শোনার পর উনি
- 1:07:09প্রচণ্ড ভয়ে হাত থেকে সবকিছু ফেলে দিয়ে চিৎকার করতে করতে না
- 1:07:13রুম থেকে বের হয়ে যান। চিৎকার শুনে ওনার পরিবারের
- 1:07:15সদস্যরা ছুটে আসেন এবং ওনাকে পানি খেতে দিয়ে হাত পাখা দিয়ে বাতাস
- 1:07:19করতে থাকেন। শীতকাল ছিল ওই সময়টাতে।
- 1:07:22আর শীতকালে উনি একদম ঘেমে অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।
- 1:07:26কিছুটা স্বাভাবিক বোধ করার পর উনি সবাইকে বলেন যে ওনার সাথে কী
- 1:07:29ঘটেছিল? সব কিছু শোনার পর পরিবারের
- 1:07:33সদস্যরা অনেক বেশি অবাক হয়েছিলেন এমনটাও নয়।
- 1:07:36মানে এরকম টুকটাক ঘটনা মনে হয় ওই বিল্ডিং এ ঘর হামেশাই ঘটে এ রকম
- 1:07:41কম বেশি ঘটনা তাদের মোটামুটি জানা ছিল মাঝেমধ্যেই রাতে ওই বিল্ডিং
- 1:07:47এর ছাদের উপর নাকি বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত শব্দ শোনা যেত।
- 1:07:51যেমন কেউ পাঠাতে শীল নড়া দিয়ে মশলা পিছলে যেরকম শব্দ হয় অনেকটা
- 1:07:55সেই রকমের। আবার যারা পার্শ্ববর্তী লাঘব
- 1:07:58বিল্ডিংটির সাইডে থাকতেন তাদের মধ্যে অনেকেই গভীর রাতে দুটি
- 1:08:02বিল্ডিং এর মধ্যবর্তী যে সরু জায়গাটি রয়েছে সেখান থেকে একটি
- 1:08:06ছোট্ট বাচ্চার কান্নার আওয়াজ আসতে নাকি শুনেছেন।
- 1:08:11অথচ ওই ছোট্ট ফাঁকা জায়গায় এত সরু ফাঁকা জায়গায়।
- 1:08:17শুধু হয়তো বা কোনও 1:00 ইঁদুর হেঁটে যাওয়া সম্ভব একদম নিচে।
- 1:08:21এছাড়া কোনও মানুষের সন্তান একদম নবজাতক সন্তানও ওই জায়গায় থাকা
- 1:08:26সম্ভব নয়। কিন্তু শুধু ওই জায়গা থেকে
- 1:08:31কান্নার আওয়াজ ভেসে আসত। মিমের সাথে ঘটনাটি ঘটার বেশ কয়েক
- 1:08:36মাস পর ওরা পাশের বিল্ডিংটাতে শিফট হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- 1:08:41ওই বিল্ডিং এ আগে থেকেই মিমের চাচা থাকতেন তো ওরা যখন ওই
- 1:08:44বিল্ডিংয়ে একটি ফ্ল্যাট খালি পায় তখন আর সেখানে শিফট হয়ে
- 1:08:47যায়। নতুন বাসায় শিফট হওয়ায় বেশ
- 1:08:50কিছুদিন মোটামুটি। কোনও সমস্যা হয়নি।
- 1:08:55তবে এর মানে কিছুদিন পরে আর কি বিবেকদের স্কুল থেকে ফিরে বাসায়
- 1:08:59ঢুকতে যাবে এমন সময় ওদের পাশের ফ্ল্যাটে যে আন্টি থাকতেন উনি
- 1:09:03দরজা খুলে বের হয়ে মিমকে বিভিন্ন অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন,
- 1:09:08উনার আচরণ ছিল একদমই একটি ছোট বাচ্চার মতো।
- 1:09:12একে তো বাসায় নতুন। মানে তাঁরা এসেছে।
- 1:09:16তারপর ভাল করে কাউকে চেনেও না। তারপর ওই আন্টি রকম আচরণ দেখে সে
- 1:09:20কিছুটা ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়।
- 1:09:24পরবর্তীতে যখন ওর আম্মুকে আন্টি র বিষয়ে বলে তখন উনি অন্য এক
- 1:09:28প্রতিবেশীর কাছ থেকে ওই আন্টির বিষয়ে জানতে চান।
- 1:09:31তখন জানতে পারেন উনি মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন।
- 1:09:35যার কারণে নাকি অনেকের সাথে এই ধরনের ব্যবহার করেন।
- 1:09:38ছোট বাচ্চার মতো আচরণ করেন। ঠিক 1:00 বাচ্চা মানুষ যেভাবে
- 1:09:41আচরণ করে ওই প্রতিবেশীর কথা শুনে মিমের আম্মু বুঝতে পেরেছিলেন যে
- 1:09:46উনি। ওই আন্টি সম্পর্কে এমন কোনও কথা
- 1:09:52আরও জানেন যেটা হয়তো তাকে বলতে চাচ্ছে না তো যাই হোক ভদ্রতার
- 1:09:55খাতিরে ওনাকে আর তেমন কিছু জিজ্ঞেসও করেনি।
- 1:09:58কিন্তু আরও ভয়ানক ঘটনা কিন্তু সামনে ছিল একদিন দুপুরে হঠাৎ করে
- 1:10:03মেমদের পাশের ফ্ল্যাট থেকে চেঁচামেচের আওয়াজ শুনে ওরা দরজা
- 1:10:06খুলে দেখে যে। ওই বিল্ডিং এর অনেকে সেখানে
- 1:10:10উপস্থিত হয়েছে। মিমলা কৌতুহলবশত।
- 1:10:12সেখানে গিয়ে দেখে যে ওই যে আন্টি আগের দিনের মধ্যে উচ্চ সরে
- 1:10:15বাচ্চাদের মতো বিভিন্ন অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন।
- 1:10:19কিন্তু যখনই উনি ওখানে মিমকে দেখতে পান তখন দৌড়ে গিয়ে খপ করে
- 1:10:25বিমের হাত চেপে ধরেন। এবং বলেন যে এই মেয়ে আমার সাথে
- 1:10:28আসো। সোফায় বসো তার পাশে সোফায় বসান।
- 1:10:32ভীম খুবই অস্বস্তি বোধ করছে এবং ভয় পাচ্ছিল।
- 1:10:34কিন্তু চুপচাপ সে সোফায় বসে পড়ে কোনও কথা বলছিল না।
- 1:10:38আর সোফায় বসার পর পরই ওই আন্টি আবারও অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে
- 1:10:43থাকেন যে কথার আগামতা কিচ্ছু নেই। তখন উপস্থিত সভায় বিভিন্ন ধরনের
- 1:10:48কথা বলে একটি বাচ্চাকে যেভাবে বোঝানো হয় সেভাবে ওনাকে শান্ত
- 1:10:50করার চেষ্টা করে। মনে রাখা ভাল যে উনার একটি মেয়ে
- 1:10:54ছিল যে এতক্ষণ খাটের পাশে দাঁড়িয়ে একদম চুপ করে সব কিছু
- 1:10:57শুনছিল। ওই আন্টি যখন কিছুটা শান্ত হলেন
- 1:11:01তখন সবাই ওই মেয়েটিকে বলে। যেহেতু ওই আন্টি আরেকটা অসুস্থ।
- 1:11:05যেহেতু তাই ওনাকে বিভিন্ন কাজে ওই মেয়ে যেন সহযোগিতা করে একথা শোনা
- 1:11:09মাত্র। মেয়েটি চোখ বড় বড় করে খুব
- 1:11:11ভয়ানক ভাবে সবার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে।
- 1:11:14মানে নিজের মাকে সাহায্য করবে কথা বলার ফলে সে মনে হয় খুব বিরক্ত
- 1:11:18হয়েছে। রাগও হয়েছে এবং অবাক হয়েছে।
- 1:11:21এরপর ওই রুম থেকে এসে বের হয়ে বারান্দায় চলে যায়।
- 1:11:25কয়েকদিন পর মেয়ে চাঁচি যখন ওদের বারান্দায় এসেছিলেন, তখন উনি
- 1:11:28জানান যে ওই আন্টি এবং ওনার মেয়ের উপর নাকি বেশ কয়েকটি
- 1:11:32ভয়ানক জিনের আঁচড় রয়েছে। এ বিষয়ে যখন একজন হুজুরকে ডেকানা
- 1:11:37হয়েছিল তখনই জানান, ওই জিনেরা খুবই শক্তিশালী এবং তারা চায় না
- 1:11:40যে ওই বাসায় কেউ থাকুক। তাই কোনও গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন
- 1:11:44হতে না চাইলে ভাষাটি ছেড়ে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
- 1:11:47কিন্তু ওই সময় আন্টিদের আর্থিক বেশ কিছু সমস্যা চলার কারণে ওরা
- 1:11:51হঠাৎ করে বাসাটি পরিবর্তন করে অন্য কোথাও শিফট করার মতো
- 1:11:54অবস্থায় ছিলেন না। তাই একরকম বাধ্য হয়েই এতসব
- 1:11:57সমস্যা উপেক্ষা করে ওনাদের থাকতে হচ্ছিল।
- 1:12:01মিমের চাচি আরও বলেন যে, ওই বিল্ডিং এর স্বাদের নিজ তলায়
- 1:12:04যারা থাকেন তাঁরা নাকি রাতের বেলা ছাদের উপর থেকে খারাপ পায়ে
- 1:12:10পায়ের আওয়াজ শুনতে পান। শব্দটি অনেকটা এমন যে কোনও বাচ্চা
- 1:12:14খালি পায়ে ছাদের একপাশ থেকে আর একপাশে দৌড়াদৌড়ি করছে।
- 1:12:18এই শব্দটি বেশির ভাগ দিনই গভীর রাতে শোনা যেত।
- 1:12:22একটি ঘটনা। একদিন ওনারা রাত 9:00 টার দিকে এই
- 1:12:26শব্দটি শুনতে পান। তখন ওনারা ছাদে উঠে কাউকে দেখতে
- 1:12:31পান না। তবে ওরা লক্ষ্য করেন যে, ছাদে
- 1:12:35থাকা দোলনাটি আস্তে আস্তে দুলছে কোনও বাতাস।
- 1:12:40কিন্তু চারদিকে ছিল না। আমি ভারী দোলনাটা দোলার মতো
- 1:12:43বাতাসের যে ধাক্কা সেটিও ছিল না সেই সময়।
- 1:12:48তো দেখে মনে হচ্ছিল এটি বাতাসে দুলছে না।
- 1:12:51মনে হচ্ছিল যে কেউ দোলনায় অনেকক্ষণ বসে থাকার পর যখন মাত্রই
- 1:12:56উঠে চলে যায় ঠিক যেভাবে দুলতে থাকে ঠিক সে ভাবে তুলছে ওরা।
- 1:13:02তখনকার মতো ছাদ থেকে যদিও নেমে আসেন এবং পরদিন সকালে বিল্ডিং এর
- 1:13:06দারোয়ানকে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত করেন।
- 1:13:09সব শুনে দারোয়ান বলেন, এগুলো কোনও সমস্যা নয়।
- 1:13:13দারোয়ান ওনাদেরকে উল্টো পরামর্শ দেন।
- 1:13:15এসব আওয়াজ উপেক্ষা করতে এবং রাতের বেলা অন্য জন্য কোনও অবসতি।
- 1:13:18আর ছাদের না ওঠেন তো এটা তো কোনও সমাধান হল না।
- 1:13:23স্বাদে উঠতে মানা করছে কেন নিশ্চয় কোনও সমস্যা আছে।
- 1:13:26এরপর আরও বেশ কয়েক মাস কেটে যায়।
- 1:13:30এক রাতে মিম অদ্ভুত একটি স্বপ্ন দেখে মিম দেখেছে স্বপ্নের মধ্যেও।
- 1:13:36একইভাবে কেউ ওর রুমে। শুয়ে আছে তখন ওর রুমের দরজা একটু
- 1:13:43একটু করে খুলে যেতে থাকে। মানে সে ওই স্বপ্নের মধ্যে রুমে
- 1:13:48শুয়ে ছিল। আরও রুমের দরজাটা একটু একটু করে
- 1:13:50খুলে যাচ্ছিল। ডিম লাইটার নীলাভ আলোয় ও দেখতে
- 1:13:54পায় যে দীর্ঘকায় কালো ছায়ার মতো একটি অবয়ব দরজা দিয়ে রুমে
- 1:13:59প্রবেশ করছে। ওই অভয়টি রুমে ঢুকে ওর দিকে
- 1:14:03এগিয়ে আসতে থাকে। ওই অবয়বটিকে দেখে ভয়ে মিম
- 1:14:07চিৎকার করতে থাকে। অভাবটি ওর বিছানার পাশে এসে
- 1:14:10শক্তভাবে ওর গলা চেপে ধরে গলায় অনেক ব্যথা অনুভব করছিল।
- 1:14:15চেষ্টা করতে থাকে যে নিজেকে যেন সে ছাড়িয়ে নিতে পারে।
- 1:14:19এমন সময় হঠাৎ করে নিজের ঘুম ভেঙে যায় এবং প্রচণ্ড অস্বস্তিতে উঠে
- 1:14:22বসে। ওষমাসে ফিল করে ওর গলায় বেশ
- 1:14:26ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। এও সে বোধ করে যে এটি স্বপ্নের
- 1:14:30মধ্যে হয়েছে। কিন্তু আরও বেশি অবাক হয় যখনও
- 1:14:35দেখে যে রুমের দরজাটি খোলা রয়েছে ঠিক যেমনটা স্বপ্নে দেখেছিল।
- 1:14:41কিন্তু স্পষ্ট মনে ছিল যে ঘুমানোর আগে সে খুব ভালোভাবেই দরজাটি লাগে
- 1:14:45তারপরে ঘুমিয়েছে এবং সে এভাবে প্রতি রাতে ঘুমায় দরজা লাগিয়ে
- 1:14:49সে ঘুমায়। তখন মিমের খেয়াল হয়।
- 1:14:52স্বপ্নে ও দেখেছিল যে সেই ছায়ার মতো অভাবটি আস্তে আস্তে ওর রুমের
- 1:14:57দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। বিষয়টি মনে আসার পরপরই ওর ভয়ের
- 1:15:01মাত্রা আরও অনেক গুণ বেড়ে যায়। উঠে গিয়ে ওর আব্বু আম্মু সকলকে
