Latest / RJ Russell- Bhoot.Com / শেষ পরিনতি | BhootDotCom | Episode-09
Transcript
- 0:04স্পিরিট। বেহের উইথ মি।
- 0:33ওয়েলকাম টু গ্রুপ.কম আপনাদের সাথে আছি আমি রাসেল এবং আশা করছি
- 0:37সবাই ভালো আছেন ভালোর দলে আছেন এবং নিরাপদে আছেন।
- 0:44চলে যাচ্ছি আমাদের আজকের প্রথম ঘটনায় এই ঘটনাটি 1:00 ইমেল এবং
- 0:49পাঠিয়েছেন আপনাদের আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাই।
- 1:01আশা করি ভাল আছেন। কিন্তু আমরা ভাল নেই।
- 1:08অনেকদিন ধরে বলব বলবো করে কোনও 1:00।
- 1:12ভয়ে বলা হয়নি। আপনার ফিরে আসার সুযোগটি।
- 1:18মিস করতে চায় না তাই আচ্ছা। বলতে চাই আমি চাই আপনি আমার
- 1:25ঘটনাটি পড়ে শোনা। আমি অনেকদিন থেকে আমাকে শোনেন
- 1:30সেটা লিখেছেন। তারপর লিখেছেন যে তার নাম এবং তার
- 1:34নাম হচ্ছে আপন তারপর তিনি লিখছেন। আমি মাদারীপুর জেলার কোনও 1:00
- 1:39গ্রাম থেকে আমার ঘটনা বলছি। ঘটনাটা আমার আম্মুর কাছে শোনা ও।
- 1:45বর্তমানে আমাদের সাথে ঘটতে থাকা একটি সত্য ঘটনাটি।
- 1:51শুরু হয় 1990 সালের দিকে। যাকে জের ধরে আজও আমাদের সাথে
- 1:59কিছু না কিছু করছে। ঘটনা শুরু হয়েছিল আমার নানা ও
- 2:04নানুর কাছ থেকে। ঘটনাটি প্রচার স্বার্থে আমি ঘটনার
- 2:08শুরু থেকে বলছি, আজ থেকে প্রায় 30 বছর আগে।
- 2:13আমার নানা ছিল একজন নৌকার মাঝি নানার বাড়ির পাশেই ছিল 1:00 নদী।
- 2:19সাধারণত ওই নদীতেই তিনি নৌকা চালাতেন এবং ওই নৌকার উপার্জিত
- 2:26টাকা দিয়েই তার ফ্যামিলি চলত। আমার নানার গ্রামের কয়েকটি গ্রাম
- 2:32পড়ে। আমার নানুকে তিনি বিয়ে করেন।
- 2:37আমার নানার বাসা ছিল নদীর এপার এবং আমার নানুর বাসা ছিল নদীর ওই
- 2:41পাড়। মোট কথা তাঁদের দুজনের বাসা ছিল।
- 2:44নদীর দুই বারে বীর অনেকদিন পর। তাঁদের ঘরে একে একে চারটি সন্তান
- 2:53জন্ম নেয়, যার মধ্যে প্রথম দুজন ছিল ছেলে এবং পরের দুজন মেয়ে।
- 2:59এদের মধ্যে ছোটজন হচ্ছে আমার মা। তারা সবাই ছিলেন প্রাপ্তবয়স্ক।
- 3:06তখনও আমার আম্মুর বা কারও বিয়ে হয়নি।
- 3:11আমার নানা যে নৌকাটি চালাতেন, সাধারণত ওই নৌকাটা।
- 3:15তুই চলে চালাতো একজন রাতের বেলা আর একজন দিনের বেলা যে রাতের বেলা
- 3:21নৌকা চালাত তার নাম ছিল রহিম নানা।
- 3:24সাধারণত দিনের বেলা নৌকা চালাতো আগে থেকে বলে রাখা আছে ভালো যে
- 3:28তিনি ছিলেন মাছ ধরায় খুব পটু। রাতের সব সময়।
- 3:36সে সম্পূর্ণ ফ্রি থাকাতে মাঝে মধ্যেই তার ছোট্ট একটি নৌকা ও চাল
- 3:40নিয়ে সেই নদীতে মাছ ধরতে যেতেন। একদিন দুপুরবেলা আমার নানুর কাছে
- 3:47খবর এল তার ভাই নাকি অসুস্থ। তৎক্ষণাৎ তাঁর ভাইকে দেখতে নানু
- 3:54তাঁর বাপের বাড়ি চলে যায়। নানুর বাপের বাড়ি খুব কাছে
- 3:58থাকাতে। যাওয়ার সময় নানাকে বলে যায়,
- 4:01সেজন্য তাঁকে সন্ধ্যার সময় নিয়ে আসে।
- 4:05তারপরও নানু তাঁর বাপের বাড়ি চলে যায়।
- 4:09এদিকে সন্ধ্যা হতে থাকে আর। নানা ভাবতে লাগলেন নদী দিয়ে তো
- 4:15যেতেই হবে। তাহলে জাল ঠামিয়ে যায়।
- 4:18যদি কিছু মাছ পাই যেই ভাবা সেই কাজ।
- 4:22তিনি তাঁর ছোট্ট নৌকা জাল ও হ্যারিকেনটা নিয়ে নদীতে চলে যান।
- 4:29কিন্তু অনেকক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরেও তাঁর জালে কোনও মাছ ধরা দেয়
- 4:33না। হঠাৎ করে তার জালে বড় বড় মাছ
- 4:37উঠতে শুরু করে। এর মধ্যে তিনি বুঝতে পারলেন
- 4:40সন্ধ্যা পেরিয়ে অনেক রাত হয়ে গেছে।
- 4:43তিনি ভাবলেন, এবার মাছ ধরা থাক, অনেক মাছ পেয়েছি।
- 4:48তাই তিনি। সেই মাছের ব্যাগটা নৌকায় রেখে
- 4:53নৌকাটাকে পারে ফিরিয়ে 1:00 গাছের সাথে বেঁধে হ্যাঁারিকেনটা নিয়ে
- 4:58নামদের পাশের দিকে রওনা হলেন। নানুদের পাশা থেকে নানুকে নিয়ে
- 5:05আস্তে আস্তে পায় রাত 11:00 বেঁচে গেল তখন গ্রামে 11:00 মানে গভীর
- 5:11রাত নানাানি নদীর পাড়ে পথ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সেই নৌকার কাছে
- 5:17আসতে লাগলেন। আর এর মধ্যে তক করে আরিখেন
- 5:21আরিকেনটা নিভে গেল। লক্ষ্য করলেন অদৃশ্য 1:00 শক্তি
- 5:26তাদেরকে যেন সেই নৌকার কাছে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে।
- 5:30না শুনতে পেলেন পেছন থেকে চিকন গলায় কেউ বলে উঠল।
- 5:34এদিকে যাস না। খুব খারাপ।
- 5:39নানা পেছনে ফিরে দেখল। পেছনে কেউ নেই।
- 5:44খুব ভয় পেলেন। এ ব্যাপারে নানুকে কিছুই বলেননি।
- 5:47যদি সেও ভয় পায়, হাঁটতে হাঁটতে। সেই নৌকার কাছে গেলেন এবং দেখতে
- 6:41নানু বড় 1:00 লাঠি নিলেন এবং লাঠি দিয়ে বাচ্চাটিকে মারতে শুরু
- 6:45করলেন। মারতে মারতে এক পর্যায়ে সেই
- 6:47বাচ্চাটি। সেখানেই মারা গেল।
- 6:51এর মধ্যে শুরু হয়ে গেল কাল পোশাকি ঝড়ের মতো প্রচণ্ড বাতাস
- 6:55জন্য। এই বাতাসের তুঙ্গে মুচড়ে সারা
- 6:57পৃথিবীটাকে ধ্বংস করে ফেলবে না বুঝতে পারলেন।
- 7:02না তুমি পর খুনে চলে আসেন যথারীতি রাতের
- 7:31খাবার শেষ করে দুজনে ঘুমিয়ে পড়েন এবং ঘুমানোর সময় একজন আরেক
- 7:37জনকে বলতে লাগলেন কে কী দেখেছে কথা বলতে বলতে।
- 7:41এক পর্যায়ে তারা ঘুমিয়ে পড়ে। সকালবেলা রানু ঘুম থেকে উঠতে
- 7:45পারলেও। নানা ঘুম থেকে উঠতে পারেন না।
- 7:49খুব জ্বর এসেছে। অনেকে ডাক্তার কবিরাজ নানাকে সাত
- 7:54দিনের বেশি। তারপরও বাঁচানো গেল না।
- 7:58সেদিন রাত থেকে সাত দিনের মাথায় আমার গেলেন।
- 8:04ঘটনা শেষ হয়নি। নানু ছিলেন গ্রামের সাধারণ মেয়ে।
- 8:09তাই সে ঘটনার কিছুই বুঝতে পারলেন না না।
- 8:11আর মৃত্যুর পরে সংসার চালানোর জন্য আমার বড় মামার সংসারের হাল
- 8:14ধরেন। যথারীতি মামাও নানান তো দিনে নৌকা
- 8:18চালাতেন। এবং উপার্জিত অর্থ দিয়ে সংসার
- 8:22চালাতে লাগলেন। তাঁদের মৃত্যুর পর প্রায় চার
- 8:27মাস। সাধারণত মামার পরে রাতের বেলা
- 8:30রহিম নৌকা চালাতেন। একদিন রহিম।
- 8:35মামাকে ধরে বললেন কিছুদিন যাবৎ। আমি খুব অসুস্থ রাতের বেলা নৌকা
- 8:40চালাতে কষ্ট হয়। তুই কয়েকটা দিন রাতের বেলা
- 8:43নৌকাটা চালা। আমি দিনের বেলা চালিয়ে দেবো।
- 8:46সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে না হয় আবার রাতে চালাবো 23 চারাস মামা।
- 8:53তার অসুস্থতার কথা শুনে। তাকে আর না করতে পারলেন না
- 8:58ঘটনাটি। বাড়িতে গিয়ে মামা নানুকে বলতে
- 9:03নানু মামাকে সেখানে যেতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, তুই ছোট মানুষ
- 9:07রাতের বেলা ভয় পাবি কিন্তু। মামা তাঁর কথা শুনলেন না।
- 9:14সে রাতের বেলা নৌকা চালাতে গেলেন এবং তার পরের দিন মামার লাশটা
- 9:22নদীর পাড়ে পাওয়া যায়। তার সাথে কী ঘটেছে?
- 9:27কেউ বলতে পারে না। তার সাথে থাকা নৌকাটি কিছু নদীর
- 9:32পরিবর্তে 1:00 ভেঙে রেখেছে এবং বাকি অর্ধেকটা বাড়ির উপরে ভাসছে।
- 9:37মামার সাড়া তে গোটা রক্তে রক্তাক্ত ঘাড় ভেঙে এক পাশে ঝুলে
- 9:42আছে কারা যেন তাদের শরীরের সকল রাগ মার পড়ে চালিয়েছে।
- 9:47মামার নিথর দেহটা। পড়ে আছে।
- 9:54কাঁপতে লাগলেন। এর মধ্যে।
- 10:00রহিমখানা চলে আসেন এবং নানুর পায়ে ধরে কাত থাকেন।
- 10:04আর বলেন, আমাকে তুমি মাফ করে দাও। আমি বুঝতে পারিনি।
- 10:07ওরা ওকে এত নির্মমভাবে মেরে ফেলবে।
- 10:09সবাই অবাক দৃষ্টিতে রহিম নানার দিকে তাকিয়ে রইলেন এবং একজন বলল।
- 10:15আপনি কি মৃত্যুর পর এক মাস। একদিন রাতের বেলা ঘুমের ঘোরে
- 10:28স্বপ্নের সে কিছু প্রাণী দেখেন। এবং সেই প্রাণীগুলো তাঁকে বলেন,
- 10:33তুই আর কোনও দিন নদীর। ঘাটে রাতের বেলা নৌকা চালাতে আসবি
- 10:39না। তারপরে সে যখন রাতের বেলা ওই
- 10:42নদীতে নৌকা চালাতে লাগলেন। নৌকা চালানোর সময় যখন সে একা
- 10:47থাকে কারা যেন তাঁর সাথে নদীর ঘাটে রোগুচি দেখা করে এবং নানা
- 10:51ভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে শেয়াল রূপে কখনও গরু ছাগল নানা
- 10:55হিংস্রকারী রূপে তারপরেও সে যখন সেই স্বপ্নের পরোয়া করে না,
- 11:00রাতের বেলা নৌকা চালাতে লাগলেন। তখন থেকেই তার সংসারে নানাবিধ
- 11:06সমস্যা শুরু হল এবং শেষ্তুতি থাকে।
- 11:08ওই দুই প্রাণীগুলো তার স্বপ্নে আবার আসবে এবং তাকে বলল তোকে না
- 11:20নৌকা চালাস। তাহলে তোর সাথে তোর বংশের।
- 11:25অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই সে অসুস্থতার উঁচু হাতে
- 11:29মামাকে রাতের বেলা নৌকা চালাতে বলেন।
- 11:32তার অসুস্থতার কথা শুনে মামা রাতের বেলা নৌকা চালাতে চায়।
- 11:35আর তারপরে তাঁর এই অবস্থা। ঘটনা শুনে সবাই অবাক হলেন।
- 11:40কিন্তু এতক্ষণে টানুর কাছে সব স্পষ্ট হয়ে গেল।
- 11:43তিনি বুঝতে পারলেন সেদিনের সেই প্রাণীগুলো মামার এই অবস্থা
- 11:47করেছে। তারপর থেকেই নানু কেমন যেন হয়ে
- 11:51গেলেন তার তিন সন্তানকে নিয়ে নানা ধরনের কবিরাজ ফকিরও খুচরোতে
- 11:55দেখাতে শুরু করলেন। কিন্তু কেউ এর সমাধান দিতে পারল
- 11:58না। যার কাছে যান সেই বলেন সে কাজ
- 12:01করতে পারবেন না। পরের দিন এক ব্যক্তির কাছ থেকে
- 12:07হুজুরের সন্ধান নিয়ে নানু তার কাছে যান এবং তাকে বিস্তারিত খুলে
- 12:11বলেন। হুজুর বলেন, এটা খুব কঠিন কাজ।
- 12:16আমি এই কাজ করতে পারব না। কিন্তু নানুর আগুতি মিনতি শুনে সে
- 12:21আর তাঁকে ফিরিয়ে দিতে পারল না। তিনি বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি
- 12:25সামনের শুক্রবারে জুম্মার নামাজের কিছুক্ষণ আগে আমার কাছে আসবেন না।
- 12:29তার কথা মতো শুক্রবার তাঁর তিন সন্তানকে নিয়ে হুজুরের কাছে
- 12:33গেলেন এবং হুজুর তাদেরকে সেই। হতে পারে নিয়ে গেলেন এবং সেই নদী
- 12:37থেকে গোসল করে কুরআনের কিছু আয়াত পড়ে।
- 12:40তাদেরকে ঝাড়ভুঁক করে দিলেন এবং নানুর হাতে 1:00 তাবিজ দিলেন।
- 12:43আর বললেন, এটা আপনার ঘরে। কোনও 1:00 মাটির নীচে পুঁতে
- 12:48দেবেন। আর বলেন, আমি জানি না এই দাবি যে
- 12:52শক্তি কতদিন ওদেরকে টিকিয়ে রাখবে না।
- 12:55ওদের কথা মতো তা বিশ্বে দেয় এবং তার পর থেকে তাদের সাথে কোনও রকম
- 13:00সমস্যা হয়নি। তারপরও নানু।
- 13:03তিন সন্তানকে কখনও রাতের বেলা বাইরে যেতে দিতেন না।
- 13:07তারপর এক বছর দু বছর তিন বছর পেরিয়ে যায়।
- 13:10এর মধ্যে আমার খালারও বিয়ে হয়ে যায়।
- 13:11গ্রামের সবাই ঘটনা ভুলতে শুরু করে শুধু নাম ছাড়া।
- 13:17হঠাৎ একদিন ছোট মামা বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাতের বেলা
- 13:21বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। বাজারে যাওয়ার সময় ছোট্ট 1:00
- 13:25শাকও পার হয়ে বাজারে যেতে হয়। তিনি সেই সাঁকর উপরে উঠলেন সাঁকর
- 13:29মাছ পর্যায়ে থাকা অবস্থায় তিনি দেখলেন, সাগর ও পারে হাজারো
- 13:33হিংস্র প্রাণী দাঁড়িয়ে আছে। তিনি অনেক ভয় পেলেন এবং বাড়ি
- 13:36ফিরে যাওয়ার উদ্দেশে পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখলেন।
- 13:39পিছনে মাছ আর প্রাণী। খাবে।
- 13:50এর মধ্যে শাকড় উপহার থেকে কিছু মানুষ আসলে এবং তাদের শব্দ শুনে
- 13:55সবাই সবকিছু। সবকিছু হাওয়ায়।
- 13:59মিলিয়ে গেল। মামা বাজারে না গিয়ে দ্রুত বাড়ি
- 14:03ফিরে এলেন এবং আমার কাছে সব ঘটনা খুলে বললেন।
- 14:07নাম শুনে নয়, ছয় মিলিয়ে দ্রুত মাটির নিচে থাকা তাবিজ খুঁজতে
- 14:11লাগলেন। কিন্তু সেখানে কোন তাবিজ নেই।
- 14:17কাগজ ছাড়া বুঝতে পারলেন এটা ওই প্রান্তের কাজ।
- 14:20নাম সকালবেলা দ্রুত ওই হুজুরকে পৌঁছতে
- 14:34যায়। কয়েকদিন পর রাতের বেলায় পাত্র
- 14:37যাবার উদ্দেশে। মামা নানুকে না বলেই ঘর থেকে বের
- 14:40হয়ে যায়। কিন্তু শেয়ার ঘরে ফিরে আসতে পারল
- 14:44না। অনেকক্ষণ যাবত ঘরে না থাকার কারণে
- 14:47নন। তাকে খুঁজতে থাকেন।
- 14:48কিন্তু তাঁকে কোথাও পাওয়া গেল না পাওয়া গেল।
- 14:53পরের দিন সকালে এক ধান খেতে সারা শরীরে কাতামাখা মৃত শরীর।
- 15:00তারপর থেকে আমার নানু পাগলের মতো হয়ে গেলেন।
- 15:03তার স্বামী যেই আসে তাঁকে তিনি উল্টোপাল্টা গালিগালাজ করেন।
- 15:08অন্যদিকে খালার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে ঘরে কয়েকটি সন্তান
- 15:10জন্ম নেয়। কিন্তু সেই সন্তান।
- 15:14এক মাসের বেশি বাঁচে না। কয়েক বছর পর তার ঘরে একটি ছেলে
- 15:19সন্তান আসে এবং বেঁচেও থাকে। সে পৃথিবীতে কিছুই বুঝে না।
- 15:35আর খাবারের তালিকায় আছে শুধু মাছ আর ভাব।
- 15:42মাছ চাষে কোনদিন খাবার খেতে চান? পচা মাছই হোক রান্না করে দেওয়া
- 15:47হোক। জানি না সেদিনই সেই রাতে নাঙ্গল
- 15:58হত্যা করা ওই প্রাণীগুলোকে ছিল যাকে হত্যা করার শাস্তি আমার
- 16:03নানান আমাদের জীবন দিয়ে দিতে হয়েছে এবং যারা বেঁচে আছে।
- 16:07তাঁদের কেউ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
- 16:13ভূত কমিটি যারা আছে। কেউ যদি জানেন এই প্রাণীগুলো কী
- 16:17হতে পারে? দয়া করে ভুলবেন।
- 16:20এতক্ষণ তো বললাম, আমার না না নেই। মামা ও খালার সাথে ঘটে যাওয়া
- 16:24ঘটনাগুলি কিন্তু এখনও বাকি রয়ে গেছে।
- 16:27আমার মা ও আমাদের ফ্যামিলির সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা।
