Latest / RJ Russell- Bhoot.Com / বাইরের চেয়ে ঘরে কেন বেশি ভয় | BhootDotCom | Episode-07
Transcript
- 0:04স্পিরিট। বেহের উইথ মি।
- 0:30শুরু করতে চাই ঘটনা দিয়ে যে ঘটনাটি আমি এখন পড়ে শোনাবো সেটিও
- 0:35আমাদের একজন লিনার। পাঠিয়েছেন আমি সেই ঘটনাটি
- 0:39আপনাদের পড়া শোনাচ্ছি। তার মতো করে চলুন চলে যায়
- 0:43ঘটনায়। আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
- 0:54তাই ভালো লাগলে পড়ে শোনালে খুশি হব।
- 1:00আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাই ওয়ালাইকুম আসসালাম এবং ভূত
- 1:04ডটকমের সকল লিসেনাররা। আশা করি আপনি এবং ডট কমের সকল
- 1:11লিশনাররা আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছেন।
- 1:15আমি আমার নাম ঠিকানা এবং ফোন নম্বর দিচ্ছি।
- 1:18তবে এগুলো না বলার অনুরোধ করছি আমি এইখানে আমার ছদ্ম নামটি
- 1:23ব্যবহার করছি আমি। জুড়ে ফেল এবং হয়তো বা আমার
- 1:27ছদ্মনামটি অনেক লিসেনার দেরি পরিচিত মনে হবে ভূত ডট কমের গত 24
- 1:34তম পর্বে আমার ভিয়েতনামের ঘটনাটি পড়া হয় অনেকের কাছে ভালো
- 1:38লেগেছে। আবার অনেকের কাছে খারাপ হয়ে গেছে
- 1:42রাস্তার ভাইয়ের মতো 1:00 কথাই বলতে চাই।
- 1:44বিশ্বাস করে না করাটা সম্পূর্ণ আপনাদের ব্যাপার।
- 1:48যাদের কাছে আমার ঘটনাটি ভালো লেগেছে তাদের জন্যই আজকের ঘটনাটি
- 1:53লিখতে বসলাম। আশা করি এই ঘটনাটিও আপনাদের ভালো
- 1:57লাগবে। আজকে আমি আপনাদের যে ঘটনাটি বলতে
- 2:01যাচ্ছি তা আমেরিকাতেই ঘটা একটি ঘটনা।
- 2:05এই ঘটনাটি আমি সংগ্রহ করেছি। আমার এক কলিগের কাছ থেকে এবং
- 2:09ঘটনাটি ঘটেছিল ওই কালিগের অ্যাপার্টমেন্টে ঘটনাটি আমি
- 2:13সংগ্রহ করি 2010 সালে তখন আমি একটি বড় কোম্পানিতে চাকরি করতাম
- 2:18এবং ওই চাকরির সুবাদে ওই কলিগের সাথে পরিচয়।
- 2:22একদিন সকালে কলিগ্রাম মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম এবং তখন সে তার ঘটনাটি
- 2:28আমাদের সাথে শেয়ার করেন। আমার কলিগের একটু পরিচয় নেই।
- 2:31আমার কলিগের নাম ছিল ইফা ছদ্মনাম তাঁর জন্ম আমেরিকার মিসিসিপি
- 2:38স্টেটের। ভিক্সবার্গ শহরে।
- 2:42ইভা বিশবার্গ এই বেড়ে ওঠে এবং মিসিসি স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে
- 2:48সে তার ব্যাচেলার্স কমপ্লিট করে। চাকরি করার জন্য সে নিউ ইয়র্কে
- 2:55আমাদের কোম্পানিতে জয়েন করেন এবং এখানেই আমাদের পরিচয়।
- 2:59ইভা আমাকে যেভাবে ঘটনাটি বলেছিল আমি সেভাবেই ঘটনাটি বলছি।
- 3:04ঘটনাটি ঘটেছিল 2007 সালে। আমি তখন ইউনিভার্সিটির।
- 3:09তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সময়টি ছিল জানুয়ারি মাস।
- 3:12প্রথম সেমিস্টার শেষ হয় ডিসেম্বরে এবং কিছুদিন পরেই
- 3:17দ্বিতীয় সেমেস্টার শুরু হবে। আমি তখন আমার বয়ফ্রেন্ড জেমস
- 3:22ছদ্মনাম তার সাথে একটি অ্যাপার্টমেন্টে শিফট করি।
- 3:27অ্যাপার্টমেন্টে একটু বর্ণনা দিই। এপার্টমেন্টের বিল্ডিংটি ছিল 14
- 3:30তালা এবং অ্যাপার্টমেন্টটি ছিল 13 তলায়।
- 3:33প্রতিটি ফ্লোরেই চারটি করে ইউনিট এই বি সি।
- 3:36এবং টি আমাদের এপার্টমেন্ট এ ছিল 13 এ দুই বেডরুমের একটি
- 3:41এপার্টমেন্ট। দরজা খুললেই আমাদের লিভিং রুম এবং
- 3:45লিভিং রুমের সাথে সংযুক্ত কিচেন হাতের বাঁদিকে একটি ছোট্ট করিডোর।
- 3:52ওই করিডরের মাঝামাঝি জায়গায় হাতের ডান দিকে আমাদের বাথরুম
- 3:56করেডরের শেষ প্রান্তে একটি বেডরুম এবং কিচেনের পাশে আরেকটি বেডরুম।
- 4:01আমরা কয়েকটা শেষ প্রান্তের রুমটিতে থাকতাম।
- 4:04প্রথম 23 দিন কোনও সমস্যা ছিল না। জানুয়ারি শেষদিকে আমরা নতুন
- 4:09সেমিস্টার শুরু করেছি। আমিও ধীরে ধীরে ক্লাস এ যাওয়া
- 4:12শুরু করলাম আর। জেমস ও তার কাজে যাওয়া শুরু করল।
- 4:16ঘটনা শুরু ফেব্রুয়ারি থেকে জেমসের একটি কুকুর ছিল, যার নাম
- 4:20ছিল চার্লি। তারা একে অপরকে খুব ভালোবাসতো।
- 4:24চার্লির একটি শারীরিক সমস্যা ছিল সে কানে শুনতে পেত না।
- 4:29চার্লি আমাদের সাথেই থাকত রুমের মেঝেতে ঘুমোত তো প্রতিদিনের মতো
- 4:34ওই দিনও চারটি আমাদের রুমে ঘুমাচ্ছিল।
- 4:37কিছুক্ষণ পর আমাদের ঘুম ভাঙল চার্লির খেয়ো খেয়েও শুনে ঘড়িতে
- 4:41দেখলাম তখন পাছে রাত 3:00। আমরা দেখলাম যে চার্লি আমাদের
- 4:45রুমে নেই এবং আওয়াজটি আসছে লিভিং রুম থেকে।
- 4:49তখন আমি আর চেমস আমাদের লিভিং রুমে গেলাম লিভিং রুমে গিয়ে
- 4:53দেখলাম চার্লি লিভিং রুমের একটি কোণায় তাকিয়ে ঘেউ ঘেউ করছে।
- 4:59লিপিং রুমে আমি জেমস আর চার্লি ছাড়া তখন কেউই ছিল না।
- 5:03চার্লি কেন ঘেঁড় ঘেঁউ করছে তা খোঁজার চেষ্টা করি নি আমরা জেমস
- 5:08চার্লি কে নিয়ে আবার। আমাদের রুমে চলে আসে ওইদিন রাতে
- 5:11আর কিছু ঘটেনি। কিন্তু এর পরের দিন রাতে আবার একই
- 5:15সময়ে একই ঘটনা চাইলে কোড়ায় তাকিয়ে ঘেউঘেউ করেই যাচ্ছে।
- 5:19এরকমভাবে প্রায় প্রতি রাতেই চার্লি একই সময়ে লিভিং রুমে
- 5:23গিয়ে একই কোণার দিকে তাকিয়ে ঘেঁউঘেউ করত প্রায় দুই সপ্তাহ।
- 5:28এরকম চলছিল এই ঘটনাটি চলাকালীন সময় এটির কারণ খোঁজার চেষ্টা
- 5:33করছিলাম। চালে খুবই শান্ত প্রকৃতির ছিল।
- 5:35কিন্তু সে প্রতি রাতে এরকম ঘেঁউ ঘেউ কেন করত।
- 5:39এর কারণ আমরা খুঁজে পেতাম না। প্রায় দুই সপ্তাহ পর চালের এই
- 5:44প্রতি রাতের ঘেঁউ ঘেউ শেষ হল। তবে তখন আমি এবং জেমস অন্য 1:00
- 5:49জিনিস লক্ষ্য করলাম। আমরা দেখলাম যে চার্লি সারাক্ষণ
- 5:52আমাদের রুমে থাকত। সে লিভিং রুমে যেতে চাইত না।
- 5:56চার্লিকে নিয়ে বাইরে গেলে সে আবার বাসার ভেতরে আসতে চাইত না।
- 6:00অনেক টেনে তাকে বাসায় ঢোকাতে হত। সারাক্ষণ ভয় ভয় থাকত।
- 6:05তাই জেমস চার্লি কে তাঁর মা বাবার কাছে রেখে আসে।
- 6:09আমরা অনেকেই শুনেছি যে কুকুর বিড়ালরা প্যারানর্মাল জিনিসের
- 6:14আভাস পায়। মানুষ যা দেখতে পারে না।
- 6:17কুকুর বিড়াল অনেক সময় তা দেখতে পায় কিন্তু।
- 6:20আমাদের এই ঘটনাটিকে নরমাল ভাবে আমরা নেই তার এক।
- 6:24মাস পর অর্থাৎ এক মাস কেটে যাবার পর এমন কিছুই ঘটে না।
- 6:30এপ্রিল মাসে আবার ঘটনা শুরু হয় একদিন রাতে আমি বাথরুমে যাওয়ার
- 6:33জন্য রুম থেকে বের হই। আমাদের রুমের দরজা খুললেই আমাদের
- 6:36লিভিং রুমের সোফাটি দেখা যায়। ঘুম ঘুম চোখে আমার মনে হল।
- 6:41আমার মনে হল। লিপিং রুমের সোফায়।
- 6:47কেউ বসে আছে। ভাবলাম হয়তো বা ভুল দেখছি তাই
- 6:51ভালো করে না দেখে আমি বাথরুমে চলে যাই।
- 6:54বাথরুম থেকে বেরিয়ে যখন আবার সোফার দিকে তাকাই তখন আমি স্পষ্ট
- 6:59দেখি যে একজন বয়স্ক মানুষ বয়স 50 থেকে 60 হবে হাতে 1:00 পুরোনো
- 7:05এক নিয়ে এবং কালো স্যুপ পরে। আমাদের সোফায় বসে আছেন।
- 7:10কী করছে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই বয়স্ক লোকটি আমার দিকে তাকিয়ে
- 7:14আসলেন এবং উঠে আমার সামনের দিকে হেঁটে চলে গেলেন।
- 7:19লোকটিকে। বা কোথায় গেল?
- 7:24তো দেখার মতো সাহস আমার ছিল না। আমি আবার রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়ি।
- 7:30আমি ঘরনারি জেমস এর সাথে শেয়ার করিনি এবং ঘটনাটিকে স্বপ্ন বলে
- 7:34নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে নেই। এরপর থেকে আমার।
- 7:39মাঝে মাঝে মনে হতো আমাদের লিভিং রুমের সোফায় কেউ বসে আছে।
- 7:44এই ঘটনাটার কিছুদিন পর আমি আর জেমস বাইরে থেকে ডিনার করে বাসায়
- 7:48ফিরে এপার্টমেন্টে ঢুকে যখন আমরা আমাদের রুমের দিকে গেলাম।
- 7:54এবং তাকালাম যখন তখন আমরা দুজনেই সেই সোফায় বসে থাকা লোকটিকে
- 7:59দেখলাম এবং তখন আমাদের রুমের দরজাটা অনেক শব্দ করে লেগে গেল।
- 8:04জেমস ভেবেছিল হয়তো বা কোনও চোর ঢুকেছে বাসায় সে তাড়াতাড়ি করে
- 8:07রুমের দরজা খুলল এবং দেখল রুমে কেউ নেই।
- 8:13সবকিছুটি ঢাক। আমি তখন চিপস কেস সোফায় বসে
- 8:17থাকার ঘটনাটি বলি। জেমস তখন কিছুটা চিন্তিত হয়ে
- 8:20পড়ে যে বাসায় আসলে কি সমস্যা আছে নাকি এটি আমাদের মনের ভুল।
- 8:27জেমস তখন তার বন্ধু উইলিয়াম আমাদের বাসায় তাকে ডাকে কিছুদিন
- 8:32থাকার জন্য। মিডিয়ামকে জেমস বাসা নিয়ে কিছুই
- 8:36বলেনি। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে উইলিয়াম
- 8:39আমাদের বাসায় এক সপ্তাহের জন্য বেড়াতে আসে তাঁকে।
- 8:42আমরা লিভিং রুমের পাশের বেড রুমটিতে থাকতে দিই।
- 8:45বেডরুমটি যখন আমরা প্রবেশ করি তখন রুমটি খুবই উদ্ভট 1:00 গন্ধ
- 8:50ছড়ায়। একটি স্যাঁতস্যাঁতে টাইপের গন্ধ
- 8:54পুরো রুমে এই গন্ধটি কিছুদিন আগেও যখন আমি রুমটিতে যাই তখনও ছিল না।
- 9:00তখন আমরা গন্ধটি দূর করার জন্য এয়ারফ্রেশন ব্যবহার করি।
- 9:04এয়ার কন্ডিশনার ছেড়েতেই জানালা খুলে দিই।
- 9:07কিন্তু তবু। গন্ধটি যাচ্ছিল না অনেকক্ষণ পর
- 9:12গন্ধটি কমে আসল। কিন্তু পুরোপুরি ভাবে গেল না।
- 9:16ওইদিন রাতে উইলিয়াম ওই রুমে ঘুমাল এবং আমরা আমাদের রুমে।
- 9:21পরের দিন সকালে উইলিয়াম আমাকে জিজ্ঞাসা করল।
- 9:25তুমি কি রাতে লিভিং রুম এসেছিলে? আমি বললাম না তো কেন?