- 1:15:06ঘুম থেকে ডেকে তোলে এবং সবকিছু ওদেরকে জানায়।
- 1:15:10পিঁয়ের আব্বু দোয়া পরে ওকে সু দিয়ে দেন।
- 1:15:13সেই রাত্রে মিমের আর ঘুম হয়নি। সবাই চিন্তা করেছিল যে দ্রুত
- 1:15:20বাসাটা ছেড়ে দেবো। আর এর মধ্যে আর কোনও ঘটনা হয়তো
- 1:15:23বা ঘটবে না। কিন্তু কে জানত যে আরও একটি
- 1:15:26ভয়ানক ঘটনা বিমের সাথে ঘটবে এই ঘটনা।
- 1:15:30এই ঘটনার 12 দিন পর মিম। তার রুম এই লেখা পড়া করছিল।
- 1:15:37তো মিম। কোনও কারণে তার রুম থেকে বাইরে
- 1:15:41বের হয়ে এসেছে। মানে অন্য রুমে গিয়েছে তার ঘরের
- 1:15:45লাইট টাইট সব জ্বালানো ছিল তো অন্য রুমে গিয়ে তার আব্বা আমার
- 1:15:48সাথে কথা বলে। সে আবার তার রুম এর মধ্যে ঢুকছিল।
- 1:15:53হঠাৎ করে দেখে তার খাটের উপরে। পুরো শরীর কম্বল দিয়ে আবৃত কেউ
- 1:16:01একজন বসে ঢুলে ঢুলে উচ্চস্বরে কিছু পড়ছে অনেক।
- 1:16:06সময় আমরা ঢুলে ঢুলে মানুষকে পড়া দেখি না ওরকম।
- 1:16:11ওই সময় কিন্তু শীতকাল আবার ছিল না।
- 1:16:13শীতকাল চলে গিয়েছিল। তখন।
- 1:16:18কম্বলটা যে কোথা থেকে এলো সে বুঝতে পারছি না।
- 1:16:22কারণ কম্বলটা তার রুমে ছিল। কিন্তু অন্য জায়গায় রাখা ছিল
- 1:16:25গায়ে দেওয়ার জন্য নয় তো ওই কম্বলটা মানে তার তাদের ঘরের
- 1:16:30কম্বল টাই ওটা তার রুমে ছিল। ওই কম্বলটা দিয়ে পুরো শরীর আবৃত
- 1:16:34করে এরকম ঢুলে ঢুলে পড়ছে। আর গলার আওয়াজটা ছিল।
- 1:16:37বেশ কর্কশ এবং গড়গড় গড়গড় করছে।
- 1:16:39এরকম 1:00 কী যে পড়ছে কিছু বোঝা যাচ্ছে না তো মিম চিন্তা করে কী
- 1:16:43ব্যাপার ঘরের মধ্যে কোত্থেকে আসলো তার অন্য ভাই বোনরা আবার এসে এরকম
- 1:16:48করে পড়ছে না তো তাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে না তো তো সে একটু
- 1:16:53ভয়ে ভয়ে কি করে কম্বলের একপাশ ধরে এক ঝটকায় কম্বল টি।
- 1:16:58সরিয়ে ফেলে। সরিয়ে ফেলার সাথে সাথে দেখে ওই
- 1:17:02কম্বলের মধ্যে কিচ্ছু নেই। শুধু মনে হল 1:00 কালো ছোট্ট 1:00
- 1:17:07ছায়ার মতো ধপ করে জানালা দিয়ে বের হয়ে চলে গেল।
- 1:17:13এই দৃশ্য দেখার সাথে সাথে। দিন চিৎকার দিয়ে শেষ লেস হয়ে
- 1:17:18পড়ে যায় এরকম ভয়ানক ঘটনা আসলে ওর সাথে যে বাস্তবে ঘটে যাবে এটি
- 1:17:24আশা কেউ বুঝতে পারেনি। এই ঘটনা ঘটার পরেই তার বাবার
- 1:17:29সিদ্ধান্ত নেয়। আর নয় মাস শেষ হওয়ার আগেই দ্রুত
- 1:17:32ওই ভাষাটি ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই তো ভালবাসা আসলে
- 1:17:36পাওয়াটা অনেক কঠিন। কিন্তু যত কঠিনই হোক আরও গুরুতর
- 1:17:40ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আগেই এই বাসা ত্যাগ করতে হবে।
- 1:17:45তো। সেই বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার
- 1:17:49সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর একদিন ওদের বাসার যে কাজের মহিলা,
- 1:17:54সে যখন কাজে আসে তখন মিমের আম্মু ওই মহিলাকে পুরো বিষয়টি জানান
- 1:18:00এবং বলেন যে, ওরা যে নতুন বাসায় শিফট হবে সেখানে যদি মহিলাটি কাজে
- 1:18:03যেতে পারে তাহলে মিমের আম্মু ওই মহিলাকে কাজে বহাল রাখবেন।
- 1:18:08তখন ওই কাজের খাল মানে খালা বা বুয়া বাসার এই বাসা ছেড়ে দেওয়া
- 1:18:12যখন কারণ জানতে চায়। তখন আমো হালকা ভাবে ওনাকে
- 1:18:15বিষয়গুলো বলেন, সব শুনে ওই কাজের খারাপ বলেন।
- 1:18:20ওদের বাসাটি যে গলিতে অবস্থিত ওই গলির রাস্তাটিকে মানে রাস্তায় এই
- 1:18:25রাস্তাটা ঘিরে নাকি অনেক ভয়ের বিষয় রয়েছে এবং এলাকার অনেকেই
- 1:18:28নাকি বিষয়টি সম্পর্কে জানেন। ওই সময় মুফায় বসে টিভি দেখছিল
- 1:18:33তো কাজের খালার মুখে। এ কথা শুনে ও বিষয়টি সম্পর্কে
- 1:18:38খালার কাছে জানতে চাই। তখন খালা বলেন, একটি ভয়ানক
- 1:18:40ব্যাপার। তিনি বলেন, ওই এলাকার অনেকেই গভীর
- 1:18:43রাতে এই রাস্তা দিয়ে চলার সময় নাকি দেখেছে রাস্তার পাশে একটি
- 1:18:47লাল শাড়ি পরা বউ ঘোমটা দিয়ে বসে আছে।
- 1:18:51তাঁরা যখনই সেই মহিলাটিকে অতিক্রম করে হেঁটের সামনের দিকে এগিয়ে
- 1:18:55যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন নাকি সেই মহিলা পেছন থেকে খুবই মিষ্টি
- 1:18:59গলায় ডাক দেয় এবং বলে আমাকেও সাথে নিয়ে যাও।
- 1:19:05এভাবে ওই মহিলাটি বিভিন্ন ভাবে অনুনয় বিনিময় করতে থাকে এবং বলে
- 1:19:10একবার হলেও পেছন দিকে ঘুরে তার দিকে।
- 1:19:12কেন কেউ তাকায়? কিন্তু এলাকার সবারই কমবেশি জানা
- 1:19:17রয়েছে যে একটি পেছনে ঘুরে যদি কেউ তাকায় তাহলে ভয়ানক বিপদ হতে
- 1:19:21পারে। এরকম ঘটনা নাকি ওই এলাকায় অনেক
- 1:19:27ঘটেছে এবং অনেকেই বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন।
- 1:19:32ওই কাজে খেলা আরও বলেন যে, একসময় এই এলাকার চারপাশে শুধু পানি ছিল।
- 1:19:37পরবর্তীতে মাটি ফেলে জলাশয়গুলো ভরাট করে এই বিল্ডিংগুলো নির্মাণ
- 1:19:41করা হয়। মিমরা এখনও ওই এলাকাতেই অন্য একটি
- 1:19:45বাসায় থাকে। তবে।
- 1:19:48ওই আগের বাসাটি মূলত পরিবর্তন করার পর থেকে বিমের সাথে আর কোনও
- 1:19:52ভয়ানক ঘটনা ঘটেনি। তো এটি ছিল ঘটনা প্রিসেন্টার্স।
- 1:19:59আশা করছি। এই ঘটনা ছোট ছোট যে কয়েকটি
- 1:20:04ব্যাপার একত্র করে বললাম, এটা সত্য ঘটনা।
- 1:20:09আর ওই এলাকাতে স্পেশালি যদি সবুজ বাঘ ওই সাইডে যারা থাকেন তা যদি
- 1:20:15এলাকাটি চিনে থাকেন তাঁরা অবশ্যই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে আপনারা
- 1:20:19অবগত আছেন তো ধন্যবাদ সৌমিত্র রায়কে একটি সত্য ঘটনা ভূত ডট কমে
- 1:20:26যেন আমি শেয়ার করি। এজন্য আমাকে তিনি দিয়েছেন।
- 1:20:29আবারও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভদ্রকমীর সকল লিসেনারকে।
- 1:20:34আশা করছি আপনার সবাই ভূত ডটকমের সাথে থাকবেন।
- 1:20:36রাসেলের সাথে থাকবেন। আমাদের সকলের সাথে থাকবেন।
- 1:20:46আচ্ছা। শুনতে পাচ্ছেন সত্যটা।
- 1:22:04আপনাদের সবাইকে আরও একবার স্বাগত জানাচ্ছি।
- 1:22:06আমি রাসূল আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং ভালোর দলে আছেন
- 1:22:09চাঁদরাতে কারও তো ঘুম আসে না এবং চাঁদ রাত মানেই আনন্দ উচ্ছলতায়
- 1:22:15কাটিয়ে দেওয়ার দিন আনন্দ উচ্ছলতায় কাটিয়ে দেওয়ার সময়
- 1:22:19এবং চাঁদরাতের এই খুশিতে আপনারাও সামিল হন এবং ভূত.কম এর সাথে
- 1:22:24থাকুন সেই। আশাই করব এবং আমি দেখতে পাচ্ছি যে
- 1:22:27আমাদেরকে অনেকেই লিখছেন আমাদেরকে লিখছেন মহাদি হাসান লিমন, মেহেদী
- 1:22:33হাসান লিমন এবং আমাদের সাথে আছেন জাকির হোসেন।
- 1:22:37ঈদ মোবারক জানিয়েছেন, তিনি আমাদের সাথে আছেন অনামিকা জাহান
- 1:22:40এবং তিনি মোবারক জানিয়েছেন, হুমায়রা বিনতে কাবির তানিয়া
- 1:22:43আমাদের সঙ্গে আছেন। ঈদ মোবারক জানিয়েছেন।
- 1:22:46সাব্বির হোসেন সাকিব আমাদের সাথে আছেন লিখেছেন অপেক্ষায় আছি।
- 1:22:50আমরা যদি দেখি ও আমার হঠাৎ করে দেখলাম যে আমার কাছে হচ্ছে আমি
- 1:22:56সরি তো আমি এখানে দেখতে পাচ্ছি যে অনেকেই আমাদের সাথে আছেন এবং
- 1:22:59অনেকেই আমাদেরকে লিখছেন এবং আমাদের সাথে যারা আছেন তাদেরকে
- 1:23:03অনেক ধন্যবাদ জানাই যে আমাদের সঙ্গে এতটা রাত পর্যন্ত ঈদের
- 1:23:07সময়টা তো ব্যস্ততায় কাটে। তারপরে যে সময় দিচ্ছেন।
- 1:23:10এটা আমাদের জন্য আসলে অনেক বড় 1:00 ব্যাপার এবং আমি বিশ্বাস করি
- 1:23:15যে আপনারা ভবিষ্যতেও এবং বাকিটার সময় আমাদের সঙ্গে এভাবেই থাকবেন।
- 1:23:19আমি দেখতে পাচ্ছি যে অনেকেই আমাদেরকে কমেন্ট করছেন তারপরে
- 1:23:24মেসেজ পাঠাচ্ছেন। তারপরে আপনারা লিখছেন ঈদ মুড়িদের
- 1:23:29সঙ্গে জানাচ্ছেন, আমি যেতে পারছি সুদীপ।
- 1:23:32আর সুদীপ বিশ্বাস সুদীপ বিশ্বাস আমাদের লিখেছেন, ইদমবারক রিয়াজুল
- 1:23:36ইসলাম লিখেছেন, ইদমবারক মডি বিলাল খান আমাদেরকে ঈদ মোবারক
- 1:23:40জানিয়েছেন, প্রিন্স মাহমুদ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে।
- 1:23:43রাসুল ভাই থ্যাংক ইউ সো মাচ আমাদের সাথে এবং তিনি মোবারকও
- 1:23:46জানিয়েছেন আমাদের সাথে মডি করিম সৌরভ, শেখ মেহেদি মামুন,
- 1:23:51মোহাম্মদ। মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদ হোসেন
- 1:23:55খান রায়, রিয়াক রিয়ানা, রিয়ান্কা, রিয়ান্কা ইসলাম।
- 1:24:01আমি আমি রক ডিএম স্বপন সহ আরও অনেকে আমাদের ঈদ বড় জানিয়েছেন
- 1:24:06অমিত বড়ুয়া লিখেছেন, আমাদের সাথে যে সুপার ডুপার স্টোরি ছিল
- 1:24:09আসিফের এটা পুরা 40 54 মিনিটস এই স্টোরি টা মন দিয়ে শুনলাম।
- 1:24:16মাঝখানে তো নিজেই ভয়েই কিছু কিছু কাঁচুমাচু করছিলাম।
- 1:24:21থ্যাংক ইউ সো মাচ রাসুল ভাই থ্যাংক ইউ ইয়ার মোস্ট ওয়েলকাম।
- 1:24:24রুম্মু আমাদের সাথে আছেন লাইভ শুনতে পারলাম না খারাপ লাগছে
- 1:24:27কালকে রেকর্ডে টা শুনে নেব কালকে তো ঈদের দিয়ে আপনি আরও ব্যস্ত
- 1:24:30থাকবেন জানি না শুনতে পারবেন কি না তবে শুনেন কিন্তু নুরা ইসলাম
- 1:24:33আমাদের সাথে আছেন চাঁদপুর থেকে আমাদের সাথে আছেন এইচ এম শাওন
- 1:24:38হোসাইন আমাদের সাথে আছেন কে এস কে এস আর।
- 1:24:42এ হ ম আছেন সাঈদ আহমেদ। আমার সাথে আছেন মডি লুবাইয়ের
- 1:24:47হোসেন লিজান। আমাদের সাথে আছেন দেখতে পাচ্ছি
- 1:24:50আরিয়ান রাকিব আমাদের সাথে আছেন টি আই মিথুন সহ আরও অনেকে থ্যাংক