- 16:31আরেকদিন সময় পেলে মার ফ্যামিলির সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা করে বলব, আজ
- 16:37এই পর্যন্তই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
- 16:40এটি আমার নানি মামা ও খালাদের সাথে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা।
- 16:44অবিশ্বাস যদি হয় তাহলে আমার খালার ছেলে আমার নানু এখনও
- 17:03তাদের ঠিকানা দেবেন এই বলে তিনি ঠিকানা দিয়েছেন আমার।
- 17:08মনে হয় চমৎকার একটি ঘটনা এবং এই ঘটনার সব চাইতে বড় যে ব্যাপারটা
- 17:12সেটা হচ্ছে এই প্রাণীটা যদি কেউ সন্ধান জানেন তাহলে তিনি সেটা
- 17:16জানাতে বলেছেন, আমাদের নিচে যে কমেন্ট সেকশন আছে সেখানে আপনি
- 17:19অবশ্যই। জানাতে পারেন অর্থাৎ আমাদের
- 17:22ফেসবুক পেয়েছে যে কমেন্ট সেকশন সেখানে অবশ্যই আপনি জানাতে পারেন।
- 17:26যদি কেউ জানেন যে এই প্রাণীগুলো আসলে কি আর সেই সাথে আপনি আপনার
- 17:31পরিবারের পাখি সদস্যদের ঘটনাগুলো অবশ্যই আমাকে জানাবেন এবং আশা
- 17:35করছি যে আপনি খুব দ্রুত জানাবেন এবং কেউ যদি পার্সোনালয় যোগাযোগ
- 17:39করতে চান তাহলে আমাকে ইমেইল করবেন এই।
- 17:42আপনার আমি অ্যাড্রেস টা আপনাদের তাহলে দিয়ে দেবো তো যাই হোক।
- 17:46এই ছিল আমাদের প্রথম ঘটনা। আশা করছি আপনাদের ভালো লেগেছে।
- 17:51চলে যাব। আমাদের পরের ঘটনায় সাথে থাকুন।
- 17:58ডট কম। ওয়েলকাম টু ফুড.কম।
- 18:13আশা করছি প্রথম ঘটনাটা আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে।
- 18:17আমি যাইহোক এখন যেটা করব সেটা হচ্ছে সরাসরি চলে যাব।
- 18:21আরও একটি ঘটনায় এবং এই মুহূর্তে আমার সঙ্গে আছেন আপনাদের অত্যন্ত
- 18:26পছন্দের একজন মানুষ যিনি হচ্ছেন আফনান ভাই তাকে আমি বলছিলাম এবং
- 18:30তিনি 1:00 ঘটনা পাঠিয়ে দিয়েছেন তার সেই ঘটনাটি।
- 18:34আমি এখন আপনাদের জন্য প্লে করছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো
- 18:38লাগবে। চলুন শুনে আসি আফতান ভাইয়ের
- 18:46লিসেনার্স। আমি আফনান।
- 18:51ভূত ডটকমের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা।
- 18:55আপনারা জানেন সারা পৃথিবীর একটি অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধরত।
- 19:01বাংলাদেশ ও এর বাইরে নয়। বাংলাদেশে প্রায় সবাই হোম
- 19:05কোয়ারেন্টাইনে অবস্থা মানে মধ্যে আছে সবাই।
- 19:10তো এই মুহূর্তে যে যেখানে আছেন। সবার উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলব
- 19:15সেটা হচ্ছে যে আমার। আমাদের এই মুহূর্তে যে দায়িত্বটা
- 19:19রয়েছে সেটা হচ্ছে যে, আমরা জানেন মোটামুটি বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে এই
- 19:25রোগের লক্ষণ কী, কী করণীয় সবাই জানে।
- 19:28কিন্তু 1:00 ব্যাপার সেটা হচ্ছে যে আমাদের সকলের উচিত।
- 19:32যে আমরা আমরা যেন ইনফেক্টেড না হই বা আমাদের মাধ্যম দিয়ে কেউ যদি
- 19:37ইনফেক্টেড না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং নিশ্চিত থাকা।
- 19:42এবং এজন্য সবাই আমরা আশা করব যে সবাই আমরা হোম কোয়ারেন্টাইন টা
- 19:46মান্য করব। অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করব
- 19:49না। বাইরে থেকে ফিরে এসে সাবান
- 19:52স্যানিটার দিয়ে হাত পরিষ্কার করব।
- 19:55এবং যে ধর্মের আছে আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করব।
- 20:00আল্লাহতালা জন্য অতি 70। এই সমস্যাটিকে পৃথিবী থেকে দূর
- 20:05করেন এবং আমরা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাই।
- 20:09যেহেতু আমরা সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে অবস্থা এখন আছি।
- 20:13তো এই জন্য আসলে স্টুডিওতে এসে। স্টোরি শেয়ার করাটা সম্ভব হল না।
- 20:19এজন্য রেকর্ডেড ফাইল টা আজকে পাঠালাম।
- 20:23আজকে একটি ঘটনা আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।
- 20:25সিলেটের একটি ঘটনা। আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে
- 20:28ঘটনাটি। ঘটনাটির সময়কাল 2005 সালের দিকে
- 20:32এবং যার সঙ্গে ঘটেছিল উনি সিলেটের শ্রীমঙ্গলের।
- 20:39একটি চা বাগানে কাজ করতেন চা বাগানের মালির দায়িত্বে ছিলেন।
- 20:45তো উনার নাম ছিল আব্দুস সবুর মিয়া, দ্বাদশপুর মিয়া ওনার যে
- 20:48কাজটি ছিল সেটা হচ্ছে যে মানে বিকাল থেকে মানে এমনিতে উনি সব
- 20:53সময় একটু দেখাশোনা করতেন এবং স্পেশালি সন্ধ্যার পরে ওনার ছুটি
- 20:57হয়ে যেত। তো তখন উনি যেটা করতেন সেটা হল
- 21:00ওনাদের চা বাগানের থেকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
- 21:03চা বাগানের যে সমস্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য উনি
- 21:07সেখানে থাকতেন। তো যথারীতি এভাবেই উনার দিন
- 21:11চলছিল। হঠাৎ একদিন ঐ সময়টা ছিল আবার
- 21:16শীতকাল। ওনার ছুটির সময়টা ছিল বেসিক্যালি
- 21:19সন্ধ্যা ছয়টা থেকে। এখন গরমকালে সন্ধ্যা ছয়টা।
- 21:23কিন্তু তখনও সন্ধ্যা হবে না। কিন্তু শীতকালে কিন্তু আমরা দেখি
- 21:28মোটামুটি সাড়ে পাঁচটার মধ্যে অনেক সময় মাগরিবের আজান শেষ হয়ে
- 21:32নামাজও শেষ হয়ে যায়। তখন বেশ রাত হয়ে যায় ছটার সময়
- 21:35তো উনি একদিন শীতকালে প্রচণ্ড কুয়াশা পড়েছে আবার সেদিন।
- 21:40তো ওইদিন উনি ওনার চা বাগানের। ডিউটি শেষ করে ওনার থাকার
- 21:45জায়গাতে সেখানে ফিরছিলেন। এখানে 1:00 কথা বলে রাখা ভালো
- 21:48সেটা হচ্ছে যে আপনার যেটা সিলেট গিয়েছেন তারা খেয়াল করবেন।
- 21:52যে সিলেট যাওয়ার সময় স্পেশালি শ্রীমঙ্গলের কাছাকাছি জায়গায়
- 21:56যেখানে অনেক চা বাগান দেখা যায়, আমরা দেখি যে রেল লাইনের দুধ হারে
- 22:00অনেক চা বাগান রয়েছে এবং বাংলাদেশের।
- 22:02মানে খ্যাতনামা অনেক মানে চা কোম্পানির চা বাগানগুলো সেখানে
- 22:06রয়েছে। তো উনি ওরকম একটি খেতনামা চা
- 22:08কোম্পানির চা বাগানের চাকরি করতেন।
- 22:11তো ওই সময়ে উনি একদিন। ওরা ডিউটি শেষ করে ওনার মানে
- 22:18থাকার জায়গাতে ফিরে আসছিলেন তো থাকা জায়গাতে আসতে হল ওনাকে রেল
- 22:22লাইনটা পার হয়ে আসতে হত। তো রেল লাইনটা পার হয়ে উনি যখন
- 22:26আসছিলেন হঠাৎ করে উনি দেখেন ওনার হাতে টর্চ লাইট ছিল।
- 22:32টর্চ লাইটের আলো যখন রেললাইনের উপর ফেলেছেন পার হওয়ার জন্য হঠাৎ
- 22:34করে দেখেন যে একটি চিহ্ন ভিন্ন। একটি লাশ।
- 22:42রেল লাইনের স্লিপার এর উপরে পড়ে আছে এবং রেল লাইনের মোটামুটি মানে
- 22:46লোহার দুই পাশে উপরে রয়েছে। তখন উনি এটি দেখে খুব ভয়
- 22:51পেয়েছেন। উনার আশে বসতে কোনও লোক ছিল না।
- 22:53উনি একা ছিলেন। তখন উনি চিৎকার করতে করতে ওরা
- 22:57থাকার জায়গা প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে এখান থেকে ছিল।
- 23:01তুমি ওখানে চলে যান। ওখানে উপস্থিত যারা অন্য লোক যারা
- 23:04ছিল তাদেরকে সব ঘটনাটি খুলে বলেন এবং তাদেরকে উনি সাথে করে নিয়ে
- 23:08আসেন। সাথে করে নিয়ে আসার পরে অদ্ভুত
- 23:11ব্যাপার যে ওখানে আসলে কোনও ডেডবডি ছিল না।
- 23:16এবং ডেড বডি তো দূরের কথা, কোনও রক্তের কোনও দাগও সেখানে ছিল না।
- 23:23তখন ওনারা যেটা করেন যে আব্দুস ওর মিয়া যে জায়গাটি দেখিয়েছিলেন
- 23:26সেই জায়গা ছাড়াও মোটামুটি এ বাস ও পাশ প্রায় আধা কিলোমিটার
- 23:31রেললাইনের ওনারা ঘুরে আসেন। কিন্তু কোথাও কোনও এই টাইপের কোনও
- 23:35জিনিস ওরা দেখতে পান না। যে কোনও লাশের কোনও নিদর্শন বা
- 23:37কোনও চিহ্ন কোনও রক্তের চিহ্ন ওনারা পান না।
- 23:42তখন সবাই সবরমিয়াকে বলে যে এখান দিয়ে ট্রেন তো গিয়েছে সেই
- 23:46দুপুরের দিকে যদি কেউ লোক মারা যেত তাহলে অন্য লোকের নজরে তো
- 23:50পড়ত। আর ঢাকা বা চিটাগাং থেকে বা অন্য
- 23:53জায়গা থেকে যে ট্রেনটি আসবে সেটি আসতে অনেক দেরি আছে।
- 23:57সুতরাং এখানে কোনও মানে মানুষ কাটা পড়েনি।
- 24:00তুমি যেটা দেখেছ সেটা ভুল দেখেছ। তখন সবুর মেয়ে চিন্তা করা আসলেই
- 24:04তো। সর্বশেষ ট্রেনটি গিয়েছে।
- 24:07এটি 3:00 বা চারটার দিকে গিয়েছে বিকাল তো।
- 24:10ওই সময় যদি কোনও লস কাটা পড়তে তো সময় তো অনেক মানুষ সেদিক
- 24:13দিয়ে গিয়েছে তারা তো দেখতে পেতারা এটা হয়তো বা তার মনের ভুল
- 24:16হতে পারে। এই চিন্তা করে সবার সাথে উনি আবার
- 24:19অনুরোধ থাকার জায়গায় চলে যান। এই ঘটনার সপ্তাহ দুয়েক পরে।
- 24:25সেম ঘটনা। আবার উনি প্রত্যক্ষ করেন।
- 24:31তো এবার দেখেন যে এবার আর একটি লাশটা এবার মনে হচ্ছে দুই তিনটি
- 24:37লাশ। ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পরে আছে।
- 24:41এটি দেখে উনি তখন নিশ্চিত হন। আসলে উনি ঠিক দেখছেন।
- 24:46এবং উনি ট্রর্ডস মেনে খুব ভালো করে দেখেন যখন 1:00 পুরুষের মানে
- 24:50মাথা পড়ে আছে 1:00 মহিলার মাথা পড়ে আছে।
- 24:54এবং একটি 15 থেকে 18 বছর বয়সে কোন 1:00 বাচ্চা ছেলের মাথা উপরে
- 25:01আছে এবং তাদের দেহের বিভিন্ন ছিন্নভিন্ন অংশ সেখানে তখন উনি
- 25:12আবার চিৎকার করতে করতে চলে যান এবং ওনার যে থাকার জায়গা সেখান
- 25:15থেকে লোকজন নিয়ে আসেন। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার এবার এসে
- 25:17ওখানে কাউকে দেখা যায়। তো এই বারবার ও যে উনি 1:00 ভুল
- 25:24জিনিস দেখছেন এটা দেখার ফলে। ওনার যারা ওনার যারা কলিগ ছিলেন
- 25:29তাঁরা ওনাকে খুব ভাল সোনা করেন যে তুমি এরকম ভুল দেখছ নিশ্চয়ই
- 25:34তোমার কোন অসুখ হয়েছে বা তোমার কোন সমস্যা হয়েছে যার কারণে তুমি
- 25:37জিনিসগুলো ভুল দেখছ তো এরকম তো কেউ মারা যায়নি।
- 25:41ট্রেনে যদি কাটা পড়তে তো ট্রেনের আসা যাওয়ার সময় তো একই রকম।
- 25:453:00 চারটার দিকে ট্রেন চলে গেছে। যদি কেউ কাটার পর যেতে তো একটু
- 25:48নিয়ে অনেক হৈ চৈ পড়ে যেত। তো উনি চিন্তা করেন যে আসলেই তো
- 25:53তাই। কারণ আজকে এসো কিছু পাওয়া গেল
- 25:55না। অথচ আমি কিছুক্ষণ আগেই দেখে গেলাম
- 25:56কি বীভৎস কিছু লাশ। কিন্তু আজকে শুধু কিছু পাওয়া গেল
- 25:59না। তখন উনি চিন্তা করো।
- 26:01আসলে উনার কোনও সমস্যা হয়েছে। উনি খুব ভীত হন আর কি এবং ভীত
- 26:06হয়ে উনি যেটা করেন সেটা হল উনি পরের দিন চাকরিটা ছেড়ে দেন।
- 26:10উনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে উনি সিলেটের আম্মুরখানা নামক যে
- 26:15জায়গাটা আছে সিলেট মেইন শহরে এই আম্বরখানা থেকে একটু সাইডে কিন্তু
- 26:19অযত্ শাহজালাল মতো লালের মাজার আছে এবং ওই সবলগ্ন বিভিন্ন আবাসিক
- 26:23হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট গুলো আছে। ওই মাজার সংলগ্ন তুমি ওই একটি
- 26:27রেস্টুরেন্টে উনি হোটেল বয় হিসেবে চাকরি নেন।
- 26:31এবং ওখানে বেশ স্বাভাবিকভাবেই ওনার মানে কাজ করছিলাম।
- 26:37তো ওখানে কাজ করার। দুই থেকে তিন মাস পর হঠাৎ উনি।
- 26:43একটি প্রব্লেম ফেস করা শুরু করেন। সেটা হল যে উনি যে জায়গাটা থাকতে
- 26:47সেটা হল সিলেটের। টিলাগড় নামক একটি জায়গা রয়েছে
- 26:52ওই টিলাগড়ের ওখানে উনি একটি টিন শেড বাসা ছোট্ট একটি টিন শেট বাসা
- 26:57ভাড়া করে নিয়ে থাকতেন। উনি একা ছিলেন উনি তখনও বিয়ে
- 27:01করেননি তো উনি ওই বসাতে থাকতেন। তো উনি রাতের বেলা একদিন
- 27:05ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন। হয় তো ওয়াশরমে যখন উনি যান তখন
- 27:09ওয়াশরুমে গিয়ে উনি প্রচণ্ড জোরে চিৎকার দিয়ে পড়ে যান।
- 27:12এতে করে কী হয় ওনার ওই বাসার আশেপাশে যে সমস্ত বাসাল ছিল।
- 27:17সেখানকার লোকজন উনার এই প্রচন্ড চিৎকার টা শুনতে পান এবং তারা
- 27:21ওখানে চলে আসেন দেখে যে উনি অসমের ওখানে আছে তখন তাঁরা যখন তাকে
- 27:28জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে এবং উনি জ্ঞান ফেরার পর যখন জিজ্ঞেস করেছে
- 27:30আসলে কী হয়েছিল তখন উনি বলেন। যে উনি যখন তাছাড়া ওয়াশরুমের
- 27:35যেই দরজাটি যখনই খুলেছেন উনি দেখেন অসমের ভিতরে একটি মৃতদেহ
- 27:42পড়ে আছে এবং লাশটি সম্পূর্ণ ছিন্নভিন্ন অবস্থায়।
- 27:46এবং ছিন্নভিন্ন অবস্থায় যদি হত সেটা 1:00 ব্যাপার ছিল।
- 27:50কারণ এর আগে ছিন্নভিন্ন লাশ দেখেছেন।
- 27:53কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হল সেই লাশের যে মাথাটি ছিল।
- 27:57সেটি। আব্দুস সবুর মিয়ার দিকে
- 28:01তাকিয়েছিল এবং শুধু তাঁকে ছিল তা কিন্তু নয়।
- 28:05সে আমরা যখন চোখের পলক ফেলি, এরকম চোখের পলক ফেলছিল এবং তার দিকে
- 28:10তাকিয়েছিল। এই দৃশ্য দেখে উনি বেসিক্যালি
- 28:13প্রচণ্ড ভয় পান এবং উনি শেষ হয়ে পড়ে যান।
- 28:17তখন সবাই তাকে মানে মোটামুটি। যতটুকু সুস্থ করার দরকার, ঐ সময়
- 28:23তাঁকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন এবং।
- 28:27এই ঘটনা। সেম ঘটনা।
- 28:31আরও কয়েকবার উনি ওই বাড়িতে ফেস করেন।
- 28:35তো এইভাবে চলতে থাকলে মানে উনি এক রকমের উন্মাদের মতো হয়ে যাচ্ছে
- 28:40না। এ ভাবে চলতে পারে না।
- 28:41একই বিষয়ে আমি কেন বারবার দেখছি এরকম ঘটনা কেন আমার সাথে ঘটছে?