- 9:31উইলিয়াম বলল, সবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পর রাতে লিভিং রুমের শব্দ
- 9:36শুনে আমার ঘুম পাবে। শুনে মনে হচ্ছিল পুরুষকণ্ঠে কেউ
- 9:40গুনগুন করে কান গাছে। আমি তখন আমার রুম থেকে উঠে দরজাটা
- 9:45খুললাম। দেখলাম যে লিভিং রুম পুরোটাই খালি
- 9:48আর ঠিক তখনই দেখলাম তুমি করে টরের দিকে যাচ্ছ।
- 9:51আমি তখন আর কিছু না ভেবে রুমে এসে শুয়ে পড়লাম।
- 9:54কিন্তু কি? আশ্চর্যের বিষয় হল, যখন আমি
- 9:57বিছানায় গেলাম ওই স্যাঁতসেঁতে গন্ধটি আরও তীব্র হয়ে গেল।
- 10:01ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না।
- 10:03আস্তে আস্তে যখন সকাল হচ্ছিল, গন্ধটিও কমে আসছিল আর।
- 10:09আমি আবার কমিয়ে পড়ি। আমি উইলিয়ামের কথা শুনে খানিকটা
- 10:14অবাক হয়ে। কারণ আমি রাতে লিভিং রুমে যাইনি
- 10:18তাহলে উইলিয়াম কাকে দেখল আর পুরুষ কণ্ঠেই বা কে গুনগুন করছিল
- 10:23এটা কি তাহলে সেই বৃদ্ধ লোকটি যাকে আমরা আগেও দেখেছি এগুলো
- 10:27ভাবতে ভাবছি আমি ওইদিনের মতো ক্লাসে চলে যাই ওইদিন।
- 10:32ও আরও কিছু ঘটেনি। ওইদিন আর কিছুই ঘটেনি।
- 10:36পরের দিন সকালে উইলিয়াম আমি আর জেমস একসাথে বসে।
- 10:39সকালের নাস্তার জন্য রুমে নিস্তব্ধতা ভেঙে উইলিয়াম বলল,
- 10:42তোমাদের বাসায় কি কোনও সমস্যা আছে?
- 10:45আমি আর জেমস একে অপরের দিকে তাকালাম।
- 10:48জেমস বলল। তোমার এমন মনে হচ্ছে কেন যে
- 10:52বাসায় সমস্যা আছে বুঝলাম হল গতকাল রাতেও আমার ঘুম ভাঙে 1:00
- 10:56শব্দে শব্দটি আসছিল আমার বিছানার নীচ থেকে যেন মনে হচ্ছিল কেউ একজন
- 11:01নিচ থেকে আমার বিছানায় কনক করছে। মাঝে মাঝে বিছানাটি কেঁপে উঠছিল
- 11:06এবং এই সব ঘটনা চলাকালীন সময় ওই স্যাঁতসেঁতে গন্ধটি তীব্র হচ্ছে।
- 11:12জেমস খানিকটা চুপ থেকে বলল যে তুমি হয়তোবা স্বপ্ন দেখেছ
- 11:16উইলিয়াম আর কোন কথা বলেন। আমি তখন নিশ্চিত ছিলাম যে আমাদের
- 11:22বাসায় সত্যিই কোনও সমস্যা আছে এবং এই বাসা ছেড়ে দিতে হবে যত
- 11:25তাড়াতাড়ি সম্ভব ওইদিন রাতে আমাদের ঘুম ভাঙে।
- 11:28উইলিয়ামের চিৎকারে। আমি আর জেমস তাড়াতাড়ি তার রুমে
- 11:32চাই এবং গিয়ে দেখি উইলিয়াম। রুমের একটি কোণায় জড়সড় হয়ে
- 11:37বসে আছে। আর তার জামা কাপড় শরীর রক্ত
- 11:39রক্তে ভেজা। জেমস এত রক্ত দেখে সবার আগে ফোন
- 11:48করে অ্যাম্বুল্যান্সকে উনি আমি চোখেমুখে ভয়েস ছাপ তার হাত পা
- 11:53কাঁপছে। ভয়ের তো চোখে তাকিয়ে আছে
- 11:54বিছানার দিকে বিছানাতে অনেক রক্ত আমি আর জেমস উইলিয়ামকে লিভিং
- 11:58রুমে নিয়ে এসে বসায় এবং জিজ্ঞাসা করলাম কী হয়েছে
- 12:02উইলিয়াম আমাদের যা বললো। শোনার জন্য আমি বা জেমস কেও
- 12:06প্রস্তুত ছিলাম না। উইলিয়াম বলল, গত দুই তিনদিনের
- 12:09মতো আজও আমার ঘুম ভাঙে। লিভিং রুমের আওয়াজে আমি আজকেও
- 12:14দরজা খুলে দেখি। লিভিং রুমে কেউ নেই।
- 12:17স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধটি তখন তীব্র হচ্ছিল।
- 12:19আমি বিছানায় এসে শুয়ে পড়ি, ঘুম আসবে আসবে এমন একটি সময় আমি
- 12:23অনুভব করলাম। আমার টি শার্ট টি ভিজে গেছে।
- 12:26আমি যখন চোখ খুললাম আমি তখন দেখলাম একটি 25 থেকে 30 বছরের মৃত
- 12:30লোক এবং তার মাথা থেকে রক্ত পড়ছে।
- 12:33সে আমার বিছানায় পড়ে আছে। আমার পিছন তাঁর রক্তে পড়ে গেছে।
- 12:37আমার জামাকাপড়ও তারই রক্তে ভেজা। আমি তখন বাস্তব আর স্বপ্নের
- 12:43পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আমি যদি স্বপ্নই দেখি তাহলে এটা
- 12:48বাস্তবে হয় কিভাবে যখন মনে হচ্ছিল আমি জ্ঞান হারাব তখন জোরে
- 12:531:00 চিৎকার দিয়ে বিছানা থেকে নেমে যায়।
- 12:56আর লাশটিও জানি না কী ভাবে হাওয়ায় মিলিয়ে যায় তারপরই
- 13:00তোমরা আমার রুমে এসে ঢুকলে আমি চুপ করে বসে শুনে যাচ্ছি কেন জানি
- 13:07না কিছু বলার সাহস হচ্ছিল না আমার জেমস তখন পুলিশ তে ফোন দেয়।
- 13:11পুলিশ এসে তাদের নরমাল জিজ্ঞাসাবাদ করে
- 13:13অ্যাম্বুল্যান্সের প্যারামেডিক্যাল লোকগুলো বলে এটি
- 13:16উইলিয়ামের রক্ত নয়। কারণ উইলিয়ামের শরীরের কোনও ক্ষত
- 13:19নেই। রুমে উইলিয়ামের রক্ত যে পরিমাণে
- 13:23পাওয়া গেছে একজন সুস্থ মানুষের শরীর থেকে ওই পরিমাণে রক্তক্ষরণ
- 13:27হলে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। নেই বললেই চলে সোজিনাতে।
- 13:33আর কেউ ঘুমায়নি এবং সকাল হলেই এপার্টমেন্ট ছেড়ে দেওয়ার জন্য
- 13:37জিনিসপত্র গোছানো শুরু করি। জিনিসপত্র গুছিয়ে নিচে যাওয়ার
- 13:40সময় আমাদের এক প্রতিবেশী সাথে দেখা হয়।
- 13:43উনি থাকেন 13 ডি তে ওনার সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে উনি বলেন,
- 13:47তোমাদের আরও অনেকেই এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছে।
- 13:51তোমাদের মতোই আমি কৌতূহলব। শুধু জানতে চাইলাম যে কি ঘটেছিল
- 13:55এই বাসায় উনি বললেন প্রায় পাঁচ বছর আগে এই বাসায় এক নবদম্পতি
- 13:59উঠেছিল সবার সাথে তাদের ভালোই সম্পর্ক ছিল।
- 14:02কিন্তু একদিন লোকটি এসে দেখল যে তাঁর স্ত্রী লকার থেকে তাঁর সমস্ত
- 14:07টাকা চুরি করে অন্য একটি লোকের সাথে পালিয়ে গেছে।
- 14:11শোকার লোকালজ্জার ভয় লোকটি সহ্য করতে পারেনি।
- 14:14তাই সে ওই দিন রাতে অ্যাপার্টমেন্টের বাথরুমে
- 14:17আত্মহত্যা করে। কিন্তু কোনও এক অজানা কারণে লোককে
- 14:20লাশ কিচেনের পাশের বেড রুম যেতে পাওয়া যায়।
- 14:24মেঝেতে লাশটি চেনে নেওয়ার চিহ্ন ছিল।
- 14:26কিন্তু সিসিটিভি তে ওই লোকটির পরে বাসায় কাউকেই ঢুকতে দেখা যায়।
- 14:32কেউই জানে না যে লোকটি কীভাবে বাথরুম থেকে বেডরুমে গেল।
- 14:37তারপর থেকে এই এপার্টমেন্টে অনেক মানুষই ওঠে।
- 14:41কিন্তু কেউই 23 মাসের বেশি থাকতে পারে না।
- 14:45এপার্টমেন্টের মালিক 212 ফাদারও এনেছিল।
- 14:49বাসাটি শুদ্ধ করার জন্য কিন্তু কোনও কিছুতেই কোনও কাজ হয়নি।
- 14:54আমি যখন এই মর্মান্তিক ঘটনাটি শুনছিলাম তখন ওই মৃত লোকটির জন্য
- 14:58কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু একই সাথে আমি ভয়ও
- 15:00পাচ্ছিলাম। উইলিয়াম একজন 2530 বছরের লোককে
- 15:03দেখেছে আর আমার প্রতিবেশীও বলল লোকটি সদ্য বিবাহিত।
- 15:08তাহলে আমি আর জেমস যে বৃদ্ধ লোকটিকে দেখেছিলাম।
- 15:11সেঁকে ছিল। এই বাসায় হয়তোবা একটি না আরও
- 15:16অনেক ঘটনায় ঘটেছিল যা সবারই অজানা হয়তোবা কেউ অথবা কোনও কিছু
- 15:22চায় না যে বাসাটির আসল রহস্য উদঘাটন হোক, ওইদিনই আমরা বাসা
- 15:26ছেড়ে দিই এবং তারপর থেকে আমি আর কোনও প্যারানো মল জিনিসের
- 15:31সম্মুখীন হয়নি। সকল প্রকার ভুল ক্ষমার দৃষ্টিতে
- 15:35দেখবেন রাসেল ভাই আপনাদের ঘটনাটি পছন্দ হলে আরও পাঠাবো ইনশাল্লাহ।
- 15:41আপনি ঘটনা পাঠিয়ে যান। আপনার ঘটনাগুলো অসম্ভব ভালো হয়।
- 15:44অসম্ভব সুন্দর হয় এবং আমি চাই যে আপনি ঘটনা প্রতিনিয়ত পাঠান।
- 15:55তুমি। ডট কম।
- 16:00একটু ফিয়ার রিডার্স। আরও একবার আপনাদের সবাইকে স্বাগত
- 16:15জানাচ্ছি। আমি রাসেল শুনছেন ভূত.কম এবং আশা
- 16:19করছি আমাদের সঙ্গেই আছেন আমাদের পরবর্তী ঘটনায় এবং এই ঘটনাটি
- 16:24আমরা জানি যে অনেক দিন ধরে অনেকেই অপেক্ষায় আছেন এবং আমি বিশ্বাস
- 16:29করি যে এই ঘটনাটি শুনলে আপনারা অনেক বেশি আগ্রহী হবেন।
- 16:33আজকের এই এপিসোডটি আপনাদের অনেক বেশি ভালো লাগবে।
- 16:36এই ঘটনাটির কারণেই আমি আসলে শুধু এই ঘটনাটি বলব না।
- 16:40এর পরে তো আপনার ভাই আছেন। সুতরাং আমি বলতে চাই যে এই ঘটনা
- 16:44দুটির কারণে আমার ঘটনাটি যদি আপনাদের বোরিং ও লেগে থাকে বা
- 16:47আমার পড়া যদি ভাল না হয় এই 2:00 ঘটনা আপনাদের ডেফিনিটলি ভালো
- 16:50লাগবে সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
- 16:52হ্যাঁ। জুজু।
- 16:55ফিরে এসেছে ঈদ উপলক্ষে আপনাদের কাছে এবং জুডুর ঘটনাটি আমরা প্লে
- 17:01করতে চাই। আর আমাকে কৌশিকদা 1:00 কথাই
- 17:05বলেছেন। সেটা হচ্ছে যে আমি অনেক কিছুই
- 17:08বলতে পারিনি। রাসেল তোমাদেরকে আগে এখন মানে এটা
- 17:12হচ্ছে উনি রেকর্ড। এর মধ্যেই বলেছেন, আপনারা শুনতে
- 17:14পাবেন এমনিতেও। যে এবার আরও একটু বেশি করে ঘটনার
- 17:18প্রেক্ষাপটের বিবরণ সবকিছু মিলিয়ে ঘটনাটি আরও বেশি অন্যরকম
- 17:23হয়ে উঠেছে। অন্য 1:00 রূপ পেয়েছে ঘটনাটি এবং
- 17:26আপনি আরও বেশি ভিসুলাইজ করতে পারবেন।
- 17:28আমি বিশ্বাস করি যে আপনারা যারা শুনবেন তার এই ঘরটি চোখ বন্ধ করে
- 17:31শুনবেন। চলে যাবেন সেই জঙ্গলে এবং।
- 17:35করবেন যারা সিলেটে গেছেন তাঁরা জানেন যারা ডুয়ার্স রেখেছেন
- 17:38তাঁরা তো জানেনই এবং যারা দার্জিলিংয়েছেন তাঁরাও চা বাগান
- 17:42দেখেছেন। যারা পঞ্চগড়ের দিকে গেছেন তারাও
- 17:44চা বাগান দেখেছেন তো। আমার মনে হচ্ছে ঘটনাটি ভিসুলাইজ
- 17:47করা খুব সহজ। জাস্ট আপনার যেটা করতে হবে সেটা
- 17:50হচ্ছে চোখটা বন্ধ করে ফেলতে হবে এবং চোখ বন্ধ করে আপনি অনুভব
- 17:54করুন। আপনি চলে যান সেই দিনটিতে যেখানে
- 17:57ঘটনাটি ঘটছে যেই মুহূর্তে ঘটনাটি ঘটছে।
- 18:01আশা করছি যে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
- 18:04আজকের এপিসোডটি আমার তরফ থেকে আপনাদের জন্য ঈদ উপহার।
- 18:09আশা করছি ভালবেসে গ্রহণ করবেন। চলুন চলে যাই।
- 18:15জুজর ঘটনায় হ্যাঁ। আসছে।
- 18:23এসে গেছে জোঁচু। শুনুন শুনি।
- 18:30আসসালামু আলাইকুম। আমি কৌশিক এবং আজকে আপনাদের সাথে
- 18:351:00 ঘটনা শেয়ার করব এই ঘটনাটা আমি 11 বছর আগে 2000 নয় শেয়ার
- 18:40করেছিলাম রেডিও ফূর্তিতে রাস্তার সামনে।
- 18:45তখন তো একখানা যাকে বলে ন্যাশনাল মিডিয়াতে শেয়ার করা হয়েছিল
- 18:51তাই। অনেক কিছুই বলতে পারেনি গল্পের