- 1:24:54ইউ ভেরি মাচ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য এবং আমাদেরকে এইভাবে সাপোর্ট
- 1:24:58দেওয়ার জন্য আমরা যে আজকে যে এপিসোডটি করছি সেই এপিসোডে
- 1:25:02আপনাদের এই অংশগ্রহণ। আমার জন্য বিরাট 1:00 ব্যাপার এবং
- 1:25:06আপনারা যে আমাদের সঙ্গে আছেন এটা আমার জন্য অনেক বড় 1:00 পাওয়া।
- 1:25:09এই বিষয়টি আমি সবসময় মাথায় রাখব যে ভূত.কম আমার পরিবার এবং
- 1:25:14আপনারা মাথায় রাখবেন। আশা করি যে ভূত.কম আপনাদের পরিবার
- 1:25:18এবং যে কোনও আয়োজনে যে কোনও শুরুতে যে কোনও সময় ভূত.কম আপনার
- 1:25:23পাশে আছে। এবং ভূত ডটকম বলতে যেমন আমি আমাকে
- 1:25:27এবং আমার টীম কে বোঝাচ্ছি ঠিক একই ভাবে আপনাদেরকেও বোঝাচ্ছি সো আমরা
- 1:25:31সবাই সবার জন্য তানভীতি তুষারির ঘটনা।
- 1:25:33শুনলাম আফগানান ভাইয়ের ঘটনা। শুনলাম হুমায়রা ভাবির ঘটনা আমরা
- 1:25:37শুনে আসব ইটস এ বিউটিফুল স্টোরি আমার মনে হয় যে আপনারা সবাই যারা
- 1:25:41শুনছেন তারা পছন্দ করবেন চলুন কথা না বাড়িয়ে সরাসরি আমরা ঘটনায়
- 1:25:45চলে যাই তারা কিছু জানিয়ে দিই আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে
- 1:25:48রাসেল ডাট ভূত ডট কমে। ডট কম, আপনার নাম ঠিকানা এবং ফোন
- 1:25:51নাম্বার সহ আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া এবং আপনার জানা সেরা ঘটনা
- 1:25:55লিখে পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। ঘটনার শুরুতে অবশ্যই উল্লেখ করুন
- 1:25:58যে আপনি স্টুডিওতে ঘটনা শেয়ার করতে চান নাকি আপনি চান আপনার
- 1:26:02ঘটনা আমরা পড়ে শোনাই কোরবানীদের জন্য আমরা কিন্তু স্টোরি কালেক্ট
- 1:26:05করতে শুরু করব। নেক্সট উইক থেকে।
- 1:26:07সুতরাং আপনারা যারা কোরবানি ঈদে পার্টিসিপেট করতে চান এখনই
- 1:26:10জানিয়ে দিন আপনার স্টুডিওতে এসেও পার্টিসিপেট করতে পারেন।
- 1:26:13কীভাবে পার্টিসিপেট করবেন আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস তো বলেই দিলাম,
- 1:26:16একটু আগে। আর এছাড়াও আমাদেরকে আপনারা রিচ
- 1:26:18আউট করতে পারেন। আমাদের ফেইসবুক পেজ এ এবং আমাদের
- 1:26:22যে ইউটুবে চ্যানেল রয়েছে সেখানে আপনি সাবস্ক্রাইব করুন।
- 1:26:25থ্যাংক ইউ সো মাচ আমরা চলে যাব। আমাদের পরবর্তী ঘটনায় আশা করছি
- 1:26:29আগের ঘটনাটির মতন এই ঘটনাটি আপনাদের আনন্দ দেবে।
- 1:27:11ভাবে লেখা আছে আমি সেভাবেই পড়ছি। আসসালামু আলাইকুম।
- 1:27:14রাসুল ভাই অনেকদিন পর লিখতে বসলাম আমি হুমায়রা ঢাকার মিরপুর থেকে
- 1:27:20বলছি আজকের ঘটনাটা একটু অদ্ভুত। আমার কাছে মনে হয় কেন অদ্ভুত
- 1:27:25বললাম সেটা ব্যাখ্যা করছি। মূলত যতবার এই ঘটনা শেয়ার করব
- 1:27:29বলে লিখতে নেই। কেন জানি না এক অজানা কারণে আর
- 1:27:33লেখা হয়ে ওঠে না। অথচ সংগৃহীত বা পণ্যের সাথে ঘটে
- 1:27:37যাওয়া ঘটনা শেয়ার করেছি বহুবার। কিন্তু আমার নিজের সাথে ঘটে
- 1:27:42যাওয়া এই ঘটনাটা আমি শেয়ার করেনি।
- 1:27:45যাই হোক কথা না বাড়িয়ে এবার ঘটনা।
- 1:27:48আমি চলে যাই। আমরা তখন।
- 1:27:51নতুন বাড়ি করি সেই বাড়িতে ওঠার কয়েকদিন পর এই ইনসিডেন্ট টা
- 1:27:55আমাদের সাথে ঘটেছিল। আমাদের বাড়ির একটু বর্ণনা।
- 1:27:59যেখানে আমাদের বাড়ি। তাঁর আশেপাশে কোনও বাড়ি ঘর ছিল
- 1:28:02না। খোলা মাঠে দুই দিকে পেছনে পুকুর
- 1:28:06আর সামনে 1:00 হাইওয়ে। বাড়ির পরিবেশটা এত সুন্দর বিকালে
- 1:28:10ছাদে উঠে তাকালে চারিদিক শুধু মাঠ।
- 1:28:13একটু দূরে 1:00 মেকনি বাগান। আর তার পাশে কালো পুকুর।
- 1:28:17এই পুকুরটার নাম কালো পুকুর কেন জানি না।
- 1:28:20তবে এটুকু জানি ওই পুকুরে অনেক মাছ আছে কিন্তু কেউ সেই মাছ ধরতে
- 1:28:25পারে না। কারণ ওখানে প্যারিনর্ম।
- 1:28:28কিছু বিষয় আছে সবার ধারণা ওখানে জিন থাকে।
- 1:28:32একবার হল কি আমাদের ওই দূরের এলাকা থেকে একদল জেলে আসল?
- 1:28:36ওরা বলল। আমরা শুনেছি আপনাদের পুকুরে নাকি
- 1:28:39মাছ ধরা যায় না। আমরা মাছ ধরে দিতে পারব।
- 1:28:42তবে শর্ত আছে মোট মাছের চার ভাগের তিন ভাগ আমাদের দিতে হবে তো।
- 1:28:48যার পুকুর সে ভাবল মোটেও ধরতে পারি না।
- 1:28:51যদি এক ভাগ পাই তাতে অনেক বেশি হয়ে যাবে সে রাজি হয়ে গেল।
- 1:28:56এরপর পুকুরে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিল ছেলেরা জাল ফেলল।
- 1:29:00এক দিক থেকে অন্যদিকে টেনে নেওয়া।
- 1:29:02হল চাল কিন্তু কোনও মাছ। ধরা পড়ল না কিছু মলাটেলা মাছ
- 1:29:07ছাড়া যেটা খুব বিরক্ত। মাছ না পেলে পোষাবে কীভাবে এত
- 1:29:12কষ্ট করে এতগুলো মানুষ খাটল। কোনও মাছ না ধরে বাড়ি যাবে এটা
- 1:29:17তো হতে পারে না এত মাছ। দেখা যাচ্ছে, অথচ জালে উঠছে না।
- 1:29:22তারা নতুন সিদ্ধান্ত নিল পাম্প। নিয়ে সেটি দেবে বামপানা হল।
- 1:29:26শেষ দেওয়ার জন্য। এরপর স্টার্ট হল জেলেরা বলাবলি
- 1:29:29করছিল, এবার মাছ তুমি না উঠে যাবে কই পুকুরে।
- 1:29:33সাইজও অনুযায়ী সেচ দিতে বেশি সময় লাগার কথা না।
- 1:29:36কিন্তু অস্বাভাবিক বেশি সময় লাগছে, পানি কমছে না।
- 1:29:40যাইহোক পানি সেচ হচ্ছে। এদিকে রাত হয়ে গেছে জেলেরা ওখানে
- 1:29:44চলে বসিয়ে রান্না করার আয়োজন করল।
- 1:29:46আর সবাইকে বলা হল। এতটা থেকেও মাছ ধরতে নামবে না।
- 1:29:50যা করার সকাল সকাল ভোররাতের দিকে পানি কমে আসল।
- 1:30:00সেট বন্ধ করে দেওয়া হল সবাই লাইট মেরে দেখল প্রচুর মাছ জেলা ভীষণ
- 1:30:06খুশি। সকালের আলো ফুটলেই তাঁরা মাছ ধরতে
- 1:30:09নামবে। এদিকে এলাকার লোকজনের ভেতরে ভীষণ
- 1:30:121:00 কৌতূহল ছিল এই পুকুর নিয়ে। তাই ভোর হতে তারাও হাজির হল মাছ
- 1:30:18ধরা দেখার জন্য। কিন্তু তারা আশ্চর্যজনকভাবে কোনও
- 1:30:22মাছ ধরতে পারল না। যখনই কাদের মধ্যে থেকে মাছ ধরে
- 1:30:25ছুটিতে রাখা হয় তখন তাঁরা দেখতে পায় সেটা মাছ নয় সাপ।
- 1:30:30তারপরে চোখের ভুল বাঙাল সিটেশন ভেবে আরও কিছুক্ষণ মাছ
- 1:30:35খোঁজাখুঁজির পর একে অন্যের কাছে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি মাছ দেখতে
- 1:30:38পাচ্ছ সাপ? এমন সময় উপর থেকে এলাকার লোকজন
- 1:30:41চিৎকার শুরু করল। সাপ সাপ বলে ভয় ছেলেরা সব পুকুর
- 1:30:46থেকে ছোটাছুটি করে উপরে উঠে গেল কারণ।
- 1:30:52পুকুর ভর্তি শুধু সাপ আর সাপ সে সাপগুলো যেন কোনও সাপ নয়
- 1:30:55সংখ্যায় 1:00 2:00 নয় 100 100 সাপ কেমন 1:00 পরিস্থিতি চিন্তা
- 1:31:00করুন। একজন মানুষ শুধু নয় এলাকার সব
- 1:31:03মানুষ জড়ো হয়েছে সেই সাপ দেখার জন্য।
- 1:31:06আমাদের এলাকার সকলেরই মনে আছে সেই ঘটনা এবং এলাকায় সেটা 1:00
- 1:31:10প্রচলিত ঘটনা হিসেবে বর্ণিত আছে আপনি শুনে অবাক হবেন এখনও সেই
- 1:31:15পুকুর আছে এবং সেখানে এখনও কেউ একা যেতে সাহস পায় না।
- 1:31:19দিনে দুপুরে কিংবা রাতে যখনই সেখানে কেউ যাবে 2:00 বা 1:00 সাপ
- 1:31:24নজরে পড়বেই। আর সেই ভয়ঙ্কর জায়গাতেই আমাদের
- 1:31:28বাড়ি। বাড়ির আশপাশের পরিবেশটা দেখলে
- 1:31:30আপনার অন্য রকম এক অনুভূতি হবে যে এটা ভয়ঙ্কর সুন্দর।
- 1:31:35যেখানে থাকতে আপনার ইচ্ছে করবে ভালো লাগবে এবং ভয়ও করবে।
- 1:31:38যাইহোক মূল ঘটনায় চলে যাই। আমরা নতুন বাড়িতে উঠলাম।
- 1:31:42একটু তাড়াহুড়া করে। কারণ আমার দাদুর শরীরটা ভাল ছিল
- 1:31:45না। বার্ধক্যজনিত কারণে দাদুর তখন
- 1:31:49মূর্ষ অবস্থা। আমার বাবা খুব চাইছিল তার বাড়িতে
- 1:31:53তার মা যেন কয়েকটা দিন হলেও থাকতে পারে।
- 1:31:55তাই এত তাড়াহুড়া আমরা নতুন বাড়িতে উঠলাম।
- 1:31:58চারিদিকে কোনও বাউন্ডারি নেই। ভয়ঙ্কর পরিবেশে ঠাঁই দাঁড়িয়ে
- 1:32:02আছে আমাদের সত্য করা সেই বাড়ি আমার দাদুর অবস্থা ভাল না ভুল ভাল
- 1:32:06কথা বলা শুরু করেছে। প্রলাপ বকছে এমন চলল সপ্তাহ
- 1:32:10খানেক। ওর তাদের জবান বন্ধ হয়ে গেল।
- 1:32:13এভাবে 5 দিন কথা বন্ধ ছিল তার তার সেই চিরবিদায়ের মুহূর্ত আসল তিনি
- 1:32:18মারা গেলেন। আত্মীয় স্বজন সবাই আসল বাড়ি
- 1:32:22ভর্তি লোকজন 1:00 অন্য রকম পরিবেশ এরকম কাটল 45 দিন।
- 1:32:26তারপর চেজার বাড়িতে চলে গেল। হয়ে গেলাম শুধু আমরা চার জন
- 1:32:29আম্মু আপু এবং আমরা দুই ভাই বোন মৃত বাড়ি কেমন ভয় ভয় লাগে
- 1:32:35শুনতে হলে কেমন থাম থামে পরিবেশ 1:00 কথা বলতে ভুলে গেছি বাড়িতে
- 1:32:40ওঠার পর থেকেই রাত হলে ঘরের চারিদিকে কেমন যেন 1:00 শব্দ
- 1:32:44পেতাম। মাঝে মাঝে বাড়ির ফ্রন্টের দিকে
- 1:32:46কলাপসিবল গেট ছিল সেটা ধরে কেউ জাকাতো ঝুলত।
- 1:32:52কিন্তু দরজা খুলে গেটের কাছে কাউকে পাওয়া যেত না।
- 1:32:55মাঝে মাঝে চাপা কান্নার শব্দ ভেসে আসত কী এক অদ্ভুত অনুভূতি বলে
- 1:33:00বোঝাতে পারব না। দাদি মারা যাবার 1:00 মনোকষ্ট
- 1:33:03সাথে এরকম ভৌতিক পরিবেশ আমাদের জীবনটা যেমন দুর্বিষহ করে তুলল।
- 1:33:09রাত হলে মনে হত এটা আমরা কোথায় আসছি এত ভয় লাগে।
- 1:33:13এখানে থাকব কীভাবে? আমার বাবা বলত নতুন বাড়িতে উঠলে
- 1:33:17প্রথম প্রথম এরকম লাগে হাসতে হাসতে ঠিক হয়ে যাবে সে এই ভৌতিক
- 1:33:22ব্যাপারগুলোকে কোনও ভাবে পাত্তাই দিচ্ছিল না।
- 1:33:27রাতের কথা বলি আমার বাবা। হঠাৎ অফিসের কাছে বাইরে গিয়েছিল।
- 1:33:31আর যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল সে আজ রাতে বাসায় ফিরবে না।
- 1:33:34এমনিতেই বাবা বাসায় থাকতে আমরা ভয়ে গুটিসুটি মেরে থাকি।
- 1:33:38আর বাবা না থাকলে আমরা কীভাবে থাকব?