- 28:45উনি এর কোনও সমাধান বা এর কোনও উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
- 28:48তখন উনি চিন্তা করেন যে না আমি আমি সব কাজ ছেড়ে দিয়ে আমি আমার
- 28:52বাড়িটা চলে যাব। আবার বাড়ি ছিল আবার হবিগঞ্জে
- 28:55হবিগঞ্জে একটি গ্রামে ছিল তো উনি হবিগঞ্জ ওনার বাড়িতে চলে যান।
- 28:59বাড়িতে চলে যাওয়ার পরে ওইখানে উনি কৃষি কাজ কাদের সাথে লিপ্ত
- 29:03হন। এবং ওনারা আবার একান্নবর্তী
- 29:06পরিবার ছিলেন অনেকগুলো দেখা। যাচ্ছে যে শরিক যারা যেটা বলে আর
- 29:12কি শরিক ঘর পাশাপাশি ছিল এরকম আর কি তো উনি একটি ঘরে থাকতেন আর কি?
- 29:18তো প্রথম দিকে মাসখানেকনি বাসায় বেশ স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করা
- 29:21শুরু করেন এবং ওনার সাথে যে ধরনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল এই তো পূর্বে চা
- 29:25বাগানে বাটিতে সিলেট শহরে আসার পরে তো এই ধরনের বিষয়গুলো উনি
- 29:31পরিবারের কাউকে বলেননি। উনি ফিরে আসেন ফিরে আসার মাসখানেক
- 29:38পর একটি নতুন সমস্যা উনি ফেস করতে থাকেন।
- 29:41সেটা হচ্ছে যে উনি। রাতের বেলা একদিন উনি ফিল করছিলেন
- 29:50যে ওনার দরজার বাইরে। কে বা কারা?
- 29:55মানে চিন্তা করতেন।
- 30:15হয়তো বা লোকজন এমনি হেঁটে যাচ্ছে।
- 30:17উনি এতটুকুই শুধু চিন্তা করতেন কিন্তু চিন্তা করলেন যে এত রাতে
- 30:22আসলে হেঁটে যায় কারা? আমি একটু দেখি তো উনি ওই চিন্তা
- 30:27করে যখন লোক। জনের হাঁটার শব্দ নি পাচ্ছিলেন।
- 30:31তখন উনি হঠাৎ করে জানালা খোলা। জানালা খুলেছে দৃশ্যটা উনি দেখতে
- 30:37পান। আসলে এটা মানে কখন মনে এটা আসলে
- 30:40সহ্য করাটা অনেক কঠিন। 1:00 ব্যাপার ছিল উনি দেখেন যে
- 30:44বেশ 45 জন লোক ওনার জানালার সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে এবং চাঁদের
- 30:48আলোতে যতটুকু দেখা যাচ্ছিল। কারোরই মাথা ছিল না।
- 30:53মাথা বিহীন মানুষ স্বাভাবিক মানুষ এটা চলে যাচ্ছে।
- 30:59তখন জানালা যখন উনি খুলেছিলেন তখন উদ্দেশ্য দেখার পর হঠাৎ করে যেটা
- 31:04হল ওই মাথা বিহীন যে তিন চারজন মানুষের অভাব ছিল।
- 31:09তারা একটু তার দিকে ঘুরে দাঁড়াল। ঘুরে দাঁড়ানোর সাথে সাথে বন্ধ
- 31:15করে দেন। এবং।
- 31:17প্রচণ্ড ভয় পান এবং চিৎকার করতে থাকেন তো চিৎকার করলে পারে।
- 31:20ওনার যে অন্যান্য পাশে ওনার যে ঘরগুলো ছিল আত্মীয় স্বজনের,
- 31:25তাঁরা সেখান থেকে চলে আসেন। এসে জিজ্ঞেস করেন, কী হয়েছে তখন
- 31:28ওই সব ঘটনাটা খুলে বলেন। তখন বাড়ির সদস্যরা বলে যে এটা
- 31:33তোমার মনের ভুল। আসলে এরকম কোনও ঘটনা তুমি দেখোনি।
- 31:36জাস্ট এমনি মনের ভুল। তখন ওই রাতে ওনার সঙ্গে আরেকজন
- 31:40লোক থাকেন। ওনার ঘরেই যত করে আবার ভয় না
- 31:43পান। তো এর পরে সপ্তাহখানেক আর কোনও
- 31:47সমস্যা নেই এর। পরে হঠাৎ করে 1:00 সমস্যা সৃষ্টি
- 31:51হয়। সেটা হচ্ছে যে ওনার ঘরের যে
- 31:54জানালা জানালাটা কাঠের জানালা আমরা জানি যে গ্রামের বাসার
- 31:59বাসাবাড়ির যে চ্যানেল গুলো সব কাঠের হয় আর কি অধিকাংশ কাঠের
- 32:02হয়। তো রাতের বেলা ওনার জানালার উপরে।
- 32:07আমরা যেমন যদি আমরা পাঁচ আঙ্গুল দিয়ে যদি কোথাও আঘাত করি মানে
- 32:11পাঁচ আঙ্গুল মানে হাতের পাঞ্জা দিয়ে যদি কোথাও অনেক সময় দরজার
- 32:14উপরে আমরা শব্দ করি তো ওইরকম মনে হয়েছিল জানালার উপরে কাঠের
- 32:20জানালার উপরে এরকম থকথপ করে শব্দ করছে।
- 32:24মানে জানালা খোলার জন্য বলছে। তখন উনি প্রথমে চিন্তা করেন হয়তো
- 32:29বা পরিচিত কেউ উনি ভিতর থেকে বলেন যে কে।
- 32:32কিন্তু বাইরে থেকে কোনও উত্তর আসে না।
- 32:35যেহেতু উত্তর আসে না, উনি জানালা খোলেন না তো এরকম।
- 32:40প্রতিদিনই এই ধরনের ঘটনা ঘটছিল এবং উনি পরিবারের সঙ্গে শেয়ার
- 32:44করেন ঘটনাটা। তো অদ্ভুত ব্যাপার হল পরিবারের
- 32:49সদস্যরা। কিন্তু এই টাইপের জানালার কোনও
- 32:50শব্দ ওনাদের কানে আসত না এবং না সেটাই স্বাভাবিক।
- 32:53যেহেতু প্রত্যেকটা ঘর সামান্য একটু একটু দূরে অবস্থিত হয়তো বা
- 32:58ছোট শব্দের আওয়াজটা অত জোরে না। যার কারণে তারাও শুনতেন না।
- 33:03তো প্রথম দিকে জানালাতে শব্দ হত। এর পরে একদম ওনার ঘরের যে দরজা
- 33:09সদর দরজা এই দরজায় এরকম শব্দ হত। যে দরজাটা খোলার জন্য মানে শব্দ
- 33:16করছে। বাইরে থেকে ভিতর থেকে খোলা হয় তো
- 33:19উনি কিছুতেই খুলতেন না এবং যখনই এরপরে যখন দরজার শব্দ হওয়া শুরু
- 33:22হল প্রচন্ড জন্য চিৎকার চেঁচামেচি করতেন তখন লোকজন চলে আসত।
- 33:27বাইরে থেকে লোকজনের আওয়াজ শুনত। তখন দরজা খুলে দিতেন এবং বাইরে
- 33:30কোনও লোকজন দেখা যেত মানে দেখা যেত না বলতে যে যারা শব্দ করেছে
- 33:35একটু আগে বাইরে বা কে বা কারা শব্দ করেছে এরকম কাউকে কেউ দেখতেন
- 33:38না। তো এই ধরনের ঘটনা যখন ঘটছিল তখন
- 33:43ওনার পরিবারের সদস্যরা থাকে বেশ কিছু জায়গায় নিয়ে যান।
- 33:47তাকে যারা প্যারানর্মাল ট্রিটমেন্ট করেন তাদের কাছে নিয়ে
- 33:52যান। তখন তাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে
- 33:54তাঁরা বলেছে, তাকে খুব দুষ্টু কিছু জিন আসল করেছে।
- 33:59যার কারণে তাকে এইভাবে ভয় দেখাচ্ছে।
- 34:03তখন। ও সমস্ত লোকজনও তাকে এই বিষয়
- 34:07থেকে তাদের জন্য সুস্থ হয়ে ওঠের চেষ্টা করেন।
- 34:09কিন্তু আসলে চেষ্টায় কোনও লাভ হয় না।
- 34:11বরং আস্তে আস্তে ক্ষতি হতে থাকে। উনি শরীর খুব দুর্বল হয়ে যেতে
- 34:15থাকে। মনিরোগা রোগাক্রান্ত হয়ে থাকে
- 34:17না। খুব শুকিয়ে যেতে থাকেন।
- 34:19এর এর ভিতরে। আর 1:00 সমস্যা দেখাতে সেটা হচ্ছে
- 34:24যে উনি মানে যে বিষয়ে ঘুমাতেন। এখন উনি মানে বিছানায় শোয়ার
- 34:31সাথে উনি ফীল করতেন। ঠিক মধ্যরাত্রে যখন ওই।
- 34:37জানালায় যখন শব্দ করে বা দরজায় শব্দ করে তখন উনি যে বিছানায়
- 34:40শুয়ে থাকতে সেই বিছানাটাও না ভাইব্রেট করে ওঠে মানে কেঁপে ওঠে।
- 34:47এই নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয়। সেটা হচ্ছে যে উনি আপনার বিছানা
- 34:50কেঁপে ওঠা শুরু করে। তখন উনি আবার চিৎকার চাঁচামেচি
- 34:53করতে থাকেন। বাইরে থেকে লোক আসে তো তখন যেটা
- 34:57হয় উনি আর মানে এত ভয় পেয়ে যান।
- 34:59উনি ঘরের মধ্যে হয়ে পড়ে যান। উনি দরজা খুলতে পারেননি।
- 35:03বাইরে থেকে দরজা ভেঙে ভিতরে আসে লোকজন।
- 35:05তখন তাকে আবার টুলস মানে ফিরে আনার চেষ্টা করেন।
- 35:10এবং উনি তখন দেখলেন যে না অনেক চেষ্টা করো যখন উনি কোনও লাভ
- 35:12হচ্ছে না সুস্থ হচ্ছে না তখন উনি চিন্তা করেন যে আমি কারো কাছে যাব
- 35:17না। আমি নামাজ পড়ে আল্লাহ তা আলা
- 35:19দরবারে কান্নাকাটি করব। আল্লাহর কাছে যাব সুস্থ হওয়ার
- 35:21জন্য এজন্য উনি যেটা করতেন বা শক্ত নামাজ তো পড়তেনি
- 35:25তাহাজ্জুদের নামাজও নিয়ে রেগুলার করতেন এবং রেগুলার।
- 35:29নামাজের সময় তো স্পেশালি তাহাজতের নামাজ আল্লাহদের খুব
- 35:32কান্নাকাটি করতেন যা আল্লাহ আমার এই সমস্যা দূর করে দাও।
- 35:35আমার এই অসুবিধাটাকে দূর করে দাও তো এরকম মাসখানেক উনি যখন আলাদা
- 35:41আলাদা দরকার এই মাসখানেকের মধ্যে কোন ঘটনা ঘটেনি।
- 35:44একদিন উনি রাতের বেলা। স্বপ্ন দেখছিলেন।
- 35:49ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখছি একটি সাদা ঘোড়া এবং একটি কালো ঘোড়া।
- 35:552:00 ঘোড়া দেখছেন, উনি এবং সাদা ঘোরাটা।
- 36:00মানে কালো ঘোরাকে অ্যাটাক করে বসে মানে আক্রমণ করে বসে এবং কালো
- 36:05ঘোড়া খুব শক্তিশালী। সে বারবার সাদা ঘোড়াটাকে
- 36:07ধরাশায়ী করা ধরাশায়ী করে ফেলছে প্রায়।
- 36:10কিন্তু শেষ দিকে যুদ্ধ করতে করতে দুটি খোঁড়া যখন যুদ্ধ করছিল,
- 36:13একটি সময় সাদা ঘোড়া কালো ঘোড়ার উপর চড়াও হয়ে বসে।
- 36:17এবং কাল ঘোড়াটিকে আহত করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।
- 36:22তো এই স্বপ্নটা দেখার কোনো ঘুম ভেঙে যায়।
- 36:25এবং ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর এই স্বপ্নটা উনি ভাল যেন আলেমের সাথে
- 36:29শেয়ার করেন। এবং সে আলেম বলেন যে আল্লাহতালা
- 36:32নিশ্চয় তোমার সমস্যাটাকে দূর করে দিয়েছেন এবং সত্যিই রাসেল ভাই।
- 36:37এই স্বপ্নটা দেখার পর স্টিল নেওয়া আস পর্যন্ত।
- 36:42ওরা কিন্তু আর কোনও সমস্যা হয়নি এই টাইপের।
- 36:45এবং উনি সম্পূর্ণরূপে সুস্থ। কিন্তু।
- 36:50কোন জায়গা থেকে কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ওই দুষ্টু জিন ওনাকে
- 36:54এটাক করেছিল এটি জানা যায় না। তবে আলাদা আলাদা ওনাকে সুস্থ করে
- 36:58দিয়েছেন। এখনও উনি এখনও নিজেদের করেন।
- 37:02সেটা হল ওই সিলেটের আম্বরখানাটা একটি রেস্টুরেন্ট এ উনি ম্যানেজার
- 37:05হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখনও উনি আছেন।
- 37:08এই ঘটনাটি আমার সিলেটের বন্ধু শাহ রেজাউল হাসান রোহান ও আবার
- 37:13সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে চলে গিয়েছে তো নিউ ইয়র্ক থেকে আমাকে এই
- 37:17ঘটনাটিও শেয়ার করেছে। যেহেতু ওর বাড়ি সিলেক্ট এই
- 37:20ঘটনাটি আসলে ওই কালেক্ট করে আমাকে দিয়েছিল।
- 37:23তো ধন্যবাদ সবাইকে ধন্যবাদ রাসেল ভাইকে এই 1:00 কঠিন সময়ও
- 37:28আমাদেরকে ভূত.কম এর মাধ্যমিক লোমহর্ষক কিছু গল্প উপহার দেওয়ার
- 37:33জন্য সেই সাথে বি সিনহারদের কেউ জানাচ্ছি আমার অন্তর অন্তর স্থল
- 37:38থেকে শুভেচ্ছা এবং সকলের শুভ সকলের জন্য সুস্থ থাকেন।
- 37:42সেই কামনা করছি। আমিও যেন সুস্থ থাকি।
- 37:44সবাই তোয়া করবেন আজকে পর্যন্তই পরবর্তীতে কোনও একটি পর্বে আরেকটি
- 37:48গল্প নেই ইনশাল্লাহ। আপনাদের সামনে হাজির হব।
- 37:51আসসালামু আলাইকুম। চলে যাচ্ছি আমাদের পরবর্তী
- 37:57ঘটনায়। আশা করছি এই ঘটনাটি আপনাদের ভালো
- 38:00লাগবে। সিঙ্গাপুর থেকে পাঠিয়েছেন আমাদের
- 38:02একজন ভাই। আসসালামু আলাইকুম রাসুল ভাই আমি
- 38:11শেখ মোহাম্মদ রুবয়েল হোসাইন। রাজবাড়ি জেলা থানা, রাজবাড়ি
- 38:17সদর। ইউনিয়ন খানখানা পুর গ্রাম,
- 38:20বালিয়াচর তো আমি সিঙ্গাপুর থাকার কারণে আমার এই ঘটনাটি আমি ষ্টুডিও
- 38:28তে এসে শেয়ার করতে পারলাম না। তাই ভয়েস এসএমএস করে পাঠিয়ে
- 38:34দিলাম। যদি আমার ঘটনাটি ভালো লাগে শেয়ার
- 38:37করবেন। আর এই ঘটনাটি একটি বাস্তব ঘটনা
- 38:41আর। আমি জিজ্ঞেস করব না আপনি কেমন
- 38:43আছেন? কারণ আমি জানি আপনি সবসময় ভালোর
- 38:46দলেই থাকেন। আর আমি 2000 10 সাল থেকে ভূত
- 38:50প্রেমের সাথে ছিলাম। আমি নিয়মিত শ্রোতা ছিলাম তো যখন
- 38:54আপনি ভর্তি ফ্রেমটা বন্ধ করে দিলেন আমার খুব খারাপ লেগেছিল তো
- 38:58যাই হোক আল্লাহর সহমতে আপনি আবার ভূত.কম চালু করেছেন।
- 39:02আমরা খুব আনন্দিত। এভাবেই আমাদের জন্য.কম চালিয়ে
- 39:07যাবেন। কিন্তু আকরি।
- 39:10আর দেরি না করে আমি আমার ঘটনায় চলে যাচ্ছি তো ঘটনাটি ঘটে আমার
- 39:15মামার সাথে আর ঘটনাটি শুনেছি আমার মায়ের কাছ থেকে এবং ঘটনাটি আমি
- 39:21সত্যতা যাচাই করেছি। আমার মামার কাছ থেকে ঘটনাটি সত্য।
- 39:28এবং ঘটনাটি 1918081 সালের দিকে তো।
- 39:33ঘটনাটি ঘটে আমার নানার বাড়িতেই। তো ঘটনাটি বলার আগেই আমি।
- 39:39জায়গার বর্ণনা দিয়ে দিই। ঘটনাটি হচ্ছে আমার নানা বাড়ির
- 39:43সাথেই। আমার নানারা পাঁচ ভাই ছিল যার
- 39:48কারণে বিশাল বাড়ি ছিল। সেই বাড়ির সাথেই অর্থাৎ বাড়ির
- 39:52পূর্ব দিকে ছিল বিশাল 1:00 দিকেই নানা দের আট দিঘির পরে ছিল বিল।
- 40:00এবং সেই পুকুরের দক্ষিণ পাশে ছিল। বিশাল ফাঁকা মাঠ আর পশ্চিম ভাষা
- 40:07ছিল গ্রাম তো যাই হোক। সেই ঘটনাটি সেই পুকুর পরেই আর
- 40:13পুকুরের চারপাশে ছিল বিশাল বড় বড় গাছ ছিল আর বাঁশের ঝপ ছিল।
- 40:20তো আমি ঘটনায় চলে যাচ্ছি। তো আমার সেই মামার নাম ছিল রশিদ।
- 40:27রশিদ মামা তখন আর্মিতে চাকরি করত। তো মামা দুই মাসের ছুটিতে গীষ্মের
- 40:34ছবিতে বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসে উনি তাকে প্রচণ্ড গরম
- 40:40গরম থাকার কারণে উনি রাত্রে ঘরের বাইরে চলে যায় রাত।
- 40:44তখন 12:00 কি সাড়ে 12:00 হবে এরকম।
- 40:48তো পুকুর পাড়ে গিয়ে উনি পুকুরের পাশে বসে বাতাস খাচ্ছিল।
- 40:51আর গুনগুন করে মনের আনন্দে গান গাচ্ছিল।
- 40:57তো এরকম কিছুক্ষণ পরে উনি পিছন থেকে।
- 41:02ওনার চাচার কণ্ঠে কী যেন ডাকছে যে মামার নাম ধরে যে রশিদ নাকি?