- 18:54একটু খানিক স্লাইডলি যাকে বলে একটু সেন্সর করে দেওয়া হয়েছিল।
- 18:58কিন্তু আজকে 1:00 অনলাইন প্লাটফর্ম।
- 19:00এ দীর্ঘ 11 বছর পরে এই ঘটনাটা আবার শেয়ার করছি।
- 19:04তো এবার আশা করি একটুখানি গাঢ় খোলাখুলি আপনাদের সাথে গল্পটা
- 19:08বলতে পারব আর কি তো খুব 1:00 ডিলে না করে চলে যাই ঘটনাতে।
- 19:14কিন্তু ঘটনাতে যাওয়ার আগে 2:04 ব্যাখ্যা আপনাদেরকে দেওয়া উচিত
- 19:17তার কারণ এখানে অনেকেই আছেন যারা হয়তো এই ঘটনাটা শুনেছেন আগে এবং।
- 19:24শুনেছেন এবং হয়তো সেদিন অনেক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল।
- 19:28সেগুলো হয়তো শুনেছেন। তাই আজকে আর ওরকম ব্যাখ্যা যাব
- 19:31না। কিন্তু একটু ব্যাকগ্রাউন্ড দেব
- 19:35মানে আমি যখন ছোট ছিলাম মানে 40 ত্রি রানিং নাও।
- 19:37আমি যখন ছোট ছিলাম তখন মানে এই 12 বছর বয়স যখন ছিলাম আমার তখন যখন
- 19:43না আমি বায়না করতাম বা। যেন কান্নাকাটি করতাম খেতে চাইতাম
- 19:48না। তখন আমার বড় বোনেরা পুচুরা
- 19:51মায়েরা সবাই আমাকে ভয় দেখাতে বলতো যে তাড়াতাড়ি ঘিয়ে নাও
- 19:54নাহলে জুজু আসলে এখন জুজু কে জুজু হচ্ছে নাকি 1:00 ভূত যে বাচ্চা
- 20:02খায় এবং। জুজু কোথায় কাকে না জুজু থাকে
- 20:05হচ্ছে গিয়ে আমাদের পাশের বাসার নারকেল গাছের উপরে এবং আমি
- 20:10ছোটবেলা তো ভয় পেয়ে খুব তাড়াতাড়ি করে খেয়ে নিতাম
- 20:12কিন্তু যা হয় আর কি বড় হতে হতে হ্যাঁ সেই ভয় ভীতি এগুলো সব কেটে
- 20:17যায় মানুষের সাহস বেশি বেড়ে যায় তারপরে আনন্দমেলা এখানে গল্প
- 20:22আসলো ভূতেরাও চাউমিন খেতে ভালোবাসে যেখানে 1:00 খুব।
- 20:25জুযুকে আঁকা হল 1:00 ছোট্ট বাচ্চা বোধ যার চাউমিন খাওয়ার খুব শখ
- 20:30হয় এবং গল্পটা ওইটা নিয়েই তো এটা গল্পটা করার পর থেকে আর কি
- 20:35আমারও প্রচণ্ড চাউমিন খাওয়ার সময় আমিও চাউমিন খাবো এবং ওইটাই
- 20:39ছিল। আমার মনে হয় ফার্স্ট চাইনিজ
- 20:40চাউমিন প্রথমবার ভালো লাগেনি এই ব্যাপারটা তারপর থেকে আস্তে আস্তে
- 20:44করে ব্যালেন্টটা ঠিক হয়েছে এবং অবভিয়াসলি।
- 20:47চাউমিন আমার 1:00 খুবই ফেভারিট জিনিস এখনও পর্যন্ত।
- 20:51চন্দ্রবিন্দু দা ব্যান্ড তারা যুজুকে নিয়ে 1:00 গান বানাল
- 20:54জিনিসটা দিয়ে একটু কিউট করে দেওয়া হল আর কি আমাদের জন্য এই
- 20:58ব্যাপারটা কিন্তু কিউটি ছিল থ্রু আউট আর কি মানে ইটস এ পার্ট অফ
- 21:01কালচার এন্ড হিস্ট্রি যদি ওরকম করে বলা যায় এবং।
- 21:07এটা যে 1:00 ডার্ক সাইড আছে এই ডার্ক সাইড এর ব্যাপারটাতে পরে
- 21:11আসবো আর কি এই সব আরবান লেজেন্ডের পিছনে কিন্তু 1:00 ডার্ক সাইড
- 21:15থাকে। আর 1:00 জিনিস একটু বলছি এই
- 21:19ঘটনাটা 26 বছর পুরানো 1994 নভেম্বর।
- 21:25আর নভেম্বর কি ডিসেম্বর হবে আমার ঠিক সঠিক ডেট মনে নেই সঠিক ডেট
- 21:29কেন আমার অনেক কিছুই মনে নেই। হ্যাঁ মানে তারপরেও আমি চেষ্টা
- 21:33করছি তো। আর টেলিফিল্মের ডিটেলস এ বট অল
- 21:38থিংস আই ফেল্ট ওয়ান দিস থিং ওয়াজ হ্যাপনিং ইন ফ্রন্ট অফ মি।
- 21:42তো। নভেম্বরটি ডিসেম্বর 1994 কোন
- 21:47সময়কার ঘটনা? আমি তখন মোটামুটি কয়েক মাস
- 21:52হয়েছে আর কি যে স্কুল পাশ করে ইউনিভার্সিটিতে উঠেছি আমরা তো 11
- 21:56টুয়েলভে স্কুল এই করতাম তার জন্য আমরা আবার ইউনিভার্সিটি কে কলেজ
- 22:00বলি তো কলেজে উঠেছি। এখন 12 বছর ধরে 12 বছর সরি আরও
- 22:05বেশি ইটস লাইক 14 ইয়ার্স 14 বছর ধরে 1:00 কনভেন্ট স্কুলের
- 22:10ডিসিপ্লিনের পরে হঠাৎ ফ্রিদা তো ডানা তো একটুখানি গোঁজাবেই আর কি
- 22:16আমারও তাই হল সবার মতন আমারও একটু ডানা গজিয়ে গেল।
- 22:19এবং রানা গজালে যা হয় একটু ফ্রিডম মিস ইউস আমরাও করা শুরু
- 22:22করলাম আমি এবং আমার বন্ধু ছিল নীলাঞ্জন।
- 22:25আমরা দুজন খুবই ফাস্ট ছিলাম যাকে বলে এবং অনেক কিছুই একসাথে করতাম
- 22:31এবং আমাদের কলেজ সল্টলেকে ছিল অবস্থিত এবং যে লেসনার্স রা
- 22:35কলকাতার আছে তারা তো জানেনই যে সল্টলেকে 1:00 গ্রিন বার্চ গুলো
- 22:381:00 জায়গা আছে। এখন টা কি বেসিকালি?
- 22:41এটা হচ্ছে গিয়ে 1:00 সরু লম্বা বেল্ট এটা 1:00 বনায়ন প্রজেক্ট
- 22:47ছিল এবং এটা যেটা হচ্ছে গিয়ে এখানে গভর্নমেন্ট তো চিন্তা করে
- 22:52রেখেছিল খুব ভালো করে যে মানে সুন্দর ল্যাক্স কেপিং
- 22:55ট্রান্সকাপিং করবে 1:00 রাস্তাও ছিল জগ্গিং ট্র্যাক হিসেবে উসে
- 22:58করা হবে এটা সল্টলেকের এই ব্লক এর থেকে স্ট্রেচ করে কি ব্লগ পর্যন্ত
- 23:03যেত 1:00 লোক লম্বা স্ট্রেচ। যা হয় কিছুদিন পরে ওই জিনিসপত্র
- 23:07কেয়ারা রাখা হয় না। কেয়ার রাখা না হতে যেটা হয় সেটা
- 23:10হচ্ছে গিয়ে যে খারাপ হতে শুরু করে।
- 23:13সবকিছু এন্ড ওভারগ্রোন হয়ে যায়। পুরো জায়গাটা মানুষজন তখন এভোইড
- 23:19করা শুরু করে এই গ্রিন বেল্ট কে এবং জানেনই তো কি হয় মানুষ যখন
- 23:24কোনও একখানা জায়গাকে এভোইড করা শুরু করে তখন এখানে দুষ্কৃতীদের।
- 23:27আনাগোনাটা একটুখানি বেড়ে যায় এবং শুধু দোস্তি দেখে দাও।
- 23:30আরও অনেক মানুষই অনেক কিছু করে এখানে যেমন আমি একদম সত্যি সত্যি
- 23:35বলি কলেজের অপজিট ব্লকে ছিল হচ্ছে গিয়ে এগ্রি করছে এবং আমি আমি
- 23:43লাঞ্জন দুই একবার আরকি কলেজ শেষে। এটা নেশা করতাম।
- 23:48শুধু আমরা না আরও অনেকেই করতো গ্রিন হচ্ছে এবং তারপরে আমরা যে
- 23:53জিনিসটা করতাম সেটা হচ্ছে যে ওটার সাথে যে লাগোয়া 1:00 ব্লকের
- 23:57পার্ক ছিল এন্ড কমিউনিটি সেন্টার আমরা ঐখানে বেঞ্চ এ বসে আড্ডা
- 24:02মারতাম গান নিয়ে ডিসকাশন করতাম মুগীজ নিয়ে ডিসকাশন করতাম
- 24:06পলিটিক্স নিয়ে। হ্যাঁ, তারপরে কলেজের মেয়ে কি
- 24:09করবো প্ল্যান প্রোগ্রাম। আমরা দুজনেই ইউনিয়ন এর মেম্বার
- 24:11ছিলাম তো এই রকম আমরা করতাম যখন ঘণ্টাখানেক দুয়েক পরে নেশা
- 24:16কেটেছে তো আমরাও আসতে দিলে আর কি ভাষার দিকে রওনা দিতাম মানে
- 24:21নীলাঞ্জের লোকাল ছেলে ছিল আমি ঠিক এক্সাক্টলি লোকাল না আমার বাসা
- 24:25হচ্ছে গিয়ে আবার 5 মিনিটস ড্রাইভিং ডিসটেন্স।
- 24:28এন্ড লেট আইস সি এবাউট 15 মিনিটের মতো হাঁটার ডিসটেন্স ছিল তো আমরা।
- 24:37সে মানে তুমি এখানে মোটামুটি রেগুলারলি চাই আর কি রেগুলারলি
- 24:42বসে আড্ডা মারি তো অনেক মানুষদেরকেই আর কি মুখ ছেঁড়া
- 24:47হয়েছে তার মধ্যে। বেসিকালি দুইজন ছিলেন।
- 24:51আমার কিন্তু এক্সাক্টলি। এখন তোমাদের নাম মনে নেই।
- 24:54তাই জন্য একটু কাল্পনিক নামই করছি তাঁদের জন্য।
- 24:59অনিমেষবাবু এবং উনার ছোট ভাই উনি। অনিমেষবাবুর বয়স তখন 4243 এর মতন
- 25:05হবে। উনি একজন ব্যাঙ্কের বেশ উচ্চ
- 25:08পদস্থ কর্মকর্তা এবং অনির্বাণ। ইন্টারেস্টিং পারসন ইন্টারেস্টিং
- 25:15ইন টি সেন্স অনেকবার নাও খুব চুল 1:00 মানুষ ছিল মানে।
- 25:20যাকে বলা যায় না রীতিমতো 1:00 জম্বি দাদার হাত ছুঁলে পার্কে আসে
- 25:25বয়স কিন্তু 3230 মতো হবে অ্যাট লিস্ট।
- 25:29দাদার হাত ধরে পার্কে আসে দাদার সাথে হাঁটে একটু বসে হ্যাঁ এবং
- 25:34পুরো জমে মতন এবং বোঝে নিত ছোটবেলায় না খারাপ ছিল।
- 25:38ভীষণ খারাপ ছিল জাজমেন্টাল ছিলাম। ইমোশনাল কোশ্চেন বলে কোনও জিনিস
- 25:43ছিলই না। আমার তো মনে পড়ে যে আমি
- 25:46অনির্বাণকে মানে ডিসক্রেব করেছিলাম।
- 25:49উইথ টি ওয়ার্ডস যে টেলা মাল নাচ হলে আমি কোনও দিন এই ঘরটা উসে
- 25:53করবো। লাইক দ্যাট অবসোলুটলি তো তখনকার
- 25:57দিন তো। নিশ্চিত কিছু।
- 26:01আমরা তখন মনে করেছিলাম যে অনির্বাণ মনে হয় আমাদের দলেরই আর
- 26:03কি একজন নীলাঞ্জন তো আরও দুষ্টু ছিল ও তো একদিন অনির্বাণ যখন একা
- 26:08একটু বসেছিল যে একটুখানি জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কি দাদা চলবে নাকি?
- 26:12হ্যাঁ। তো আমরা সেদিনই ব্যাপারটা
- 26:16রিয়ালাইজ করি যে ডেলি সামথিং মানে এটা ভুল করেছি।
- 26:201:00 খারাপ জিনিস আমাদের যেরকম করা উচিত ছিল না।
- 26:22ওনার 1:00 কোনও প্রব্লেম আছে এবং। তারপর একদিন আমরা মানে জিজ্ঞেসই
- 26:29করে বসলাম। পরিবেশ যে কি হয়েছে।
- 26:33মানে কি ব্যাধি মানে হোয়াট ইজ রং উইথ হিউ তো অনিমেষ বাবু তখন না
- 26:40আমাদেরকে মানে ইফেক্ট। প্রথমে উনি নিরঞ্জনকে চিনে ফেললেন
- 26:44বলে তুমি না মহিতোষ বাবুর ছেলে তো নিরঞ্জন বলে হ্যাঁ এবং আমরা যে
- 26:49খুব ভালো কথা তাহলে জানতেই যদি চাও আসলে দিন আমাদের বাস।
- 26:53হ্যাঁ তোমাদেরকে কিছু নাই যে ওর সাথে কি হয়েছে খুব ইন্টারেস্টিং
- 26:58কিন্তু। তো আমাদেরও তো বেশ বলছেন তো?
- 27:01মানে আমরাও খুব ইন্টারেস্টেড হয়েছে এবং আমরাও ডিসাইড করি যে
- 27:05সেদিন 1:00 শুক্রবার ছিল আগামী শনিবার আফটার ব্রেকফাস্ট গোটা
- 27:1011:00 সাড়ে এগারোটার দিকে আমরা। যা আমাদের বাসায় এবং আমরা।
- 27:18ওনাদের বাসায় গেলাম এবং সেখানে। অনিমেষ বাবু আমাদেরকে যে ঘটনাটা
- 27:24শোনা সেই ঘটনাটা আমি এখন অলমোস্ট লাইক থার্ড পার্সন, পার্সপেক্টিভ
- 27:29এ। আপনাদের সবাইকে শুনলাম তো
- 27:33অনির্বান ব্যাসিক্যালয় কলকাতার 1:00 চা কোম্পানি তে চাকরিরত ছিল।
- 27:38মোটামুটি মিডল্যাভেল ম্যানেজমেন্ট যাকে বলে তো একদিন মানে বিয়ের
- 27:42সাথে হয়েছে 1:00 ছোট বাচ্চা হয়েছে বাচ্চার বয়স তখন লেট্ এস
- 27:46সে এবাউট ছয় সাত মাসের মতন হবে। কে তখন অনির্বাণের 1:00 প্রমোশন
- 27:51প্লাস 1:00 ট্রান্সফার হয়। ওকে ওদের যে চা বাগানটা ছিল
- 27:55ডুয়ার্স এ ডুয়ার্স নর্থ বেঙ্গল এ ডুয়ার্স নাম কেন ওটা হচ্ছে যে
- 27:59ভুটানের দুয়ার বলে তাই জন্য। যারা করেছেন তারা খুবই ভালো মতো
- 28:04বাকি বহুল হবেন ডুয়ার্স নিয়ে তো ডুয়ার্স এ ওদের চেয়ে চা বাগানটা
- 28:09ছিল নির্মাণের। সেখানে ট্রান্সফার হয় এবং।
- 28:12অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে টা পাই আর কি?