- 1:33:41ভাবতেই পারছিলাম না। সন্ধ্যা হল আমরা তিনজন বাস।
- 1:33:45সায় সামনের গেট এবং পিছনের দিকে বের হওয়ার জন্য যে লোহার দরজা
- 1:33:48সেটা তালা দিয়ে দিই। আমরা নাস্তা খাচ্ছিলাম।
- 1:33:51হঠাৎ মনে হল চারিদিকে প্রতিদিনের চেয়েও আরও বেশি নিস্তব্ধ এবং
- 1:33:55আকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। মনে হল খুব বড় ঝড় আসবে।
- 1:33:59আর সেই সময় একটু মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ চলে যেত।
- 1:34:03বাতাস বৃষ্টি যাই হোক বিদ্যুৎ নেই।
- 1:34:06সেদিনও তাঁর ব্যতিক্রম ছিল না বিদ্যুৎ।
- 1:34:09চলে গেল নিমেষে অন্ধকারে ছেয়ে গেল চারিদিক শুরু হল ঝড় বাতাসের
- 1:34:13তীব্র বেগে বয়ে চলা সাথে আমাদের মনের ভয় হিংসিতল স্রোতধারাও বইছে
- 1:34:18আম্মু আমাদের দুই ভাই বোনকে নিয়ে 1:00 টিমটিমে চার্জার ল্যাম্প
- 1:34:22চালিয়ে বসে আছে। আর ঝড় থামার অপেক্ষা করছে।
- 1:34:26বিশুতি রাত ভাইয়া। ভয় পাচ্ছে চোর ডাকাতের হাইওয়ের
- 1:34:30পাশেই আমাদের বাড়ি। কিন্তু কেমন যেন শুনশান পরিবেশ
- 1:34:33আমি ভয় পাচ্ছি। অতি প্রাকৃত কিছুর বাতাসে ঝাপটা
- 1:34:39কিছুটা কমে আসলো। কিন্তু তাঁর সাথে নতুন সংযোজন হল
- 1:34:44বৃষ্টি বৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঝুমঝুম ঝুমঝ।
- 1:34:47মুখপৃষ্টি কি এক ভয়ঙ্কর অনুভূতি এখনও লিখতে গিয়ে কাশ শিউরে ওঠে।
- 1:34:53টানা বৃষ্টি বয়ে যাচ্ছে। আমরা এক অজানা ভয়ের মধ্যে সময়
- 1:34:57পার করছি। আর তখনই ঘটল সেই ঘটনা।
- 1:34:58হঠাৎই 1:00 ঝনঝন শব্দে কি যেন আমাদের গেট ধরে ঝাঁকাচ্ছে।
- 1:35:04ভয়ে আমরা তিনজন পাথর হয়ে গেছি, চুপ করে আছি, কেউ কথা বলছি না।
- 1:35:08একটানা শব্দ হয়েই যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শব্দটা থেমে গেল।
- 1:35:13ওর ভাইয়া দেখার সিদ্ধান্ত নিল ভাইয়া বলল ছাদে গিয়ে দেখি কে
- 1:35:17আমি বলল না দরকার নাই আমি বললাম জানালার পর্দা সরিয়ে দেখি তারপর
- 1:35:23পর্দা একটু ফাঁকা করে গেটের দিকে তাকিয়ে ভাইয়া বলে অন্ধকারে
- 1:35:27কাউকে দেখা যাচ্ছে না ভাল করে। আশপাশে চেয়ে থাকুক।
- 1:35:32কিছু নেই। হঠাৎই আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর
- 1:35:35আলোতে দেখল কি যেন দাঁড়িয়ে আছে গেটের কাছে ছোট কিছুটা বামন
- 1:35:39আকৃতির একজন বুড়ো মহিলা যার পররে ছাই বা ময়লাটি 1:00 সাদা শাড়ি
- 1:35:45মাথায় বড় করে 1:00 ঘোমটা টানা ঘোমটার কারণে মুখ দেখা যাচ্ছে না।
- 1:35:49জানালা থেকে একটু সরে আসল সে এবং বলল।
- 1:35:531:00 পুরো মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। আম্মু মনে হয় কোনও পুরো মানুষ
- 1:35:58বিপদে পড়েছে। ছোট দরজা খুলে দেখে খেয়ে।
- 1:36:01আম্মু আর ভাই এখন। প্রকার ভক্তি ভয় পা।
- 1:36:03ছিল না তাহলে ভাবল কে চিকিৎসা করি।
- 1:36:06কিন্তু আমি সেই ছোটবেলা থেকেই। এর মধ্যে প্রাকৃত জিনিস অনেক ভয়
- 1:36:11পাই। আমি বললাম যেও না ভয় লাগছে।
- 1:36:14আম্মু বলল গেট তো লক করা জাস্ট দরজাটা খুলব দেখবো কে?
- 1:36:19দরজা খুলল এবং দেখল কেউ একজন মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
- 1:36:23যার মাথাটা ঘোমটার। দেখা যাচ্ছে না।
- 1:36:27মুখের স্থানে কেমন যেন অন্ধকার। আমরা বলল কে আপনি কি চান এই ঝড়
- 1:36:31বৃষ্টিটাতে কোথা থেকে এসেছেন সে মুখ না তুলে কেমন অদ্ভুত ভাবে
- 1:36:36মাথা নাড়ছে। আমি সেই দৃশ্য আজও ভুলতে পারি না।
- 1:36:39কেমন নারী পুরুষ মিশ্রিত কণ্ঠে বলল, দরজা খুলল।
- 1:36:44খোল দরজা খোলো এত ভয়। করছিল সেই কণ্ঠস্বর।
- 1:36:48আমি ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল, এ তো মানুষের কণ্ঠস্বর মনে
- 1:36:52হচ্ছে না। আমি চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু
- 1:36:55করেছি। ওদিকে চলছে সেই ভয়ঙ্কর কণ্ঠের
- 1:36:58চিৎকার, দরজা খোলা দরজা খোলো সামনের দরজার পর পেছনের দরজা ধরে
- 1:37:02ধাক্কা দিচ্ছে। আর বলছে দরজা খোলো।
- 1:37:06কখনও ডানদিকে জানলা কখন? দিকের জানালা সবকিছু হচ্ছে খুব
- 1:37:11দ্রুত। একজন বৃদ্ধ মহিলার ক্ষেত্রে এত
- 1:37:14দ্রুত এই জানালা থেকে ওই চ্যানেলে এই দরজা থেকে ওই দরজায় মুভ করা
- 1:37:17কোনও ভাবে সম্ভব না। আমার আম্মু বুঝতে বাকি রইলোরা ওই
- 1:37:23পুরী মহিলা। আসলে কে আম্মু আমাদের দুজনকে দুই
- 1:37:25হাতে চাপড়ে ধরে শুধু সূরা পরতে লাগল আল্লাহ।
- 1:37:29লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু। আই ইউল কাইয়ুম।
- 1:37:33আয়াতুল কুরসি খুব জোরে জোরে পড়তে থাকলেন এ ভাবে কতক্ষণ সময়
- 1:37:38কেটে গেছে বলতে পারব না। হঠাৎ ভাইয়ার টাকে আমাদের চৈতন্য
- 1:37:41ফিরে পেলাম। আপু পড়া বন্ধ করল ভাইয়া বলল
- 1:37:44শব্দ আর হত। হচ্ছে না আশ্চর্যজনক বিষয় হল
- 1:37:48আয়তুল কুরসির এত ক্ষমতা। অথচ আমরা এর গুরুত্ব সবসময় বুঝতে
- 1:37:53পারি না। সেই রাতে এত বড় বিপদ থেকে
- 1:37:55রক্ষাকারী অলকিক। হায়তুল কুরসী কিছুক্ষণ পর
- 1:38:00বিদ্যুৎ চলে আসলো। তখনও আমাদের ভয় পুরোপুরি কাটেনি।
- 1:38:04হঠাৎ আবার বাইরে। তো কিছু ডাকছে ভাইয়ার নাম ধরে তো
- 1:38:10এবার ভৌতিক। বিষয় নয়, কণ্ঠস্বর টা আমাদের
- 1:38:12পরিচিত বুঝতে পারলাম এটা আমাদের কাজিন শাজাহান ভাই কাক ভেজা হয়ে
- 1:38:18গেলে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা যেন প্রাণ ফিরে পেলাম।
- 1:38:22ঢুকালাম এভাবেই সেই ভয়াবহ রাতের সমাপ্তি ঘটল।
- 1:38:28এটা এখনও আছে। তবে বহু বছর আর সেখানে আমরা কেউ
- 1:38:32থাকি না। বাড়িটাও এখন আর একতলা নেই।
- 1:38:35এখন ভাড়া দেওয়া হয়েছে নীচতলায় আমরা যখন যাই তখন তো তলায় থাকি
- 1:38:39তো দলেটা সব সময় তালা বন্ধ থাকে। আপনি যখন আমাদের এলাকায় আসবেন
- 1:38:44নিমন্ত্রণ রইল সেই ভয়ঙ্কর সুন্দর।
- 1:38:47বেগুনী কাছে ঘেরা বাড়িতে আমি জানি না মানুষ কেন বলে চিনভুতে
- 1:38:51বিশ্বাস করে না। আমরা যদি মুসলিম হই তাহলে তো
- 1:38:54কুরআনে উল্লেখ আছে জিন জাতির কথা সেই রাতে যদি অবিশ্বাসী লোকগুলোর
- 1:38:58কোনও একজন থাকত বুঝতে পারত ভয় কাকে বলে।
- 1:39:02আর পৃথিবীতে চিন ভূত আছে কি না। রাতে মাঝে মাঝে বলে সমাজের কিছু
- 1:39:07সংখ্যক মানুষ জিনসুক বিশ্বাস করি না।
- 1:39:10কিন্তু অন্ধকারে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় কিংবা অন্ধকার রুমের
- 1:39:13ভেতরে ভয় পাই। যদি তারা এগুলো বিশ্বাসী না করে
- 1:39:17তাহলে তাঁদের কীসের ভয়? তো এই ছিল ঘটনা আছে ভাই যারা
- 1:39:23চিনভুতে বিশ্বাস করেন তাদের ভৌতিক শুভেচ্ছা ভূত.কম।
- 1:39:28দীর্ঘজীবী হোক আল্লাহ হাফেজ। এই বলে মনে রাখার ঘটনা শেষ
- 1:39:34করেছেন। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ 1:00 চমৎকার
- 1:39:36ঘটনা পড়লাম এবং। আশা করছি ঈদের।
- 1:39:40তিনটায় মানে ঈদের শুরুর এই সময়টায় আপনাদের।
- 1:39:43আজকের। অনেক বেশি ভালো লাগবে আপনারা।
- 1:39:47আমাদের। আপনাদের সাথে সব সময় আছি এরকম
- 1:39:52দারুণ দারুণ ঘটনা নিয়ে বারবার ফিরে আসতে চাই।
- 1:39:54আর সেই কারণেই আপনাদের সহযোগিতা দরকার।
- 1:39:57সঙ্গে থাকুন। আমরা চলে যাব পরবর্তী ঘটনায়।
- 1:40:28যেভাবে লেখা আছে আমি সেভাবেই পড়ছি।
- 1:40:31লিখছেন, আমার নাম। মীর রাজু।
- 1:40:36আমি চাই ঘটনাটি পড়ে শোনান। তিনি তাঁর মোবাইল নম্বরও শেয়ার
- 1:40:39করেছেন। তারপর তিনি লিখছেন প্রিয় রাসেল
- 1:40:42ভাই। আশা করি আপনি ভাল আছেন।
- 1:40:45কারণ আপনি ভালোর তলে আমি মীর রাজু।
- 1:40:48আমার বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ব্যস্ততার কারণে
- 1:40:53স্টুডিওতে এসে আমার পক্ষে ঘটনা বলা সম্ভব না তাই।
- 1:40:57বুড়ি সোনালি খুশি হব ঘটনা শুরু করার আগে বলে রাখা ভালো আমি এর
- 1:41:02আগে আমার সাথে ঘটে যাওয়া 1:00 ঘটনা প্রথম ভূত.কম এ শেয়ার
- 1:41:06করেছিলাম কিন্তু আমার ঘটনাটি সিলেক্টেড হয়নি।
- 1:41:10ভেবেছি আর কখনও ঘটনা পাঠাব না। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে আমার
- 1:41:15এলাকার এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে। তার সাথে ঘটে যাওয়া তাঁর জীবনের
- 1:41:20একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা শুনি। ঘটনাটি শ্রোতাদের কাছে কতটা
- 1:41:24ভয়ঙ্কর হবে জানি না। তবে আমার কাছে বেশ রহস্যময় মনে
- 1:41:29হয়েছে। তাই অভিমান ভুলে আবারও একবার ঘটনা
- 1:41:33শেয়ার করতে যাচ্ছি। সরাসরি ঘটনায় চলে যাই।
- 1:41:37আমার এলাকার ভাইটির নাম রিয়াদ। তিনি পেশায় একজন অ্যাম্বুল্যান্স
- 1:41:42চালক। তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর
- 1:41:44অ্যাম্বুল্যান্স চালান। এই জীবনে তার সাথে ছোট বড় অনেক
- 1:41:48ভৌতিক ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এই ঘটনাটি বেশ ভয় ঘটনা
- 1:41:53বোঝার স্বার্থে রিয়াদ ভাইয়ের মতো করে বলছি।
- 1:41:57বলছেন প্রিয়া ভাই। সালটা ছিল 2000।
- 1:42:0719 সালের জানুয়ারি মাসের কনকনে শীত আমি একটি বেসরকারি হাসপাতালের
- 1:42:13অ্যাম্বুলেন্স চালাই মৃত লাশ নিয়ে যায়।
- 1:42:15মাঝেমাঝেই বিভিন্ন জেলায় একদিন 1:00 ফোন পেয়ে আমি অফিসে গিয়ে
- 1:42:20খবর পাই। 1:00 মৃত লাশ নিয়ে আমাকে
- 1:42:22রাজশাহীতে যেতে হবে। আমি লাশটাকে দেখলাম খুব বাজে ভাবে
- 1:42:26অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে লাশ 1:00 মেয়ের সুন্দর মনে হয় কলেজ কিংবা