- 41:08কী করে সেখানে তো মামা তো শুনে বুঝতে পারছে যে আমার চাচা চাচার
- 41:14কণ্ঠ হ্যাঁ চাচা আমি। তো বলছি যে কী করিস এখানে?
- 41:19এইতো গরম পরছে তো এইজন্য এখানে বসে আছি তো আমার না না বলতে চাই
- 41:23আমিও তো গরম পড়ার কারণে এই বাইরে আসলাম তো চল দুজনে হেঁটে আসি।
- 41:31তো কোথায় যাবেন তো বলছি যে সেই মাঠের মধ্যে দিয়ে চল হেঁটে আসি ও
- 41:36আর বলতে ভুলে গেছিলাম যে ঘটনাটি হচ্ছে 1980 কি 81 সালের দিকে তো
- 41:42আমাদের সেই দুজন সেই কথামতো মামা আর নানা দুজন সেই মাঠের দিকে
- 41:47হাঁটতে শুরু করল। তো বলে রাখি যে, সেই সেই মাঠকে
- 41:51কেন্দ্র করে অনেক ঘটনা ঘটছে। অনেকেই দেখছে যে মাথা ছাড়া কোনও
- 41:56প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকে দেখছে কোনও।
- 42:01প্রাণী তোরা চোখ বুকের উপরে ঘোরাফেরা করছে তো অনেকেই ভয়
- 42:05হয়েছে আর কি তো মামা অনেক সাহসী ছিল তো আর্মি চাকরি করত যার কারণে
- 42:10উনি ভয় পায় না। এই তো বলতে চান মনে করছে আমার
- 42:12চাচা। তো তার সাথে তাই হাঁটতে হাঁটতে তো
- 42:16দুজন হাঁটা শুরু করল। 1:00 বিষয় লক্ষণীয় মামা
- 42:20কিছুক্ষণ হাঁটার পরেই ওনার চাচা ওনার থেকে 1:00 দূরত্বে চলে গেল।
- 42:25এই 57 দূরে চলে গেল। তো ওই 1:00 জিনিস মামা লক্ষ্য করল
- 42:31যে তার চাচা তার সাথে কথা বলছি না।
- 42:34মামা যতই প্রশ্ন করে এখন উত্তরে দেয় না।
- 42:37আর 1:00 জিনিস লক্ষ্য করল মামা তার চারপাশ থেকে চারপাশ দিয়ে
- 42:41অনেক কাঁচা মাছের গন্ধ পাচ্ছিল। মানে আমাদের গ্রামে আষ্ঠা গন্ধ।
- 42:47উনি অনেক সেই আষ্ঠা গন্ধ পাচ্ছিল। এবার মামা এত প্রশ্ন করে উত্তর
- 42:53দেন, আমার চাচা তো উনি সেই দূরত্বটা দূর করার জন্য উনি একটু
- 42:57দ্রুত হাঁটে। দেখাতে দূরত্বটা কমে না সেই একই
- 43:00রকম থাকে এরকম প্রায় 10 12 মিনিট হাসছে হাঁটার পরে গ্রামের প্রায়
- 43:05শেষ প্রান্তে চলে গেছে। আকাশে হালকা হালকা মেয়ে ছিল।
- 43:09তো কিছুক্ষণ পরে মেঘটা চার্জ চলে শোলে 4:00 ওঠার পরে তোমার চাঁদে
- 43:14হালচালকা চারটের আলোতে দেখে যে। সেই জিনিসটা শূন্যের উপরে
- 43:20হাঁটতেছে। মামা তো টা দেখে খুব ভয় পেয়েছে।
- 43:24মামা খুব সাহসী ছিল যে তরমি চাকরি করত তারপরে উনি ভয় পেয়েছে যে
- 43:29জিনিসটা তো আমার চাচা না। এটা তো খারাপ কোনও জিনিস কিন্তু
- 43:35ক্ষতি করার জন্য এখানে নিয়ে আসছে।
- 43:37যখনই মা মনে মনে চিন্তা করল যে এখন তো আর কোনও উপায় নেই।
- 43:43উনি মনে মনে চিন্তা করছে যে আমি পিছনের দিকে ঘোরেই বাড়ির দিকে
- 43:46দৌড় দেবো। তুমি যখনই পিছনে দিকে ঘুরছে।
- 43:50জিনিসটা শিক্ষক করোনার হাতটা ধরেছে।
- 43:54ধরার পরেও মামা বলছে যে। আমার আর্থ জগৎ ধরছে।
- 43:58আমার মনে হচ্ছে কি আমার হাতের মধ্যে কেউ খেজুর গাছের বড় বড়
- 44:02কাঁটা ঢুকিয়ে দিয়েছে অথবা অন্য বড় বড় কোনও গাছের কাঁটা ঢুকিয়ে
- 44:05দিয়েছে। আর।
- 44:08আমার মনে হচ্ছে কি কেউ কি যদি হাতে পায়ে মেখে কেউ ধরে শরীরে
- 44:13হাত দিলে অথবা পাম অয়েল ধরে কেউ যদি ধরে সেরকম পিস্তল।
- 44:18আর এত দুর্গন্ধ লাগতেছে মাছের কাঁচা মাছের গন্ধ করতে পারছি তো
- 44:24সেই মুহূর্তে মামা বলছে, এখন আমি কী করব?
- 44:28বলছি আমি ছোট্টার জন্য চেষ্টা করছি জিনিসটা আমাকে মাটিটা চেপে
- 44:31ধরছে। চেপে ধরার সময় আমি এবার লক্ষ্য
- 44:35করে দেখি যে জিনিসটা। আমার চাচা না সেটা চেহারা
- 44:41পরিবর্তন হয়ে গেছে। সেটার কোনও মাথা নাই।
- 44:47শুধু বউ বুকের দুই পাশে বড় বড় চোখ লাল চোখ আমার দিকে তাকিয়ে
- 44:51আছে মনে হচ্ছে যে আমাকে এখন মেরে ফেলবে।
- 44:55আর এত দুর্গন্ধ পচা মাছের গন্ধ। তো আমি যতই চেষ্টা করছি ধস্ত ধরতে
- 45:01শুরু করছি। ছোটার জন্য জিনিসটা আমাকে তত চেপে
- 45:04ধরতেছে। এবার আমি।
- 45:08তত্ত্বাবধতির একসময় আমি একবার ছুটে যাই।
- 45:11আর আমি মুখ দিয়ে অনেক দোয়া পড়ার চেষ্টা করছি।
- 45:15কিন্তু আমি দোয়াটা মুখ দিয়ে বের হতে চাই।
- 45:19চিৎকার করতে পারছিনা। আমি আমি ছুটছি কিন্তু জিনিসটা
- 45:21আবার আমাকে ধরছে। ধরার পরে তো আমি দেখি কি এ 12 ভাল
- 45:26করে পায়ের দিকে তাকাই। এক সময় পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখে
- 45:30কি তার পায়ের গোড়ালি উল্টাদিকে। অর্থাৎ আমাদের মানুষের যেরকম
- 45:36সেরকম না উল্টা যাকে বলে এটাকে বলে পি চাষ তো।
- 45:41আমি মামা একসময় করে কি তার মনের অজান্তেই মুখ দিয়ে দোয়া ভক্ত
- 45:47দোয়া করতে থাকে অনেক রকমের দোয়া।
- 45:50দোয়া পড়তে পড়তে জিনিসটা আমাকে ছেড়ে দেয়।
- 45:53ছেড়ে দেওয়ার পরে মামা আর কোনও চিন্তা না করে।
- 45:59বাড়ির দিকে সোজা দর দেন। তোর দৌড় দিতে দিতে মামা 1:00
- 46:04জিনিস লক্ষ্য করে যে পিছন থেকে অনেক চিৎকার করতে জোরে জোরে বীভৎস
- 46:08চিৎকার। অনেক মানে স্বাভাবিক চিৎকার না।
- 46:12মানুষের চিৎকার না অনেক মানে নাকি কণ্ঠে চিৎকার করছে অর্জন আর
- 46:17চারপাশ দিয়ে অনেক মাছের গন্ধ পচা মাছের দুর্গন্ধ, কাঁচামতের
- 46:21দুর্গন্ধ আমার নাকে ভেসে আসছে। তো মামা।
- 46:27এক সময় দৌড়াতে দৌড়াতে প্রায় আট দশমিক দৌড়াতে দৌড়াতে তার
- 46:31বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় ঢুকে গেছে তো সেখান থেকে আর।
- 46:36মা পিছনের দিকে তাকিয়ে দেয় কী সে জিনিসটা নেই।
- 46:39এবং দূরে থেকে মনে হচ্ছে 1:00 অপবের মতো বলতে চিৎকার করে বলছে,
- 46:43আজকে তুই বেঁচে গেলি। তুই তোর মায়ের বুকের দুধ খাইছে
- 46:48দুধ অনেক শক্তিশালী ছিল। যার কারণে আজকে বেঁচে গেলে।
- 46:51এরপর তোকে কোনদিন ধরে ধরতে পারি তোকে রাস্তা রাখব না।
- 46:55তো এই কথা শুনে মামার তো প্রচণ্ড ভয় পেয়েছে।
- 46:57যতই সাহসী হোক দৌড়া বাড়ির দৌড়ায় বাড়ির ভিতরে ঢুকে গেছে
- 47:02ঢোকার পরে উনি দরজার সামনে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছে।
- 47:06তো পড়া উনার পড়ার শব্দে বাড়ির সবাই উঠে গেছে ধরে ঘুম থেকে উঠে
- 47:11পরে দেখে যে আমার সেই রসিদ মামা পরে সবাই ওনাকে ধরাধরি করে বাড়ির
- 47:15ভিতরে ঘরে নিয়ে যায় ঘরে নিয়ে ওই রাত্রে উনারা জ্ঞান ফেরে না।
- 47:20পরের দিন দিনে সকালে ওনার জ্ঞান ফেরে।
- 47:22বিজ্ঞান পরে ঘটনাটি সবার সাথে শেয়ার করে যে এরকম আমার চাচার।
- 47:28চেহারা মতো 1:00 লোক আমাকে নিয়ে মাঠের মাছের নিয়ে গেছে।
- 47:33তো এই ছিল ঘটনা পরে এক হুজুরের কাছে মামাকে নিয়ে যাওয়া হয়
- 47:37প্রচুর বলে যে 1:00 পিচাস আমাকে আক্রমণ করছিল তো এই তো সেই হুজুর
- 47:42আমাকে 1:00 তাবিজ দেয়। এবং আরও পানি টানি খেতে দেয়
- 47:46অনেক। তারপরে মামা সুস্থ হয়ে যায়।
- 47:49তোমার মামা এখনও বেঁচে আছে। আমি ঘটনাটা মায়ের মামার কাছ
- 47:52থেকে। এবং যাচাই করার জন্য আর একবার
- 47:55আমার মুখ থেকে শুনছি আমি ওটা বাস্তব।
- 47:57আমার মামা এখনও অসুস্থ আছে। আল্লাহ রহমতে তো এই ছিল ঘটনা ঘটনা
- 48:02হতে ভালো লাগে শেয়ার করবেন আমার কাছে আরও ঘটনা আছে তো সেই বিলকে
- 48:07কেন্দ্র করে আমি সময় পেলে আবারও আপনাকে ভয়েস মেলে পাঠাবো।
- 48:14আর আমি সবার কাছে অনুরোধ করব যে আমাদের দেশের জন্য সবাই দোয়া
- 48:18করবেন দেশের মানুষের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
- 48:21আল্লাহ যেন আমাদেরকেই করোনা। ভাইরাস থেকে হেফাজত করে আর সবাই
- 48:24বিশেষ তফা করবেন। আর বুধ.কম দীর্ঘজীবী হোক।
- 48:29ধন্যবাদ রাসেল ভাই আসসালামু সম্পর্ক অনেকদিনের ফাইনাল না আমার
- 48:43ছোট ভাইয়ের মতো। ভূত ডট কমে আমি এখন ফার্নানা একটি
- 48:49স্টোরি। আপনি আজকে শোনাতে চাই ফান্ড কে
- 48:52আপনারা হয়তো ছিলেন সবাই এবং ফার্নান আমাকে ভূত.কম এই প্রথম
- 48:58ঘটনা পাঠালো তাও এমন একটু সময় যেত।
- 49:01সময় আসলেই ভূত.কম চালানোর জন্য আপনাদের কাছ থেকে ঘটনার সন্ধানে
- 49:06আমি মেনে পড়ি। এবং আপনারা অসংখ্য অজিত ক্লিপ
- 49:11পাঠিয়েছেন আমাকে। আশা করছি 1:00 1:00 করে আপনাদের
- 49:13কাছে শোনাতে পারব এবং প্লে করতে পারব।
- 49:16এখন যে ঘটনাটি প্লে করবো সেটি ফার্নানের স্টোরি এবং তার আগে আরও
- 49:20একবার মনে করে দিই। আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে
- 49:23রাসেল.ভুট.কম 1:00 ওয়েট, জিমেল.কম হোইচ ইস রও ডাবল স এ
- 49:27ডাবল। ডট ভূত বি এইচ টি ডট সি ওএফ কম
- 49:30অ্যাট দি ওয়েট জিমেল.কম আপনার নাম ঠিকানা এবং ফোন নম্বর সহ
- 49:36আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া বা আপনার জানা সেরা ঘটনা লিখে পাঠিয়ে দিন।
- 49:39আমাদের কাছে। ঘটনার শুরুতে অবশ্যই উল্লেখ করুন
- 49:42যে ঘটনাটি আপনি ষ্টুডিও তে এসে শেয়ার করতে চান নাকি আপনি চান
- 49:46আপনার ঘটনা আমরা পড়ে শোনাই যারা দেশের বাইরে রয়েছেন তারা সরাসরি
- 49:50অডিও ক্লিক পাঠাতে পারেন বা লিখেও পাঠাতে পারেন।
- 49:53পার্টিটা কমপ্লিটলি আপনার ব্যাপার আর আমাদের 1:00 ফেসবুক পেজ
- 49:57হয়েছে.ফেসবুক.কম স্ল্যাশ রাসেল ডট স্বাধীন।
- 50:01এছাড়াও আমাদের আরও 1:00 গ্রুপ রয়েছে।
- 50:05রাসেল গ্রুপ.কম সেখানেও আপনি এসে আপনাদের কথা জানাতে পারেন।
- 50:10আমি চলে যাব এখন। চলুন শুনে আসি।
- 50:19রিপন আমি ফার্নান চৌধুরী। প্রাণ ঢাকা থেকে বলছি।
- 50:26রাসেলকে অনেক থ্যাংক ইউ আমার মনে করার জন্য।
- 50:30অনেকদিন পরে আপনাদের সাথে আজকে একটু ঘটনা শেয়ার করব এবং ঘটনাটি
- 50:36এক্সাক্টলি। আমাদের পুরোনো ঢাকার 1:00 কথা বলব
- 50:40আমি কিন্তু স্টুডিওতে আসতে পারিনি।
- 50:44আর স্টুডিওতে আসবো না। কারণ হচ্ছে ঘরে বসেই আপনাদের
- 50:47জন্য। একটি ঘটনার রেকর্ড করে পাঠাচ্ছি।
- 50:51আমিও ঘুরে আছি এবং আমি আশা করব আপনারা সবাই বাসার থেকে কোথাও বের
- 50:56হবেন না। আমরা যে বাসায় থাকলে এই করোনা।
- 51:01ভাইরাস টাকে প্রতিরোধ করতে পারব। সেই জন্য আমাদের সবারই উচিত
- 51:05বাসায় থাকা। এবং বাসায় থেকে।
- 51:09আপনি আপনার যে কাজগুলো আপনি করতে পারেন না যখন সেই কাজগুলো করতে
- 51:15পারেন। যাই হোক আজকে।
- 51:19আপনাদের সাথে যে ঘটনাটা শেয়ার করব সেটি আমাদের মূলত পুরনো ঢাকার
- 51:241:00 ঘটনা গতকাল রাতে যেটা হয় যে আমি আমার মার জন্য একটু মেডিসিন