- 28:15আর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার কিন্তু চা বাগানের 1:00 বিশাল বড়
- 28:18পোস্ট এবং বলা যেতে পারে ইটস লাইক টি সি ও দ্যা চা পাবেন এবং।
- 28:25ওইখানে যাওয়ার লেট এ সে 23 মাস পরে।
- 28:29অনির্বাণ করবো পায়েল কে। আর বাচ্চাকেও ডেকে নেয় বিশাল বড়
- 28:33বাংলো হ্যাঁ ফ্যান্টাস্টিক 1:00 জায়গা খুবই সুন্দর মনোনয়ন
- 28:38বিউটিফুল 1:00 প্লিজ নাকি 1:00 অনিমেষভূক্ত এখানে গেছেন তাই
- 28:42জন্যই উনি আর কি বলতে পারলেন জিনিসটা উনি খুব সুন্দরভাবে
- 28:46ডিসকাইব করেছিলেন। তো।
- 28:50এখন ব্যাপারটা হচ্ছে যে এরকম যে এই আট নয় মাসের বাচ্চা নিয়ে
- 28:54পায়েলের বেসিকালি তো করা বিশেষ কিছু নেই এবং আরেকটা কথা বলি চা
- 28:58বাগান কিন্তু 1:00 কমপ্লেটেলি ডিফারেন্ট 1:00 ইকো সিস্টেম এই
- 29:02জিনিসপত্র ওখানে যারা ছিলেন বা যারা থাকতেন বা যাদের বাবা মা কেউ
- 29:08একজন এখানে কর্মরত ছিল তারা হয়তো একটু কেজি তে এগ্রি করবেন আমার
- 29:12সাথে। আর যারা জানেন না তাদেরকে আসলে
- 29:15বলতে চাই যেটা কমপ্লিটলি ডিফারেন্ট 1:00 ইকো সিস্টেম এখানে
- 29:18সব কিছু চলে এটা আমাদের সাথে আমাদের সোসাইটির সাথে মিল খুব কম
- 29:23আর কি ইন ফ্যাক্ট ব্রিটিশ আমলের জিনিসপত্র নিয়ে এখনও চলে তো
- 29:27ব্যাপারগুলো তো তাই আর কি। ফেনি।
- 29:30ব্যাস। পায়েল ওখানে পৌঁছায় তো
- 29:36অবভিয়াসলি যা হয় আর কি নতুন ভাষা তেইশে ঘর সাজানো শুরু করে তো
- 29:41চা বাগানের যে অফিসটা আছে আর কি সেই অফিসে পায়েল এর হঠাৎ চোখে
- 29:45করে বেশ কয়েকটা মুখোশ মাস্ক। এবং মধ্য যেগুলো থাকে না।
- 29:51ওই যে ভয়ের কিছু মুখোশ সুখশ আছে সেগুলো দার্জিলিং বা ভুটান এইসব
- 29:57জানাতে দেখবেন খুব পাওয়া যায়। হ্যাঁ তো করে রাতের বেলা অন্ধকারে
- 30:00দেখলে কত ভয় লাগে। কিন্তু অ্যাকচুয়ালি খুবই সুন্দর
- 30:03জিনিস খোলা তো পায়েলের 1:00 মুখোশ পছন্দ হয় এবং এই মুখোশটা
- 30:07নিবে নিবে। এবং ও মুখোশ যখন মানে অর্ডার দেয়
- 30:12যে এটাকে খোলাও তো তখন যে আমি কার্ড ছিল একজন নেপালি গোর্খা
- 30:17গার্ড সে তাকে মানা করে বলে মেম সাব ইস্যু খাবে মাত লেগে যায়
- 30:22মেয়েমশার এটা 1:00 অপদেবতা। এবং এটা ঘরে থাকা ভালো না ও ঘরে
- 30:29থাকলে অনেক রকমের সমস্যা হয়। হিংসা ওকে নিয়ে যায় না।
- 30:34কিন্তু পায়েলও তো 1:00 এডুকেটেড মেয়ে না।
- 30:37শহরের মেয়েও তো আর এসব বিশ্বাস করলে বলা পার্টি না তো বাইরে
- 30:41জিনিসটা করে সেটা হচ্ছে গিয়ে যে একদম কথাতে কোনও গ্রাহ্য মার্জনা
- 30:45করে অ্যাক্সেলিউটলি কেয়ার না করে মুখোশ।
- 30:49তা নিয়ে এসে 1:00 খুব সুন্দর জায়গা।
- 30:51লিভিং রুম এ ঠাঁকিয়ে দেয়। খুব ভাল কথা।
- 30:55হ্যাঁ দিনকাল চলছে এরকম করে বাচ্চাটা এস উসুল এরকম বয়সের
- 31:01বাচ্চা যা করে আর কি প্যান্ট ও বায়না করে কথা তো বলতে পারে না
- 31:05হয়তো বা বলে হয়তো আমি ঠিক এক্সাক্টলি জানিনা তো সেও হয়তো
- 31:08মাঝেমধ্যে বার্ন করতে থাকে। প্যান্টিন এরকম খাবে না খাবে না
- 31:13বাচ্চা ভর দুপুর বেলায় আর কি একদম বাচ্চা খাবে না খুব বায়না
- 31:17করছে খুব কাঁদছে। তখন রেগে রীতিমতো পায়ে মানে বলে
- 31:21ওঠে কেন রেগে না আর কি যেরকম করে আর কি মায়েরা স্নেহ থাকে অনেক
- 31:25ডালের মধ্যে তো সে আর কি বলে ওঠে এখানে তুমি কিন্তু এখনই খেয়ে নাও
- 31:30নাহলে কিন্তু জুজু আসবে। এবং ঠিক।
- 31:35তখন 1:00 দমকা হাওয়ার মতন আর বড় বড় জানলা গুলোর থেকে মানে এসে
- 31:42পায়েলের মনে হয় কী যেন ওর কানের মধ্যে না ফিসফিস করে মানে বাংলায়
- 31:46ফিসফিস করে বলে জুতো আসবে। যোজন আসবে।
- 31:52তাহলে ভয় লাগে। মানে লাগাই উচিত ইন ফ্যাক্ট আর
- 31:56একা 1:00 এত বড় বাংলো তে থাকা। হ্যাঁ, ব্রিটিশ আমাদের সেই বিশাল
- 32:01বাংলা লম্বা লম্বা সিলিক বিশাল বিশাল জানলা।
- 32:04দরজা। ওর ভয় লাগে।
- 32:07কিন্তু আমরা কি করি এরকম কোনও একখানা জায়গায় যখন আমাদের ভয়
- 32:10হয় ভয় লাগে। আমরা তখনই জিনিসটাকে রেশনালিজে
- 32:12করার চেষ্টা করি। আমরা বলি তোর কিচ্ছু হয়নি
- 32:15অ্যাবসলিউটলি নাথিং এটা আমার মনের ভুল এবং পায়েল ওটাই মনে করে
- 32:19হ্যাঁ আবার গেটস অন টু হের ওয়ার্ক আর কি আরও কয়েকটা দিন
- 32:23পাস করে হ্যাঁ আবারও এরকম দুপুরবেলায় অনির্বাণ কাজে আছে আর
- 32:28কি? হ্যাঁ।
- 32:29তো আবারও বেশ অনেকদিন পরে বাচ্চা আবার একখানা হ্যাঁ বায়না করে
- 32:34হ্যাঁ খাবে না হয়তো কান্নাকাটি করছে।
- 32:37তো সেই সময় আবারও মানে পায়ের মতো আর কি আমার মতো যেহেতু
- 32:41ছোটবেলায় এরকম বলা হতো ওইটুকু 1:00 কালচারের পার্ট নিয়ে বলে
- 32:44ওঠে তাড়াতাড়ি খাও না হলে কিন্তু জুজু আসবে।
- 32:49এবার দমকা হওয়াটা আবার আছে। এবং আরেকটু ক্লিয়ারলি আগের বারটা
- 32:55যেমন একটু ফিসফিস ছিল এ বারটা হচ্ছে কিনা যেন কেউ 1:00 কানে
- 32:59হালকা করে 1:00 লো টোনে বলে আর কি জুজু আসছে জুজু আসছে।
- 33:08পায়েল এবার সত্যি খুব ভয় পায়। প্রচণ্ড ভয় ভয় করেন এবং।
- 33:13ও যে জিনিসটা করে সেটা হচ্ছে গিয়ে যে।
- 33:16বিকাল বেলা যখন অনির্বাণ আসে। তখন অনির্বাণকে খোলা সব কথাবার্তা
- 33:22করে বলে যে দেখো আমার ভয় লাগছে। আমার মনে হয় গোটা কে কি বলেছিল
- 33:26মুখের সাথে মনে হয় কোনো 1:00 সমস্যা আছে আমার খুব ভয় লাগছে তো
- 33:30অনির্বাণ উচ্ছ্বাসিত যে 1:00 এডুকেটেড ছিল হ্যাঁ এগুলোকে দুম
- 33:34করে আমরা প্রথমবার মানতে পারি এটা তো আমাদের এডুকেশন এর উপর একখানা
- 33:37দেখে বলে ধাপ বানাতে। হ্যাঁ যে আমরা যদি এইসব ধুম করে
- 33:41মেনে যাই। তাই জন্য মানে লোক দেখানোর জন্য।
- 33:44হ্যাঁ, আমরা ইমিডিয়েটলি। এগুলো রেশনালিজে করা শুরু করি এবং
- 33:47অনির্বাণতায় করে বলে দোল কি সব যে বল তুমি তোমার মাথা কথা খারাপ
- 33:51হয়ে গেছে না না না। ফালতু কথা।
- 33:53হ্যাঁ। বললাম আমার সত্যি খুব ভয় লাগছে।
- 33:56আমি ভাবছি একটুখানি কলকাতা থেকে ঘুরে আসলাম কিন্তু কি যে বল
- 33:59সবকিছু আর কি হয়েছিল একটুখানি আমাকে বলো তো।
- 34:02ঠিক তখন পায়নি না ব্যাপারটাকে রিকাউন্ট করে পায়েল তখন বলেছে
- 34:06দেখো এরকম করে বাবু তখন খাচ্ছিল না।
- 34:08হ্যাঁ তো আমি ওকে খাওয়ানোর সময় আর কি বলছ তো মানে বলেছিলাম যে
- 34:13তাড়াতাড়ি খাও না হলে কিন্তু এখন জুজু আছে।
- 34:16ঠিক এই সময় যেটা ঘটল যে রকম দমকা হাওয়া টাওয়া কিছুই না।
- 34:22এসছাজ। যেন মনে হল যে কেউ একজন ওদের রুমে
- 34:26প্রেজেন্ট আছে এবং সে বেশ লাউডলি বলে উঠল।
- 34:31জোজু খাচ্ছে জুজু খাচ্ছে। 1:00 কাঁচ ভাঙার শব্দে তাঁরা দৌড়
- 34:38দিয়ে বেডরুমের মধ্যে ঢোকা। কিন্তু থ্রি সেকেন্ডস হবে আর কি
- 34:42তোর দিয়ে বেডরুমের মধ্যে ঢোকে এবং বেডরুমের মধ্যে ঢুকে তাঁরা যে
- 34:45জিনিসটা দেখে সেটার জন্য তাঁরা কেন এটার জন্য আমার মনে হয় না,
- 34:49কেউ কোনদিনই প্রস্তুত থাকবে। পাটের পাশের কট।
- 34:55এবং কটের উপরে এক খারাপ বীভৎসক রিচার বাচ্চাটাকে অর্ধেক খেয়ে
- 35:01ফেলেছে। সাত পাট অফ দ্য বডি।
- 35:05হ্যাঁ অলরেডি মানে। মানে সরি বাচ্চার কান্নার আওয়াজও
- 35:101:00 ছিল মানে 1:00 সাপ চিৎকারও ছিল সাপ চিৎকার 1:00 গ্লাস
- 35:14ভেঙেছিল এবং তারা দৌড়ে ঘরের মধ্যে ঢুকে এই বীভৎস সিনটা দেখে
- 35:19ওই যে ক্রিচারটা আমি পরে একটু ডিসক্রিশন দেওয়ার চেষ্টা করব আর
- 35:22কি যতটুকু আমাকে যা বলা হয়েছে। হচ্ছে ওই ক্রিচার টা।
- 35:27মানে খটের উপরে দাঁড়ানো এবং মুখের মধ্যে অর্ধেক বডি অফ টি
- 35:34কিড। বাকি অর্ধেকটা হচ্ছে গিয়ে কটের
- 35:37মধ্যে। এখন এই ক্রেচারটা না মানে অদ্ভুত
- 35:411:00 জিনিস মানে ওরা মানে লম্বা কি রকম একখানা।
- 35:48মুখটা না মানে আমি কুকুর বলতে চাই না কেন কুকুর নিয়ে না মানুষ অনেক
- 35:52এরকমই জোকসগুলো করে কুকুরের লাল চোখ এন্ড থিংস লাইক দ্যাট বুট না
- 35:561:00 ওরকম 1:00 এনিমেলিস্টিক 1:00 ফেস।
- 36:00কিঞ্চিৎ নেকড়ে কিঞ্চিৎ শেয়াল। গুলো হচ্ছে গিয়ে মানে শুরু শুরু
- 36:07লম্বা লম্বা এবং সামনের মানে হাত। যেটাকে বলা হয় বা সামনের ঠ্যাং
- 36:14যেরকমই মানে এটা না মানে বাই পেডালো।
- 36:16আবার কোডরি পেটাল হ্যাঁ। তিনি এগুলো না তাঁর বডি তুলনায়
- 36:22বেশ লম্বা লম্বা লম্বা নখ পানি শিখুন।
- 36:271:00 জিনিস। উনা ওদের দিকে তাকায়।
- 36:33তারপর। বাচ্চার বডিটা যেটা মুখে ছিল
- 36:37সামাহ হাত দিয়ে ক্লাস করে। বড় জালনাগুলোর উপর দেখতে।
- 36:43তোর দিয়ে বাইরে বেরিয়ে চলেছে। মানে?