- 1:42:32বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত মাথায় এক পাশ থেতলানো চুলগুলো এলোমেলো
- 1:42:37দেহের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্ত ছড়ছে মেয়েটি হোস্টেলে থাকায়
- 1:42:42এখানে তাঁর কোনও গার্ডিয়ান নেই। তাঁর কয়েকজন শিক্ষক এবং সহপাঠীরা
- 1:42:46মিলে লাশটাকে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে দেয়।
- 1:42:49লাস্টে নিয়ে আমায় একাই যেতে হবে।
- 1:42:53আমি মাঝে মাঝে এমন লাশ নিয়ে প্রায় অনেক জেলাতে চাই।
- 1:42:56কিন্তু আমার হেল্পার রকিকে সাথে নিতে হয়।
- 1:42:59সন্ধ্যা হয় ঠিক ওই সময় রকিকে সাথে নিয়ে।
- 1:43:03রওনা দিলাম 1:04 5 ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে 1:00 স্থানে এসে কিছু
- 1:43:07খাওয়ার জন্য গাড়ি থামালাম। তারপর খেয়ে দেয়ে আবারও রওনা
- 1:43:11দিলাম। কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর হঠাৎ
- 1:43:141:00 চাকা বাস্ট হয়ে যায়। গাড়ি থেকে নেমে দেখলাম চাকা
- 1:43:18বাঁস্ট হয়ে গেছে। এক্সট্রা চাকার জন্য গাড়িতে খোঁজ
- 1:43:21করে দেখি। ভুল করে এক্সট্রা চাকা নেওয়া
- 1:43:24হয়নি। সাথে থাকা আমার হেল্পার রকি বলে
- 1:43:27ভাই চা কাজি হত নাই আমরা যেখানে খাওয়া দাওয়া করছিলাম ওইখানেই
- 1:43:32দেখি চাকা সাড়াতে পারে কি না এই কথা বলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা
- 1:43:36আর নষ্ট চাকাটা নিয়ে রওনা দিল সে।
- 1:43:39গাড়িটা রাস্তায় একপাশে সাইড করা ছিল।
- 1:43:41কতক্ষণ লাগতে পারে এই চিন্তা করতে করতে গাড়িতে গিয়ে বসলাম গাড়িটা
- 1:43:46হাইড্রালিক জগ দিয়ে স্ট্যান্ড করা ছিল।
- 1:43:49তাই এটাও চিন্তা করছিলাম। একা একা এভাবে থামানো 1:00 গাড়ি
- 1:43:54নিয়ে কতক্ষণ অপেক্ষা করব। এমনিতেই জায়গাটা নীরব।
- 1:43:58একটু পরপর 1:00 2:00 ডিস্ট্রিক্ট বাস সাঁই সাঁই করে চলে যাচ্ছে
- 1:44:02পাশে কোনও মানুষজনের চিহ্ন নেই। রাত প্রায় 10:00 কি আসবে
- 1:44:06হাইওয়েতে আমি 1:00 সিগারেট ধরিয়ে একটু পর পর 1:00 1:00 করে
- 1:44:11টান দিচ্ছি। আর চাকা বাসার ব্যাপারটা নিয়ে
- 1:44:13চিন্তা করছি লুকিং গ্লাসে রকি আসার পথে তাকিয়ে ছিলাম।
- 1:44:19হঠাৎ ভেতরে থাকা লুকিং গ্লাসে চোখ আটকে গেল।
- 1:44:22চোখটা সরিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখলাম না কিছুই না।
- 1:44:26সব ঠিক আছে। আবার যখন সিগারেটে টান দিয়ে
- 1:44:29লুকিং ক্লাসের দিকে তাকালাম তখন ভয়েস স্থির হয়ে গেলাম।
- 1:44:33আমি দেখলাম মেয়েটার লাশটা উঠে বসে আছে।
- 1:44:36এবার আমি ঘাড় ঘোরাতে সাহস করলাম না।
- 1:44:39আমার মনে হচ্ছিল দাঁতে দাঁত লেগে আসবে।
- 1:44:42হঠাৎ পেছন থেকে মেয়েটা বলে উঠল। ভাইয়া।
- 1:44:45আমি পানি খাব। পিপাসায় গলাটা ফেটে যাচ্ছে।
- 1:44:50আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও পিছনে তাকিয়ে দেখি মেয়েটা সত্যি শোয়া
- 1:44:54থেকে উঠে বসেছে। আর শরীরের দাগগুলো নেই।
- 1:44:58ফ্যাক্টানোর দিকটা বোঝা যাচ্ছে না।
- 1:45:00মনে হচ্ছে সে অজ্ঞান হয়েছিল। এখনই জ্ঞান ফিরেছে।
- 1:45:03মেয়েটা আবারও বলতে লাগল। ভাইয়া আমার খুব পানির পিপাসা
- 1:45:07লেগেছে। আমাকে একটু পানি দেন কেন জানি
- 1:45:10মুহূর্তের মধ্যে আমার ভেতর থেকে সব ভয় কেটে গেছে।
- 1:45:14মেয়েটাকে দেখতে স্বাভাবিক লাগায় আমি 1:00 পানির বোতল এগিয়ে
- 1:45:17দিলাম। বাড়িটা বেশি এক নিঃশ্বাসে শেষ
- 1:45:20করে কেমন 1:00 স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
- 1:45:23আমি মুহূর্তে ভাবছি আহা জীবন কি দারুণ আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা
- 1:45:291:00 অজ্ঞান হওয়া জীবিত মেয়েকে লাশ বানিয়ে।
- 1:45:33অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে দিয়েছে এগুলো ভাবতে না ভাবতেই মেয়েটা
- 1:45:37আমার দিকে মুখ করে বলতে লাগল। জানো ভাইয়া এই পানির জন্য আমার
- 1:45:41বুকটা ফেটে যাচ্ছিল। আমার ভার্সিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়
- 1:45:46বাড়িতে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে বাস স্ট্যান্ডে আসি।
- 1:45:48আমি রিকশা থেকে নেমে ভাড়া দিলাম। যখন একটু সামনে এগোলাম খেয়াল
- 1:45:52করতে পারিনি কখন 1:00 দ্রুতগামী বাস আমার সামনে এসে পড়েছে চোখের
- 1:45:57পলকে বাসটার আঘাত খেয়ে সামনে পড়ে যায়।
- 1:46:00আর বাসটা ব্রেক করতে না পেরে আমার মাথা ঠিক বাম সাইড দিয়ে চলে
- 1:46:04যায়। যাওয়ার সময় আমার সমস্ত শরীরটাকে
- 1:46:07কয়েকবার রাস্তায় পিষ্ট করে যায়।
- 1:46:10অ্যাক্সিডেন্টের বেশ কিছুক্ষণ পর পর্যন্ত জীবিত ছিলাম।
- 1:46:14মেয়েটার মুখে কথাগুলো শুনে আমার বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে।
- 1:46:18আমি যেন আমার মধ্যে নেই। আমি শুধু শুনছি তারপর মেয়েটা
- 1:46:22বলছে চিৎকার করে বলতে পারিনি আমাকে কেউ পানি দাও পিপাসায় আমার
- 1:46:26গলা ফেঁটে যাচ্ছে খুব শক্তহীন আর্তনাদ করে পানির জন্য ঘুমড়ে
- 1:46:31কেঁদে উঠেছিলাম। কিন্তু আমাকে এক ফোঁটা পানি কেউ
- 1:46:35দেয়নি। যখন শেষ নিঃশ্বাসটা ফেললাম একজনের
- 1:46:38সে আমাকে পানি খাওয়াতে চাইল। কিন্তু পানির এক ফোঁটা ও গলা
- 1:46:42দিয়ে নামল না। গাল পেয়ে পড়ে গেল আমার নিথর
- 1:46:45দেহটা অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হল আমার আইডি কার্ড দেখে ভার্সিটি
- 1:46:49থেকে তথ্য নিয়ে আমার কয়েকজন বন্ধু আর শিক্ষককে খবর দেওয়া
- 1:46:53হয়। আর তারাই আপনার গাড়িতে তুলে
- 1:46:55দিয়েছে। আমাকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে।
- 1:46:58মেয়েটা এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে একটু চুপ করে আবারও বলল ভাইয়া
- 1:47:02আমার আব্বা আমার ভাই বোনকে বলবেন আমার জন্য যেন না কাঁদে আর আপনাকে
- 1:47:08অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আমাকে পানি খাওয়ানোর জন্য।
- 1:47:11এই কথা বলে মেয়েটা আবার শুয়ে পড়ে।
- 1:47:15তখন আমার হেল্পার রকি জায়গা ঠিক করে এসে বলল ভাই চলেন।
- 1:47:19চাকা ঠিক হয়ে গেছে। আমি শুধু পেছনে তাকিয়ে আছি রকে
- 1:47:23গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দেয় আমার নিরাপত্তা ভাঙে আমার সঙ্গীত ফিরে
- 1:47:27পাই। আমি রকির সাড়া পেয়ে খেয়াল
- 1:47:29করলাম। আমার পুরো শরীর খামে ভেজা এ
- 1:47:32বিষয়ে রকেই কিছু বললাম না। চাকাটা লাগিয়ে আবার রওনা দিলাম।
- 1:47:37মেয়েটার বাড়ি যেতে যেতে পরদিন সকাল নয়টা বেঁচে যায়।
- 1:47:41মেয়েটা লাশ পেয়ে মেয়েটার বাবা মা ভাই বোন কান্নাকাটি শুরু করে
- 1:47:45দিল। আমি ঐখানে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে
- 1:47:47পারলাম না। মেয়েটার বলা কথাগুলো কারো কাছে
- 1:47:51বলতে পারিনি। গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ঢাকার দিকে
- 1:47:54রওনা দিলাম। মনটা খারাপ করে একটানা গাড়ি
- 1:47:57চালিয়ে যখন আবার ওই রাস্তায় আসলাম যেখানে গাড়ি নষ্ট হয়েছিল
- 1:48:01সেখানে এসে দেখলাম মেয়েটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে সুন্দর
- 1:48:051:00 হাসি দিয়ে হাত নাড়িয়ে আমাকে বিদায় চালাচ্ছে।
- 1:48:09এটা দেখে আমার মনটা কেন যেন এক অজানা কারণে ভাল হয়ে গেল।
- 1:48:14ভাল 1:00 স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরে চলে আসলাম।
- 1:48:17কোনও ভয় পাইনি। তবে এই রহস্যময় ঘটনাও আজও আমায়
- 1:48:21ভাবায়। এই বলে রিয়াদ ভাই তাঁর ঘটনা শেষ
- 1:48:27করলেন। রাসেল ভাই ঘটনাটি ভালো লাগলে পড়ে
- 1:48:32শোনাবেন। তো এই ছিল ঘটনা।
- 1:48:37আমি পড়ে শোনালাম। আশা করছি আপনাদেরও ভালো লেগেছে।
- 1:48:40যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে আপনারা ইমেইল করুন।
- 1:48:42আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে রাসেল ডট ভূত ডট কমের দরবারে
- 1:48:45জিমেল.কম আপনার নাম ঠিকানা এবং ফোন নম্বর সহ আপনার জীবনে ঘটে
- 1:48:49যাওয়ার সেরা ঘটনা পাঠিয়ে দিন। আমাদেরকে আমরা অপেক্ষায় থাকলাম
- 1:48:53আপনার ঘটনার এবং। আরও বেশি বেশি করে যদি ঘটনা পাঠান
- 1:48:57আরও বেশি বেশি করে ইমেইল এপিসোড হবে আরও বেশি বেশি করে আমরা ফিরে
- 1:49:01আসবো। আপনাদের কাছে।
- 1:49:02সুতরাং অপেক্ষায় আছি আপনাদের ঘটনার।
- 1:49:06স্টুডিওতে আসুন লিখে পাঠান যেভাবে খুশি ঘটনা পাঠিয়ে দিন আমাদের চলে
- 1:49:12যাব আমাদের পরবর্তী ঘটনায়। লুকোচুরি।
- 1:49:36আমি ঠিকই তোমাকে খুঁজে পাব। যেভাবে লেখা আছে আমি সে ভাবেই
- 1:49:55পড়ছি। আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাই
- 1:49:58ওয়ালাইকুম সালাম। তার পর তিনি লিখছেন আমি জানি আপনি
- 1:50:01ভাল আছেন। আমি মোর্শেদ আলম আমি 2000 11 সাল
- 1:50:04থেকে ভূতে ফেন শুনে আসছি। ভূত ডট কমের সাথে আছি ভূত.কম
- 1:50:08দীর্ঘজীবী হোক আজকে আমার মায়ের সাথে ঘটে যাওয়া 1:00 ঘটনা শেয়ার
- 1:50:12করব আমি বিদেশে থাকার কারণে আমার স্টুডিওতে আসা সম্ভব নয়।
- 1:50:16আমার মায়ের মুখ থেকে যেভাবে শুনেছি সেভাবেই বলছি।
- 1:50:20প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি গুছিয়ে বলতে না পারার জন্য রাসেল