- 51:30কেনার জন্য আমার ভাষার খুব কাছেই 1:00 স্টোরে যাই এবং তখন ছিল রাত
- 51:358:00 থেকে সাড়ে 8:00 ওই সময়। আমাদের পুরনো ঢাকার যে অবস্থাটা
- 51:39দেখলাম সেটা দেখে আমি যখন আমার বাবা মা অথবা যারা আরও বয়স্ক
- 51:47যারা ছিলেন যেমন আমার নামও ছিলেন। আমাদের কাছে যখন আগের সেই ঢাকার
- 51:52কথা শুনি জনমানব শূন্য। তো সেই তখনকার কথাগুলো মনে পড়ে
- 51:58গেল এরকম 1:00 ঘটনা আমি এর আগেও ভূতে ফ্রেমি শেয়ার করেছি।
- 52:01আমাদের কোনও টাকার অনেক আগে বাট এই ঘটনাটা মোটামুটি 12 মাস পুরনো
- 52:07হবে। তো এই ঘটনায় যেটা হয় যে আমি
- 52:12একবার অফিস করে মানে বাসার দিকে রওনা দিব।
- 52:14ঠিক তখনই আমার এক্সপ্রেন্ড আমাকে ফোন করে বলে যে।
- 52:19বন্ধু তুমি আমার বাসায় একটু আসো মানে এমার্জেন্সি 1:00 কাজ আছে।
- 52:25আমি যেটা করি যে একদম ডাইরেক্ট ওখান থেকে অফিস থেকে ডাইরেক্ট
- 52:29আমার বন্ধুর চেয়ে বাসা যেটা সেটা হচ্ছে ওর নালিন দাঁতে ওর বাসা
- 52:32ওখানে। চলে।
- 52:34যায় এবং ওর মাশার এটা হচ্ছে এক্সাক্টলি।
- 52:39নানিন্দারাতে যে 1:00 খ্রিস্টান করবরস্থান আছে।
- 52:43অনেক বড় 1:00 কবরস্থান ঠিক ওটার পিছনে কয়েকটা গলির পিছনে ওর ভাষা
- 52:47এবং ওর বাসা ঠিক পাশে আরেকটা ছোট খ্রিস্টান গ্রেভিয়ার যেটা আমি
- 52:52অনেক আগের থেকেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি।
- 52:54কিন্তু এক্সাক্টলি। কখনও এটার ভিতরে ঢোকার সুযোগ
- 53:00পায়নি এবং যেটা শুনেছি যে এখানে অনেক।
- 53:06পুরনো যারা ব্রিটিশ আমলে যারা ব্রিটিশরা যখন এখানে থাকত
- 53:09পর্তুগিজরা যখন এখানে থাকব তখন এই বাড়ি নারিন্দা।
- 53:14এখানে যখন তারা থাকত। তখন তারা যখন মারা যেত তাদেরকে এই
- 53:19গ্রেভিয়াট বলতে কবর দেওয়া হতো। এটা ঠিক আরও প্রায় 23100 বছর
- 53:23আগের। পুরনো এবং ওর বাসার পাশে 1:00 ছোট
- 53:28খুব 1:00 বড় না। কিন্তু এটার যে মেইন গেটটা সেটা
- 53:32কিন্তু সব সময় লাগানো থাকে। মানে এটার ভিতরে আসলে কখনও আমি
- 53:37কাউকে যেতে দেখে নিয়ে আসলে। তো আমি আমার বন্ধুর বাসায় গেলাম
- 53:40এবং ওর বাসায় যাওয়ার পর যেটা হল যে ওর বাসা কিন্তু অনেক পুরনো
- 53:45এরকমই প্রায় একশ বছর তো মিনিমাম হবেই অনেক পুরনো জীর্ণ সেন 1:00
- 53:49ভাষা কিন্তু অনেক সুন্দর। আর অনেক বড় বাসাটা বড়বাসা যখন
- 53:54আপনি সিঁড়ি দিয়ে উপরে দিকে উঠবেন তখন ঠিক ওই ছোট ছোট যে
- 53:58পুরনো দিনের যে উইন্ডো বলা সেখান থেকে আপনি সেই কবরস্থানটাকে দেখতে
- 54:02পারবেন। এরকম তো খুব সুন্দর 1:00 ভাষা।
- 54:06বাসায় যাব আমাকে যেটা বলে এক্সাক্টলি ওর বাসায় ওর মানে বড়
- 54:101:00 বিবাহ অনুষ্ঠান সামনে থাকার কারণে আমাকে বাসায় ডাকে মানে
- 54:14প্ল্যানিং এর জন্য যে কী করব কীভাবে করা যায়।
- 54:18এ ধরনের ইয়ার ইনভাইটেশন সব কিছু মিলিয়ে তো আমাকে যেটা বলে যে
- 54:22বন্ধু চল আমরা ছাদে যে সে কথা বলি তো ছাদে যখন গেলাম তো ছাদের
- 54:27বর্ণনাটা একটু দিব ছাদটা। অনেক বড় আসরে মানে।
- 54:34অনেকটা ট্রাইঅ্যাঙ্গেল শেপ এর ওদের ভাষাটা এবং মোটামুটি ভালই
- 54:39বড় দুদিকে গাছ। আর একদিকে হচ্ছে কবরস্থান ওই
- 54:43সাইটটাতে কোনও ভাষা নেই তো ওই কবরস্থানটা মানে যে খ্রিস্টান যে
- 54:47এটা ছাদে গেলে খুব ভালো মতো এটা দেখা যায় ভিতরের গুলো কিন্তু।
- 54:53যেহেতু অন্ধকার ছিল এবং তখন ছিল রাত।
- 54:57নয়টা হবে মিনিমাম এরকম নয় টা সাড়ে নয় টা তো খুব 1:00 দেখা
- 55:00যাচ্ছিল না তো আমরা যে সাইট টাতে বসলাম ছাদের।
- 55:04ঠিক ওখান থেকে ডাইরেক্ট দেখা যায় এবং ওই জায়গাটা একদম নিরিবিড়ি
- 55:09বলা যায় এবং ওদের ছাদের 1:00 জায়গায় যেটা ছিল যে আমরা যেমন
- 55:13অনেক সময় পাবলিক টয়লেট দেখিনা যে।
- 55:17ছোটখাটো পাবলিক টয়লেটের মতো। মানে অনেক সময় মানুষ যেটা
- 55:23রাস্তায় আমরা দেখি তো ওদের ছাদের 1:00 সাইডে এরকম 2:00 মানে টয়লেট
- 55:28করার মতো মানে 1:00 জায়গা ছিল যেটা আর কি অনেক পুরনো অনেকে আগের
- 55:32বানানো মানে ওখানে এখন কোন কিছু নেই মানে জায়গাটা জাস্ট এর মতো
- 55:38পড়া। অনেক কাজটাস হয়ে গেছে।
- 55:40একদম পুরোনো একদম 1:00 জায়গা অথবা আগে কোনও বাথরুম ছিল যেটার
- 55:45আর কি আপনার ছাদটা ভেঙে গেছে এখন জাস্ট এটা খোলা 1:00 পড়ে আছে
- 55:49এরকম 2:00 এরকম আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম যে এই জায়গাটা এরকম এখনও
- 55:53কেন রেখেছে যেটাকে জাস্ট ভালো মতোই করে নিতে হয়ে যায় এটাকে
- 55:57ভেঙে দিলেই তো হয়ে যায়। তো বলল যে, একেবারে যখন এটাকে
- 56:01পুরো ভাষাটা চেঞ্জ করা হবে, ডেভেলপার যেতে হবে তখন ইনি এগুলো
- 56:04ভেঙে দেওয়া হবে এজন্য। আর কিছু বলেনি আর ওদের ভাষার
- 56:08আরেকটা স্পেশালিটি ওদের ভাষা পিছনে যে চিলেগোঠা চিলি কোটার ওপর
- 56:132:00 বড় বড় গম্বুজ এবং অনেকেই বাসাটাকে মন্দির আলা বাসা নামেও
- 56:17চিনে তো যারা ওখানকার লোকাল তারা হয়তো এটাকে চিনে থাকবেন।
- 56:22তো এটা 1:00 স্পেশালিটি যেটা দূর থেকে দেখা যায় এবং কোনও এক সময়
- 56:26কোন হিন্দু জমিদারদের ভাষা হয়তো বা এটা ছিল এবং ওদের বাসায়
- 56:31আরেকটা জিনিস যেটা আমি দেখেছি যে বিভিন্ন।
- 56:35হিন্দু যারা আছেন তা আমাদের বাসায় গেলে দেখা যায় যে প্রতিমা
- 56:39রাখার জন্য ছোট ছোট ক্ষোপের মতো অনেক জায়গা থাকে।
- 56:42তো এরকম ওদের ভাষায় অনেক দেখেছি মোদীর প্রত্যেকটা রুমে এরকম
- 56:47প্রতিমা রাখার জন্য বিভিন্ন ছোট ছোট ক্ষোভের মতো রয়েছে তো তখন
- 56:51বুঝলাম যে বাসাটা হয়তো বা হিন্দু কোনও জমিদার আমলের ভাষা অনেক
- 56:55পুরনো এবং ওরা এটা 1:00 ডেভেলপার কে দিয়ে দেবে খুবই সিন্ডি।
- 57:00যাই হোক মেইন ঘটনায় আসি। তো।
- 57:03আমরা বসে কথা বলছিলাম জাস্ট এ কিভাবে প্ল্যান করা যায় কী করা
- 57:07যায় এসো আর এই কথা বলার সাথে সাথে কবরস্থানটার দিকে বারবার চোখ
- 57:11যাচ্ছিল। যদিও ক প্রস্তাব টা কিছু দেখতে
- 57:14পায়নি। 1:00 পর্যায়ে আমার ফ্রেন্ড আমাকে
- 57:16বলল যে। তুই একটু বস আমি একটু আমার ফোনটা
- 57:20নিয়ে আসি। আমি ফোনটা আনতে ভুলে গেছি এরকম
- 57:23কিছু 1:00 জাস্ট আমার ওখানে একা রেখে জাস্ট ফোনটা আনতে গেল এবং
- 57:28ফোনটা আনতে গিয়ে প্রায় মিনিট। কী পণ্য মিনিটের মতো হয়ে গেল।
- 57:34আমি চিন্তা করলাম যে কী ব্যাপারে ফোন আনতে গিয়ে এতক্ষণ এত লেট।
- 57:38আর জায়গাটা যথেষ্ট ছিল এবং আমার কেন জানি ছাদটাতে যাওয়ার সাথে
- 57:45সাথে কিছু স্মেল আমি পাই যেটা হচ্ছে ভেজা মাটির গন্ধ যেরকম না
- 57:50ঠিক এরকম স্মেল আমি কেটে থাকি এবং আমি আগেও শুনেছি অনেকের কাছ থেকে
- 57:55যে রকম। এজামাটির গম্ভ তারপরে মাংসের গন্ধ
- 58:00পচা মাংসের গন্ধ। এগুলো আসলে খুব 1:00 ভালো।
- 58:02সিম্পটম না আসলে আসলে প্রযোজিত কোনও অসুবিধে কিছু থাকে।
- 58:06তখন এই ধরনের স্মেল গুলো পাওয়া যায়।
- 58:09আমি আমার বাবার কাছ থেকেও শুনেছি এবং আমাদের বাসা যেটা পুরোনো থাকে
- 58:12সেখানেও আমি। আগে যখন পুরনো ভাষা ছিল তখন
- 58:16ছাদেকে এরকম স্পেল পেলাম। তো আমি যেটা বললাম যে আছে ওকে
- 58:21কয়েকটা ফোন করার চেষ্টা করলাম তো আমি দেখলাম যে ওর ফোনটাতে ফোন
- 58:25ঢুকছে না। আমি চিন্তা করলাম আমার কাছে যাই
- 58:27হোক আমি ঝাপটা ক্রস করে মানে নিচের দিকে ওদের রুমে যাই কেননা
- 58:32হয়তো বা কোনও কাজে বিজি হয়ে পড়ছে।
- 58:35আমি যখন ছাদের যেখানে বসে ছিলাম কবরস্থানের উল্টা পাশের খুবই
- 58:41ছাদের যে সাইটটাতে ওখান থেকে হেঁটে ওই যে টয়লেটের মতো যে
- 58:46বললাম কিছু ভাঙা টয়লেট মতো এখান থেকে ক্রস করব ঠিক ওখানে আমি দেখি
- 58:50যে আমার ফ্রেন্ড ওখানে দাঁড়ানো। এবং কিছু একটাও করতে চাই।
- 58:54টয়লেটের ওখানে যেও কিছু 1:00 করতেছে ই থিঙ্ক আমি নিজেও অবাক
- 58:57হয়ে গেলাম যে এটা কী করতে হবে মানে ইটস দ্যাট পসিবলে মানে।
- 59:02তারপরে বললাম যে তুই মানে এখানেই এখানে কেন অধ্যস্ত টয়লেট এ
- 59:06জাপানে ওখানে তারাই কিছু 1:00 করতেছে এরকম কিছু 1:00 তা আমি
- 59:10নিজেও দেখে ভয় পেয়ে গেছি যে এটা কী করতে যাব নিজের ভাষায় এটা
- 59:131:00 অ্যামান্ডেন্ট টয়লেট তাই না এরকম তো আমি ওকে জাস্ট ভীষণ দিক
- 59:16দিয়ে 1:00 জাস্ট ধাক্কা দিয়েছি যে চেহারাটা তখন দেখা যাচ্ছে না
- 59:21অন্ধকার ছিল। একটু ছিল না জাস্ট 1:00 টাচের মতো
- 59:25বলছি জাস্ট টাচ করার সাথে সাথে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আমি 1:00।
- 59:31ঠান্ডা কিছু ফ্রিজ থেকে যখন মাংস বের করলে দেখবেন যে খুব ঠান্ডা
- 59:35থাকে ওরকম কোনও বেশ মাংসের তলার দিকে আমি টাচ করলাম।
- 59:38এরকম কিছু 1:00 সাথে সাথে আমার। মানে একটু ভয় লেগে গেল যেটা আমি
- 59:43কী কাজ করলাম। আসলে আমি জাস্ট তখন সাথে সাথে ওর
- 59:47সাথে কোনও কথা না বলে মানে জাস্ট জিনিসটাকে ভাল মতো মানে ওটাকে
- 59:51আমার ফ্রেন্ড ই ছিল না। কি ছিল আমি আসলে জানি না জাস্ট
- 59:55আমার কাছে। মনে হয়েছিল যে আমার ফ্রেন্ড এরই
- 59:58পিছনের দিকটা জাস্ট মানে ওর শোল্ডার দিয়ে শোল্ডারটা আমি টাচ
- 1:00:02করেছি এবং কাপড় মানে টি শার্ট পড়া ছিল যে টি শার্ট টা পড়েও
- 1:00:07আমার সামনে বসা ছিল। ঠিক সেই টি শার্ট টা।
- 1:00:09আমি তখনই শিউর ছিলাম যে ও আমার ফ্রেন্ড তা আমি ওকে টাচ করার সাথে
- 1:00:12সাথে বুঝলাম যে এটা আসলে। মে বি অন্য কিছু হবে এবং সাথে
- 1:00:16সাথে ওখান থেকে তুলে যেটা করি যে জায়গাটা লিফ্ট করার চেষ্টা করি
- 1:00:22নিচের দিকে চলে আসি এবং নীচে এসে সাথে সাথে আমার ফার্স্ট এ পড়ে যে
- 1:00:28আন্টি জিয়াসের আন্টি র সাথে দেখা হয় আন্টিকে বলি আন্টি আমার ও
- 1:00:31কোথায় আমার ফ্রেন্ড এর নামটা আমি বলছি না।
- 1:00:34তখন উনি আমাকে বলেন যে ওতো টয়লেটে তখন আমি বললাম যে টয়লেটে
- 1:00:37কোথায় টয়লেটে তো দেখলাম যে হ্যাঁ আসলেই।
- 1:00:40যে ওদের যে করিডরের পাশে যে ওদের যে পার্সোনাল যে টয়লেট সে টয়লেট
- 1:00:44থেকেও বের হল। এবং আমি বললাম।
- 1:00:48যে তুই মানে এত তাড়াতাড়ি আসলে কিভাবে তার উপরে মানে কী করছে?