- 36:49ব্যাপারটা হচ্ছে কি যে এরকম 1:00 বিবস্ত্র জিনিসের জন্য কেউ
- 36:51কোনওদিন প্রিপেয়ার্ড থাকেন এবং দুইজনই স্পটে মানে কেন হারায়?
- 36:58অনির্বাণের জ্ঞান আগে ফেরে এবং তারপরে যা করার সে সব কিছু করে আর
- 37:04কি যে পুলিশ থেকে শুরু করে হ্যাঁ মানে লোকজন জড়ো করা বাচ্চা বডি
- 37:11এর অর্ধেকটা কিছুটা দূরে আরকি বাগানের মধ্যে আর পাওয়া যায়।
- 37:16এবং। মানে তাহলে যেটা বলার আরকি মানে
- 37:20দুইজনই খুব এত ভাবে শক্ত হয়েছে। তারা চরম ভাবে ভেঙে পড়ে।
- 37:26কলকাতা থেকে অনিমেষবাবু এবং তাঁর ফ্যামিলি এবং অনেকেই সবাই আছে
- 37:31পায়েলের সবটা আরও অনেক বেশি লাগে আর কি অনেক অনেক বেশি লাগে।
- 37:35অনির্বাণবাবু নিজেকে অনেকক্ষণ ধরে রাখতে পারেন।
- 37:40এবং উনি তো এই ঘটনাগুলো বারবার একাধিকবার অনেকে আর কি বলেছেন এই
- 37:45ঘটনাটা পুরো একদম এভাবে। তো।
- 37:50কলকাতায় ওনারা চলে যান আর কি এই জায়গা ছেড়ে মুখোশটাকে আবার
- 37:54জায়গা মতো রেখে দেওয়া হয় এবং। কলকাতা যাওয়ার পরে যে জিনিসটা
- 38:00হয় সেটা হচ্ছে গিয়ে যে। 23 দিন পরে।
- 38:0523 দিন আরও হয়তো বেশিদিন আমি এক্সাক্টলি জানি না।
- 38:09ফাইলস সেট করে এবং অনিমেষ বাবু বলেননি যে কীভাবে সুইসেড করেছেন
- 38:14খালি এটুকুনি বলেন যে সুইসাইড টা খুবই ক্রুসন ছিল।
- 38:17খুবই ক্রুসন 1:00 সুইসাইড ছিল এবং।
- 38:22যা হয় আর কি অনির্বাণের তারটা তখন ছেড়ে যায়।
- 38:26মাঝে মধ্যে সে ভায়োলেন্ট হয়ে যায়।
- 38:28মাঝে মধ্যে সে খুব ভুল থাকে। টেলার কি?
- 38:32খুব চুল থাকে এবং ম্যাক্সিমাম টাইম কাউকে সে ডিসটার্ব করে না।
- 38:36সে একা নিজের ঘরের মধ্যে বন্ধ হয়ে থাকে।
- 38:40কিন্তু তার মধ্যে যে জিনিসটা খুব শুরু হয় সেটা হচ্ছে গিয়ে কাকা।
- 38:44সে। জুজুকে হাঁকে এবং সে কত রকমের রেড
- 38:49সংখ্যা। কারণ হচ্ছে যে, প্রথমে সে দেয়ালে
- 38:51এঁকেছিল তারপরে সে দেয়ালগুলোকে আবার তো পেন্ট্রি পেন্ট করা হয়।
- 38:55তারপরে তাকে খাতা দেওয়া হয় স্কেচ এবং স্কেচ বুকের উপরে স্কেচ
- 38:59বুকের বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে বিভিন্নভাবে সেখানে জুজুকে আঁকে
- 39:02এবং কথাবার্তা লিখে ডেকে মানে কিস অবসেসড।
- 39:06বলতে এবং অনিমেষ বাবু স্কেচ বুক টা নিয়ে আছে আমাদেরকে দেখানোর
- 39:10জন্য মানে আঁকা ছবিগুলো দেখে মানে ডেসক্রিপশন টা তুমি আগেই দিলাম না
- 39:15কি রকম আর কি আঁকা ছবিগুলো দেখে মানে ফ্রেন্ডলি বলব আমার আর
- 39:20নীলাঞ্জনের কিন্তু বেশ কয়েকদিন ঘুম হয়নি ইনফ্যাক্ট আমরা।
- 39:25এইটা নিয়েই শুধু ডিসকাশন করতাম যে আমাদের ছোটবেলাকার সে কিউট
- 39:30জুজু। এই কি রুকে পরিণত হল কি এই
- 39:34জিনিসটা? হোয়াট ইজ দিস লোকালরা তো বলে অত
- 39:39দেবতা। উপদেবতা জিনিসটা কি?
- 39:43কি এই ব্যাপারটা রেডিও ফুর্তি প্রোগ্রাম এ কিন্তু আমরা উনি
- 39:47ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম এইসবের যে কি হতে পারে কি না এখানে এত ব্যাখ্যা
- 39:51দেব না। খালি এটাই বলবো যে ভয়ঙ্কর একখানা
- 39:55জিনিস এবং। মর্মাল দিকে 1:00 ঘটনা।
- 40:00এতে ঘটনাটা যদি এখানে শেষ হয়ে যেত না তাহলে কিন্তু।
- 40:06আমি হতো। কিন্তু।
- 40:09এইখানে মূলত যদি মেন ঘটনাটা শেষ হয়ে থাকে তাহলে একটুখানি ফাস্ট
- 40:13ফরওয়ার্ড করে কাট্টু যায় আট বছর পর।
- 40:17আমি তখন কলকাতায় 1:00 অ্যালিজেন্সিতে চাকরি করি, যার
- 40:20একখানা ব্রাঞ্চ অফিস ঢাকাতে আছে। মাঝে মধ্যেই আমার ঢাকাতে আসা হয়।
- 40:25মানে এরকমও হয় যে আমি এক মাস দুই মাস ঢাকাতে থাকি।
- 40:29বাকি সময়টা কলকাতায় থাকি। আবার আসি কোনও 1:00 বড় কাজ 1:00
- 40:33পিচ না কোনও বড় ক্যাম্পেইন যদি হয় ওটার সময় প্রোডাকশন এর কোন
- 40:37কাজ থাকলে আসে। আবার যাই ভালই লাগতে বস এই দুই
- 40:41শহরে থাকা। এরপর এখানে একবার ওখানে।
- 40:45তো যা হওয়ার আর কি আমার সাথেও কিন্তু মানুষের বন্ধুত্ব হয় এবং
- 40:50আমার যিনি আর্ট পার্টনার ছিলেন মানে আমি মূলত তো 1:00 কপিরাইট এ
- 40:55ছিলাম আমি তো লিখতাম এবং রাসেল হোক কপিরাইটের ই ছিল আর কি গুলো
- 40:59তো আমরা দুজনেই মূলত কপিরাইটের তো প্রত্যেকটা কপিরাইটের একজন তো
- 41:05ভিসুয়ালিজের বা টার লাগে তো আমার চিনি হাট পার্ট পার্টনার ছিলেন
- 41:08ওটার কাছে সিনিয়র এই সিনিয়র হার্টিকর উনি আমার হার্ট পার্টনার
- 41:12ছিলেন। তো আমরা দুজন আর কি একসাথে কাজ
- 41:15করতাম তো ওনার সাথে আমার বেশ ভালই একখানা বন্ধুত্ব হয় যেটা আজ
- 41:18পর্যন্ত এখনও আছে আর কি টিকে আছে খুব স্ট্রুম তো ওর আবার যে
- 41:23ব্যাপারটা ছিল হচ্ছে গিয়ে যে পুরো না মানে কি বলবো যে লাইফ এর
- 41:28মধ্যে না অনেক এরকম সুপারিনতুরাল ঘটনা ঘটে।
- 41:31হ্যাঁ মানে একটু টা অনেক কিছু। আগে যেখানে থাকত এই জায়গা ছাড়তে
- 41:35পারছ হ্যাঁ মানে এমন কিছু আর কি? হ্যাঁ, আমি দেখি ওর ঘটনা আমি পরে
- 41:41যদি পারি কিছু বলবো টলব আপনাদের কে কালেক্ট করি ও আসলে খুব 1:00
- 41:45চায় না এগুলো বলা হওয়া হোক আর কি তো?
- 41:50ও মানে ওর সাথে আমার বেশ ভালই 1:00 বন্ধুত্ব করে ওর মানে আমার
- 41:54মনে আছে যে 2000 একই ওর ছেলে হয়েছিল।
- 41:57হ্যাঁ তো এখন। আমি তারপরে ওই বিজ্ঞাপনে এজেন্সি
- 42:03চাকরিটা ছেড়ে দিই তো আমার তখন ঢাকায় আসা বন্ধ হয়ে যায়।
- 42:07আমি আরেকটা বিজ্ঞাপন এজেন্সিতে চাকরি কলকাতায়।
- 42:10তারপরে হঠাৎ মানে বাংলাদেশেরই সবচেয়ে ওল্লেস্ট বিজ্ঞাপন
- 42:15এজেন্সি থেকে আমার 1:00 অফার আসি এবং আমি আবার ঢাকায় ব্যাক করি
- 42:19এবং তার পরে থেকে তো আমি এখন এখানেই আছি আর কি তো অবভিয়াসলি
- 42:23এটা হচ্ছে গিয়ে আবার টু থাউস্যান্ড ফাইভ এ আমি ফিরে
- 42:26এসেছি। হ্যাঁ ঢাকাতে এবং আবারও সব বন্ধু
- 42:30বান্ধবদের সাথে এবং রিনিউতে একোয়েন্ট্যান্সেস হয়ে গেছে।
- 42:34সব কিছু তো আমার এই বন্ধুর সাথেও আমার আবারও এক কনটেন্টস হয়।
- 42:40এবং আমি জানতে পারি যে ওদের ফ্যামিলির সাথে যে সব
- 42:44সুপারন্যাটুরাল ঘটনাগুলো ঘটছেই ঘটনাগুলো এখনও থামি নিমল তো ওরা
- 42:48তখন কে তো তাদের ওই পুরনো ভাষা ছেড়ে মানে গুলশানের কাছাকাছি
- 42:521:00। নতুন বাসাতেও তারা শিফটিং করেছে।
- 42:54তারপরেও থিংস অরে লাইক। ওর ছেলের 1:00 ইমেজিনারি প্লে
- 42:59মেয়েটা হচ্ছে এখন এটাই ওকে প্রচন্ড ডিসটার্ব করে তো।
- 43:02যদিও আমাদের বাসায় দাওয়াত দিলো আমাকে বলছিল যে কৌশিকদার তুই তো
- 43:06আবার এইসব মানে পছন্দ টোছন্দ করিস তোর তো আবার এইসব নিয়ে
- 43:10ইন্টারেস্ট আছে মানে আমি না বুঝে উঠতে পারতাছি না যে গোস্ত মানে
- 43:15উনি যে ইমেজিনারি প্লেমেন্ট টা না এটা না এখন একটুখানি একটু বেশি
- 43:18বাড়াবাড়ি হচ্ছে। হ্যাঁ মানে এর কথা শুনে অনেক কিছু
- 43:24উদ্ভট কাণ্ডকারখানা করি আর কি? হ্যাঁ মানে এই ব্যাপারটা আমার
- 43:27একটু ডিসটার্ব লাগছে দেখব ইমেজিনারি প্লেমেন্ট তো আমাদের
- 43:31সবারই থাকে সবারই হয় তাই না তো আমি হয়তো জিনিসটাকে খুব 1:00
- 43:36বেশি রাজ্য করি। তারপরে আমার মনে হল যে না একটু
- 43:40বাচ্চাটার সাথে গল্প গুজব করি তো বাচ্চাটার সাথে আমি গল্পগুজব
- 43:43করলাম ওর ইমাজিনারি প্লেমেন্ট যার নাম হচ্ছে গিয়ে বামবো তার
- 43:47ব্যাপারে বেশ অনেক কিছু জানলাম। তারপরে খাওয়া দাওয়া শেষে।
- 43:52পিচ্চি আমাকে বলল যে কাকু। তুমি বম্বকে দেখবে।
- 43:58হ্যাঁ, আমার মধ্যে তো চরম তখন 1:00 এক্সাইটমেন্ট কিভাবে দেখাবি
- 44:02আমাকে গল্পোতে বলে। আমি তো বুম্বকে এঁকেছি।
- 44:06হ্যাঁ। চুল ড্রয়িং গোটা নিয়ে আসলাম।
- 44:10পাতা খুললাম। পান বুকে দেখলাম।
- 44:15বান্ধব কিন্তু বেশ। পরিচিত একজন এখন বলছি না কাঁটা
- 44:20দিচ্ছে আর কি জানি আপনাদের কি রকম লাগে কি রকম লাগবে না।
- 44:24বামবো আমার কিন্তু বেশ পরিচিত একজন।
- 44:27পার্সোন। তখন একজন বয়স্ক মানুষের হাতে
- 44:31আঁকা ছবি ছিল। এখন 1:04 বছর বয়সী পাচ্চার হাতে
- 44:35আঁকা। চুল।
- 44:41সেই আমার প্লিজ চির পরিচিত জুজু। আর বাড়াবো।
- 44:50এখানেই আজকে থাকলাম। থ্যাংক ইউ সো মাচ থ্যাংক ইউ ফর
- 44:53হিয়ারিং বি আউটস পেশি। ভাল।
- 44:56থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং শেষ থাকবেন আপনারা সবাই।
- 45:01থ্যাংক ইউ সো মাচ। কে তুমি?