- 1:50:23ভাইকে অনুরোধ করব গুছিয়ে বলার জন্য ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন
- 1:50:27প্লিজ। ওই ঘটনাটি।
- 1:50:31রাঙ্গুনিয়া চট্টগ্রামের একটি ঘটনা আমি স্থানে নাম উল্লেখ করতে
- 1:50:35পারব না। সালটা ছিল 1900 চুয়াত্তর
- 1:50:38পঁচাত্তরের দিকে কোথাও থেকে 1:00 মহিলা ও তার ছেলে আসল দেখতে অনেক
- 1:50:42লম্বা যেমন বিহারের মহিলারা হয়। তখনকার যুগে আমার বাবা মা ছিল
- 1:50:48গ্রামের সর্দার। আমার বাবা যেভাবে বলতো গ্রামের
- 1:50:51সবাই সেভাবে চলত। ওই মহিলা এসে একটি আশ্রয়।
- 1:50:56খুঁজছিল। সবাই আমার বাবার কাছে যেতে বলল।
- 1:50:59তখনকার মানুষ একটু সহজ সরল টাইপের হত।
- 1:51:01আমার বাবা ওই মহিলাকে বলল, এখন তো তেমন ঘর নেই।
- 1:51:06ওদিকে চৌধুরী বাড়িতে 1:00 ঘর খালি আছে।
- 1:51:09আমি তাদের সাথে কথা বলে দেখি এতদিন তুমি আমার বাড়িতে থাকো।
- 1:51:14ওই মহিলা ও তার ছেলে আমাদের বাড়িতে থাকতে শুরু করল এবং আমার
- 1:51:18বাবা চৌধুরী বাড়ির মানুষদের সঙ্গে কথা বলে মহিলার থাকার
- 1:51:22ব্যবস্থা করে দিল। আশেপাশে তেমন ঘর ছিল না।
- 1:51:252:01 ঘর ছিল বেশ বছর দিয়ে কেটে গেল।
- 1:51:29ওই মহিলা ও তার ছেলে পাহাড় থেকে কাঠ কেটে বিক্রি করে সংসার চালাত।
- 1:51:33মাঝখানে কিছুদিন যাওয়ার পর থেকে মাছিলে ঝগড়া শুরু হল।
- 1:51:37রাত পেড়াতে 1:00 সময় কিছুদিন পর ছেলেটা বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়।
- 1:51:43আশেপাশে যারা আছে তারা দেখে ছেলেটার বসন্ত রোগ হয়েছে।
- 1:51:46একদিন আমার বাবা ফজরের নামাজ পড়তে যায়।
- 1:51:49এবং সেখানে ওই বাড়ির মহিলার আশপাশের লোকজন বলে গতরাত্রে ওই
- 1:51:53মহিলা নাকি অনেক কান্নাকাটি করেছে।
- 1:51:56আর ঝগড়া করেছে। নামাজ শেষ করে সবাই সিদ্ধান্ত নিল
- 1:52:00মহিলার বাড়িতে যাবে। সকাল সকাল সবাই গেল এই বাড়িতে
- 1:52:03যখন ওই মহিলাকে টাকা শুরু করল ওই মহিলা 1:00 লম্বা তাহাতে বেরিয়ে
- 1:52:07আসলো। আর আমার বাবার দিকে তীরে আসল
- 1:52:10আক্রমণ করতে সবাই ওই মহিলাকে থামিয়ে বলল, কি হয়েছে তোমার
- 1:52:14এরকম করছ কেন ওই মহিলা গতরাতে সব ঘটনা খুলে বলতে শুরু করল।
- 1:52:19আমি ওই মহিলাটির মতো করে বলছি। আপনারা সবাই জানেন আমার ছেলেটা
- 1:52:29অনেক দিন ধরে বসন্ত রোগে আক্রান্ত।
- 1:52:31সে গতরাতে মারা গেছে রাত বেশি হয় কাউকে ডাকতে পারিনি এবং আমি অনেক
- 1:52:36কান্নাকাটি করছিলাম। মধ্যরাতে দেখি সর্দার সাহেব আমার
- 1:52:39বাসায় আসছে এবং দরজা খুলতে বলছে এসে বলতে শুরু করল তোমার ছেলের
- 1:52:44মৃত্যুর খবর পেয়ে এসেছি। আমার মাথায় তখন আর কোনও কিছু কাজ
- 1:52:47করছিল না। তাই মনে হয় ঘরে আসতে দিলাম।
- 1:52:50কিছু সময় কেটে যাওয়ার পর উনি বলতে লাগল।
- 1:52:52রাত অনেক হয়েছে কালকে তোমার ছেলের দাফন গাফন করতে হবে অনেক
- 1:52:56কাজ বাকি আছে তার চেয়ে বরং আমি লাশের পাশে থাকি।
- 1:53:00তুমি একটু বিশ্রাম করো। আমি বললাম না সমস্যা নেই।
- 1:53:03আমি আছি কালকে। সকালে সকালে অনেক কাজ।
- 1:53:05তুমি একটু বিশ্রাম করো। উনি চোরাচুরি করতে লাগলেন।
- 1:53:09আমি অন্য রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম সেই চোরাচুরির কারণেই অনেক চেষ্টা
- 1:53:13করেও ঘুমাতে পারেনি। একটুও কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম
- 1:53:16উনি এদিক সেদিক করছেন আরও কিছু সময় কেটে যাওয়ার পর দেখি উনি
- 1:53:20আমার দিকে আসছেন। এবং আমি ঘুমিয়ে গেছি কি না সেটা
- 1:53:23দেখছেন। আমি ঘুমের ভান করে থাকলাম।
- 1:53:26দেখছি উনি কিচেন এর দিকে যাচ্ছেন। আমি ওনার পেছন পেছন গেলাম যাতে
- 1:53:29উনি বুঝতে না পারেন দেখি উনি কিচেন এ কি যেন খোঁজাখুঁজি করছেন
- 1:53:33দেখি হাতে লবণ নিয়ে আসছেন। আমি আবার শুয়ে পড়লাম লবণগুলো
- 1:53:37নিয়ে আমার ছেলের পাশে বসল আমার বুঝতে বাকি র জন্য এটা কি ছিল তাই
- 1:53:41কিচেন থেকে। বড় দা নিয়ে আসলাম একপাশে দেখতে
- 1:53:44লাগলাম। উনি কী করে আমার ছেলের গায়ে আঘাত
- 1:53:48করতে শুরু করল এবং আমার ছেলের গা থেকে মাংস খেতে শুরু করল।
- 1:53:52আমি দা নিয়ে ওনার দিকে তেড়ে আসলাম ওনাকে আঘাত করলাম আঘাত করার
- 1:53:56সাথে সাথে দেখি উনি 1:00 ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করল।
- 1:53:59ভয়ঙ্কর রোমে ভরা তার শরীর এত ভয়ঙ্কর চেহারা আমি জীবনে কখনও
- 1:54:03দেখেনি তা সে আমাকে হামলা করতে চেষ্টা করছে ওনাকে দা দিয়ে আমি
- 1:54:06আঘাত করছি। সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে বের হয়ে
- 1:54:09যায় এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবে চিৎকার করতে থাকি।
- 1:54:12ওনার সাথে যুদ্ধ করতে করতে কখন যে ফজরের আজান দিয়ে দিয়েছে আমি
- 1:54:16জানি না দেখি। হঠাৎ সব চুপ হয়ে গেছে আমার
- 1:54:19তান্ত্রিক বিদ্যা জানা ছিল তাই আমাদের কিছু করতে পারেনি।
- 1:54:231:00 ব্যাপার, সকালে সে লাশটাকে দাফন করে ফেলল।
- 1:54:26এর পরে মহিলা কোথায় গেছে? কেউ দেখেনি।
- 1:54:29এরপর প্রায় 10 বছর পরে সেই চৌধুরী বাড়িতে 1:00 বিবাহ
- 1:54:33অনুষ্ঠান হয়েছে। সবার মতো আমরাও বিবাহতে
- 1:54:35গিয়েছিলাম। মেহেদী রাতে অনেক ধুমধাম করে
- 1:54:38আয়োজন চলছিল। মধ্যরাতে আমি একটু ঘুমিয়ে
- 1:54:41গিয়েছিলাম। যখন ঘুম ভাঙে দেখি সবাই আমাকে
- 1:54:44রেখে চলে গেছে। আমি দেখছিলাম আমার বাড়ির
- 1:54:47আশেপাশের কেউ আছে কি না দেখি কেউ নেই।
- 1:54:50তাই একা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। সবাই আমাকে রাতে যেতে বারণ করছিল।
- 1:54:53আমি কারও কথা না শুনে যেতে শুরু করলাম।
- 1:54:56মনে মনে ভাবলাম পাঁচ মিনিটের রাস্তা এমনকি আর হবে।
- 1:55:00বিবাহ বাড়িতে তো মাইকের আওয়াজ ছিল, তাই ভয় করছিল না।
- 1:55:04আমি যখন হাঁটা শুরু করলাম কিছু দূর যাওয়ার পরে দেখি আমার পেছন
- 1:55:08পেছন কেউ আসছে পেছনে ফিরে দেখি কেউ নেই।
- 1:55:10আমি আবার হাঁটতে শুরু করলাম। এবার আওয়াজ হচ্ছে কোথা থেকে এবার
- 1:55:14পিছনে ফিরে যা দেখি তা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না দেখি
- 1:55:182:00 রাজহাঁস আমাকে পেছন থেকে তাড়া করছে।
- 1:55:21আমিও দৌড়াতে শুরু করলাম এবং চিৎকার করতে শুরু করলাম।
- 1:55:24দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়ির উঠোনের সামনে এসে জ্ঞান হারালাম।
- 1:55:27যখন জ্ঞান ফিরে তখন দেখি আমি বাড়িতে শুয়ে আছি।
- 1:55:31আর সকাল হয়ে গেছে। আমার মা জিজ্ঞেস করল কী হয়েছে
- 1:55:34কালকে আমি রাতের সব ঘটনা খুলে বললাম, আমার মা রাতে না ফেরাতে
- 1:55:38খুব চিন্তা করছিল। আর ঘুম আসছিল না তার।
- 1:55:41আমার চিৎকার শুনে আমার বাবা বের হলো বাসা থেকে এবং আমাকে দেখতে
- 1:55:45পায় সে পরে 1:00 হুজুরের কাছে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয় হুজুর
- 1:55:48ঝাড়ফুঁক করে বলে খুব খারাপ 1:00 জিন নাকি আমার পেছনে নিয়েছিল
- 1:55:53আমার মা বাবা বাইরে যাওয়াতে কিছু করতে পারেনি।
- 1:55:56এরপর আর কোনও সমস্যা হয়নি। এই বলে আমার মায়ের ঘটনা শেষ করল।
- 1:56:03কিন্তু এই ঘটনাটি সিলেক্ট করেন। শেয়ার করার অনুরোধ রইল পুলিশের
- 1:56:07রাসেল ভাইকে বলতে চাই এরকম আরও অনেক ঘটনা আছে।
- 1:56:10আস্তে আস্তে সব ঘটনা জানাব। এখানে 1:00 জিনিস আমি বলতে চাই
- 1:56:17কতগুলো কস্টিং আমার আছে আপনার চৌধুরী বাড়িতে গিয়েছিলেন যিনি
- 1:56:21যা রূপ ধরে মানে একজন অসহ্য এসেছিল আর কি লাশ খাওয়ার জন্য
- 1:56:26তারপরে ব্যাপারটা কী ঘটল। তিনি যে দা নিয়ে তেড়ে আসলেন এটা
- 1:56:30কে ছিল আসলে সেটাকে জানা গিয়েছিল সেকেন্ড কথা হচ্ছে।
- 1:56:34আপনার সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে এই ঘটনার সাথে প্রথম ঘটনাটির সংযোগ
- 1:56:38কোথায়? যদি তা পারেন দয়া করে জানাবেন
- 1:56:40আমাদের ইমেল অ্যাড্রেস রাসেল.বুক.কম 1:00 জিমেল.কম আপনার
- 1:56:45উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম। আমরা চলে যাব আমাদের পরবর্তী
- 1:56:48ঘটনা। ওয়েলকাম ব্যাক আপনাদের সবাইকে
- 1:57:03স্বাগত জানাচ্ছি, আমি রাসুল্লাশা করছি।
- 1:57:05আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং ভালোর দলে আছেন ঘড়িতে সময় রাত 12:21
- 1:57:10আমি রাসেল আছে সাথে আপনাদের সাথে এবং ঠিক একই সাথে শুধু আমি
- 1:57:13আপনাদের সাথে আছি সেটা বললে ভুল হবে।
- 1:57:14আমাদের সমস্ত মডেলটার রাও কিন্তু আপনাদের সাথে আছেন এবং ঈদের জন্য।
- 1:57:22সরি। এবং।
- 1:57:23ঈদের জন্য ঈদের এই কী বলব যে। শুধুমাত্র আপনাদের এই প্রত্যেকটা
- 1:57:30রাত উপভোগ করতে তারা যে পরিমাণ কষ্ট করেছেন আমি সেরুদ জানে তাদের
- 1:57:34সবাইকে আর আরেকটা কথা বলব। সেটা হচ্ছে ঈদের মধ্যে আমাদের
- 1:57:39সবাই জানি। আমরা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন
- 1:57:42মানে। বৈরী আবহাওয়া চলছে মাঝখানে।
- 1:57:45কিন্তু তার মাঝখানেও ঈদ আসে। খুশি নিয়ে ঈদ আসে আনন্দের বার্তা
- 1:57:48নিয়ে। সে প্রিয়জনের মুখের হাসি হয়ে ঈদ
- 1:57:52আমাদের কাছে সব সময় আনন্দময় এবং ঈদটাকে নিয়েই আমাদের এবারে যে
- 1:57:56প্ল্যান সেটা হচ্ছে যে আমরা কয়েকটা এপিসোড করব।
- 1:58:00আপনাদের জন্য ঈদের দিন ঈদের আগের দিন 1:00 করছি।
- 1:58:02ঈদের দিন 1:00 করব এবং এদের পরের দিনও ঈদের ঈদের মাঝখানে আপনাদের
- 1:58:06সামনে সবকিছু জানিয়ে দেবো। আপনাদের কখন কি করব?