- 1:00:54আমি দুপুরে যাইনি আমি তো জাস্ট আমার ফোনটা নিতে নিচে আসছিলাম।
- 1:01:00আসার পর একটু টয়লেট গেলাম। আমি জন্য লেট হয়ে গেল।
- 1:01:04আমি তখন ওকে আমি খুব অবাক হয়ে গেলাম যেটা আসলে এরকম আসলে কি ভুল
- 1:01:09এটা আসলে এটা কি ছিল তখন ওকে আমি সব ঘটনা বললাম এবং ওকে নিয়ে ছাদে
- 1:01:13গেলাম দেখলাম যে না ওই জায়গাটা ওরকমই জাস্ট।
- 1:01:16কিছু ঝোপঝোপ ছোঁপের মতো এখানে ছোট ছোট গাছের মতো হয়েছে।
- 1:01:21জায়গাটা ওরকমই পড়ে আছে। এবং আমাকে বলল যে আসলে কি দেখলে
- 1:01:24এরকম আমি আসলে বলতে পারব না কি তবে আমার মা ওরা যেটা বললেন যে
- 1:01:32অনেক পুরনো ভাষা তো এই সাইট মানে এইখানে যেটা হয় যে এই সার পরপর
- 1:01:36রিলেশান নামাজের শাহজাহান হয়ে যাওয়ার পর।
- 1:01:39তারা ভাবে খুব 1:00 ওঠে না। কারণ তার আগে থেকেই জানত তারা যখন
- 1:01:43ছোট ছিল এ ভাষাতেই তারা ছোট থেকে বড় হয়েছে।
- 1:01:45তারা তাদের যে পূর্বপুরুষ যারা ছিলেন তাঁরা বলতেন যে এশার
- 1:01:49নামাজের পরে কখনও ছাদে উঠবে না। জিনিসটা ভাল না।
- 1:01:51তবে এখনকার আমরা মডার্ন যুগে জিনিসগুলো বিশেষ করি না।
- 1:01:55তারপরেও আমি আমাকে বললেন যে হয়তোবা তুমি কিছু 1:00 দেখেছ।
- 1:01:59আর এখানে যে পাশে যে কবরস্থান এটাও খুব ভাল না।
- 1:02:02এখানে অনেক ব্রিটিশদের খবর অনেক যাদের ব্রিটিশ ছিলেন পর্তুগিজ
- 1:02:07ছিলেন অনেকে দুইশ বছর আগে 300 বছর আগে মারা গিয়েছেন।
- 1:02:11ওদের কবর আছে তো। জায়গাটি স্পুকি জায়গাটা ভালো।
- 1:02:14নাশক মানে আমরা নিজেরাও বিল্ডিং টাকে ভেঙে নতুন 1:00 বিল্ডিং করব
- 1:02:19দিয়ে। জিনিসটা আসলে ছিল এবং আমার লাইফ এ
- 1:02:25যে ভৌতিক এক্সপেরিয়েন্স গুলো হয়েছে এর মধ্যে দিস ইজ ওয়ান অফ
- 1:02:29দ্য নিউ অ্যান্ড ওয়ান অফ দ্য বেস্ট এবং এটা আমি সবচেয়ে কাছ
- 1:02:33থেকে দেখেছি। আর আমার বাসায় যেটা আমার সাথে
- 1:02:36হয়েছিল সেটা জাস্ট আমি ফীল করেছিলাম।
- 1:02:39এবং সাউন্ড শুনেছিলাম কিন্তু এরকম একেবারে টাচ করার মতো কোন
- 1:02:43সিচুয়েশন কখন আসেনি বুট ভাইয়া আমি এখনও যেটা বলব যে আমি।
- 1:02:49যেটা আমি এখনও জাস্ট ওই যে ফ্রিজ থেকে মাংস বের করলে যে রকম 1:00
- 1:02:53টাচ পাওয়া যায় ঠান্ডা সেই টাচ টা এখনও আমি আমার হাতে অনুভব করতে
- 1:02:57পারি। যখন আমি টাচ করেছিলাম।
- 1:03:00আসলে রিয়েলি স্ক্যারি ছিল আমার জন্য এবং এটা 1:00 নতুন ঘটনা আমার
- 1:03:05লাইফ এর জানিনা। আমি এই ঘটনাগুলো কেন মাঝে মাঝে
- 1:03:08আমি ফিল করতে পারি। অনেকে বলে যে অনেকে লাইফ এ ভূত
- 1:03:12যদি গুলো কিছুই দেখেনি বাট। পুনর্স কখন কে দেখে ফেলে বলা যায়
- 1:03:17না তো এই ছিল আমার ঘটনা ভয়া ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন আর।
- 1:03:22সবাইকে বলি আপনারা বাসায় থাকবেন এবং বাসায় থেকে আপনাদের কাজগুলো
- 1:03:26করার চেষ্টা করুন। বাইরে বের হবেন না আমিও বাসায়
- 1:03:30আছি। আল্লাহ সবার ভালো করুক ভালো
- 1:03:33থাকবেন আল্লাহ হাফেজ থ্যাংক ইউ। আরও একবার আপনাদের সবাইকে স্বাগত
- 1:03:42জানাচ্ছি। আমি রাসেল শুনছেন ভূত.কম এবং
- 1:03:45আজকের এই এপিসোড টা খুবই অদ্ভুত। 1:00 এপিসোড আপনাদের শুরুতেই
- 1:03:48বলেছি আরও একবার তারপরেও জানিয়ে দিই।
- 1:03:51আর সেটি হচ্ছে আজকের এই এপিসোডটি মূলত।
- 1:03:55আমি বাসায় বসে করছি এবং আমার যে ছোট্ট সেট আপ সেটা থেকে করছি এবং
- 1:04:00আমাদের যা ভুল ত্রুটি হচ্ছে সেটা আপনারা আশা করব মাফ করে দেবেন।
- 1:04:06আমাদের এই করোনা পরিস্থিতির কারণে এই লকডাউনের সময়টা আমরা বলেছিলাম
- 1:04:10যে ঘরে বসে থেকে। আপনারা আপনাদের যে ঘটনাগুলো
- 1:04:16রয়েছে সেই ঘটনাগুলো রেকর্ড করে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন।
- 1:04:19কারণ স্টুডিওতে এখন কাউকে ডাকতে পারছিনা।
- 1:04:21আমরা চমৎকার ভাবে আপনাদের কাছ থেকে সাড়া পেয়েছি এবং আশা করছি
- 1:04:24ভবিষ্যতেও বাবু এবং এই আপনাদের চেয়ে এই।
- 1:04:29আমাদের সাথে যে সহযোগিতা এটা আশা করছি অব্যাহত থাকবে তো যাই হোক
- 1:04:34আমি আশা করব যে এখন যেটা করতে চাই সেটা হচ্ছে যে আমি যেটা করতে চাই
- 1:04:39সেটা হচ্ছে এই মুহূর্তে আরেকটা ঘটনা এপলাই করতে চাই এবং এই
- 1:04:44ঘটনাটিও আমাদের একজন অতিথি পাঠিয়েছেন এবং।
- 1:04:48তাঁর সেই ঘটনাটি আমি প্লে করবো। আপনাদের জন্য ঘটনাটি এসেছে
- 1:04:52বাড়াইন থেকে। আশা করছি যে এই ঘটনাটি আপনার ভালো
- 1:04:55লাগবে এবং আমি বলেছিলাম যে.কম এর যারা লিসেনার তারা যদি ভয় পান
- 1:05:01তাহলে অকারণে করুণাকে ভয় পাবেন না।
- 1:05:04প্রাথঙ্কিত হবেন না। কারণ আতঙ্কিত হলে মানুষ ভুল বেশি
- 1:05:07করে আপনি আতঙ্কিত না হয়ে যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে এমন কোনও।
- 1:05:11আমার ভয় পাওয়ার উপায় খুঁজে নিন যেখানে ভয় পেলে তার সাথে আনন্দ
- 1:05:17আছে। যেমন ফুড.কম সো আপনি ঘরে যেহেতু
- 1:05:20বসে আছেন ঘর থেকে আপনি আমাদের জন্য প্রচুর প্রচুর প্রচুর
- 1:05:23পরিমাণে ঘটনা পাঠিয়ে দিন এবং রেকর্ড করে পাঠান।
- 1:05:26আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে রাসেল.বুক.কম 1:00 জিমেল.কম।
- 1:05:30বাহরাইনের ঘটনায় চলে যাব। সাথে থাকুন।
- 1:05:36আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাই আশা করি ভালো আছেন কারণ আপনি সবসময়
- 1:05:40ভালো তলে আমি মোহাম্মদ ওসমান মীর কুমিল্লা আমার বাড়ি আমি মধ্য
- 1:05:45পাচ্চার বাহার এনে থাকি। রাসেল ভাই আমি ভূতে প্রেমের
- 1:05:49নিয়মিত শ্রোতা এখন পর্যন্ত 1:00 এপিসোড আমি ভাবতেই নাই এই প্রথম
- 1:05:53আমি কোনও ঘটনা পাঠাচ্ছি যেটা আমার নিজেরই এক্সপেরিয়েনের সাথে ঘটে
- 1:05:57দেওয়া। তো আমি কথা না বাড়িয়ে আমি খুব
- 1:05:59সরাসরি ঘটনায় চলে যাই। তার আগে আমি জায়গাটার যে বর্ণনা
- 1:06:03সেটা আগে দিয়ে নেই। এটা আমাদের লেখারই 1:00 জায়গা।
- 1:06:08আমাদের যে মাঠ মাঠের এক কোণে জায়গাটা অবস্থিত সেটা উৎসুক 1:00
- 1:06:13কবরস্থান ওখানে খুবই পুরনো 1:00 বটগাছ আছে।
- 1:06:17এটা নিয়ে অনেকের আগেও অনেকের সাথে অনেক মানে অনেক কিছু ঘটছে।
- 1:06:21এই বটগাছের কাহিনী সো আমি এগুলো পরে সময় পাইলে আমি ধীরে ধীরে বলব
- 1:06:26তো বটগাছের নীচে 1:00 ফুকুর আছে ঐটাও কেউ ইউস করে না।
- 1:06:29ওই জায়গাটাই মূলত কেউ করে না ওটা দিনের বেলায়ও খুবই 100 কেউ ওদিকে
- 1:06:33যায় না আর কি? তো মানে 1:00 পরিবার।
- 1:06:37তারা আমাদের গ্রামের 1:00 পরিবার তাদের ওখানে জায়গা আছে।
- 1:06:40বটগাছের নীচে তারা ভাবছে যে ওখানে বাড়ি করবে আর কি তো তারা ধীরে
- 1:06:45ধীরে বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করছে তো শুরু করছে এভাবে তারা
- 1:06:48দিনে কাজ করে অন্যান্য বাইরে কাজ করে রাত্রে তারা নিজেরাই তাদের
- 1:06:53নিজেরদের বাড়িটা নির্মাণ করতে চাই ধীরে ধীরে।
- 1:06:57তো রাত্রে তারা ওখানে যায়। তারা দুই ভাই এবং তার বাপ আছে।
- 1:07:01সবাই মিলে ওখানে যায়। কাজ টাজ করে মাটি টারি কাটা তোই
- 1:07:05তার যে বড় ছেলেটা সে একদিনের মাটি কাটছে।
- 1:07:08হঠাৎ করে যখন বটগাছের দিকে লাইট মারল তখন সে দেখল যে মানে কয়েকটা
- 1:07:12বাচ্চা খেলাধুলা করতেছে আর কি তো সে এটা দেখার সাথে সাথে তার
- 1:07:16বাবাকে বাইকে ডাক দেয় ডাক দিয়ে দেখায় পরবর্তী তারা।
- 1:07:21এরপরও তারা এটা কোনওভাবেই মাথায় নেই।
- 1:07:24এটা তারা এক সময় ভুলে গিয়েছিল। পরে তারা সম্পূর্ণ ভোট দেওয়া
- 1:07:27কমপ্লিট করল করার পরে তারা ওখানে থাকতে শুরু করল।
- 1:07:31তুই প্রতিদিন রাতে তাদের সাথে কিছু না কিছু করতে তাদেরকে
- 1:07:35স্বপ্নে দেখাচ্ছে যে এখান থেকে চলে যাইতে তাদের অসুবিধা হচ্ছে
- 1:07:38এখানে বাড়ি করাতে মানে খুবই অবস্থা খারাপ।
- 1:07:41এর পরে প্রতি রাতে তাদের ঘরে চালায়।
- 1:07:44ডিল মারা হচ্ছে মানে বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনতে পাইছে।
- 1:07:48এর পরেও তারা মানে এখান থেকে যাচ্ছেন আর কি তো এর কয়েক মাস
- 1:07:51পরেই। মানে তার যে ছেলেটা ওখানে ফড়ি
- 1:07:54দিকটা একটু 1:00 টয়লেট আছে। বুট গ্যাসের থেকে একটু দূরেই এটা
- 1:07:58কেউ উসে করেন আরকি এটার ধর জানাই আমি কেউ ইউস করেন আর একটু 1:00
- 1:08:02টয়লেট আর কি তো ওই টয়লেট টা হতে পারে ফাইভ ফিট মেবি তো ওই যে
- 1:08:08লোকটা সে হতে পারে ফাইভ পয়েন্ট ফাইভ।
- 1:08:11এরকম হতে পারে আর কি তো সে ওখানে বসা অবস্থায় জ্বলে আছে মানে সে
- 1:08:15তার ডেট বটে ওখানে চলে আসে বসা অবস্থায় মানে সুইসাইড করছে আর কি
- 1:08:19যেটা একদমই ইম্পসিবল ওখানে এভাবে মানে সুইসাইড করতে গেলে 1:00
- 1:08:23মানুষ একফোঁট উপরে তো থাকতে হয় মানে সে তো বসা অবস্থায় সে
- 1:08:27কিভাবে জ্বলে থাকে একদম মানে। বসা অবস্থায় কিছু তো যখন এই
- 1:08:32খবরটা পুটা বলল, আমরা সবাই গেলাম। এলাকার মানে আশপাশের মানুষ সবাই
- 1:08:37আসল দেখল এটা এরপরে তাকে ফুস ম্যাডামের জন্য নিয়ে দেওয়া
- 1:08:40হয়েছে। তো এই মাঠ থেকে একটু দূরেই আমাদের
- 1:08:45ঈদ মাঠটা এই যে 100 প্লেসটা এটা থেকে অনেকটা একটু দূরে আমাদের
- 1:08:50ইদমার টা আর কি তো আমরা ওখানে বসে সব সময় আড্ডাতেই আমরা ফ্রেন্ড
- 1:08:53সাইকেল মিলে তো। এর পরের দিন সন্ধ্যার সময় আমি
- 1:08:56এবং কি আমার ফ্রেন্ড ওখানে বসে আছি আর কি বসে আছি।
- 1:08:59পরবর্তীতে আমরা হঠাৎ করে লক্ষ্য করলাম যে।
- 1:09:02যে সুইসাইড করা ব্যক্তিটাকে নিয়ে আসছে তার ডেডবডি নিয়ে আসছে।
- 1:09:05ওখানে শুধুমাত্র তার ফ্যামিলির কয়েকজন লোক।
- 1:09:07কারণ এটা তো সুইসাইড ক্রাশ। সেজন্য আর কি তো আমরা গেলাম খুবই
- 1:09:13মানে কৌতূহল পোশাক তো আমরা গেলাম দেখার জন্য যে ডেডবডি কেমন হয় যে
- 1:09:17ইয়ে করার পরে। পরবর্তী আমরা গেলাম যাওয়ার পরে
- 1:09:22আমরাও গেছি। সামনে পড়ছি।
- 1:09:23সাথে সাথে যে খাবারটা কাবার টা খুলছে আর কি পড়ছে কাবারটা খুবই
- 1:09:28বিভৎস 1:00 চেহারা আমরা দেখলাম দেখে ভয় পেয়ে গেলাম কারণ এটা
- 1:09:31আমাদের ফার্স্ট এক্সপেরিয়েন্স ছিল আমি এবং কেমন ফ্রেন্ড এর।
- 1:09:34তো আচ্ছা যাক এরপরে আমরা ভয়ে ওখান থেকে চলে আসছি চলে এসে পরে
- 1:09:38বা। মোদিন ভালোভাবে গেল।
- 1:09:40যদিও এটা মাথার ভিতরে ঘুরতেছে সব সময় এর পরেও খুব ভালোভাবে গেছে।
- 1:09:44এর পরের দিন সন্ধ্যের সময় সেম টাইমে আমরা ওখানে বসে আছি।
- 1:09:47আড্ডা দিয়েছি আমি এবং কেমন সেই ফ্রেন্ডটাই হঠাৎ করে আমি লক্ষ্য
- 1:09:52করলাম যে ব্রডকাস্ট টার স্পষ্টভাবে আমি দেখেছি বডগাছ থেকে
- 1:09:55মানে উপর থেকে 1:00 কালো অবয়ব লোমশ 1:00 মানে।
- 1:09:59এই অশরীরী আত্মা গাছ থেকে ধীরে ধীরে নামছে এবং তার ফেসটা যে
- 1:10:05বানরের যে ফেস সেমি মানে 1:00 মানুষকে যখন এই ফোসমেট আপ করার
- 1:10:09পরে 1:00 যেমন 1:00 ফেস বাইর হয় তার সেম ফেস এটা ধীরে ধীরে
- 1:10:13নামতেছে না আমার আমি ভাবলাম কি আমি হয়তো বা ভুল দেখেছি আমি সাথে
- 1:10:17সাথে আমার ফ্রেন্ডকে ইনফর্ম করলাম আমার ফ্রেন্ড ও খুব ভালোভাবে মানে
- 1:10:20তাকায় আছে এটার দিকে। তো আমরা দেখছি স্পষ্টভাবে এটার
- 1:10:23নামতে ধীরে ধীরে নামতে নামতে এটা ফুকুর পর্যন্ত আইসা এটা 1:00
- 1:10:27মানুষ। নামাজ পড়া অবস্থায় রুখম সেম
- 1:10:30একটু কম ভাবে মানে মোর দ্যান 324 মিনিট এভাবে মানে আছে আর কি গ্রুপ
- 1:10:36দেওয়ার মতো অবস্থায়। অর্ধেক হয়ে আছে আর কি?