- 45:11ডট কম। ওয়েলকাম ব্যাক তো চলুন আমরা শুনে
- 45:27আসি এবং আপনারা যে ঘটনা শুনবেন তার একটু প্রেক্ষাপটটা আমি বলে
- 45:30দিই। সেটা হচ্ছে আপনার সবাই পাখি
- 45:32ব্রিজের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই এবং যারা ঢাকা থেকে খুলনা গেছেন তারা
- 45:37অনেকেই দেখেছেন বাক্সি ব্রিজটি এবং আমার ছোটবেলায় দেখা সেই
- 45:40ব্রিজটির কথা এখনও মনে পড়ে। মাঝখানেও দেখেছিলাম কিন্তু ওই।
- 45:44সময়টা আমি মানে বলতে পারি না। বিশ্বাস করুন আমি জানি না যে আর
- 45:48কারো সাথে হয়েছে কি না যখন ট্রেনের জানালা দিয়ে আমি পাখি
- 45:51বীজটি দেখি কেমন আতঙ্ক কেমন 1:00 ভয় কাজ করে ছনছন শব্দ সেই সাথে
- 45:56এক অর্থত আতঙ্ক ঘিরে ধরে আমাকে আপনাদের কাছে হয়তো সেই আতঙ্ক।
- 46:03কখনও। দেখা দিয়েছে বা নাড়া দিয়ে গেছে
- 46:05আপনাদের হৃদয়ের তকচায় আজকে সেই পাখি ব্রিজ নিয়ে 1:00 চমৎকার
- 46:11ঘটনা শুনব আমরা আফনান ভাইয়ের কাছ থেকে এবং আমি বিশ্বাস করি যে
- 46:14ঘটনাটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। আর ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কালকে
- 46:19সাড়ে 12:00 12:00 থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে আমরা আবারও ফিরে
- 46:22আসবো। এবং আফমন ভাইকে নিয়ে ফিরে আসবো
- 46:26সেটা সেই সময়। আশা করছি আপনারা আমাদের সঙ্গে
- 46:28থাকবেন আজকে এখন এই মুহূর্তে প্লে করছি আপনার ভাইয়ের শোনানো 1:00
- 46:33চমৎকার ঘটনা। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে এবং
- 46:36আপনারা যদি এরকম ঘটনা পাঠাতে চান তাহলে সেটা করতে হবে।
- 46:39সেটা হচ্ছে আমাকে ইমেইল করতে হবে। আমার ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে
- 46:43রাসেল.ভূত.কম এত ইমেল.কম ওই চিজ আর ইউ ডাবল এস ই ডাবল ডট।
- 46:48এইচ ডাবল টি ডট সিওএম অ্যাট দ্য ওয়েট এসএমএল.কম আমার ফেসবুকের যে
- 46:54পেজ সেটি হচ্ছে ও ডব্লু ডব্লু.ফেইসবুক.কম স্ল্যাশ রাসেল
- 46:58ডট স্বাধীন নামের স্পেলিং টি জেনে রাখুন আর ইউ ডাবল স এ ডাবল
- 47:03স্বাধীন এস এইচ এডি। এইচআইএম খুব সহজ এবং আশা করছি
- 47:10যেখানে আপনি যদি এই 1:00 দিয়ে যদি সার্চ দেন আমরা আসলে অনেক
- 47:13সময় বলেন না যে ফেসবুকের পেজ পাওয়া যায় না কেন পাওয়া যায়
- 47:16না এই কারণে যে আমরা আসলে সঠিকভাবে সেটা খুঁজে বের করি না।
- 47:21সঠিকভাবে খুঁজে বের করার নিয়মটি হচ্ছে এই লিঙ্কটি যদি আপনি মনে
- 47:24রাখতে পারেন এবং এই লিঙ্ক এ এটা মনে রাখা খুব সহজ করে আপনি বারবার
- 47:27শুনে এখান থেকে। এই লিঙ্কটা আপনি পেয়ে যাবেন এবং
- 47:29সেই লিঙ্ক অনুযায়ী আপনি যদি সেই পেজটি সার্চ করেন তাহলে ঠিক পেজে
- 47:33গিয়ে আপনি ল্যান্ড করবেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই তো আমরা
- 47:36এখন চলে যাব। সরাসরি আমাদের পরবর্তী ঘটনায় আশা
- 47:40করছে ঘটনাটি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন শুনে আসি আফগান ভাইয়ের
- 47:44পাঠানো। পাকশির সে অদ্ভুত ঘটনাটি।
- 47:52আসসালামু আলাইকুম। ডটকমের শ্রোতাদের কে জানাচ্ছি,
- 47:56শুভেচ্ছা। আমি আফগান আছি।
- 47:58আপনাদের সঙ্গে ঈদ স্পেশাল এপিসোডে।
- 48:02আমি আরেকটি ঘটনা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে।
- 48:06আশা করি এই ঘটনাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
- 48:08রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ। অনেক কষ্ট করে এত সুন্দর একটি
- 48:11এপিসোড আমাদের সবাইকে উপহার দেওয়ার জন্য।
- 48:15তো শ্রোতা বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে আমি সরাসরি আমার ঘটনাতে
- 48:18চলে যাচ্ছি। ঘটনাটির সময়।
- 48:221900 73 সাল। বেশ অনেক আগের ঘটনা।
- 48:26ঘটনাটির স্থান। আবদা জেলার।
- 48:32পাকশি আমরা যেটা পাখি বলি আর কি আপনার পাখশির নাম শুনেছি বিশেষ
- 48:38করে পাখশিরটা কিন্তু হায়ার ডিসি ব্রিজের জন্য আমরা বিখ্যাত সেটা
- 48:40আমরা মানে। হার্ডেন ব্রিজের নামই আসলে চিনি
- 48:45পাখি, ব্রিজ পাখি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বলে আমরা সবাই চেয়ে নি।
- 48:51তো আপনি। এই পাশের একটি ঘটনা বলব।
- 48:57শ্রোত বন্ধুরা আপনারা যারা পাখিতে গিয়েছেন আমি একটু এনভায়রনমেন্ট
- 49:01টা বলি। আপনারা যদি এখন যান আপনারা কিন্তু
- 49:04যাওয়ার সময় দেখবেন যে পাখসির একপাশে বিশাল নির্মাণযোগ্য হচ্ছে
- 49:09খুব আলো অনেক কিছু। কিন্তু আরেকটা পাশ ঠিক ততটাই
- 49:14অন্ধকার 1:00 পাশ শেমন আলো আর 1:00 প্লাস্টিক ততটাই অন্ধকার।
- 49:18বিশেষ করে আপনারা যদি পাবনা থেকে ভেড়ামারার দিকে যান আপনারা
- 49:24হাতের। বাম পাশে।
- 49:30আপনারা বিশাল দেখবেন যে সরকারি অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে।
- 49:33কিন্তু হাতের ডান পাশে দেখবেন। একদম শুনশান নীরবতা অন্ধকার তেমন
- 49:40কিছুই দেখা যায় না। ঠিক যেমন ঠিক মনে হবে যে একপাশে
- 49:45দিন আর এক পাশে রাত এরকম মনে হবে। তো যেই পাঁচটাতে।
- 49:53অন্ধকার মনে হয় ওটা দিনের বেলাতেও আজ এখন পর্যন্ত সেই
- 49:58জায়গাতে লোকবসতি খুবই কম। পাকশী যে স্টেশন যে স্টেশনটা যে
- 50:04স্টেশনের পাশে যে বিশাল জায়গা রয়েছে রেলের জায়গা সেখানে
- 50:09কিন্তু অনেক হন্টেড স্টোরি রয়েছে সেই।
- 50:15আশপাশে যে গ্রাম রয়েছে সেই গ্রামগুলোতেও কিন্তু অনেক স্টোরি
- 50:18রয়েছে। আমি আজকে এমনই একটি স্টোরি
- 50:21আপনাদেরকে বলব তো সেই স্টোরিটা একটি কোয়া কেন্দ্রিক 1:00 কুক বা
- 50:26কুয়া। কুয়াকে কেন্দ্র করে আজকে আমাদের
- 50:30স্টোরি। যারা পাখশিতে আছে বাক্সির যদি কেউ
- 50:36আমাদের আমার এই গল্পটা শুনে থাকেন।
- 50:39বা পাকের ওদিকে কেউ গিয়েছেন। তারা আমার ঘটনার সঙ্গে একটু
- 50:42মিলিয়ে নিতে পারবেন। ঘটনাটি আমি শুনেছি আকশিতে সূরপুর
- 50:50শরিফের একটি মাদ্রাসা রয়েছে। ওই মাদ্রাসা।
- 50:54রই একজন শিক্ষার্থীর কাছে আমি গল্পটি শুনেছি।
- 51:00সেই শিক্ষার্থীর নাম হচ্ছে হাফেজ নাঈম।
- 51:03এই হাফেজ নাঈমের কাছ থেকে আমি এই ঘটনাটি শুনেছি তা আশা করছি
- 51:07আপনাদের ঘটনাটি সবার ভাল লাগবে। ঘটনার সময়কাল আমি আগে বলেছি।
- 51:121900 73 সাল। হার্ডেন ব্রীজ থেকে কেউ যদি পাখির
- 51:17মেইন বাজারের দিকে যেতে যায়, এখন পর্যন্ত হাতের দু পাশে বিশাল বড়
- 51:22বড় গাছ রয়েছে। শতবর্ষী 1:01 গাছ এখনো সেদিকে
- 51:28মানে আপনার দিনের বেলা যেতে গাছ হমছম করে উঠবে।
- 51:32সেই পাকা এখন তো পাকা রাস্তা হয়েছে।
- 51:35দুই পাশে গাছগুলো রয়েছে। তো আপনারা আমরা যদি ওই দিকে যেতে
- 51:40থাকি যে যাওয়ার সময় হাতে ঠিক বাম পাশে আমাদের।
- 51:46বেশ একদম ফাঁকা জায়গা পড়বে। আর এই ফাঁকা জায়গাটা আর একটু পার
- 51:50হয়ে গেলেই মানে পদ্মা নদী ও জায়গা।
- 51:54গুলোতে এখনও এভাবে জনবসতি নেই। তো ওই জায়গাতে একসময় বেশ একটু
- 52:01ঝোপঝাড় এরকম ছিল আর কি। ওই ঝোপঝাড়ের মধ্যে ব্রিটিশ
- 52:09পিরিয়ডের একটি কোয়া ছিল। বলা হয় যা হার্ডেন্স ব্রিজ যখন
- 52:15তৈরি করা হয় ওই তৈরি করার সময়। পানির খাওয়ার পানির প্রয়োজন
- 52:20ছিল। তখন ওই জায়গাটাতে 1:00 কোয়া খনন
- 52:23করা হয়েছিল তো। ওই কোয়া টা মানে ওরকমই পড়ে আছে।
- 52:29এরকম বলা হয় বলা হত আর কি ওই ঝোলঝারের মধ্যে।
- 52:35অনেকে কিন্তু ওই ঝোপঝাড়ের ওদিকে দেখা যাচ্ছে যে আপনার গরু ছাগল
- 52:40এগুলো বা বেঁধে রাখত এরকম কিন্তু হত।
- 52:46তো এভাবেই যখন 1:00 সময় আস্তে আস্তে যখন সব ঝাড় কমে আসে
- 52:51কোয়াটা কোয়া জায়গাটা উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
- 52:56কোঁয়ার মধ্যে কিন্তু পানি ছিল। কোন মধ্যে পানি ছিল?
- 53:02এবং কোয়া কেন্দ্রে কিছু অদ্ভুত কথা প্রচলিত ছিল।
- 53:07যেমন। ওই কোয়াতে কোটা কিন্তু খুব বেশি
- 53:12গভীর ছিল না। নীচে পানি দেখা যেত।
- 53:16কিন্তু ওই কোয়াতে যদি কেউ শব্দ করত কোনও প্রতিধ্বনি ফিরে আসত না।
- 53:22আমরা দেখেছি আমরা তো নরমালি জানি। সাধারণত সাড়ে 16 মিটার।
- 53:28দূরত্ব যদি কম হয় তাহলে কিন্তু আমরা কোনও প্রতিধ্বনি পাই না।
- 53:33কিন্তু ওই কোয়াটিস প্রায় 20 মিটারের মতো গভীর ছিল।
- 53:36মানে নিচের পানিটা দেখা যেত প্রায় 20 মিটারের মতো গভীর ছিল।
- 53:40কিন্তু ওখানে কোনও শব্দ করলে কোনও প্রতিধ্বনি ফেরত আসত না।
- 53:44এটা অনেকেই চিন্তা করতে কী ব্যাপারে কোয়াতে কথা বললে কথা
- 53:47ফেরত আসে না। আর 1:00 বিষয় হল।
- 53:52ওই কোয়াতে। অদ্ভুত কিছু শব্দ হত শব্দ বলতে
- 53:58কেমন যে মনে হতো যে কোঁয়ার পানির মধ্যে বড় বড় মাছ রয়েছে।
- 54:04এরকম মাসের মতো শব্দ মাছের মাঝে বা পুকুরে শব্দ করে ওরকম শব্দ হত।
- 54:10আর 1:00 বিষয় হত সেটা হচ্ছে যে কেউ যদি খুব মানে।
- 54:16ভাল করে কোয়ার মধ্যে যদি কান পাতত।
- 54:20তখন ওর মধ্যে অসংখ্য মানুষের কথা বলার শব্দ শোনা যেত।
- 54:26এই টাইপের বিষয় ওখানে ছিল। অনেকের কাছে এই কথাগুলো মানে
- 54:34প্রচার। িত হয়ে যায় যে ওখানে এরকম এরকম
- 54:36আছে তো অনেকে কো আর ওখানে দেখতে যায় কেউ কান পাতলে কেউ শব্দ শুনে
- 54:41কেউ শোনে না। কিন্তু এই যে মেদর যে মাছের মাছ
- 54:44রয়েছে ওরকম পানি নড়াচড়া করে উঠল বা মাছ যেভাবে একটু ঢেউ
- 54:49সৃষ্টি করার রকম ঢেউ সৃষ্টি হতো। তো এই রকম মোটামুটি সবাই দেখত এবং
- 54:54এটা ঠিক যে শব্দ করলে যে শব্দ ফেরত আসত না এটাও ঠিক এটাও সবাই
- 54:59করত। কিন্তু ওই যে কান পাতলেই যে অনেক
- 55:02মানুষের কথাবার্তা বলার শব্দ এই জিনিসগুলো সবাই সবসময় শোনত না।
- 55:05কেউ শুনত কেউ শুনত না বিষয়টা এমন ছিল।
- 55:10তো এর মধ্যে ঘটনাটি যেটা ঘটে আর কি?