- 1:58:08আমরা চলে যাব। আমাদের পরবর্তী ঘটনায় চলুন সরে
- 1:58:11আসি। চায় কী ভাবে সম্ভব মৃতদের।
- 1:58:28পৃথিবীতে থাকতে নেই যে ভাবে লেখা আছে আমি সে ভাবেই
- 1:58:55পড়ছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
- 1:58:59আসসালামু আলাইকুম রাসেল ভাই আমি জানি আপনি ভালো আছেন।
- 1:59:02কেমন আছেন? জিজ্ঞাসা করলাম না।
- 1:59:04আমি জানি আপনি সবসময় ভালো দলই থাকেন।
- 1:59:06আমি 2000 15 সাল থেকে ভূতে ফেন শুনে আসছি।
- 1:59:09ভূতে ফেন বন্ধ হয়ে যাওয়াতে অনেক খারাপ লাগা কাজ করছিল।
- 1:59:12আবার যখন পুনরায় আপনি ভূত.কম শুরু করলেন তখন অনেক ভাল লেগেছে।
- 1:59:16আমার বাসা স্টুডিও থেকে অনেক দূরে হাওয়ায় স্টুডিওতে গিয়ে ঘটনা
- 1:59:20বলতে পারব না। আমার লাইফ এগুলো ঘটনা লিখিনি।
- 1:59:23আজকেই প্রথম ঘটনা লিখছি। আমি তখন গুছিয়ে লিখতে পারি না।
- 1:59:26ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
- 1:59:29আর ভাল লাগলে অবশ্যই পড়ে শোনাবেন।
- 1:59:32যাই হোক আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি ঘটনায় যাই।
- 1:59:35আমার পাঠানো ঘটনাটি তেমন ভয় না হলেও অনেক দুঃখজনক।
- 1:59:39হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। ঘটনাটি 10 দিন আগে ঘটে যাওয়া
- 1:59:43আমাদের এলাকার এক মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘটনা।
- 1:59:47কোনোটি আমার ভাবীর মায়ের এক পাশের বাসার ছোট ভাইয়ের সাথে ঘটে
- 1:59:51যাওয়া। আবির ছোট ভাইয়ের ছদ্মনাম আসিফ
- 2:00:02কাজের সূত্রে ঠাকুরগাঁও শহরে যান। বয়স আনুমানিক 1718 হবে।
- 2:00:07সেখানে তিনি রাজ মিস্ত্রির কাজ করেন।
- 2:00:09তো একদিন তাকে হঠাৎ একটি সাপ তাড়া করে।
- 2:00:12সাপ তাড়া দেওয়ার পর তিনি দৌড়ে রুমে আসছেন।
- 2:00:16তারপর 2 দিন পর আসিফ কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে দেখতে
- 2:00:20পায় যে 2:00 সাপ সম্ভবত দারাস বা কোখড়া মিলে।
- 2:00:24একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আছে। এরকম 1:00 অবস্থা দেখতে পায়
- 2:00:27কৌতূহলবশত আসিফ সাপ দুটোর ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।
- 2:00:32কিন্তু কি জানত আসিফের 1:00 ভুল তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে
- 2:00:37সেই কথা মনে করলে এখনও আমার খারাপ লাগে।
- 2:00:39তারপর সেই রাতে আসিফের সাপ দুটি স্বপ্নে দেখায় যে সে নাকি বিপদে
- 2:00:45পড়তে যাচ্ছে। এভাবে আসিফ 23 দিন একই রকমের
- 2:00:47স্বপ্ন দেখে তারপর গ্রামের বাসায় আসে।
- 2:00:50তার মাকে সব কিছু খুলে বলে তার মাথাকে আবারও শহরে পাঠায়।
- 2:00:53কাজ করতে তো শুক্রবার তিনি প্রতিদিনের মতো ঘুমাতে যান বলে
- 2:00:57রাখা ভালো কাজ। যেহেতু রাস্তা মেরামতের সেই।
- 2:01:00সুবাদে তাঁকে বাইরে থাকা লাগে তো। তার সাথে কাজ করতে আসা চারজন
- 2:01:05ছেলের মাঝে একসাথে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন তো ঘুমিয়ে ছিলেন।
- 2:01:09শুক্রবার মাঝ রাতে সেই সাপ এসে আসিফের গলার রক বরাবর কামড়
- 2:01:13বসিয়ে দেয়। এখানে প্রশ্ন হল যে, বাকি চারজন
- 2:01:16থাকতে ওদের কিছু করল না, আসিফকে কেন কামড় দিল এই উত্তর আজও
- 2:01:22আজানা। তারপর ঘটনায় ফিরে আসি তো সেই সাপ
- 2:01:24কামড় দেওয়ার বিষয়টা যখন আন্দাজ করতে পারল এবং সে মালিককে জানায়,
- 2:01:29মালিক ওছা ডেকে এনে চিকিৎসা করা নাসিফ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।
- 2:01:33দুদিন পর আবার বিষক্রিয়া শুরু হলে তাঁকে সদর হাসপাতালে ভর্তি
- 2:01:37করা হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
- 2:01:42সোমবারে 29822 তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
- 2:01:47তার মৃত্যুতে পরিবারের শোকের ছায়া নেমে আসে।
- 2:01:50লোকমুখে শোনা যায় ওই সাপ দুটি নাকি বিশুড়িয়াসা ছিল।
- 2:01:55গ্রামের ভাষায় এটিকে বিশুরিয়া বলা হয়।
- 2:01:58এদিকে হিন্দুরা নাকি দেবতা মানে আর তাদেরকে পূজা করে।
- 2:02:02ঘটনা এখানেই শেষ নয়। আসিফের 1:00 ছোট বোন।
- 2:02:05তার বয়স তিন বছর হবে। যেহেতু তাদের কবরস্থানটা বাসার
- 2:02:08কাছেই ছিল তো তার বোন হঠাৎ করেই বাসা থেকে বের হয়ে তার মা বাবাকে
- 2:02:12না বলে কোথাও চলে যেত। তার মা বাবা যখনই বলতে যে কোথায়
- 2:02:16যাস তখন সে বলত, ওই যে ভাইয়া আমাকে ডাকছে এই বলে আসিফের কবরের
- 2:02:20কাছে চলে আসত। তো এই ঘটনা আমার এটা কি জিনের
- 2:02:25কোনও কাজ নাকি অন্য কোনও কিছু তা আমার আঁচো আছে না।
- 2:02:29আপনারা কেউ যদি উত্তর জেনে থাকেন অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন অনেক
- 2:02:32রাত্রি জেগে কষ্ট করে ঘটনাটি লিখলাম।
- 2:02:34ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর বৃষ্টি দেখবেন তারপরে তিনি তাঁর
- 2:02:38নাম ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার দিয়েছেন।
- 2:02:40আপনারা যদি আমাদের ঘটনা পাঠান আপনারাও আমাদেরকে নাম ঠিকানা এবং
- 2:02:43ফোন নম্বর সহ ঘটনা পাঠিয়ে দিন। রাসেল ডট ভূত ডট কমের জিমেল.কম।
- 2:02:48এই অ্যাড্রেস এ আমরা চলে যাব আমাদের পরবর্তী ঘটনায়।
- 2:03:06যেভাবে লেখা আছে আমি সেভাবেই শুরু করছি।
- 2:03:09আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। ষ্টুডিও তে এসে।
- 2:03:13পড়া সম্ভব নয়। যদি ভালো লাগে পড়ে শোনাবেন
- 2:03:15আসসালামু আলাইকুম। রাসুল ভাই আশা করি ভালো আছেন।
- 2:03:18আমি ভূত ডট কমের একজন নিয়মিত শ্রোতা।
- 2:03:21আমি মোহাম্মদ রিফাত সরকার বাড়ি দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি শহরে।
- 2:03:26এলাকার সুবাদে কুড়িগ্রাম জেলাতে থাকতে হয়।
- 2:03:28আমি কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের
- 2:03:32ছাত্র। ঘটনাটি আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া
- 2:03:34একটি সত্য ঘটনা। যাই হোক ঘটনা শুরু করা যাক।
- 2:03:38পলিটেকনিকের চাষ পাওয়ার পর যেহেতু কুড়িগ্রামে থাকতে হবে
- 2:03:41সেজন্য 1:00 মেস খুঁজছিলাম। মেস এমন পছন্দ হচ্ছিল না।
- 2:03:46মন মতো হচ্ছিল না তা একটু নিরিবিলি পরিবেশ পেলে লেখাপড়ার
- 2:03:49জন্য ভাল হয়। সেরকম একটি মেস খুঁজতে লাগলাম
- 2:03:52কিন্তু পলিটেকনিক থেকে 10 মিনিট হাঁটতে হয়।
- 2:03:55কোনও এক সমস্যার কারণে মেষ্টির নাম উল্লেখ করব না।
- 2:03:59যাই হোক মেষ্টিতে আমার বাবা এসে আমাকে রেখে গেল এবং এই ম্যাচটি
- 2:04:02আমার খুব পছন্দ হয়েছিল। এটি অনেক নিরিবিলি একটি জায়গা
- 2:04:05বড় বড় আম গাছ ছিল। মনে হয় অনেক পুরনো গাছ ওই মেসে
- 2:04:09আমি সবার থেকে ছোট। প্রথম প্রথম মেসে ভালো না লাগলেও
- 2:04:13পরে সবার সাথে মিলেমিশে অনেক ভালো লাগতে শুরু করে।
- 2:04:16এই ভাবে দুই মাস কেটে যাওয়ায় আমার মিড টার্ম পরীক্ষা শুরু হয়।
- 2:04:20আমাদের মেসের বোর্ডের সংখ্যা ছিল 15 জন।
- 2:04:23আর সবাই ছিল আমাদের মেসের বড় ভাই।
- 2:04:26আমি ছোট দেখে আমাকে সবাই খুব আদর করত।
- 2:04:29আমি শুধু সেই মেসেজ সিভিল ডিপার্টমেন্ট এ পড়তাম।
- 2:04:32আর বড় ভাইরা কম্পিউটার ডিপার্টমেন্টে পড়ত।
- 2:04:34পরীক্ষার রুটিন পেলাম সবার পরীক্ষা আমার দুদিন আগে শেষ হয়ে
- 2:04:38যাবে। পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল বড় ভাইদের
- 2:04:40পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবে আর 1:00 পরীক্ষা বাকি আছে কিন্তু সেদিন
- 2:04:44রাতে সবাই এক রুমে বসে অনেক টেনশনে ছিল।
- 2:04:47আমি রুমে ঢুকে বলি। কী হয়েছে সবাই চুপচাপ কেন?