- 1:10:40পরবর্তীতে অনেকক্ষণ 34 মিনিট পরে এটা ধীরে ধীরে পুকুরের দিকে নেমে
- 1:10:44গেছে। আমরা স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি
- 1:10:46আমরা এই বিষয়টা দেখে আমরা ভয় পেয়ে গেছি আমরা পরে বাসায় চলে
- 1:10:49গেছি তো বাসায় গিয়ে আমি পড়তে পারছিনা পড়ার প্রতি আমার খুবই
- 1:10:53মানে হয়ে গেছি। খুবই খারাপ লাগছে আমার
- 1:10:55শারীরিকভাবেও খুব মানে। ভালো লাগছিল না আমার তো আমি কি
- 1:10:59করছি আমি নয়টার সময় সই পড়ছি খাওয়া দাওয়া করি নাই তো শুয়ে
- 1:11:03পড়ছি কিন্তু আমার ঘুম আসছে না। আমার বেডরুমে এখানে আমি শুয়েছি
- 1:11:07আমার আমরা ভাবছি ছিল আমি টেবিল এর উপর এখনও বর্ষা পড়তেছি কারণ আমি
- 1:11:11দশটার পরই খাওয়া দাওয়া করতাম তো আমারা মুরা পাশের ঘরে গিয়ে
- 1:11:16খাওয়া দাওয়া করছে। তো খাওয়া দাওয়া করছে।
- 1:11:19আমি আওয়াজ পাচ্ছি তাদের কথার আওয়াজ পাচ্ছি।
- 1:11:21কিন্তু আমি যে 1 ঘণ্টা ধরে শুয়ে আছি আমি ঘুমাই নাই তো আমার যে
- 1:11:24পড়ার টেবিল টা এটা আমার মানে ব্যাড এর সাথে একজাস্ট করার কি
- 1:11:29তো? আমি যখন শুই তখন আমি স্পষ্টভাবে
- 1:11:31ফর টেবিলের নিচে আমি দেখতে পাই আর কি?
- 1:11:34তো আমি হঠাৎ করে লক্ষ্য করলাম যে সেম যে অবয়ব টা লো মৎস্য যে অবাক
- 1:11:39প্রায় বঙ্কি মানে মুখটা লম্বা বানরের মতো লম্বা 1:00 মুখ এটা
- 1:11:45আমার দিকে খুবই খুবই মানে এই তিক্ততা হইলে 1:00 মানুষের উপর
- 1:11:50মানে এইভাবে তাকাইয়া আমার দিকে চোখগুলো লাল করে আমার দিকে তাকাই
- 1:11:55আছে মনে হয় যে আমার উপরে। যাক এরকম অবস্থা।
- 1:11:57পরে আমি দেখছিস আমি যখন তাকাইছি মানে তিন থেকে চার সেকেন্ডের
- 1:12:02ভিতরে এটা লাফ দিয়ে আমার বুকের উপরে বসে আমার মানে এই গলা ছাপ
- 1:12:07দিয়ে ধরছে দুই হাত দিয়ে তখন আমি আমার শরীরে বিন্দুমাত্র স্বপ্ন
- 1:12:12করতে পারিনি। একদম আমার বোন ঐ যে আমি খুবই 1:00
- 1:12:15বডি যেরকম আমি এরকম কোন লড়তে ধরতে পারতে পারতেছি না আমি
- 1:12:18আওয়াজও করতে পারতিছি না। 30 সেকেন্ড পরে হতে পারে।
- 1:12:22আমি হঠাৎ করে মানে আওয়াজ করতে পারছি।
- 1:12:24আমি আমার মরে দৌড় 1:00 ডাকছি একটার আগে দিচ্ছি ডাক দেওয়ার
- 1:12:27সাথে সাথে এটা লাফ দিয়ে নীচে নামে গেছে নামে যাওয়ার পরে আমি
- 1:12:31আর এটার থেকে না তাকিয়ে আমি সাথে সাথে ব্ল্যাঙ্কেট টা আমার মাথার
- 1:12:34উপরে দিয়েছি আমি ব্ল্যাঙ্কেটের ভিতরে চলে এসেছি তো।
- 1:12:37আমার আম্মু আমার ডাক্তারটা শুনতে পাই সে শুনতে পাই আসছে আইসা বলছি
- 1:12:40কি হয়েছে কি হয়েছে পরে লাইট জ্বালাইছে আমি বিশ্বাস করতে পারছি
- 1:12:44না যে আসলে আমি কি আমার আম্মু নাকি অন্য কেউ?
- 1:12:47কারণ আমি তখন মানে বিশ্বাসই করতে পারছিনা আমার সাথে কি হচ্ছে তো
- 1:12:51আমি ভয় আর আমি করিনি মানে ব্ল্যাঙ্কেড এর থেকে বাইরে আর কি
- 1:12:55তো পরবর্তী আমার লাইক বন্ধ করে চলে গেছে চলে যাওয়ার পরে আমি।
- 1:13:00স্বাভাবিক হলাম। অনেকক্ষণ পরে তো এটা আমি আর কাউকে
- 1:13:03বললাম না, ভাবলাম যে এটা আমার ভুল হইতে পারে তো এর পরের দিন
- 1:13:07সন্ধ্যার সময় আমার বলতেছে যে দোকান থেকে কিছু নিয়ে আসার জন্য
- 1:13:11সামথিং কিছু 1:00 নিয়ে আসার জন্য বলছি তো আমি দোকানে যাচ্ছি।
- 1:13:15দোকানে দেওয়ার আগে আমাদের বাড়ি থেকে বাইরে।
- 1:13:18মানে 2 মিনিট হাঁটার পরেই 1:00 মোর আছে।
- 1:13:21এখানে তিন রাস্তার মোড় এখানে 1:00 তালগাছ আছে খুবই পুরনো 1:00
- 1:13:24তালগাছে তালগাছকে নিয়ে অনেকগুলো ঘটনা আমাদের গ্রামে শুনতে পাওয়া
- 1:13:27যায় আর কি তো এটা কেউ কাটেও না কেউ এটার মানে কোনও কিছু ঢালু
- 1:13:31কাটে না কিছু কাটে না তো আমি লক্ষ্য করলাম যে এই তাল গাছের নীচ
- 1:13:35থেকে মানে 1:00 সাদা 1:00 এই। মুরগি এবং ছোট ছোট 3:07 বাচ্চা
- 1:13:41মানে সিদা এত লম্বা তালগাছে উঠে যাচ্ছে হেঁটে হেঁটে পরে একদম উপরে
- 1:13:46যখন উঠল তখন আমি দেখলাম সেম যে অভাবটা এটা বসে আছে আমার দিকে
- 1:13:50খুবই মানে প্রাগান্বিতভাবে তাকিয়ে আছে এবং কি সবগুলো খুবই
- 1:13:54লাল হয়ে আছে? পরে আমি আর মানে ওটার দিকে না
- 1:13:58তাকায়। আমি সাথে সাথে মানে তো একদোট
- 1:14:00দিয়ে বাসায় চলে গেছি। খুবই মানে সন্ধ্যার সময় তখন
- 1:14:04সময়টা ছিল খুবই সন্ধ্যা তো আমি সাথে সাথে বাসায় চলেই গেছি
- 1:14:07বাসায় চলে যাওয়ার পরে আমি কাঁপতেছি।
- 1:14:11আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বেরুচ্ছে না।
- 1:14:14আমার আম্মু বলছে মানে এটা আনসোৎ নাকি হয়েছে তোর তুই কি ভয় পাইছ
- 1:14:17নাকি কি হয়েছে আমার অনেক মানে কস্টিং করতেছে।
- 1:14:20আমি প্রায় আধা ঘন্টার মতো কোন কথাই বলতে পারতেছি না।
- 1:14:23তো পরবর্তীতে যখন আমি নরমাল হলাম আমি ধীরে ধীরে আমার আম্মুকে
- 1:14:27বিষয়গুলো খুলে বললাম। অ্যাটফাস্ট থেকে তো আমার আব্বু
- 1:14:30একজন হুজুর মানুষ। আমার আব্বু মানে যার বুক করে
- 1:14:34এগুলো খুবই ভালো জানে তো আমরা যখন আবুরে বলছে আব্বু আমার আইসা পানি
- 1:14:38পড়া দিচ্ছে বা তাবিষ্টা তারপুক লাগে এগুলো করতে করার পরে আমি
- 1:14:42একটু স্বাভাবিক হলাম। বুট ছয় মাস পর্যন্ত আমি একা ঘর
- 1:14:46থেকে বেরুতে পারতাম না। আমার আম্মু কোথাও যদি আমাকে ক্রমে
- 1:14:49রেখে আরেক ক্রমে গেল আমি খুবই ঠিক করে উঠতাম।
- 1:14:51ওয়াই ফি দাম আমি খুবই 1:00 আতঙ্কের ভিতরে ছিলাম।
- 1:14:54আমাকে নিয়ে আমার ফ্যামিলি খুবই মানে আতঙ্কে ছিল।
- 1:14:57কারণ আমি এরকম কেন করতেছি তারা নিজেরাও উপস্থিত ছিল না।
- 1:15:00তখন আমারও মাথায় ধরছে না যে আমি কেন করতেছি।
- 1:15:04তো পরে পরে ধীরে ধীরে মানে আমি স্বাভাবিক হইলাম।
- 1:15:06এর পরে আমি প্রায় এক দেড় বছর পরে আমি আর এটা থেকে আর কোনও কিছু
- 1:15:11রিলায়েন্স করিনি। এক দেড় বছর পরে আমি যখন বাইরে
- 1:15:14আসছি বাইরে আসার পরে আমি শুনতে পাই যে তার যে মেজো ছেলেটা সে
- 1:15:19ট্রেনের নিচে ছাপা পড়ে মারা গেছে ঠিক আছে মানে।
- 1:15:23নো রিসন এটা সুইসাইড করছে সে কারণ সে নিয়ে দিচ্ছে কি তো ভাবে ওখানে
- 1:15:26লোকে দেখছে যে মানে দিচ্ছে কি তো ভাবে সে নাকি মাথাটা মানে রেল
- 1:15:30লাইনের উপরে দিয়েছে এবার সে হিট তো এর পরে কয়েক এর কয়েক মাস পরে
- 1:15:37তার যে 1:00 মেয়ে ছিল সেই মেয়েটা মানে বিষ খাইছে বেশ
- 1:15:41খাইয়ে সুইসাইড করছে। তো সুইসাইড করার পরে তারা মানে
- 1:15:44তখন রিলিজ করতে পারল যে একে একে 3:00 মানুষ মানে সুইসাইড করতেছে
- 1:15:49কেন করতেছে কোনও রিসন ছাড়া তারা কোনও খুঁজে পাচ্ছে না তো এক
- 1:15:53পর্দায় তারা ওই যে আগের স্বপ্নে দেখানোর যে কাহিনীগুলো এগুলো
- 1:15:56তাদের মনে পড়ল এবং কি তারা এখন অলরেডি ওই জায়গা থেকে তারা চলে
- 1:16:01গেছে। ওই জায়গাটা ছেড়ে তারা চলে গেছে।
- 1:16:04এখন আলহামদুলিল্লাহ। তারা অনেক ভালো আছে সো এটা ছিল
- 1:16:07আমার ঘটনা। যদিও ঘটনাটা অনেক লম্বা।
- 1:16:10আমি আসলে গোছাই বলতে পারছি কি না সেটা আমি জানি না।
- 1:16:12কারণ এটা আমার ফার্স্ট স্টোরি ছিল তো ধন্যবাদ দিছে না ধন্যবাদ রাসেল
- 1:16:17ভাই আসসালামু আলাইকুম। কম ব্যাক আপনাদের সবাইকে আরও
- 1:16:24একবার স্বাগত জানাচ্ছি। আমি রাসেল শুনছেন ভূত.কম এবং আজকে
- 1:16:29ভেরি স্পেশাল এপিসোড ফর ইউ যেখানে আমরা বাসায় বসে সবাই ঘটনা
- 1:16:33পাঠিয়েছেন আমাদের কাছে এবং আমি বাসায় বসে আপনাদের কাছে এই ঘটনা
- 1:16:38পৌঁছে দিচ্ছি। পুরো জিনিসটাই হোমমেড 1:00
- 1:16:40ব্যাপার। সুতরাং কাউকে বাসার বাইরে যেতে হল
- 1:16:43না। কিন্তু 100 টা নেমে গেল চমৎকার
- 1:16:47এবং এই জন্য আপনাদের আরও সহযোগিতা চাই।
- 1:16:50আমি চাই যে আপনারা পরবর্তীতে আরও অনেক অনেক অনেক অনেক ঘটনাগুলো
- 1:16:53আমাদেরকে পাঠাবেন এবং সেই ঘটনা যদি আপনি পাঠান যদি অব্যাহত রাখেন
- 1:16:58এভাবে পাঠানো তাহলে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।
- 1:17:01এখন যেটা চাই সেটা হচ্ছে যে আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস টা জানতে
- 1:17:04চাই। আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস হচ্ছে।
- 1:17:06রাসেল.ভূত.কম এত জিমেল.কম। এখানে যত বেশি পারেন আমাকে অডিও
- 1:17:11ক্লিক পাঠান এবং সেই অডিও ক্লিপ দিয়েই আপনাদেরকে সামনের
- 1:17:15সময়গুলোতে ঘটনা শোনাবো। যতদিন পর্যন্ত আমাদের পুরো
- 1:17:21পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে। চেষ্টা করব তিনি পর্যন্ত ভূত.কম
- 1:17:26চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি দরকার।
- 1:17:30এখন চো যাব আমি আমাদের খুবই একজন পরিচিত আমাদের একজন।
- 1:17:36প্লাস আমার খুব কাছের একজন তার কাছে এবং তার পরিচয় সেই দিক।
- 1:17:42আমি আশা করছি সেই তার পরিচয় দেবে এবং আমার মনে হয় যে আপনাদের কাছে
- 1:17:48তার ঘটনাটি ভালো লাগবে তিনিও বাসায় বসে আমাদের ঘটনা
- 1:17:51পাঠিয়েছেন এবং আশা করছি যে তার এই অডিও ক্লেকটি আপনার অনেক বেশি
- 1:17:56পছন্দ করুন। চলুন শুনে আসি।
- 1:18:02আসসালামু আলাইকুম রাসূল ভাইয়া আশা করি ভালো আছেন।
- 1:18:05আমি আজকে যে স্টোরি টা শেয়ার করব এটা আমার 1:00 ফ্রেন্ড এর কাছ
- 1:18:08থেকে শোনা ফ্রেন্ড এর নাম হল আকিব তো।
- 1:18:12আকিবের এলাকায় এক দম্পতি ছিল। সেই দম্পতির সাথে ঘটে যাওয়া একটি
- 1:18:18ঘটনা। সেই দম্পতি অনেকদিন কোনও বাসা
- 1:18:23খুঁজে খুঁজে পাচ্ছিল না। হঠাৎ করে তারা গাজীপুরের দিকে
- 1:18:26একটি বাসা পায়। সেই বাসাটা ছিল একেবারে রাস্তার
- 1:18:29ধারে। একেবারে ডোড সাইডে রোড সাইডে 1:00
- 1:18:33বারান্দা ছিল। তো সেখানে হচ্ছে তারা ওঠে যথারীতি
- 1:18:38তাদের নতুন মাসে শিফট করে শিফট করার পরে।
- 1:18:42তাঁর হাসব্যান্ড এর কোনও 1:00 কারণে সাত দিনের জন্য ঢাকার মানে
- 1:18:46গাজীপুরের বাইরে যাওয়া লাগে। এরপর যখন হচ্ছে তার হাসব্যান্ড
- 1:18:52বাড়ি থেকে চলে যায় তখন হচ্ছে তার ওয়াইফকে একা রেখে যায় এবং
- 1:18:56বলে যে কোনও যদি সমস্যা হয় প্রতিবেশীরা আছে।
- 1:18:59প্রতিবেশীদের সাথে শেয়ার করব কিংবা কোনও সমস্যা হলে তাদের কাছে
- 1:19:03যাওয়া তারা হেল্প করবে তোমাকে। তো রাসু ভাইয়া একদিন তার ওয়াইফ
- 1:19:08মানে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। একদিন হচ্ছে তার বয়স ঠিক দেখে
- 1:19:12তাঁর বাসার বাইরে অর্থাৎ রোডের ধারে 1:00 সাদা বিড়াল হেঁটে