- 55:15তো এই ঘটনাটি যার সঙ্গে ঘটেছিল উনার ছেলেকে ওই মানে মাদ্রাসায়
- 55:21ভর্তি করিয়েছিল। তো ওই ভর্তি করানোর পরে ওই ছেলের
- 55:27যে সহপাঠী। এই শহরের কাছে হাফেজ নাঈমের কাছে
- 55:31গল্প করেছে। আমার বাবার সাথে 1:00 ঘটনা ঘটেছিল
- 55:34তো ওই ঘটনাটি বেসিক্যালি আমি সংগ্রহ করতে পেরেছি সেটি আপনাদের
- 55:39সাথে এখন শেয়ার করছি তো এই। যে মুরব্বি।
- 55:46তো এই মরুব্বি যিনি ছিলেন ওরা নামটা কিন্তু আমি আসলে জানতে পারি
- 55:51নাই বা আমি একবার হালকা শুনেছিলাম।
- 55:53আসলে আমার মনে নেই ওনার নামটা আসলে কি তো আপনারা 1:00 নাম মনে
- 55:58মনে চিন্তা করে নেন। যে চিন্তা করেন রামুনার নাম
- 56:02আব্দুল আলিম এরকম 1:00 চিন্তা করে নেন।
- 56:04কারণ উনার এক্সাক্ট টার্ম আমি আসলে।
- 56:07আমার মনে নেই। বা আসলে ওইভাবে মানে মনে রাখার
- 56:12মতো করে শুনতেও পারিনি। আর যিনি বলেছেন, উনিও আসলে
- 56:14এক্সাক্ট নামটা আমাকে এভাবে বলতেও পারেননি তো।
- 56:17যার কারণে আসলে এই জন্য মনে নেই। আসলে কোনওমতো একটু ভাঙ্গা ভাঙা
- 56:21বলেছিলেন। যাইহোক তো ধরে নেন যে না তার নাম
- 56:25হচ্ছে আব্দুল আলিম তো এই আব্দুল আলিম উনি তখন।
- 56:30বেশ মানে কিশোর কিশোর বয়সী। তখন উনি এবং উনার কয়েকজন
- 56:37বন্ধুবান্ধব ওনারা চিন্তা করেন যে ওই কোয়াতে খালি শুনি।
- 56:40মাছ আছে, মাছ আছে আমরা আজকে চার বন্ধু মিলে ওখানে মাছ ধরতে যাব।
- 56:46আমরা বসিয়ে ফেলব দেখি আসলে ওখানে আমরা মাছ পাই কি না।
- 56:51তো সত্যিই ওনারা। চার বন্ধু মিলে সেখানে বসে নিয়ে
- 56:56যান আমি কিন্তু ঘটনা বলছি সব দিনের বেলার ঘটনায় যা হচ্ছে সব
- 57:00দিনের বেলা। তো উনি বসি নিয়ে সেখানে যান।
- 57:051900 উনার চার বন্ধু আব্দুল আলিম এবং তাঁর চার বন্ধু মানে তার আরও
- 57:09তিন বন্ধ টোটাল চার জন সেখানে যান যাওয়ার পরে বাস তাঁরা সেখানে বসে
- 57:15ফেলেন। অনেকক্ষণ হয়ে যায়।
- 57:19কিন্তু কোনও। মানে বশির যেই যারা আধার ফেলেছে
- 57:27সেখানে কোনও মাছের কোনও উপস্থিতি কোনও মাছ কোনও আদার খায়ও না
- 57:30কিছুই না। অথচ তারা কিন্তু কর পানিতে দেখছে
- 57:34যে পানি নড়ে উঠছে। তার মানে নীচে কিছু আছে।
- 57:41এভাবে যখন প্রায় 3 ঘণ্টা সাড়ে 3 ঘণ্টা 4 ঘণ্টা হয়ে যায়, সবাই
- 57:46অধৈর্য হয়ে যায়। যে ধূর এখানে আসলে কিছুই নেই।
- 57:49নিচে মনে হয় ব্যাঙ্টাইং আছে বা ওই দূরে তো পদ্মা নদী পদ্মা নদীর
- 57:53সাথে এই কুয়ার কোনও সংযোগ সংযোগ রয়েছে যার কারণে।
- 57:59এই পানিটা এখানে চলে আসছে এরকম তারা চিন্তা করে আর যদি থেকেও
- 58:04থাকে কোনও ব্যাঙ ট্যাং এই টাইপের কিছু থাকতে পারে।
- 58:06এখানে কোনও মাস্ক নেই। মাছ থাকলে এতক্ষণে অবশ্যই আমাদের
- 58:09বর্ষির ছিপে আমাদের টান পড়ত। এদিকে তিনজন অধৈর্য হয়ে বলে আমরা
- 58:14চলে যাব। কিন্তু আব্দুল আলীম উনি আর যেতে
- 58:18রাজি না, উনি বলেন না, আজকে আমি দেখেই ছাড়বো।
- 58:20আসলে মাস এখানে আছে কি না। খালি শুনি যে এখানে বিশাল বিশাল
- 58:24মাছ আছে কই? আজকে দেখব মাছ আছে কিনা।
- 58:29ওদিকে তিনজন বলে ঠিক আছে, তুই থাক আমরা গেলাম।
- 58:34তারা। মোটামুটি হাসি, তামাশা আব্দুল
- 58:36আলীমের দিকে তাকিয়ে হাসি তামাশা করে তারা তাদের মতো হাঁটা দেয়।
- 58:41নিকে আব্দুল যখনই তিনজন চলে যাচ্ছে বেশ দূরে চলে গেছে।
- 58:46মানে এতটুকু দূরে চিৎকার দিলে বা কোনও ডাক দিলে তারা শুনতে পারবে
- 58:49এতটুকু তুলে স্পষ্টভাবে আর কি শুনতে পারবে?
- 58:53তখন হঠাৎ করে আবদুল আলীম তাঁর বশির ছিপে টান অনুভব করে।
- 58:58কিন্তু আবদুলান চিন্তা করে এখন যদি মাছ ধরি তাহলে তো আবার ওরা
- 59:02চলে আসবে চলে। আসলে তখন আবার দেখা গেল আমি মাছ
- 59:07পেলাম না। ওরা মাছ পাওয়া শুরু করল।
- 59:08তখন উনি কিছু বলেন না। আপনি কিছু বলেনি কিন্তু দেখা
- 59:12যাচ্ছে। যে ওই।
- 59:16শিপের টানটা বেশ আস্তে আস্তে ভারী বা কঠিন হয়ে আসছে।
- 59:20এবং উনি কিছুতেই। মানে ছিটটা উপর দিকে টুন মানে
- 59:25টেনে তুলতে পারছেন না। যখন টেনে তুলতে পারছে না।
- 59:31তখন। সে চেষ্টা করছে আপ্রাণ চেষ্টা
- 59:36করছে কিন্তু ট্রেনে চলতে পারছেন। এদিকে কী হয়?
- 59:41তার যে তিন বন্ধু হঠাৎ করে ধপাস করে 1:00 জোরে শব্দ শুনে ওরা বলে
- 59:48কী ব্যাপার এত জোরে শব্দ হল কীসে পানির মধ্যে মানে কোনও জিনিস কি
- 59:53পড়ল? তাকিয়ে দেখে ওই কুয়ার কাছে।
- 59:57আব্দুল আলীম নাই। তখন তিন বন্ধু চিন্তা করে কী
- 1:00:01ব্যাপারে এত জোরে শব্দ হল আব্দুল আলীপুর মধ্যে পড়ে গেল।
- 1:00:05ওরা দৌড়ে কুয়ার কাছে যায়। কুয়ার কাছে যাওয়ার পর।
- 1:00:12দেখে যে এখানে বসেও নাই কিছুই। আব্দুল আলী মনে হয়।
- 1:00:16কিন্তু কোঁয়ার মধ্যে 1:00 অদ্ভুত জিনিস হচ্ছে।
- 1:00:19আমরা অনেক সময় নদীতে পাক সৃষ্টি হয় না।
- 1:00:22বা ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে যেটা সৃষ্টি হয়।
- 1:00:25কুয়ার পানিতে ওরকম ঘূর্ণিঝড়ের মতো সৃষ্টি হচ্ছে।
- 1:00:27রকম পাক সৃষ্টি হয়েছে। ওই তিনজনই বুঝতে পারে এটা কোনও
- 1:00:32স্বাভাবিক বিষয় নয়। তখন তারা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু
- 1:00:37করে এবং একজন ওখানে থাকে। আর দুজনকে বলে দোট দিয়ে যাওয়া
- 1:00:42আশেপাশে যত লোক আছে সবাইকে ডেকে নিয়ে আসো।
- 1:00:46তখন ওরা ওদের ভাগ্য ভালো বেশি দূর যেতে হয়নি।
- 1:00:49দেখা যাক 1:00 ভ্যান যাচ্ছে ভ্যানে আবার কয়েকজন যাত্রী
- 1:00:52যাচ্ছে যাত্রীর মধ্যে একজন হুজুর টাইপের একজন লোক ছিলেন।
- 1:00:56তখন ওরা বলে যে আমার বন্ধু এই যে পানির মধ্যে পড়ে গেছে দেখেন
- 1:00:59পানিতে কেমন কি হচ্ছে পাক হচ্ছে। আপনারা একটু তাড়াতাড়ি আসেন আমার
- 1:01:04বন্ধুকে উদ্ধার করতে হবে। তখন তারা সবাই দৌড়ে সেখানে চলে
- 1:01:07আসেন। কিন্তু কুয়ার ভিতরের অবস্থা দেখে
- 1:01:10কারও কিন্তু কোনও সাহস হয় না ওর মধ্যে নামার।
- 1:01:13কারণ পানি পাক খাচ্ছে। তখন ওই হুজুর টাইপের চিনি লোক
- 1:01:19ছিলেন। তখন উনি 1:00 কাজ করেন সেটা হচ্ছে
- 1:01:23উনি একটি মাটির একটি টুকরো উঠান। শুকনা মাটির টুকরা সেখানে একটু
- 1:01:30দোয়া পড়ে। ওই টুকরাটি।
- 1:01:34পানির মধ্যে ফেলে দেন। অদ্ভুত ব্যাপার পানির মধ্যে ফেলে
- 1:01:39দেওয়ার সাথে সাথে কোয়ার পাক বন্ধ হয়ে যায়।
- 1:01:43এবং। নিচ থেকে।
- 1:01:47মানে পানির মধ্য থেকে হঠাৎ করে ওই আব্দুল আলীমকে মনে হল কেউ যেন
- 1:01:52ছুড়ে বাইরে ফেলে দিল। মানে এমনভাবে ছুড়ে ফেলেছে সে
- 1:01:57উপরে এসে একদম করুপুর এসে পড়েছে। তখন সে সেন্সলেস অবশ্যই ছিল।
- 1:02:02মানে তার পেটে অনেক পানি চলে গেছে তাতে তার।
- 1:02:07পেট থেকে পানি বের করার ব্যবস্থা করা হল।
- 1:02:10তার জ্ঞান ফিরল। তখন সবাই জিজ্ঞেস করল কী হয়েছে?
- 1:02:14তখন বলল যে আমি মাছ ধরছিলাম। হঠাৎ করে বর্ষিত অনেক টান অনুভব
- 1:02:19করি। টান অনুভব করার পরেই হঠাৎ করে
- 1:02:23আমার মনে হল কে যেন আমাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে কোন মধ্যে ফেলে
- 1:02:27দিল এবং কোন মধ্যে যখন আমি পড়ে যাই তখন দেখি সেখানে ভিন্ন জগত।
- 1:02:33সেখানে পানির মধ্যে দেখি অনেক মানুষ।
- 1:02:38অনেক মানুষ। সবারই মুখে দাড়ি।
- 1:02:44মাথায় পাগড়ি এরকম অনেক মানুষ। এবং একজন আরেকজনকে বলাবলি করছে যে
- 1:02:51আমাদেরকে বিরক্ত করার জন্য কেন আসছে বারবার বিরক্ত করছে?
- 1:02:57একে আর ছাড়া যাবে না। এরকম তাঁরা বলাবলি করছে।
- 1:03:02কিন্তু হঠাৎ করে। 1:00 বিশাল আকৃতির কিছু কুয়ার
- 1:03:08মধ্যে পড়ল ওই আব্দুল আলীম বলছে তখন।
- 1:03:13ওই লোকদের মধ্যে একজন সর্দার ছিলেন।
- 1:03:15উনি বললেন, দেশ ছেলেটাকে উপরে পাঠিয়ে দাও।
- 1:03:20আশা করি এরপরে এখানে আর কেউ আসবে না।
- 1:03:23তখন। তাঁকে একজন ধরে উপরে ছুড়ে পারে।
- 1:03:30এটি এইটুকুই আব্দুল আলমের মনে আছে এই অদ্ভুত ঘটনাটা।
- 1:03:36এই যে একজন মরুব্বি উনি 1:00 ঢিল ছোট 1:00 ঢিল সেখানে মেরেছিলেন।
- 1:03:41কিন্তু আব্দুল আলীম নিচে থাকা অবস্থায় সে দেখেছে বিশাল 1:00
- 1:03:44কিছু বিশাল 1:00 ঢিলের মত পাথরের মতো নীচে পড়েছে এবং সেটার কারণে
- 1:03:48একজন ওদের যে সর্দার টাইপের একজন আছেন উনি বলে যে ছেলেটাকে উপরে
- 1:03:51পাঠিয়ে দাও। তো এতটুকুই তাঁর মনে আছে তখন এই
- 1:03:56ঘটনাটা আশেপাশে যখন ছড়িয়ে গেল যে এই কোয়াতেই ধরনের অদ্ভুত
- 1:04:01বিষয় হয়। কারণ প্রথমত অদ্ভুত বিষয় ছিল
- 1:04:04সেখানে আওয়াজ করলে সে আওয়াজটা ফেরত আসত না।
- 1:04:07সেখানে বড় টাইপের মাছ আছে। এরকম শব্দ হত।
- 1:04:12কিন্তু কেউ কখনো মাছ সেখানে স্বীকার করতে চায়নি।
- 1:04:14কারণ সেখানে 1:00 ভয়ের ব্যাপার ছিল ভয় পেত।
- 1:04:17এই চার কিশোর যখন এই রহস্যটা উদঘাটন করে তখন।
- 1:04:22ওই মুরুব্বি বলে যে তোমরা 1:00 কাজ করো।
- 1:04:25গ্রাম গ্রামের কয়েকজন লোককে বলে তোমরা এই কোয়াটাকে বন্ধ করে দাও।
- 1:04:29কারণ এটাতে যেন এখানে যেন আর কেউ না আসে কোটা বন্ধ করে দাও তখন
- 1:04:35গ্রামবাসীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।
- 1:04:37ওই কোয়াটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
- 1:04:42পরবর্তীতে ওটা একদম মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।
- 1:04:45ওটার কোনও অস্তিত্ব এখন আর নাই। তো এখন ওখানে খুঁজলেও আর কোনও ওই
- 1:04:50কোয়ার্টার অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না।
- 1:04:51তবে গ্রামের যারা প্রাচীন যারা আছে বা।
- 1:04:56প্রবীণ যারা আছেন পাখিতে তো তারা। হয়তো বা কোয়াটির অবস্থান বা
- 1:05:03কোয়াটির ইতিহাসটা অবশ্যই জানবেন। ইতিহাস বলতে।
- 1:05:06এটি যে ঘটনাটা সেটা অবশ্যই জানবেন।
- 1:05:09এখানে 1:00 বিষয় বলে রাখা ভাল স্পেশালি ওই জায়গাটা ওই জায়গা
- 1:05:13থেকে আরও বেশ কিছু জায়গা। যখন 2003 সালের দিকে লালন শাহ
- 1:05:17সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় তখন কিন্তু ওখানে যারা চাইনিজ যারা ওই
- 1:05:22সেতুটা তৈরি করতে আসে এখন যারা পদ্মা সেতু তৈরি করছে এই যে
- 1:05:25চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি যেটা।
- 1:05:28ওই লালনশাসিত কিন্তু তারাই তৈরি করেছিল।
- 1:05:31তো ওরা যেটা করেছিল ওরা কিন্তু এই জায়গাটা বেশ পরিষ্কার করে নিয়ে
- 1:05:35ওরা ওখানে থাকার জন্য সুন্দর আবাসন তৈরি করেছিল সেই আবাসন
- 1:05:39ব্যবস্থা। কিন্তু এখনও সেখানে আছে।
- 1:05:41আপনারা যদি পাখি তে যান এখনও সেটা দেখতে পাবেন।
- 1:05:45ওরা তো চলে গেছে। কিন্তু এই জায়গাটা পুলিশ এবং
- 1:05:46আনসার ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- 1:05:50আপনারা যদি পাঠিয়ে চান এখনও সেই জায়গাটা দেখতে পাবেন যে সেই
- 1:05:52জায়গাটা এখন ওইভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 1:05:55তো ওরা ওইভাবে আরও সুন্দর করে পরিষ্কার করে ফেলেছে।
- 1:05:57এখন আর কোনও ধরনের কোনও অস্তিত্ব এখন আর নাকি বোঝার কোনও উপায়ই
- 1:06:01নেই। আগেও ছিল না।
- 1:06:03এখন তো আরও নেই তো এটি ছিল ঘটনা। আশা করি সবার ভালো লেগেছে।
- 1:06:09সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।
- 1:06:11আসসালামু আলাইকুম। কে তুমি?