- 2:04:51নাজিউর রহমান নামে একজন বড় ভাই বলে উঠল, তুমি মেসের সব থেকে ছোট
- 2:04:55দেখে তোমার কিছু বলিনি। তুমি ভয় পেতে পারো।
- 2:04:58আমি কিছুই বুঝতে পারছি না কীসে ভয় পাবো বলো না।
- 2:05:01একজন বড় ভাই বলেন, এই বেঁচে থাকালীন অনেকে অনেক কিছু দেখেছে।
- 2:05:06যা ভৌতিক কিছু। আমি শুকনো গলায় বললাম হই বা আমি
- 2:05:10তো কিছু দেখিনি। ভয় পেলেও তাদের দেখে একটু হেসে
- 2:05:13উড়িয়ে দিই। আসলে জিন জাতিকে বিশ্বাস করি
- 2:05:16আল্লাহ তাদের পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন।
- 2:05:19কিন্তু কখনও দেখিনি। তাই তো আমার 1:00 ভয় পাই না।
- 2:05:28তখন রমজান মাস 14 রমজান ছিল তিনটি।
- 2:05:31সবাই চলে যাবে দেখে সবাই মিলে একসাথে বাজারে গেলাম।
- 2:05:34একটি বড় মাছ কিনে আনতে সেহেরি করার জন্য।
- 2:05:37তারপর ইফতার খেয়ে নামাজ পড়ে বসে থাকি।
- 2:05:39একটু পর খালা এসে মাছ রান্না করে দিয়ে যায়।
- 2:05:42এসে রুমে ঘুমিয়ে পড়ি। তারপর মসজিদে অ্যালার্ম শুনে সিএল
- 2:05:46খাওয়ার জন্য উঠি। সবাইকে ডাকতেই আমি বাথরুম থেকে
- 2:05:49অজু করে খাবার নিয়ে রুমে রুমে আসি।
- 2:05:51আমি সবার খাবার রুমে নিয়ে যা দেখি তো আমি বিশ্বাস করতে পারি
- 2:05:55না। আমি ভালোভাবে দরজার ছিট কিনে
- 2:05:56লাগিয়ে দেওয়ার পরেও একটি বিড়াল ঢুকে মাছগুলো সব খেয়ে ফেলেছে।
- 2:06:00তখন বিড়ালটা এখানে বসে কাটাচি পাচ্ছে।
- 2:06:02সবাই দেখে আমাকে পকাবকি করতে শুরু করল।
- 2:06:05বলল তুই ভাল করে লাগাসনি একটু রাগ হয়ে কাচের গ্লাস সামনে ছিল তাই
- 2:06:10দিয়ে বেড়ালটার দিকে ছুঁড়ে মারলাম আর বেড়ালটার মাথায়।
- 2:06:13সেটি গিয়ে লাগল। তারপর সবার জন্য 1:00 ডিম ভেজে
- 2:06:16সবাই সেরে করে নিজের রুমে। তারপরে তারা সবাই ঘুমিয়ে যায়।
- 2:06:20পরের দিন সবাই পরীক্ষা দিয়ে এসে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেয়।
- 2:06:24আমিও পরীক্ষা দিয়ে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম।
- 2:06:26তারপর ঘুমের মধ্যে আজব 1:00 স্বপ্ন দেখলাম।
- 2:06:28স্বপ্ন ছিল এমন যে বিড়ালটিকে আমি রাতে আঘাত করেছিলাম।
- 2:06:31সে অনেক করুণ গলায় কাঁদছে। তার পাশে একটি অবয়ব দাড়ি আছে
- 2:06:35এবং রাগান্বিত ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে এবং আমাকে শাসাচ্ছে
- 2:06:40এবং সেই অবয়বটা ধীরে ধীরে বিকট হতে শুরু করল।
- 2:06:43আমার ঘুম ভেঙে যায়। বীভৎসুর চেহারা দেখে ঘুম ভেঙে
- 2:06:46দেখি 4:40 বেটে গেছে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম থ্রু এটা
- 2:06:51তো 1:00 স্বপ্নমাত্র। তারপর সন্ধ্যার আগে আগেই ইফতার
- 2:06:55নিয়ে বসলাম। ইফতার শেষ করে নামাজ পড়ে এসে
- 2:06:58পড়তে বসলাম। একটু পর খালা এসে আমার একার জন্য
- 2:07:02রান্না করে দিয়ে চলে গেল। যেহেতু রমজান মাস রাতের খাবার
- 2:07:05খেয়েছে খাবারটা নিজের রুমে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
- 2:07:08হুট করে আমার ঘুম ভেঙে গেল। তিনটার দিকে মেসের ছাদে কি জানি
- 2:07:13অনেক জোরে জোরে হাঁটা। আসছে আর অনেক শব্দ করছে।
- 2:07:17আমি খুব অবাক হলাম মিশ্রিত কেউ নেই ছাদে কে হাঁটা চলা করবে আমি
- 2:07:21একটু সাহস যুগিয়ে ঘুম থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ফোনে টর্চ লাইটটা অন
- 2:07:25করে ছাদে যায় ছাদে গিয়ে দেখি কিছুই নেই।
- 2:07:28সবই স্বাভাবিক। আমি যখন ফিরে আসবো তখনই দেখি
- 2:07:31আমগাছের উপরে তিনজন লম্বা চুল ওলা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে
- 2:07:36এবং তাতে। চোখ বড় বড়।
- 2:07:38বীভৎস হাসি দিয়ে তারা অদৃশ্য হয়ে গেল।
- 2:07:40আমি আর নিজেকে সামনে রাখতে পারছিলাম না।
- 2:07:43যা যা দোয়া আছে পড়তে শুরু করলাম, পড়তে পড়তে রুম এ আসলাম
- 2:07:46ভয় ভয় করে সেখানে 1:00 হাসির শব্দ আমার কানে বাছে রুমে এসে ভয়
- 2:07:50ভাবতে শুরু করলাম এসব কি হচ্ছে আমার সাথে আমি কিছু বুঝতে পারছি
- 2:07:54না এসব ভাবতে ভাববে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি।
- 2:07:57জানি না তারপর আমি আবারও এসব মনের ভুল ভেবে কাটিয়ে দিই।
- 2:08:01তবুও মনের ভেতরে 1:00 ভয় থেকে গেছে।
- 2:08:04এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ করে এক মেসের বড় ভাইয়ের ফোন এল আমাকে
- 2:08:07বলল মেসে 1:00 ফাইল রেখে এসেছি আমি যেন ফাইলটা নিয়ে আসি।
- 2:08:121:00 কথা বলে রাখা ভালো সে আমার রুমমেট ছিল এবং তার নাম ছিল
- 2:08:15সাদিক। তারপর আমি 1:00 স্বস্তির নিঃশ্বাস
- 2:08:18ফেলে বললাম যাক ভালই হল কোন সমস্যা হবে না।
- 2:08:21তাহলে ভাই যদি আসে তাহলে কালকে আমি চলে যাব ঠিক ইফতারের আগে
- 2:08:25সাদিক ভাই চলে আসলো ভাইয়া কেন জানি আমার সাথে ঠিক ভাবে কথা
- 2:08:29বলছিল না হুট করে আকাশ অন্ধকার হয়ে এসে।
- 2:08:32বৃষ্টি শুরু হয়। ইলেকট্রিসিটিও চলে যায়।
- 2:08:35আমি মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট টা জ্বালিয়ে বাথরুমে চাই।
- 2:08:38এমন অবস্থায় আমি বাথরুমে থাকালি সাদিক ভাই ফোন দিল।
- 2:08:42আমি ভাবলাম সাদিক ভাই আবার কেন ফোন দিচ্ছে দুই তিনবার যখন ফোন
- 2:08:45দিল আমি এবার ফোনটা ধরলাম। আমি কিছু বলার আগেই বলে উঠল, আমি
- 2:08:50আজকে যেতে পারব না তুই চলে যাস বাড়িতে আমি পরে ওটা নিতে আসব।
- 2:08:54কতটা শোনার পর আমি অনেকক্ষণ চুপ হয়ে থাকলাম।
- 2:08:56ভাবলাম আমি তাহলে এতক্ষণ কার সঙ্গে আছি।
- 2:08:59আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে ভয় ভয়ে রুমের দিকে এসে দেখি সেই বিপদ সূর
- 2:09:03চেহারা আমার খাটের উপরে বসে আছে। আমি এটা দেখার পর পেছনে ঘুরে দৌড়
- 2:09:08দিয়ে দেখি আমার সামনে 2:00 অপযোগ দাঁড়িয়ে পুরো মেস নিস্তব্ধ হয়ে
- 2:09:12গেছে। আমি সেন্সলেস হয়ে যাওয়ার চেষ্টা
- 2:09:14করছিলাম কিন্তু পারছিলাম না ভয়ে আমার সমস্ত শরীর।
- 2:09:18হয়ে যাচ্ছিল। এমত অবস্থায় বুকে অনেক ব্যথা
- 2:09:21অনুভব করি। দেখি ওই বিড়ালটা আমার বুকের উপরে
- 2:09:23বসে আছে এবং বিষণ্ণ গলায় সে বলতে লাগল।
- 2:09:26এটিকে আমরা ছিঁড়ে খাব চোখ বন্ধ করে আজান দিতে শুরু করলাম।
- 2:09:30আসান দিয়ে অজ্ঞান হয়ে কখন পড়ে গেছে নিজেও জানি না।
- 2:09:33পরদিন সন্ধ্যাবেলা চোখ খুললে আমি দেখতে পাই খালা এলাকার কয়েকজন
- 2:09:37লোক। আমার পাশে খালা বলে আমি একটু আগে
- 2:09:41রান্না করতে সে দেখি তুমি বাইরে পড়ে আছো তোমার বুকে অনেক খাটা
- 2:09:45ছেঁড়া দাগ। আশপাশের অনেক লোকজন এসে যায়
- 2:09:47তারপর তোমাকে নিয়ে খাটে শুয়ে দেওয়া হয়।
- 2:09:50তারপর ওই এলাকার একজনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে ভয় 23 দিন ধরে
- 2:09:55ঘটে যাওয়া আমার সাথে সব ঘটনা খুলে বলি।
- 2:09:58তারপর ওরা আমার বাবাকে ফোন দিয়ে সব ঘটনা বলে এবং হুজুর নিয়ে আসে
- 2:10:02কুড়িগ্রামে আমি আমার বাবাকে দেখে হাউ মাউ করে কাঁদতে শুরু করি।
- 2:10:06বাবা মা আমার বুকের অবস্থা দেখেও কাঁদতে শুরু করে তারপর হুজুর আমার
- 2:10:09কাছে থেকে সব ঘটনা জানতে চাই আমি। বলে তারপর হুজুর নাকি তার পালিত
- 2:10:14জিন দিয়ে খবর নেয়। খবর নিয়ে জানতে পারে যে সেই
- 2:10:17বিড়ালের বাচ্চাটি যেটিকে আমি মেরেছিলাম কোনও সাধারণ বিড়ালের
- 2:10:21বাচ্চা ছিল না সেটা একটি ক্ষবির জন্য।
- 2:10:24হুজুর সেই নিকৃষ্ট। জিনগুলোকে বলে আমাকে ছেড়ে দিতে।
- 2:10:27কিন্তু তারা কোনওভাবে রাজি হয় না হচ্ছে তাদের বলে তাদেরকে
- 2:10:30বোতলবন্দি করবে। এই কথা শুনে তাঁরা কিছু শর্ত
- 2:10:33দেয়। শর্তগুলো ছিল এমন।
- 2:10:35ছাগল 2:00 সাদা কবুতর জবাই করে রক্ত দিতে হবে এই আম গাছের তলায়
- 2:10:39আর ওকে এই মেস পরিত্যাগ করতে হবে সেই মোতাবেক আমি মেস মালিকের খবর
- 2:10:44দিয়ে সব জানাই। তিনি সব ব্যবস্থা করার
- 2:10:46প্রতিশ্রুতি দেন এবং আমি বাসায় চলে আসি।
- 2:10:49বাসায় আসার পর অনেকদিন জ্বর ছিল। পরে শুনি মিস মালিক জোড়া সাদা
- 2:10:54ছাগল ও কবুতল দুটি ওইখানে জবাই করে দেয়।
- 2:10:57আর আমি অন্য 1:00 মেসে উঠে পড়ি। আমি এলাকায় থাকতে পারব না।
- 2:11:02আমি ওই এলাকাতে পা মারাই না। আল্লাহর রহমতে আমি এখন সুস্থ আছি।
- 2:11:07আল্লাহ যে এমন পরিস্থিতিতে কাউকে 13 না ফেলে সেই দোয়া করি আমি ছোট
- 2:11:11মানুষ লেখায় ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে থাকবেন এই
- 2:11:15বলে তিনি তাঁর ঘটনা শেষ করেছেন। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ আপনার ঘটনার
- 2:11:18জন্য আপনার ঘটনাটি অসম্ভব রকমের ভালোই লেগেছে।
- 2:11:20আমাদের কাছে। আশা করছি যে আপনি ভবিষ্যতেও
- 2:11:22আমাদেরকে আরও ঘটনা পাঠাবেন। যদি আমাদের ঘটনা পাঠাতে চান তাহলে
- 2:11:26আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে রাসেল.ভূত.কম জিমেল.কম আপনার নাম
- 2:11:30ঠিকানা এবং ফোন নম্বর সহ আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া বা আপনার জানা
- 2:11:34সেরা ঘটনা লিখে পাঠিয়ে দিন। আমাদের কাছে ঘটনা শুরুতে অবশ্যই
- 2:11:36উল্লেখ করুন যে ঘটনাটা আপনি ষ্টুডিও তে এসে করতে চান না কি?
- 2:11:40আমি চান আপনার ঘটনা আমরা পড়ে শুনে যাঁরা দেশের বাইরে রয়েছেন
- 2:11:43তাঁরা সরাসরি অডিও ক্লিপ পাঠাতে পারেন বা লিখেও পাঠাতে পারেন।
- 2:11:46ঘটনা আপনাদের যেভাবে খুশি যে সমস্ত ঘটনা ইমেইলে আসে সেগুলো খুব
- 2:11:50স্পেশাল হয়। অডিও ক্লিপ ও আমি দেখলাম লাস্ট
- 2:11:53উইক এ যাওয়া জিউ ক্লিপের কথাগুলো যদি আমরা বলি অসম্ভব সুন্দর কিছু
- 2:11:57অডিও ক্লিপ ছিল সো সেই অডিও ক্লিপ গুলোর কথা এখনও।
- 2:12:01আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে এবং প্রতিশ্রুতি ছিলাম বলব না।
- 2:12:04তবে আমি এরকম আশা করেছিলাম যে অডিও ক্লিপ আমাদের সব সময়ই ভাল
- 2:12:08হতো। এখন ভালো হবে না কেন।
- 2:12:10আর সেই কারণে আমি আহ্বান জানিয়েছিলাম এবং সেই আহ্বানে
- 2:12:13সাড়াও মিলেছে অসংখ্য অডিও ক্লিপ ভালো ভালো অডিও ক্লিপ আপনারা
- 2:12:16শুনতে পারবেন সামনে ঈদ যেহেতু আসছে ঈদের মধ্যেও আপনারা চমৎকার
- 2:12:21কিছু ঘটনা শুনবেন। যাই হোক আমরা চলে যাব।
- 2:12:24কিছুক্ষণের মধ্যেই 100 টি শেষ করে দেব।
- 2:12:26আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
- 2:12:36আজ আবার। পাচ্ছেন শব্দটা।
- 2:12:50রাসেল। লুকোচিরে খেয়ে।
- 2:13:18আমি ঠিকই তোমাকে খুঁজে পাব। রাসেল।
- 2:13:38ইয়েস শুনছেন ভূত.কম অমিতের রাসেল এবং আজকে স্পেশাল ইমেল এপিসোড
- 2:13:43ছিল। আশা করছি আমাদের আজকের এপিসোড টা
- 2:13:46আপনাদের ভালো লেগেছে। যাই হোক আমরা সেই ঈদকে সামনে
- 2:13:50রেখেই আজকের মতো আমাদের এপিসোড শেষ করছি।
- 2:13:52কথা হবে সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন মোস্ট ইম্পরট্যান্টলি ভূত
- 2:13:55ডট কমের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।