- 1:19:16যাচ্ছে তো সে সেই বিড়ালটাকে আদর করে আদর করার পরে সে বাসায় এসে
- 1:19:21পড়ে বাসায় এসে রান্নাবান্না করে শেষ শুয়ে পড়ে।
- 1:19:24এরপর সবাই হঠাৎ করে বারান্দা থেকে আওয়াজ পায় যে মানে মেয়েও করে
- 1:19:291:00 আওয়াজ খুব করুন শব্দ এবং মানে কোনও 1:00 সাথে কোনো 1:00
- 1:19:35কাচের কিছু ভেঙে যাওয়ার 1:00 শব্দ পায়।
- 1:19:37এর পরে সে দৌড়ে সে বারান্দায় চলে যায় যে কি হয়েছে সেটা দেখার
- 1:19:41জন্য। এবার সভায় যেয়ে দেখতে পারে সেই
- 1:19:44বিড়ালটার গলা পুরো আলাদা করা এবং মানে কি বলবো চারদিকে রক্তে ভাষা
- 1:19:51এবং রাসুল ভাই 1:00 কাচের। চার কিংবা কাচের বোতল বলা যেতে
- 1:19:56পারে সেটা হচ্ছে ওই বিড়ালের মৃতদেহের ওখানে পড়ে আছে ভাঙা
- 1:20:01অবস্থায়। এরপর রাসেল ভাই, মোটামুটি সবকিছু
- 1:20:05স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তার ওয়াইফ কিছু জিনিস
- 1:20:08নোটিস করে প্রত্যেকদিন রাত্রেবেলা।
- 1:20:12কেউ হয়তো হঠাৎ করে কিচেনে কাজ করছে কিংবা এই টাইপের সাউন্ড
- 1:20:16পাচ্ছে কিংবা কেউ ওয়াশরুমে যাচ্ছে।
- 1:20:19ওয়াশরুমে যে ট্যাব ছেড়ে দিচ্ছে কিংবা।
- 1:20:23কেউ তো অন্য রুম এ সাউন্ড করছে আবার মাঝে মাঝে বাচ্চার আওয়াজ
- 1:20:26বিভিন্ন ধরনের সাউন্ড সে শুনতে পেত।
- 1:20:29প্রথম দিকে রাসেল ভাই সে মনে করত যে সে বিভিন্ন ধরনের ভূতের স্টোরি
- 1:20:33টরি পরে কিংবা এই টাইপের অনেক কিছু সে অবসার্ভ করে।
- 1:20:37যার কারণে মানে হয়তো বা এটা কোন হ্যালোসিনেশন কিংবা এই টাইপের কোন
- 1:20:41সমস্যা হতে পারে। তার সাথে।
- 1:20:43কিন্তু রাসূল ভাই একদিন সে কোনও 1:00 কারণে যখন সাউন্ডটা পায় সে
- 1:20:49সাহস করে রান্না করা যায়। রান্নাঘরে গিয়ে দেখতে পারেন রাসূ
- 1:20:53ভাই কোনও 1:00 ছায়া মূর্তি ঠিক তার মানে পারানদার দিকে দৌড়
- 1:20:58দেয়। দৌড় দেওয়ার পরে এটা দেখে সে মনে
- 1:21:01করে যে আচ্ছা মানে কিছু হয়তো সমস্যা হচ্ছে সে একটু ভয় পেয়ে
- 1:21:06যায়। এরপরে সে হাত মুখ ধুয়ে তার
- 1:21:08বিজনেস হয়ে পড়েন। এরপরে রাসুল ভাই পরের দিন
- 1:21:12সকালবেলা উঠে সে আয়নার সামনে বসে।
- 1:21:14পাঁচ রাত ছিল তখন রাসুল ভাই ঠিক তার আয়নার পেছন সাইড এ ছিল তার
- 1:21:19জানালা এবং জানালা দিয়ে দেখতে পারে কোনও একজন মানুষ মানে ওই
- 1:21:24ছায়ামূর্তিটা আর কি ওটা তখন হচ্ছে বোঝা যাচ্ছে যে মানে কোনও
- 1:21:281:00 মানুষের মতো আকার সে উঁকি দিচ্ছে।
- 1:21:32এটা দেখে রাস্তাধারী সে পিছনে ঘোরে।
- 1:21:35এবং দেখতে পায় যে সে ছায়া মূর্তিটা মানে সে স্পষ্ট দেখতে।
- 1:21:38পাচ্ছে যে সে যে। ছায়ামূর্তিটা জান্নাত থেকে উঁকি
- 1:21:42দিয়ে আবার সরে গেল তো ভাইয়ের পরে সে জানলা টালা আটকিয়ে।
- 1:21:47তার প্রতিবেশিতার বাসায় চলে যায়।
- 1:21:49যে বলতে থাকে যে আমি বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে আছি।
- 1:21:52তখন হচ্ছে প্রতিবেশীরা এই সমস্যাগুলো তুলে বলে।
- 1:21:54আচ্ছা সমস্যা নেই। এর পরে যদি তুমি কখনও কোনও কিছু
- 1:21:57অনুভব করো, আমাদেরকে একটু জানাবেন আমরা তাহলে থাকব।
- 1:22:01এরপর আসাদ ভাই তার একজন প্রতিবেশী মানে তার ফ্রেন্ড বলতে পারেন সে
- 1:22:06তার বাড়িতে এসে থাকা শুরু করে। এখন রাস্তায় পাশের রুমটাতে সেই
- 1:22:10মানুষটি ছিল এবং সেই যে যার সাথে ঘটনাগুলো ঘটছে সে একটি রুমে শুয়ে
- 1:22:16ছিল। রাসু ভাই ঠিক যখন শুয়ে ছিল সে
- 1:22:20দেখতে পারে রাত্রিবেলা তার মাথার উপরে অর্থাৎ একদম ঠিক বরাবর উপর
- 1:22:26দিকে সে ছায়া মূর্তিটা গলায় তড়ি দিয়ে ফ্যান এর সাথে ছলছে
- 1:22:32এবং এটা দেখার পরে সে এতটা ভয় পেয়ে যায় সে দৌড়ে সেই।
- 1:22:37সে আরেকজনের কাছে চলে যায় যে তার পাশের রুম এ ছিল তার কাছে যাওয়ার
- 1:22:40পরে সে বলতে থাকে যে মানে এরকম এরকম কিছু হচ্ছে আমার সাথে আমি
- 1:22:45ওরকম শুনতে পারছি না। আমি কি করবো আমি জানি না বলে
- 1:22:47রাস্তার ভাই সে তার জ্ঞান হারায়। এর পরে তাকে সকালবেলা সকালবেলা
- 1:22:53সবাই হচ্ছে তাকে উদ্ধার করে এবং সেই যে আপুটি ছিল তার সাথে সে
- 1:22:57হচ্ছে তার মাথায় পানি টানি দিয়ে সব কিছু ঠান্ডা করে সবকিছু বলে
- 1:23:00সবাইকে। আর ঠিক এর মাঝে রাসায় হঠাৎ তাঁর
- 1:23:04হাসব্যান্ড চলে আসে তার পাশে আসার পরে সে ফার্স্ট এই করে কি তার যে
- 1:23:09হুজুর আছে সে এলাকায় এবং বড় মসজিদটা আছে সেই হুজুরের কাছে
- 1:23:13যায় এবং হুজুরের কাছে শোনে যে হুজুর এই বাড়িতে এমন কি আছে আপনি
- 1:23:17একটু আমার সাথে চলে। তো সাথে যাওয়ার পরে হুজুরও সাথে
- 1:23:20আসে। আসার পর বলল যে এই বাড়িতে একজন
- 1:23:24লোক থাকত। যেহেতু হচ্ছে এই বাড়ির আসল মালিক
- 1:23:28তারা বিদেশে অবস্থানরত আছেন তো এবং কে র টি গাড়ি টা দেখাশোনা
- 1:23:32করে সো সেই। বাড়িতে একজন লোক হঠাৎ করে
- 1:23:37উঠেছিল। সে লোকটা একাই থাকত।
- 1:23:41ঘরে দাঁড়িওয়ালা এবং সে হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রিচুয়ালস কিংবা এই
- 1:23:46টাইপের জিনিসগুলো সে পালন করত কিংবা ব্ল্যাক ম্যাজিক কিংবা জিন
- 1:23:50হাজির আত্মাহাজির এই টাইপের কাজগুলো সে করে থাকত।
- 1:23:53সাধারণত তো। সেই ওয়াইফ যে লোকটার ওয়াইফকে
- 1:23:58জিজ্ঞেস করে যে আপনি কি কিছু এরকম কোনও অস্বাভাবিক কি কি হয়েছিল
- 1:24:02আপনার সাথে শুরু থেকে একদম বলেন তো সে একবার রয়েছে বিড়ালের
- 1:24:05স্টোরি থেকে শুরু করে সে সব কিছু বলল বলার পরে সে হুজুরটা বলেছে এই
- 1:24:09বাড়িতে এখন 1:00 পথ জিনের আঁচড় আছে।
- 1:24:12সেটা হচ্ছে সেই লোকটা হয়তো 1:00 কোন চিন বন্দি করেছিল।
- 1:24:16সেই বন্দি করার পরে যখন সে বিড়ালটা কোনমতে হয়তো এই জাগটাকে
- 1:24:21ফেলে ভেঙে ফেলে এবং সেই চিন্তা যখন মুক্তি পায় সে প্রথমে সেই
- 1:24:25বিড়ালটার রক্ত পান করে কিংবা এই টাইপের বিড়ালটাকে আগে মেরে ফেলে।
- 1:24:30এর পরে রাসেল ভাই মানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা কিংবা ওই মহিলাটার
- 1:24:34উপরে বিভিন্ন আক্রমণ করারও হয়তো বা ট্রাই করেছিল সেই জিনটা।
- 1:24:38এবং হুজুর পরে ঘর বন্ধ টন্ধ করে দিয়ে যায়।
- 1:24:42ঘর বন্ধ করার পরে বলে যে এই জিন টাকে এখান থেকে হয়তো বা সরানো
- 1:24:45যাবে না। কেননা এই জিনের সাথে অনেক কিছুই
- 1:24:48হয়তো অনেক অত্যাচার করা হয়েছে চিন্তার উপরে এবং এই জিনটা অনেক
- 1:24:51শক্তিশালী তো তাকে বলা হয় যে আপনি তাহলে বাসাটা চেঞ্জ করে
- 1:24:54ফেলেন। এটা হচ্ছে সবচেয়ে ভাল বুদ্ধি।
- 1:24:58এর পরেও রাসুল ভাই তারা যত দ্রুত সম্ভব সেবাসা থেকে সরে যায় এবং
- 1:25:02সেই বাসাটা এখনও রাসুল ভাই গাজীপুরে এখন পর্যন্ত তালাবদ্ধই
- 1:25:07আছে। সেই বাসাটাতে এখনও কেউ উঠতে পারে
- 1:25:09না। সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।
- 1:25:26আমি রাসেল আজ ক্ষেত দেখতে দেখতে আমাদের যে এপিসোড টা সেই এপিসোড
- 1:25:30টা শেষ হয়ে গেল। কিন্তু এপিসোডে চমৎকার কিছু
- 1:25:33স্মৃতি থেকে গেল আমাদের ভূত ডটকমের প্রথম একটি এপিসোড যে
- 1:25:41এপিসোডটি আমরা বাসায় বসে সবাই করতে পেরেছি।
- 1:25:45এবং আমরা বাসার বাইরে না গিয়ে আমরা নিরাপদে থেকে আমরা আমাদের
- 1:25:50নিজেদের জায়গা থেকে আমরা এরকম একটি এপিসোড আপনাদের উপহার দিতে
- 1:25:54পেরেছি। আমাদের চারিদিকে হয়তো এখন তো
- 1:25:59সময় আর দুঃসময়ই আমরা সবচেয়ে বেশি ভুল করি।
- 1:26:02সুতরাং মাথা রাখতে হবে ঠান্ডা এবং হৃদয় রাখতে হবে উষ্ণ আমরা।
- 1:26:10পরস্পরের প্রতি যেভাবে এগিয়ে যাব সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব ঠিক
- 1:26:15একই ভাবে। আমরা আমাদের নিজেদের খেয়াল রাখব
- 1:26:18যে নিজেকে ভালবাসে সে পণ্যকে ভালবাসে যে অন্যকে ভালবাসে সে
- 1:26:24পুরো দেশের মানুষকে ভালবাসে। আমার কাছে তাই মনে হয় সুতরাং
- 1:26:28আপনি আপনার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
- 1:26:31আপনার চারপাশের মানুষগুলো প্রতি এবং আমি যেটা বলেছি যে ভূত.কম এর
- 1:26:35মাধ্যমে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় শুধু
- 1:26:38নমুনা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় যারা আছেন আপনাদের চারপাশের
- 1:26:41মানুষগুলোকে আপনারা সহযোগিতা করুন এবং আপনাদের সাথে আমি সব সময়
- 1:26:46আছি। আমার কাছে যে ধরনের সহযোগিতা
- 1:26:49আপনারা চান সে ধরনের সহযোগিতা আপনারা পেতে পারেন।
- 1:26:51আপনাদের চারপাশের মানুষ যে মানুষটি আপনার বাসার।
- 1:26:55ড্রাইভার ছিলেন যে মানুষটি আপনাকে প্রতিদিন রিকশায় করে স্কুলে।
- 1:27:02কলেজে বা ই ডি ভার্সিটিতে নিয়ে যেতেন যে মানুষটি আপনার বাসায়
- 1:27:07গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে আসতেন সেই সমস্ত মানুষকে আপনি সাহায্য
- 1:27:12করুন। যতটা পারেন একেবারেই লজ্জা করবেন
- 1:27:15না। আপনার ক্ষমতা নিয়ে বা আপনার
- 1:27:18কতটুকু দেওয়ার আছে সেটা নিয়ে আপনি যা দেবেন সেটা দরকার।
- 1:27:22এবং চারপাশের মানুষগুলো কিছু আমরা সহযোগিতার হাত না বাড়ায়।
- 1:27:26তাহলে এভাবে একা বাঁচার মধ্যে। কোনও আনন্দ নেই।
- 1:27:30বাঁচতে হয় সবাইকে নিয়েই দেখেন পুরো পৃথিবী এখন এক হয়ে যাচ্ছে
- 1:27:36এবং এই পুরো পৃথিবীর মানুষ যখন খারাপ থাকে আমরা তো পৃথিবীর
- 1:27:40বাসিন্দা আমাদের কিন্তু খারাপ লাগে।
- 1:27:42আমাদের হৃদয় কাঁদে। আমাদের মন খারাপ হয়।
- 1:27:46এই দুঃসময় চলে যাবে। আমরা সবাই আবার 1:00 সুস্থ পৃথিবী
- 1:27:52পাব সেই সুস্থ পৃথিবীর জন্য আমাদের চিন্তাগুলো কেউ সুস্থ
- 1:27:57করাটা খুব বেশি জরুরি। আমাদের মধ্যে একাত্মবোধ্য যদি না
- 1:28:01থাকে সহানুভূতি না থাকে। কী লাভ হল আমাদের এই জীবনের?
- 1:28:08আমার মনে হয় আমার চার। পাশের মানুষগুলোকে দেখব সেই সাথে
- 1:28:12পৃথিবী শেপ গুলো মেরে চলব। হাত ধোবো বারবার চোখে হাত দেবো না
- 1:28:19নাকে হাত দেব না। মুখে হাঁটতে পোনা এবং সামাজিক
- 1:28:23দূরত্ব বুঝিয়ে রাখব। আর মনে রাখব আমাদের ইমেইল
- 1:28:27অ্যাড্রেসটি রাসেল.বুক.কম, অ্যাট দি ওয়েট, জিমেল.কম, অডিও ক্লিক
- 1:28:32পাঠাতে একেবারেই ভুলব না। যদি ভূত.কম সামনের দিকে এগিয়ে
- 1:28:36নিতে চাই তাহলে আর সে। সাথে।
- 1:28:40সবার সুস্থতা কামনা করছি ফিরে আসবো আবারও।
- 1:28:44আগামী শুক্রবারে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং
- 1:28:50আপনাকে বলব ভূত.কম এর সাথেই থাকুন।