- 1:06:20ডট কম। রিটার্নসাল।
- 1:06:35ওয়েলকাম ব্যাক আশা করছি আপনার ভাইয়ের ঘটনাটি আপনাদের ভালো
- 1:06:38লেগেছে। জুজু ঘটনা নিয়ে আপনারা আমি জানি
- 1:06:41যে আরও অনেক কিছু পথে বলার আছে। লেখার আছে, জানার আছে এবং আজকে
- 1:06:44যারা মিস করেছেন তারা বারবার জানতে চাইবে যে চুরির ঘটনাটি কোন
- 1:06:47এপিসোড হয়েছে মনে রাখুন যোজন ঘটনাটি ঠিক ঈদের আগের দিন অর্থাৎ
- 1:06:5231 জুলাই এই ঘটনাটি হয়েছে। এবং আশা করছি যে আপনারা সবাই এটা
- 1:06:57মনে রাখবেন এবং যারা শুনতে চান তাঁরা বারবার এই দিনে এসে আবারও
- 1:07:02শুনতে পারবেন। আমি সাধারণত আমার সব এপিসোডে ঘটনা
- 1:07:06যেটা নিজে পড়ি সেটা পড়ি 1:00। সাধারণত।
- 1:07:10অনেক সময় 2:00 হয় সেটা খুব স্পেশাল অকেশনে এবং আজকে যেহেতু
- 1:07:14খুবই স্পেশাল ঈদের ঠিক আগের দিন। সুতরাং আরেকটা ঘটনা যদি না শোনায়
- 1:07:19তাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে। ধরুন এটি আমার আপনাদের জন্য।
- 1:07:23ঈদ উপহার চলুন শুনে আসি। আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাইয়া
- 1:07:31আমি ডাক্তার আনিকা ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কমপ্লিট করে
- 1:07:35বর্তমানে হেলথ ক্যাডারে অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন হিসেবে।
- 1:07:40কর্মরত আছি আমি ভূত ডটকমের অনেক বড় ফ্যান।
- 1:07:442010 থেকেই শুনে আসছি অসাধারণ লাগে আপনাদের এই প্রোগ্রাম
- 1:07:49বেরোনোর মাল। বিষয়গুলো বরাবরই আমাকে আকর্ষণ
- 1:07:54করতো। ডিসেকশন হলে ভয়ানক গাছমছম করলেও
- 1:07:58আল্লাহর অশেষ রহমতে কখনও প্যারোনর্মাল কিছু চোখে পড়েনি।
- 1:08:02আর ভূত ডটকমের সব হরর স্টোরি সোনার পার্টনার আমার আম্মু তার
- 1:08:07মুখ থেকেই শুনেছি তার ছোটবেলার তার নানা আর।
- 1:08:11দাদা বাড়ির নানা রকম রহস্যময় ঘটনা তাঁর মুখ থেকেই সোনা এরকম
- 1:08:171:00 ঘটনা আজকে শেয়ার করতে চাই। আশা করি ঘটনাটি আপনাদের ভালো
- 1:08:21লাগবে। আর লিসেনারদের সাথে শেয়ার করবেন।
- 1:08:26ঘটনাটি 70 বছর। পুরো স্থানটি হল আম্মুর দাদাবাড়ি
- 1:08:30পাবনা জেলার রামনগর গ্রামের ঘটনাটি ঘটে আম্মুর দাদার সাথে
- 1:08:35হয়তো কোনও এক। গাছ ছমছমে শীতের রাতে দাদা নিজ
- 1:08:40মুখেই ঘটনাটি বর্ণনা করেছিলেন তার নাতি নাতনিদের আম্মুর দাদারা
- 1:08:46ছিলেন জমিদার বংশ কালোক্রমে জমিদার প্রথা এবং জমিদারি জৌলুস
- 1:08:52ভাটা পড়লেও কিছু কিছু আওয়াজ তখনও চাব ছিল।
- 1:08:55তার একটি হল বাসায় দু একটি ঘোড়া পোষা হত হয়তোবা।
- 1:08:59অনেকটা শখ করে আমুর দাদার খুব প্রিয় একটি ঘোড়া আদর করে নাম
- 1:09:04দিয়েছিলেন তুফান তুফান আর দাদার বন্ধুত্বটাই ছিল অন্য রকম
- 1:09:09পর্যায়ের দাদা ও তুফানের অনেক যত্ন নিতেন আবার তুফানো দাদাকে না
- 1:09:14দেখলেই অস্থির হয়ে পড়ত আম্মুর দাদার কিছু অদ্ভুত শখ ছিল।
- 1:09:19হয়তো জমিদারি বংশগতি রক্তে ছিল বলেই অন্য রকম শখির কিছু করতে
- 1:09:24পছন্দ করতেন। এর 1:00 ছিল রাতের বেলায় মন ভাল
- 1:09:29না থাকলে বোরে ফেল করলে তুফানকে নিয়ে বের হয়ে পড়তেন।
- 1:09:35বিস্তীর্ণ মাঠ প্রান্তরে দৌড়ে বেরিয়ে।
- 1:09:39অ্যাডভেঞ্চার করে মন ভাল হলে তবেই বাড়ি ফিরতেন।
- 1:09:42তুফান ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিমান। আর ট্রেনিং প্রাপ্ত আর প্রচণ্ড
- 1:09:46গতিসম্পন্ন দাদার মন বুঝে চলত তো একদিন কী হল সাংসারিক কিছু ভুল
- 1:09:51বুঝাবুঝির কারণে দাদার সাথে দাদির কিছুটা মনোমালিন্য হয় আর কথা
- 1:09:55কাটাকাটি হয়। দাদা মন খারাপ করে তুফানকে নিয়ে
- 1:09:58বেরিয়ে পড়লেন তুফান ছুটে চলল বিস্তীর্ণ প্রান্তরে চলে।
- 1:10:03বেশ কিছুক্ষণ ছুটে চলার পর দাদাও তুফান নদীর পাশ দিয়ে চলতে লাগল।
- 1:10:08বেশ গতিতে ভরা পূর্ণিমা ছিল সেই দিন।
- 1:10:11তবে আকাশের ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ ছিল চাঁদটিকে ঢেকে দিচ্ছিল।
- 1:10:15আবার মেঘের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছিল চাঁদ।
- 1:10:18এক অদ্ভুত আলো আঁধারির খেলা চলছিল বেশ ফুরফুরে লাগছিল আমুর দাদার
- 1:10:23এমন 1:00 অবস্থায় হঠাৎ তুফান গতি কিছুটা যেন কমে আসে।
- 1:10:28রাস্তার একপাশে ছিল মাঠ জমি। আর আর একপাশে ছিল বিস্তীর্ণ
- 1:10:32চলাফমী তুফানের গতি কমে আসতে লাগল।
- 1:10:35কারণ ছাড়াই দাদা কিছুই বুঝতে পারছিল না।
- 1:10:38তুফারের এই আচরণের কারণ। তুফানে এরকম আচরণের সাথে দাদা
- 1:10:42একেবারেই অপরিচিত। কারণ তুফানের গতি কমাতে সাধারণত
- 1:10:45দাদাকেই বেগ পেতে হয়। আর সেদিন দাদার 100 চেষ্টা
- 1:10:50সত্ত্বেও কিছুতেই তাঁর গতি কমানো যাচ্ছিল না।
- 1:10:53তুফান 1:00 সময় হালকা দৌড় দিয়ে হাঁটতে শুরু করল।
- 1:10:57হাঁটতে হাঁটতে জলাভূমির সবচাইতে কুখ্যাত অংশটার উপরে বাঁধে পৌঁছে
- 1:11:01গেল ওরা এই অংশটা ছিল সবচেয়ে নোংরা জলাতীর্ণ আর চোরাবালিতে
- 1:11:06পরিপূর্ণ এই চোরাবালিতে ডুবে নাকি বেশ কিছু মানুষ নিখোঁজ হয়েছিল
- 1:11:10এমন খবরও প্রচলিত ছিল। তুফানকে কিছুতেই জোরে ছুটানো
- 1:11:14যাচ্ছিল না দিকও পরিবর্তন করা যাচ্ছে না।
- 1:11:17কেমন যেন ঘুমের ঘুরে হাঁটছিল সে হঠাৎ করে বড় রাস্তা থেকে নেমে।
- 1:11:22বাঁধের ঢাল বে সরাসরি সেই চোরাবালির নর্দমার দিকে নামতে
- 1:11:25শুরু করল তুফান। এইবার দাদার কাজ ছমছম করতে লাগল।
- 1:11:29অত্যন্ত সাহসী দাদাও ভয়ে দরদর করে ঘামতে শুরু করলেন যেন এক
- 1:11:33তীব্র কোনও অশুড়ির সম্মোহনি শক্তি তুফানকে অসম্ভব এক টানে
- 1:11:38নিচে গাঁদার দিকে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দাদা যতই তুফানের রাশ ধরে
- 1:11:42উপরে উঠতে চান তুফান ততই। চোরাবালির দিকে চলতে থাকে আস্তে
- 1:11:47আস্তে কাঁধার ভেতরে গভীর থেকে গভীর অংশ চলে গেল যেন অশরী কোনও
- 1:11:51নির্দেশে তার অঙ্গুলি হেলানে। সামনে এগুতে বাধ্য হচ্ছে তুফান
- 1:11:57দাদা প্রমোদ গুনলেন আর বুঝি কোনও আশা নেই বুঝতে পারলেন ভয়াবহ
- 1:12:01বিপদের সম্মুখীন তিনি আর একটু সামনে এগুলোই তুফান সহ তিনি হয়তো
- 1:12:05তলিয়ে যাবেন চোরাবালির অতল গহ্বরে।
- 1:12:09শেষ চেষ্টা হিসেবে সকল দোয়া দরুদ পড়তে লাগলেন।
- 1:12:13জোরে জোরে আর শরীরের যত শক্তি আছে তাই যে তুফানকে এলো পাখারী মারতে
- 1:12:17লাগলেন চাবুক হঠাৎ করেই চাবকের তীব্র যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে উঠল
- 1:12:22তুফান ব্যথায় প্রচণ্ড ব্যথায় যেন সহসাই সম্বিত ফিরে এল তাঁর।
- 1:12:28নিজে যেন নিজের আচরণে ভয়াবহ আবাসে।
- 1:12:31সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল বিস্মিতর চেয়ে বেশি ছিল সে
- 1:12:34আতঙ্কিত। হঠাৎ সম্বিত ফিরে পেয়ে পাক কাদা
- 1:12:38চোরাবালিক মধ্যে কিছু 1:00 দেখে তীব্র আতঙ্কে সামনের দুই পা তুলে
- 1:12:43অর্থাৎ শূন্যে তুলে আর্তনাদ গড়ে উঠল সে।
- 1:12:46সমস্ত শক্তি দিয়ে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যাওয়া কাদা থেকে তীব্র
- 1:12:50গতিতে পেছাতে শুরু করল। নর্দমা থেকে কোনও মতে উঠতে পেরেই
- 1:12:54তীব্র গতিতে বাঁধের উপরের রাস্তার দিকে ছুটতে লাগল তুফান দাদা
- 1:12:58তুফানের গলাটা চেপে দাঁত কামড়ে পড়ে থাকেন এবং।
- 1:13:02উপরে আরও জোরে জোরে দোয়াদুরুত পরতে থাকেন।
- 1:13:06এতক্ষণে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য তুফান যেন দ্বিগুণ গতিবেগে
- 1:13:09ছুটে চলছে গ্রামের বড় রাস্তা ধরে তীব্র ভয় আর বেঁচে থাকার আদিম
- 1:13:13তাগিদ স্পষ্টই টের পান। দাদা তুফানের ভেতর।
- 1:13:19অবশেষে বাসায় ফিরতে পারেন তাঁরা কাউকে সেদিন আর কিছু জানাননি
- 1:13:23তিনি। এরপর নামাজ পড়ে আল্লাহ তালার
- 1:13:26কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। আর ভবিষ্যতে একা একা গভীর হাতে
- 1:13:29বাইরে যাওয়ার মতো বোকামি করবেন না বলে ওয়াদা করেন।
- 1:13:35ঘটনাটি এখানেই শেষ। কিন্তু আম্মুর দাদা সবসময় নাকি
- 1:13:40বলতেন। এটি তাঁর জীবনের সবচাইতে বড়
- 1:13:43অমীমাংসিত একটি ঘটনা। এর পরেও দাদা বহু 12 নানা
- 1:13:47প্রয়োজনে তুফানকে নিয়ে বহু জায়গায় গিয়েছেন।
- 1:13:50কিন্তু কখনওই এরকম কিছু আর ঘটেনি। আর এই ঘটনার আগেও কখনও তুফানকে
- 1:13:55এমন অদ্ভুত। আচরণ করতে দেখা যায়নি।
- 1:13:59ভূত ডটকম টিমের লিসেনার দের কাছে আমারও প্রশ্ন রইল কী হয়েছিল
- 1:14:03তুফানে কী দেখে সে অশরী আতঙ্কে আর্তনাদ করেছিল কোন অলৌকিক সব
- 1:14:09মোহনীর শক্তি তাকে তার মালিকসহ টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।
- 1:14:12মৃত্যুর দিকে আল্লাহ আপনাদের সবাইকে ভালো রাখুক।
- 1:14:16আমাদের জন্য দোয়া করবেন। অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
- 1:14:20ডক্টর আনিকা ডিএমসিএইচ অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন
- 1:14:24মিনিস্ট্রি অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অফ পিপলস
- 1:14:27রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ। কে তুমি?
- 1:14:38ডট কম। ফের রিটার্স।
- 1:14:44াল।